Category: উত্তরবঙ্গ

  • PHEর  জল পৌছয় না বাড়ি বাড়ি, অথচ সেই পাইপ লাইন ফেটে পথশ্রী তিন রাস্তা জলের তলায় এর দায় কার, সারাই হবে কবে?

    PHEর জল পৌছয় না বাড়ি বাড়ি, অথচ সেই পাইপ লাইন ফেটে পথশ্রী তিন রাস্তা জলের তলায় এর দায় কার, সারাই হবে কবে?

    জল পৌঁছায়না বাড়ি বাড়ি অথচ রাস্তা ভাসে পাণীয় জলে!

    পি এইচ ই দপ্তরের জলের পাইপ ফেঁটে নষ্ট হচ্ছে পথশ্রী রাস্তা। অপচয় চচ্ছে পাণীয় জল। এখনো পর্যন্ত জল জীবন জল মিশন প্রকল্পের জল পায় না কুমারগ্রাম ব্লকের রাধানগর, ডাঙাপাড়া, লস্করপাড়া, পূর্ব চকচকার মতো গ্রাম গুলি। অথচ পানীয় জল অপচয় হয়ে রাস্তা ভাসে সংশ্লিষ্ট ব্লকের লালস্কুল হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায়। এই সমস্যা আগেও দেখা গিয়েছিল, পথশ্রী রাস্তার কাজ শুরু হলে গা ঢেলামি ভাবে মেরামত করে উপর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে পাকা রাস্তা। গা ঢেলেমি মেরামতের কারণেই বছর না ঘুড়তেই ফের জলে ভাসছে ঐ রাস্তাটি ।

    আর নষ্ট হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকায় তৈরি করা পথশ্রী রাস্তা। বর্তমানে রাস্তার পাশে তৈরি হয়েছে গর্ত, জলের গতিপথে রাস্তার অন্যপ্রান্তে নিচু হয়ে গিয়েছে রাস্তার একটা অংশ । এলাকার দুটি স্কুলের বাচ্চারা এবং হাসপাতালে যাতায়াতের রোগীরা পা ভিজিয়ে যাতাযাত করছে ঐ রাস্তায়। এই বিষয়ে কুমারগ্রামের বিডিও রজত কুমার বলিদাকে ফোন করা হলে তিনি ভাঙা জলের পাইপ মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন।


    ঐ এলাকার জল জীবন জল মিশন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা আই এস এ সুব্রত দাস কে ফোন করা হলে তিনি জানান বিষয়টি পি এইচ ই দপ্তরকে জানানো হবে এবং খুব দ্রুত মেরামত করার ব্যবস্থা করে হবে।।
    এই বিষয়ে গ্রামবাসীরা এবং ভল্কা ১গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিমা রায় কি জানিয়েছেন শুনুন বক্তব্য।


    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম, আলিপুরদুয়ার।

  • নেশা করে বাড়িতে অশান্তি, পেশায় টোটো চালক ঝাঁপ দিল বাড়ির কুয়াতে, হইচই কান্ড টোটো  চালকের বাড়িতে।

    নেশা করে বাড়িতে অশান্তি, পেশায় টোটো চালক ঝাঁপ দিল বাড়ির কুয়াতে, হইচই কান্ড টোটো চালকের বাড়িতে।

    নেশা করে কুয়োতে ঝাঁপ,উদ্ধার কাজ দেখতে ভিড় উৎসাহী জনতার।

    নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়িতে অশান্তি করে কুয়োতে ঝাঁপ দিল এক ব্যাক্তি। ঐ ব্যাক্তি পেশায় টোট চালক। তবে কুয়োয় জল না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এমন ঘটনায় রিতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কুমারগ্রাম ব্লকের বারবিশা শালবাগান এলাকায়। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, পেশায় টোটোচালক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী মাঝেমধ্যেই বাড়িতে ঝামেলা করেন।

    ছোট ছোট কারণেই অশান্তি করে বাড়িতে। ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করতেও ছাড়েন না তিনি। তার এমন কাজে বাড়ির আত্মীয় স্বজনার থেকে শুরুকরে অতিষ্ঠ হয় পাড়াপড়শীরাও। এদিন সন্ধ্যায় এমন ঘটনা ঘটলে খবর দেওয়া হয় বারবিশা দমকল কেন্দ্রে। দমকল কর্মী এবং বারবিশা ফাঁড়ির পুলিশ এসে পৌচ্ছায় ঘটনাস্থলে।

    শুরু হয় উদ্ধার কাজ। কুয়ো থেকে কীভাবে একজন মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে সেটা দেখতে উৎসাহী প্রচুর মানুষ ভিড় করেন ঐ বাড়িতে। প্রায় ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কামাখ্যাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় বারবিশা ফাঁড়ির পুলিশ।

    নিমাই চাঁদ, কুমারগ্রাম, আলিপুরদুয়ার।

  • শখের বসে দেশি-বিদেশি আম চাষ করে তাক লাগালো জোড়ায় হাই স্কুলের শিক্ষক, চাষ করলো যদিও বা তাও আবার বাড়ির উঠানে।

    শখের বসে দেশি-বিদেশি আম চাষ করে তাক লাগালো জোড়ায় হাই স্কুলের শিক্ষক, চাষ করলো যদিও বা তাও আবার বাড়ির উঠানে।

    দেশ-বিদেশী আম জোড়াই হাইস্কুলের শিক্ষকের উঠোনে।

    শিক্ষকতার পাশাপাশি নিজের অবসর সময় কাটে আম বাগানে। ২০২১ সাল থেকে স্ত্রী এবং মেয়ের অনুপেরনায় কলম চারার মাধ্যমে বাড়ির উঠোনে আস্ত একটি আম বাগান তৈরি করে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছেন কোচবিহার জেলার জোড়াই উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহা।

    প্রায় পনেরো ডেসিমেল জমিতে ১৪ প্রজাতির দেশ, বিদেশি আমের ফলন হয়েছে ছোট্ট বাগান টিতে। কোন কোন গাছে আমের সংখ্যা শতাধিক বলে জানাগিয়েছে।একেবারে নিজের হাতে তৈরি জৌব সাড়ে আমের ফলন হয়েছে নজরকাড়া। আম গাছের আশেপাশে মাছি যেন ঘেষতে না পারে সে কারণে বিজ্ঞান সন্মত ভাবে তৈরি করা হয়েছে নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    প্রতিকূল পরিবেশে আম বাগানটিতে ভারতীয় প্রজাতির আম্রপলি,অরুনিকা, পুশাসুরিয়া আম যেমন রয়েছে তেমনি জাপানের মিয়াজাকি, থাইলেন্ডের বেনেনা মেঙ্গ, কাটিমন, সাউথ আফিকার ফোর কেজি মেঙ্গ, বাংলা দেশের গৌড়মতি সহ মোট ১৪ প্রজাতির আমের ফলনে ভরে উঠেছে বাগানটি। যা দেখতে পরিচিতরা মাঝে মধ্যেই ভিড় করে উত্তম বাবুর বাড়িতে।

    আর এতেই আনন্দ নেন জোড়াই উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক। আমের পাশাপাশি বাগানে জায়গা পেয়েছে মাল্টা, কামরাঙা, লংগানের মত ফলের গাছ গুলিও।


    নিমাই চাঁদ কুমারগ্রাম,আলিপুরদুয়ার।