Category: উত্তরবঙ্গ

  • নিয়োগ চাই চাকরি চাই_বিজেপি তাই এই স্লোগানকে সামনে রেখে মাথা ভাঙ্গায় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি বিজেপির।

    নিয়োগ চাই চাকরি চাই_বিজেপি তাই এই স্লোগানকে সামনে রেখে মাথা ভাঙ্গায় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি বিজেপির।

    “নিয়োগ চাই, চাকরি চাই”—বিজেপি তাই, স্লোগানকে সামনে রেখে মাথাভাঙ্গা পোস্ট অফিস মোড়ে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

    মাথাভাঙ্গা পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় শুক্রবার বিজেপির ডাকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে সামিল হলেন বহু যুবক-যুবতী। “নিয়োগ চাই, চাকরি চাই”—এই দাবিকে সামনে রেখেই এদিন পথে নামেন তাঁরা।

    অভিযোগ, রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই চাকরির সুযোগ কমছে, বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। সেই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচি বলে জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে।

    কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যুবক-যুবতীরা জানান, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা কাজ পাচ্ছেন না। দ্রুত স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া ও স্থায়ী চাকরির দাবি তুলে ধরেন তাঁরা।

    এ বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, যুব সমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াতেই এই উদ্যোগ। তাঁদের দাবি, গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে সংগৃহীত দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হবে।
    এ বিষয়ে কি বলছেন তারা শুনুন

  • ট্রেনিং চলাকালীন চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু সিভিক ভলেন্টিয়ারের, ট্রেনিং ক্যাম্পে অ্যাম্বুলেন্স চিকিৎসক না থাকায় উত্তাল ফুলবাড়ী পুলিশ ক্যাম্প দেখুন আসলে কি ঘটেছিল দেখুন বিস্তারিত ।

    ট্রেনিং চলাকালীন চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু সিভিক ভলেন্টিয়ারের, ট্রেনিং ক্যাম্পে অ্যাম্বুলেন্স চিকিৎসক না থাকায় উত্তাল ফুলবাড়ী পুলিশ ক্যাম্প দেখুন আসলে কি ঘটেছিল দেখুন বিস্তারিত ।

    চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু সিভিক ভলান্টিয়ারের! ট্রেনিং ক্যাম্পে অ্যাম্বুলেন্স–ডাক্তার না থাকায় উত্তাল ফুলবাড়ী পুলিশ ক্যাম্প


    শিলিগুড়ি | ফুলবাড়ী
    গতকাল রবিবার শিলিগুড়ির ফুলবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পে ট্রেনিং চলাকালীন মৃত্যু হল সিভিক ভলান্টিয়ার পঙ্কজ বর্মন (বয়স ৩৩)-এর। পরিবারের অভিযোগ—চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যু।
    পরিবার ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ পঙ্কজ বর্মন ফুলবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পে ৭ দিনের প্রশিক্ষণে যোগ দেন। সারাদিন ট্রেনিং শেষে রাতে প্রায় ১টা নাগাদ তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন, মাথা ঘোরে এবং স্ট্রোকের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। অভিযোগ, সেই সময় ট্রেনিং ক্যাম্পে কোনও চিকিৎসক, প্রাথমিক চিকিৎসা কিংবা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না। রাতভর কার্যকর চিকিৎসা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়।


    ভোর হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যান্য সিভিক ভলান্টিয়াররা। মৃতদেহ ক্যাম্পে রেখেই শুরু হয় বিক্ষোভ। প্রশিক্ষণ বন্ধ রেখে দীর্ঘক্ষণ প্রতিবাদ চলে। তাঁদের দাবি—প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে ন্যূনতম চিকিৎসা পরিকাঠামো না থাকাই এই মৃত্যুর মূল কারণ।
    পঙ্কজ বর্মনের বাড়ি মাথাভাঙ্গার চোঙ্গারখাতা–খাগরিবাড়ি এলাকায়। এলাকায় তিনি অত্যন্ত ভদ্র ও পরিশ্রমী যুবক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

    ব্যক্তিগত জীবনেও চরম দুর্দশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল পরিবারটি। দুই বছর আগে ক্যান্সারে তাঁর বাবা পরমেশ্বর বর্মন মারা যান। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মৃত্যু হয় মা রেনুকা বর্মন-এর। বর্তমানে পরিবারে একমাত্র সদস্য তাঁর অসুস্থ ভাই শংকর বর্মন। সামান্য বেতনে ভাইয়ের চিকিৎসা ও সংসার চালাতে গিয়েই প্রতিদিন লড়াই করছিলেন পঙ্কজ।


    পরিবারের স্পষ্ট অভিযোগ—সময়মতো চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স মিললে আজ পঙ্কজ বেঁচে থাকতেন। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

  • ট্রাফিক পুলিশের কাজ দেখে শহরের মানুষ বাড়িয়ে দিল বন্ধুত্বের হাত কি এমন করল ট্রাফিক পুলিশ, দেখুন বিস্তারিত।

    ট্রাফিক পুলিশের কাজ দেখে শহরের মানুষ বাড়িয়ে দিল বন্ধুত্বের হাত কি এমন করল ট্রাফিক পুলিশ, দেখুন বিস্তারিত।

    শহরে বন্ধুত্ব আর সচেতনতার বার্তা, ঘুঘুমারী মাঠে ট্রাফিক পুলিশের ফ্রেন্ডশিপ কাপ ভলিবল টুর্নামেন্ট


    শহরের মানুষের সঙ্গে বন্ধনের সেতু গড়ে তুলতে এবং নিরাপদ যাত্রার বার্তা ছড়িয়ে দিতে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের আশিঘর সাব ট্রাফিক গার্ডের উদ্যোগে ঘুঘুমারী মাঠে আয়োজন করা হয় ‘ফ্রেন্ডশিপ কাপ’ ভলিবল টুর্নামেন্ট। ক্রীড়ার মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।


    এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এসিপি ত্রিদিব সরকার, এসিপি অনির্বাণ মজুমদার, আশিঘর সাব ট্রাফিক গার্ডের ওসি তনয় সরকার সহ ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন থানার আধিকারিকরা। খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে এবং অনুষ্ঠানের তাৎপর্য তুলে ধরতে তাঁরা বক্তব্য রাখেন।


    এসিপি অনির্বাণ মজুমদার জানান, এই ফ্রেন্ডশিপ কাপ কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার আবেগ গড়ে তোলার একটি মাধ্যম। তাঁর কথায়, খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজের সঙ্গে আরও কাছাকাছি আসাই পুলিশের অন্যতম লক্ষ্য।


    তিনি আরও বলেন, এই টুর্নামেন্টের মূল বার্তা ‘সেভ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’। নিরাপদভাবে গাড়ি চালানো এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
    এই ভলিবল টুর্নামেন্টে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সাতটি দল শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছে এবং একটি দল শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের তরফে অংশ নিয়েছে। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
    ক্রীড়া আর সচেতনতার এই মিলিত উদ্যোগে শিলিগুড়িতে আবারও ইতিবাচক বার্তা ছড়াল ট্রাফিক পুলিশ

    —নিরাপদ পথচলা ও মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বই যে তাঁদের মূল লক্ষ্য, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিল এই ফ্রেন্ডশিপ কাপ।

  • বাড়িতে একটি মাত্র বাল্ব জ্বললেও বিল ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। মাথায় হাত গ্রামবাসীদের,একাধিক গ্রামের পরিবারে একই ছবি।

    বাড়িতে একটি মাত্র বাল্ব জ্বললেও বিল ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। মাথায় হাত গ্রামবাসীদের,একাধিক গ্রামের পরিবারে একই ছবি।

    আহমেদ বাপি, ৮ ফেব্রুয়ারি, মালদা

    বাড়িতে নেই কোন টিভি নেই কোন ফ্রিজ জলে শুধুমাত্র এক থেকে দুটি বাল্ব ফ্যান তার উপর আবার ইলেকট্রিকের মিটার খারাপ হয়ে পড়েছে রিডিং হয় না মিটারের লাইট ও জলে না এরকম পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের বিল ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আসছে গাড়িতে মত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদেরকেউ দিনমজুর কেউ আবার বিড়ি বাধার কাজ করে। সেইসব পরিবারগুলির দিনমজুরি করে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন , সেইসব পরিবারের কারোর বাড়িতে এসেছে ২৫ হাজার টাকার বিদ্যুতের বিল, আবার কারোর বাড়িতে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার বিদ্যুতের বিল। কারোর বকেয়া রয়েছে তিন মাসের। আবার কারোর বকেয়া রয়েছে ছয় মাসের বিল। আর সেই সব বিদ্যুতের বিল এই ভাবেই পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

    যাতে করে রীতিমত ক্ষোভ ছড়িয়েছে মোথাবাড়ি থানার রথবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাগলপুর গ্রামে। ইতিমধ্যে পুরো বিষয়টি নিয়ে এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা মালদায জেলাশাসকের প্রীতি গোয়েলের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মালদার রিজিওনাল ম্যানেজার সৌমেন দাস জানিয়েছেন, কিভাবে এই ঘটনাটি ঘটলো অবশ্যই সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের এনিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে নাl

    সংশ্লিষ্ট গ্রামের বাসিন্দা পেশায় দিনমজুর কৈলাস সরকার বলেন, তার বাড়িতে ২৫ হাজার টাকা বিদ্যুতের বিল পাঠানো হয়েছে। অথচ কোনও রিডিং নেওয়া হয় নি। বাড়িতে দুই থেকে তিনটি বাল্ব এবং গরমে একটি ফ্যান চলে। তার বাইরে না টিভি আছে, না ফ্রিজ । কেন এত টাকার বিলের পাহাড় কিছুই বুঝতে পারছি না।
    একইভাবে ওই গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল সরকার, , রুমা সরকার , দুলু সরকার বলেন, বাড়ির পুরুষেরা ভিন রাজ্যে দিনমজুরি করে। রাতে ব্যবহারের জন্য কয়েকটি সাদা আলো রয়েছে। বাড়িতে শুধু এক থেকে দু’টি বাল্ব জলে নেই কোন টিভি না নেই কোন ফ্রিজ না টোটো চার্জ হয়। ইলেকট্রিকের মিটার দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে মিটারে কোন রিডিং দেখা যায় না মিটারের ভিতরে আলো জলে না l কিন্তু তারপরেও কাউকে ৫০ হাজার টাকা, আবার কাউকে তিন মাসের ৪০ হাজার টাকা বিল পাঠানো হয়েছে। এত টাকা দিব কোথা থেকে কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। এরকম ভুল কাদের জন্য হলো, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
    পুরো বিষয়টি প্রশাসন কে জানানো হয়েছে lযদিও এই ঘট

    নার বা সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন রথবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য বাবু সরকার l তিনি জানান গ্রামবাসীদের মিটার গুলি খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে আমি তাদেরকে নিয়ে দপ্তরে গিয়েছিলাম কিন্তু কেউ শুনেনি l জেলা শাসক কেও গ্রামবাসীরা জানিয়েছে তাতে এখনো কোনো সমাধান হয়নি l দিদিকে বল কে ফোন করেও কোন সমস্যা সমাধান হয়নি l আমরা চাচ্ছি যাতে এই সমস্যার সমাধান দ্রুত হোক l মিটার গুলি অকেজো হয়ে রয়েছে মিটারগুলোকে চেঞ্জ করা উচিত l এত টাকা বিল আসার কথা নয় l বিষয়টি প্রশাসনকে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত এবং মিটারগুলিকেও যাতে চেঞ্জ করা হয় l

    উত্তর মালদা বিজেপির সহ-সভাপতি অভিষেক মিশ্র জানান এ সরকার মানুষকে খালি শোষণ করতে পারে l আজকে ইলেকট্রিকের নাম করে বিপিএল তালিকার দারিদ্র সীমার মানুষগুলির বাড়িতে ভুতুড়ে বিল পাঠালো l যেখানে কিনা বিলে কার বাড়িতে ৫০ হাজার আরও এতে ২৫ হাজার বিল পাঠানো। আসলে বিদ্যুৎ দপ্তর এর টাকা গুলিকে হাত হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে l আমরা এই পরিবার গুলির পাশে রয়েছি আগামী দিনে এই পরিবার গুলির যে বর্তমান সমস্যা বিদ্যুতের বিল যে সম্পূর্ণভাবে মুকুব না করে দেওয়া হয়। তাহলে বিজেপি প্রতিটা বিদ্যুৎ দপ্তরকে বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে প্রয়োজনে ঘেরাও করবl

    বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির মালদার রিজিওনাল ম্যানেজার সৌমেন দাস বলেন, সাধারণ গ্রাহকদের কাছে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সব রকম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এব্যাপারে গ্রাহকদের চিন্তা করতে হবে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রয়োজনীয় সব রকম ব্যবস্থা নিবে।

  • ফের বনদপ্তরের সাফল্য, চা পাতা বোঝায় কনটেনারে পাচার হয়ে যাচ্ছিল বার্মাটিক কাঠ উদ্ধার লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার কাঠ।

    ফের বনদপ্তরের সাফল্য, চা পাতা বোঝায় কনটেনারে পাচার হয়ে যাচ্ছিল বার্মাটিক কাঠ উদ্ধার লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার কাঠ।

    বারবিশায় উদ্ধার কুড়ি লক্ষের বার্মাটিক, বাজেয়াপ্ত কন্টেনার।

    বড়সড় সাফল্য বনদপ্তরের ভল্কা রেঞ্জের, চা পাতার আরালে বার্মাটিক পাচার রুখে দিল বনকর্মীরা। কুমারগ্রাম ব্লকের ২৭ নং জাতীয় সড়কের বারবিশা শান্তিবন এলাকায় আটক বার্মাটিক বোঝায় কন্টেনার। গোপন সূত্রের খবর ছিল বনকর্মীদের কাছে আসাম থেকে উত্তরপ্রদেশে পাচার করা হবে বার্মাটিক কাঠ, সে মতো শনিবার সকাল ৬ টা ৩০ মিনিট নাগাদ উত্তর প্রদেশ নাম্বারের কন্টেনার গাড়িটি আসামের সীমানা পার করে

    পশ্চিমবঙ্গের সীমানায় প্রবেশ করে। গাড়িটিকে আটক করে তল্লাশি চালায় বনকর্মীরা। বেশ কয়েকটি চা পাতার বস্তা দিয়ে ঢাকা ছিল বহু মূল্যবান কাঠগুলি। গাড়িটিকে আটক করে ভল্কা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসে বনকর্মীরা। তবে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় গাড়ি চালক। উদ্ধার হয়েছে আনুমানিক ৬০০ ঘনফুট বার্মাটিক কাঠ। যার আনুমানিক বাজার মূল্য কুড়ি লক্ষের বেশি।


    ভল্কা রেঞ্জ সূত্রে জানা গিয়েছে দশ চাকার ইউ পি
    নাম্বারের কন্টেনার গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম, আলিপুরদুয়ার।

  • মুরগির খাবারের আড়ালে রমরমিয়ে চলছিল এই পাচার, ধরতে পারছিল না পুলিশ গাড়ি পাল্টি খেতে বেরিয়ে পড়ল একি, দেখুন বিস্তারিত।

    মুরগির খাবারের আড়ালে রমরমিয়ে চলছিল এই পাচার, ধরতে পারছিল না পুলিশ গাড়ি পাল্টি খেতে বেরিয়ে পড়ল একি, দেখুন বিস্তারিত।

    মুরগির খাবারের আরালে রমরমিয়ে চলছিল কাফ সিরাপ পাচার, কোনভাবেই ধরতে পারছিল না পুলিশ আর লরি পাল্টি খেতেই বেরিয়ে পড়ল কাফ সিরাপ,গ্রেফতার ১।

    এ যেন পুষ্পা সিনেমা কেও হার বানাবে এই ঘটনা, মুরগির খাবারের গাড়ির আড়ালে রমরিয়ে চলছিল কাপ সিরাপ পাচার,মুরগির খাবারের গাড়ি উল্টে যেতেই ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো অবৈধ কফ সিরাপ।আসাম বাংলা সীমানার সেলস ট্যাক্স নাজিরান দেউতিখাতা এলাকায় বুধবার গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় একটি মুরগির খারাব বোঝাই গাড়ি। স্থানীয় মানুষ চালক ও খালাসি কে উদ্ধার করতে গিয়ে ওই বস্তার আড়ালে দেখতে পান প্রচুর কফ সিরাপের কার্টুন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় বাক্সিরহাট থানার পুলিশ। পুলিশ এসে তল্লাশি করতেই বেরিয়ে পরে কয়েক হাজার নিষিদ্ধ কফ সিরাপের বোতল।

    এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে এন ডি পি এস মামলা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাড়িটি বিহারের হাজীপুর থেকে আসাম যাচ্ছিল। গাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৩৯০০ বোতল কফ সিরাপ।গাড়ির চালক পালিয়ে গেলেও ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে গাড়ির খালাসি ত্রিভূবন কুমারকে।

    বাজেয়াপ্ত কফ সিরাপের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দশ লক্ষ টাকা। এই বিষয়ে তুফানগঞ্জ ২ এর জয়েন্ট বিডিও সুব্রত মল্লিক এবং উল্টে যাওয়া গাড়ির সহচালক ত্রিভূবন কুমার কি

    জানিয়েছেন শুনুন বক্তব্য-

    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম আলিপুরদুয়ার।

  • ফের সক্রিয় চালি পদ্ধতি, এবার পুরনো পদ্ধতি অবলম্বন করে কাঠ পাচারের চেষ্টা কাঠ মাফিয়া দের,উদ্ধার ১৫ টি গাছের গুড়ি।

    ফের সক্রিয় চালি পদ্ধতি, এবার পুরনো পদ্ধতি অবলম্বন করে কাঠ পাচারের চেষ্টা কাঠ মাফিয়া দের,উদ্ধার ১৫ টি গাছের গুড়ি।

    নদীপথে ফের পুরোনো পদ্ধতিতে ফিরে এসেছে কাঠ মাফিয়ারা

    নদীপথে ফের পুরোনো পদ্ধতিতে ফিরে এসেছে কাঠ মাফিয়ারা। কিন্তু বনকর্মীদের তৎপরতায় সফল হতে পারেনি কাঠের চোরাকারবারিরা। গাছের গুড়ির সাথে গাড়ির টিউব এবং বাঁশ বেধে চালি পদ্ধতিতে বহু মূল্যবান গাছের গুড়ি পাচার নজরে আসেনি বেশ কয়েক বছর থেকে। হঠাৎ রবিবার ভোরে কুমারগ্রাম ব্লকের দুই নং রায়ডাক নদীর গতিপথে চালি পদ্ধতিতে কাঠ পাচার করছিল কাঠ মাফিয়ারা। গোপনে সে খবর পৌচ্ছায় বনকর্মীদের কাছে। খবর পেয়ে ভল্কা রেঞ্জ, চকচকা চেকপোস্ট রেঞ্জ এবং কামাখ্যাগুড়ি মোবাইল রেঞ্জের বনকর্মীরা যৌথভাবে অভিযানে নামে রায়ডাক নদীতে। ভুটানের দিক থেকে জলের গতিপথে চালি ভাসিয়ে নিয়ে আসার সময় কুমারগ্রাম ব্লকের পূর্ব চকচকা এলাকায় বনকর্মীরা একটি কাঠের চালি আটক করে। বনকর্মীদের দেখে ভরা নদী সাঁতরে পালিয়ে যায় কাঠের চোরাকারবারিরা। উদ্ধার হয় ১৫ টি সেগুন কাছের গুড়ি।

    প্রায় পঞ্চাশ ঘনফুট সেগুন কাঠ যার আনুমানিক বাজার মূল্য কমকরেও এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
    ভল্কা রেঞ্জ সূত্রে জানাগিয়েছে গাছের গুড়িগুলি উদ্ধার করে ভল্কা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনায় কারা জড়িত তাদের খোঁজ চালাচ্ছে বনকর্মীরা।

    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম।

  • জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ে লেখাপড়া করে শংসাপত্র হাতে পেল দিবাকর, কার হাত থেকে শংসাপত্র  জানেন, দেখুন তাহলে।

    জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ে লেখাপড়া করে শংসাপত্র হাতে পেল দিবাকর, কার হাত থেকে শংসাপত্র জানেন, দেখুন তাহলে।

    জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ে লেখাপড়ার পর শংসাপত্র হাতে পেল দীবাকর।

    ছোট বেলা থেকে জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ে চর্চা তারপর শুরু হয় জ্যোতিষ বিদ্যা নিয়ে লেখাপড়া। সম্প্রতি কলকাতায় KVIA সংস্থা থেকে জ্যোতিষ বিদ্যায় শংসাপত্র হাতে পান আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম ব্লকের পাকরিগুরির যুবক দীবাকর ঘোষ৷

    প্রতন্ত গ্রাম থেকে টোলিউডের তারকা অভিনেত্রীর হাত থেকে শংসাপত্র গ্রহনে অপ্লুত দীবাকর এবং তার পরিবার। দীবাকরের এই যাত্রা মোটেই সহজ ছিল না তার জন্য তাকে লেখাপড়া কররে হয়েছে রায়গঞ্জের KVIA সংস্থা থেকে বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ে, সংখ্যা তত্ত্ব নিয়ে লেখাপড়া করেছেন ব্যারাকপুরের RIVA সংস্থা থেকে, এছাড়াও ট্যারট কার্ড রিডিং এবং কলকাতার ক্রাউন মেরিটেশান এন্ড হিলিং সেন্টারে রেইকি হিলিং শিখেছেন তিনি। জ্যোতিষ বিদ্যার শংসাপত্র হাতে নিয়ে কি জানিয়েছেন দীবাকর ঘোষ শুনুন বক্তব্য-

  • হলো না নিকাশী নালা ও রাস্তা, টাকা ঢুকে গেল পকেটে, ভুয়া বিল পাস করে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগের তোলপাড় এলাকা, কোথায় এমন ঘটল দেখুন বিস্তারিত।

    হলো না নিকাশী নালা ও রাস্তা, টাকা ঢুকে গেল পকেটে, ভুয়া বিল পাস করে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগের তোলপাড় এলাকা, কোথায় এমন ঘটল দেখুন বিস্তারিত।

    ভুয়ো বিল বানিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎ, কাঠগড়ায় প্রধান এবং অঞ্চলকর্মীদের একাংশ।

    কাজের থেকে কাটমানি নয়, এবার গ্রাম পঞ্চায়েতের গোটা রাস্তা এবং নিকাশি নালার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ সামনে এসেছে আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকে।
    উন্নয়ন মূলক কাজে নেতাদের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ প্রায় সময়েই শোনা যায় কিন্তূ এবারে কাজ না করে আস্ত একটি রাস্তা এবং নিকাশি নালার টাকা হাপিস করে দেওয়ার মতো ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে কুমারগ্রাম ব্লকেজুরে।

    অভিযোগ গোটা একটা রাস্তা এবং নিকাশি নালার টাকা হাপিস করে দিয়েছে ভুটান সীমানা ঘেষা এন কে এস গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের প্রধান এবং গ্রামপঞ্চায়েত কর্মীদের একাংশ।কাজ না করিয়ে ভুয়ো বিল বানিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ এন কে এস গ্রামপঞ্চায়েতর প্রধান করম চাঁদ লোহারা, নির্মাণ সহায়ক এবং নির্বাহী সহায়কের বিরুদ্ধে।

    প্রধান ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের সঙ্গে জোকসাজস করে পাঁচ লক্ষের বেশি টাকা ভুয়ো বিল করে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে প্রধান এবং গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীদের একাংশ।

    এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা করণ টোপ্প কুমারগ্রামের বিডিও কে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এবং এর প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে জেলা শাসক এবং মুখ্যমন্ত্রীকে। চাপের মুখে ঠিকাদার সংস্থা নিকাশি নালার কাজে তরিঘরি হাত লাগিয়েছেন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। করণের অভিযোগ শুধু একটি রাস্তা এবং একটি নিকাশি নালা নয়, ভুয়ো বিল বানিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎয়ের তালিকায় রয়েছে একাধিক সংযোযন। এই বিষয়ে এন কে এস গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান করম চাঁদ লোহারা, নির্মান সহায়ক এবং নির্বাহী সহায়কে ফোন করা হলে তারা ফোন তুলেন নি।


    পাশাপাশি কুমারগ্রামের বিডিও রজদ কুমার বলিদাকে ফোন করা হলেও তিনিও ফোন ফোন রিসিভ করেননি।
    শুনেনেব এই বিষয়ে কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা নলিত দাস এবং এন কে এস গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা করণ টোপ্প কি জানিয়েছেন।

    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম, আলিপুরদুয়ার।

  • এক রাতের বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করে বসে ছিল চাষিরা, বৃষ্টি শুরু হতেই মাঠমুখী কৃষকরা অনেকেই ঘুমালেন না রাতে,দেখুন কোথায় এমন ঘটলো।

    এক রাতের বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করে বসে ছিল চাষিরা, বৃষ্টি শুরু হতেই মাঠমুখী কৃষকরা অনেকেই ঘুমালেন না রাতে,দেখুন কোথায় এমন ঘটলো।

    রাতে কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতে সূর্যের আলো ফোটার অপেক্ষায় ছিল আমন চাষিরা।

    শনিবার রাতের কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতে রবিবার সকাল থেকেই চাষের জমি মুখি কৃষকরা। অনেকে আবার সূর্যের আলো ফোটার অপেক্ষায় না করে ভোর থেকেই আমন চাষে কোমর বেধে নেমে পড়েছেন। আলিপুরদুয়ার জেলায় সম্প্রতি সূর্যের চোখ রাঙানী, তিব্র গরমে জল শূন্য হয়ে পড়েছিল চাষের জমি, কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছিল আমন চাষিদের। আমন ধানের চারা রোপন করা সম্ভব হচ্ছিল না।

    শনিবার রাতে আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম ব্লকের বিস্তির্ণ এলাকা জুরে মুশোল ধারায় বৃষ্টি হওয়ায় আপাতত মুখে হাসি ফুটেছে আমন চাষিদের। রবিবার সকাল থেকেই ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্য করা গিয়েছে চাষের জমিতে বিছন তোলা, ধানের চারা রোপন করা এবং বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করার কাজে নিয়োজিত হয়েছে কৃষক পরিবারগুলি। বেশির ভাগ কৃষক পরিবারগুলির প্রায় সকল সর্দস্যরা চাষের জমিতে উপস্থিত হয়েছেন। পরিবারের ছোট সর্দস্যরা চাষের জমিতে আটকে থাকা জলে অনন্দে মেতে উঠতে দেখা গিয়েছে এবং পরিবারের বড় সর্দস্যরা চাষের কাজে হাত লাগাচ্ছেন – দেখুন সেই চিত্র-

    কৃষকরা জানিয়েছেন এদিকে জষ্টি আষাড় পার হয়ে গিয়েছে, বৃষ্টির দেখা না মেলায় সময় পেরিয়ে যাচ্ছিল আমন চাষের, শ্রাবণের শুরু তে হঠাৎ কয়েক ঘন্টার বৃষ্টি অনেকটাই কাজে লাগবে আমাদের। তাই এই সুযোগকে হাত ছাড়া করতে চাইছে না কৃষক পরিবারগুলি, জোর কদমে চলছে আমন ধান চাষের কাজ।


    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম, আলিপুরদুয়ার।