Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • শিশু – যুব সমাজকে অপসংস্কৃতির থেকে সুস্থ সংস্কৃতির জোয়ারে তুলে আনতে দেবদূতের ভূমিকায় ‘ বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব ‘ ‌

    শিশু – যুব সমাজকে অপসংস্কৃতির থেকে সুস্থ সংস্কৃতির জোয়ারে তুলে আনতে দেবদূতের ভূমিকায় ‘ বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব ‘ ‌

    শিশু – যুব সমাজকে অপসংস্কৃতির জোয়ার থেকে সুস্থ সংস্কৃতির জোয়ারে তুলে আনতে দেবদূতের ভূমিকায় ‘ বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব ‘ ‌ ‌অভিজিৎ হাজরা,

    বাগনান, হাওড়া :- বর্তমানে দেশব্যাপী সংস্কৃতির দু ‘ টো জোয়ার বইছে। একদিকে বইছে অপসংস্কৃতির জোয়ার, অন্যদিকে বইছে সুস্থ সংস্কৃতির জোয়ার। দু ‘ ই জোয়ারের মধ্যে অপসংস্কৃতির জোয়ারের গতিবেগ বেশি।দেশ যত এগিয়ে চলেছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শিশু থেকে যুবসমাজ মোবাইল,পণ্যগ্ৰাফী সহ অন্যান্য বিনোদনমূলক (অপসংস্কৃতি -তে) আসক্ত হয়ে পড়ছে। অত্যাধিক সময়ে মোবাইলে ডুবে থাকায় শিশু থেকে যুবসমাজের মস্তিষ্কের কোনো কিছুর ধারণ ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। নানান দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পড়ছে। নিজেদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, সেই প্রতিভাকে বিকশিত করতে পাচ্ছে না। অপসংস্কৃতির জোয়ারে ভেসে যাওয়া শিশু থেকে যুবসমাজের কাছে খড় – কুটোর মতো ভেসে গিয়ে তাদের অপসংস্কৃতির জোয়ার থেকে উদ্ধার করে সুস্থ সংস্কৃতির জোয়ারে ভাসানোর জন্য নাটক – কে হাতিয়ার করেছে বাগনান থানার বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব। এই ক্লাব ২৪ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে নাট্য উৎসব এর আয়োজন করে চলেছে।

    বিদ্যালয়ের ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে নাট্য চর্চা ও নাট্যের প্রসার ঘটানোর জন্য দু ‘ ই বৎসর যাবৎ বিদ্যালয় ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করার পাশাপাশি ২৪ বৎসর যাবৎ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নাট্যদল গুলিকে নিয়ে নাট্য প্রদর্শনীর আয়োজন করে চলেছে। বিলুপ্ত হতে বসা নাট্য শিল্পের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনতে গ্ৰামীণ হাওড়া জেলার বাগনান থানার অন্তর্গত স্বাধীনতা সংগ্রামের পীঠস্থান ‌’ বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব ‘ এর উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী ২৪ তম নাট্য উৎসব এবং ২ য় বর্ষ স্কুল ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হল বাঙালপুর সিংহবাহিনী তলায় বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব প্রাঙ্গণে। ২৪ তম নাট্য উৎসব এবং ২ য় বর্ষ স্কুল ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব এর সম্পাদক তপন ঘোষ বলেন, ” বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব আজম্ম গৌরব ও মাহাত্ম্যে অন্যান্য ক্লাব গুলি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এই ক্লাব তৈরি হয়েছিল ১৯৩৩ খ্রীঃ। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের একটি ক্লাবের নাম ‘ বয়েজ ক্লাব ‘ , দেখে এবং তাদের কর্মধারায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে তৎকালীন সময়ে এই এলাকার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাগণ এই ক্লাবের নামকরণ করেছিলেন ” বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব ” ।

    প্রতিষ্ঠাতাগণের সম্মানার্থে ক্লাবের নাম পরিবর্তন করা হয় নি। এই ক্লাব সাহিত্য – সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বাগনান থানার মধ্যে বলা যায় শীর্ষ স্থানীয় ক্লাব।২৬ বৎসর আগে এই এলাকার মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য নাট্য উৎসব এবং নাট্য প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছিল। নাট্যের প্রসার, এলাকার শিশু, যুবক – যুবতীদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানো, নাটকের প্রতি যুব সম্প্রদায়ের উৎসাহ বৃদ্ধি ঘটানো, অভিনয়ের প্রতি যুব সমাজকে উৎসাহিত করার জন্য এই নাট্য উৎসব এবং নাট্য প্রতিযোগিতার আয়োজন। বিগত দিনে নাট্য প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে আমরা নানান অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছি। অভিনয়ের দিনে নাট্যদল গুলি নানান অজুহাত দেখিয়ে অভিনয় করতে আসতো না। এই পরিস্থিতিতে আমরা পরবর্তী সময়ে নাট্য প্রতিযোগিতা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রদশর্নীমূলক নাট্য উৎসব করার মনস্থির করে প্রদর্শনীমূলক নাট্য উৎসব করে চলেছি।২০২৫ সাল থেকে আমরা নাট্য উৎসবের পাশাপাশি বাগনান থানা এলাকার বিদ্যালয় গুলিকে নিয়ে বিদ্যালয় ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতা করছি।২৬ বৎসর আগে নাট্য উৎসব এবং নাট্য প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এই বৎসর নাট্য উৎসব ২৪ তম বর্ষ এবং নতুনভাবে নাট্য প্রতিযোগিতার ২ য় তম বর্ষ।নাট্য উৎসবের ২৪ তম বর্ষ তার কারণ করোনা কালীন সময়ে ২ বৎসর নাট্য উৎসব সংগঠিত করতে পারা যায় নি” । তিনি আরও বলেন, ‌” নবীন প্রজন্মকে মোবাইল থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে নাটকের যে জুড়ি নেই তা এই অনুষ্ঠানে না আসলে বোঝাই যেত না ” । বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব এর সভাপতি তথা সমাজসেবী গোপাল ঘোষ নাট্য উৎসব এবং নাট্য প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে বলেন, ” শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব বলেছিলেন ‘ থিয়েটারে লোকশিক্ষে হয় ‘। কিন্তু বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় নাটক, যাত্রাপালা, তরজা, কবিগান, বাউল, কীর্ত্তন, পালাগান, পল্লীগীতি,কেষ্টযাত্রা, রাসযাত্রা,ঘেঁটুগান ইত্যাদি সুস্থ সংস্কৃতির মাটির গান,মাটির সুর, মাটির সংস্কৃতি আজ কালের কপল জলে বিলুপ্ত হয়ে যেতে বসেছে।। তাই তার পুনরুদ্ধারের জন্য নাট্য চর্চা ও প্রসারে এই নাট্য প্রতিযোগিতা ও নাট্য উৎসবের আয়োজন ” । বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব এর কার্যকরী কমিটির সদস্য দীপঙ্কর ঘোষ নাট্য উৎসব এবং নাট্য প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে বলেন, ” আগে এখানে নাটক, যাত্রা – র চর্চা ছিল । এই চর্চা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। আগে নাট্য প্রতিযোগিতা ও নাট্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হত।২০ – ৩০ টি নাট্যদল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশগ্রহণ করতো। পরবর্তী সময়ে নানান প্রতিবন্ধকতার কারণে নাট্য প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দিয়ে নাট্য প্রদর্শনীর উৎসব এর আয়োজন করা হচ্ছে।নাট্য প্রতিযোগিতা নয়,নাট্য প্রযোজনার মাধ্যমে নাট্য উৎসব করে চলেছি। গতানুগতিক ধারার যারা নাটক করে তাদের পাশাপাশি স্কুল ভিত্তিক ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে কিভাবে এই চর্চা তাদের মধ্যে সঞ্চারিত করা যায় সেই চিন্তা ভাবনা করি আমরা সকলেই। শুধু পড়াশোনা নয়, শুধু বকাবকি নয়, তার সঙ্গে শিশু পড়ুয়াদের, ছাত্র -ছাত্রীদের একটা উম্মুক্ত খোলা আকাশের নীচে তাদের প্রতিভা গুলোকে মেলে সুযোগ করে দিতে পারে সুস্থ সংস্কৃতি – গান, আবৃত্তি, নাটক – যাত্রা।নীরস পড়াশোনা নয় – তার সঙ্গে সংস্কৃতির ও দরকার। তবে একটা সুস্থ স্বাভাবিক এবং সুন্দর সুশৃঙ্খল সমাজ তৈরি হতে পারে।২০২৫ সাল থেকে আমরা নাট্য উৎসবে কলকাতার নামী নাট্যদল গুলির নাট্য প্রদর্শন এর পাশাপাশি বাগনান এলাকার স্কুল গুলিকে নিয়ে স্কুল ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতা করছি। মোবাইল এর সহজলভ্যতা, ইন্টারনেট এর সহজলভ্যতা তার ফলে (অপসংস্কৃতির) বিনোদন আজ সকলের হাতে হাতে ।তারা নিজেদের প্রতিভা বিকাশে আগ্ৰহী নয়। থিয়েটার কে কখনই স্মার্ট ফোনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া যায় না। থিয়েটার একটা জীবন্ত শিল্প। বর্তমান প্রজন্মের শিশু – কিশোর, যুবক – যুবতীদের অপসংস্কৃতির জোয়ার থেকে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা , সুস্থ পরিবেশ, সুস্থ সমাজ তৈরি করা, সুস্থ মানসিকতা গড়ে তোলার জন্য নাট্য প্রতিযোগিতায় তাদের সামিল করা হয়েছে।সুস্থ সংস্কৃতি,সীস্থ পরিবেশ, সুস্থ সমাজ, সুস্থ মানসিকতা তৈরির একমাত্র মাধ্যম নাটক, যাত্রা। আগামী প্রজন্মের মধ্যে যাতে এই মানসিকতা, এই নাট্য চর্চা গড়ে ওঠে সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ” । তিনি আনন্দের সঙ্গে বলেন, ” আগামী বৎসর এই নাট্য উৎসবের ‘ রজত জয়ন্তী বর্ষ ‘ উদযাপিত হবে। এই ‘ রজত জয়ন্তী বর্ষ ‘- এ আমরা কলকাতার নামী নাট্যদল গুলির নাট্য প্রদর্শন এর পাশাপাশি বাগনান এলাকার আরো অনেক স্কুল গুলিকে নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে আমন্ত্রণ জানাবো। এর পাশাপাশি বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব তাদের নিজস্ব প্রযোজনা বাঙালপুর তথা অন্যান্য পাশ্ববর্তী এলাকার দর্শকদের উপহার দেবে।বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব এর কলাকুশলীরা এখন থেকেই তাদের নিজস্ব প্রযোজনা উপহার দেওয়ার জন্য তার মহড়া শুরু করে দিয়েছেন। ‌ তিন দিন ব্যাপী নাট্য উৎসবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের নামকরা ছয়টি নাট্যদল প্রদর্শনীমূলক নাটক মঞ্চস্থ করেন। এর পাশাপাশি বাগনান এলাকার তিনটি হাই স্কুল নাট্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতামূলক নাটক গুলি হল বাঙালপুর ইউ সি হাই স্কুল পরিবেশিত নাটক ” গৌ গাবৌ গাবঃ ” , মুগকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিবেশিত নাটক ” অর্থ স্বর্গ বিচিত্রা ” , ভুঁঞেড়া বি এন এস হাই স্কুল পরিবেশিত নাটক ” ইঁদারায় গন্ডগোল ” ।

    প্রদশর্নীমূলক নাটক গুলি হল কালপুরুষ আগরপাড়া ‌- র ” ভালবাসার মানুষ “, ইছাপুর আলেয়া – র ” নখ “, ইউনিট মালঞ্চ হালিশহর -র ” হজম শক্তি ” , বাগনান শপথ নাট্যগোষ্ঠী -র ” বৃষ্টিতে নিশিকান্ত ” , ময়না অন্যভাবনা – র ” ভৌতিক ” , রাধানগর দর্পণ – র ” চক্ষুদান “।বিদ্যালয় ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতায় ‘ কুহেলী বসু -র সৌজন্যে স্বর্গীয় সঞ্জিব চ্যাটার্জী স্মৃতি পুরস্কার প্রথম শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা ভুঁঞেড়া বি এন এস হাই স্কুল – নাটক ” ইঁদারায় গন্ডগোল ” । দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা বাঙালপুর ইউ সি হাই স্কুল – নাটক ‘”গৌ গাবৌ গাবঃ ” । তৃতীয় শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা মুগকল্যাণ হাই স্কুল – নাটক ” অথ স্বর্গ বিচিত্রা ” । শ্রেষ্ঠ নির্দেশক অর্নিবান রায়, নাটক ” ইঁদারায় গন্ডগোল “। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সৌমদীপ সাউ, নাটক ” গৌ গাবৌ গাবঃ ” চরিত্র – সত্যনারায়ণ সিংহ। শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব চরিত্রাভিনেত্রী – শতাক্ষী চক্রবর্তী ” ইঁদারায় গন্ডগোল ” চরিত্র – নেত্য। ‌ তিন দিন ব্যাপী এই নাট্য উৎসব ও প্রতিযোগিতা এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সংস্কৃতি প্রেমী বিদগ্ধজন বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব এর নাট্য উৎসবের পাশাপাশি স্কুল ভিত্তিক নাট্য প্রতিযোগিতা করার জন্য উচ্চ প্রশংসা করেছেন। তাঁরা বলছেন,বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব প্রতি বৎসর এই ধরনের নাট্য প্রতিযোগিতা সংগঠিত করুক স্কুল গুলিকে সংগঠিত করে। এর পাশাপাশি এলাকার ক্লাব গুলিকে ও এই নাট্য উৎসব ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করুক।

  • ৬০ জন আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক দীপক কুমার কর।

    ৬০ জন আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক দীপক কুমার কর।

    বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোগে ইস্ট জোন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্ট এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

    করা হলো রবিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ (এআইইউ)-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা হল রবিবার,৮ই ফেব্রুয়ারি। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক দীপক কুমার কর।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়ান ফুটবল একাডেমির সভাপতি অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক সুজয় হাজরা, প্রাক্তন ইন্ডিয়ান ফুটবলার ও অধিনায়ক প্রশান্ত ব্যানার্জী, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: সৌম্য শঙ্কর সারেঙ্গি, পুরপ্রধান সৌমেন খান সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এই মহিলা ফুটবল মহাযজ্ঞ। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে চলবে উত্তেজনাপূর্ণ সমস্ত ম্যাচ।


    এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, মণিপুর বিশ্ববিদ্যালয়, রায়পুর বিশ্ববিদ্যালয়, ঝাড়খন্ড বিশ্ববিদ্যালয় সহ পূর্বাঞ্চলের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা ফুটবল দল। মাঠে নামবেন দেশের নানা প্রান্তের প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা—যাঁদের পায়ের ছন্দে, ঘামের ফোঁটায় ফুটে উঠবে আত্মবিশ্বাস আর স্বপ্নের গল্প।

    Ranjit Kundu Avatar

    মেদিনীপুর থেকে সেখ ওয়ারেশ এর রিপোর্ট বি সি এন নিউজ

  • বিজেপির প্রভাবশালী নেতা খুন, হইচই এলাকায়, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার কোতুলপুর।

    বিজেপির প্রভাবশালী নেতা খুন, হইচই এলাকায়, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার কোতুলপুর।

    এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর বাঁকুড়ার কোতুলপুরে বিজেপি নেতা খুন, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার আলুর জমি থেকে ঘটনায় গ্রেফতার চারজন।


    আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি বাঁকুড়ার কোতুলপুর এ বিজেপি নেতা খুন ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায় ঘটনাস্থলে পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে খবর বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার লাউগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা সুমন মণ্ডল খুন হলেন রহস্যজনক পরিস্থিতিতে। বয়স আনুমানিক ৩২। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্দাস চার নম্বর মণ্ডলের বিজেপির মণ্ডল সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এলাকায় তিনি দাপুটে ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে কোতুলপুরের মাটিয়ারি এলাকার একটি রাস্তার ধারে তাঁকে ছুরির কোপ মেরে খুন করা হয় বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশ ও স্থানীয়দের। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁর বাইক, হেলমেটসহ অন্যান্য জিনিস উদ্ধার হয়েছে।
    মৃত্যুর আগে সুমন মণ্ডল “বাঁচাও বাঁচাও” বলে চিৎকার করছিলেন বলে দাবি করেছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই আওয়াজ পেয়ে লোকজন ছুটে গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর তারা পুলিশে খবর দিলে কোতুলপুর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ও গোটা এলাকাটি ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে তদন্ত শুরু করে।

    সুমন মণ্ডলের বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার। ঘটনার কিছুক্ষণ পরই ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে কোতুলপুরের ঘাটদীঘি এলাকা থেকে পুলিশ একটি ছোট চারচাকা গাড়িসহ চারজনকে আটক করে।
    গ্রেফতার হওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি লাউগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ডিঙ্গাল গ্রামে এবং একজনের বাড়ি কোতুলপুরের ধোবাপুকুর এলাকায় বলে জানা গেছে। খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পরিবারের পক্ষ থেকেও এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

    আজ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চারজন ধৃত অভিযুক্তকে আজই বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।

    বাইট: সেখ আনারুল আলি (স্থানীয় বাসিন্দা)

  • বিশালাকার পাহাড়ি বাবু গ্রামে এসে বিপদে, গ্রামবাসীদের তারা খেয়ে চরে বসলো বেলগাছে ভয়ে বেলগাছ ভরসা পাহাড়ি বাবু দেখুন ভিডিও।

    বিশালাকার পাহাড়ি বাবু গ্রামে এসে বিপদে, গ্রামবাসীদের তারা খেয়ে চরে বসলো বেলগাছে ভয়ে বেলগাছ ভরসা পাহাড়ি বাবু দেখুন ভিডিও।

    গ্রামবাসীদের তারা খেয়ে বেলগাছে উঠলো বিশালাকার রক পাইথন।

    আর এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো জামগাড়ি এলাকা। আর এই রোগ পাইথন উদ্ধার হওয়ার খবর চারিদিকে চাউর হতেই সাপ দেখার ভিড় এলাকায়।
    ফের ফাঁকা মাঠ এলাকা থেকে উদ্ধার হলো এক বিশাল আকার রক পাইথন।
    স্থানীয় সূত্রে খবর ফাঁকা মাঠে সাপটিকে দেখতে পান এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা, সেই সাপটিকে এলাকা থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করে গ্রামবাসীরা আর তাড়ানোর চেষ্টা করতেই প্রাণ হাতে নিয়ে বাঁচার চেষ্টায় স্থানীয় একটি বেলগাছে উঠলো সাপ অবলা এই প্রাণী।


    আর সেই সব এতটাই বড় একটি বার দেখার জন্য হুড়োহুড়ি, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির জামগাড়ি গ্রামে।
    গ্রামবাসীরা প্রথমে দীর্ঘক্ষণ ধরে নানান উপায়ে সাপটিকে নামানোর চেষ্টা করে কিন্তু আতঙ্কে গাছের ডাল আগড়ে বসে থাকেন বিশালাকার রক পাইথন। ব্যর্থ হন গ্রামবাসীরা। শেষে খবর দেয়া হয় বনদপ্তরকে। বনদপ্তরে কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই সাপটিকে গাছ থেকে নামিয়ে উদ্ধার করে এবং প্রাণে বাঁচিয়ে দেন।।


    বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে উদ্ধার হওয়ার রক পাইথনের দৈর্ঘ্য প্রায় সাত ফুটের বেশি। এবং ওজন ১৪ থেকে ১৫ কিলো ।


    বনদপ্তরে কর্মীরা উদ্ধার করে নিয়ে যায় বনদপ্তরে,প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের জন্য কিছুক্ষণের জন্য বিশালাকার সাপটিকে রেঞ্জ অফিসে রাখা হয়। পরে গঙ্গাজলঘাটির গভীর জঙ্গলে নিরাপদ স্থলে ছেড়ে দেয়া হয় বলেই বনদপ্তর সূত্রে খবর।

  • আদিবাসী মহিলাকে নিগ্রহ তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে মারধরের অভিযোগ তুলকালাম সিউড়ি।

    আদিবাসী মহিলাকে নিগ্রহ তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে মারধরের অভিযোগ তুলকালাম সিউড়ি।

    এবার আদিবাসী মহিলাকে নৃশংস মারধরের অভিযোগে তুলকালাম সিউড়ি।

    আদিবাসী মহিলাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে মারধর করে বলে অভিযোগ, স্থানীয়দের চেষ্টায় জঙ্গল থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

    বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত আমগাছি গ্রামে এক আদিবাসী মহিলাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন যুবক হঠাৎই ওই মহিলার বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধর শুরু করে। মহিলা তখন বাড়িতে একাই ছিলেন, স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কোনও যোগাযোগ নেই বলে জানা যায়।

    চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে, অভিযুক্তরা মহিলাকে জোর করে তুলে নিয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ফের মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে অচৈতন্য অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা ওই মহিলাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন।

    খবর পেয়ে সিউড়ি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত মহিলাকে উদ্ধার করে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার কারণ জানা যায়নি, তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিউড়ি থানার পুলিশ।

    নিজস্ব প্রতিনিধি রিপোর্ট।।

  • স্বয়ং মা জঙ্গলে মাঝে শিশুর খেলা রূপে দর্শন দিয়েছিলেন মল্ল রাজাকে,আর তখন থেকেই গ্রামে হয়ে আসছে কাদা খেলা উৎসব, কোথায় এমন ঘটনা ঘটেছিল জানেন দেখুন বিস্তারিত।

    স্বয়ং মা জঙ্গলে মাঝে শিশুর খেলা রূপে দর্শন দিয়েছিলেন মল্ল রাজাকে,আর তখন থেকেই গ্রামে হয়ে আসছে কাদা খেলা উৎসব, কোথায় এমন ঘটনা ঘটেছিল জানেন দেখুন বিস্তারিত।

    কাদা খেলা উৎসবে মেতে উঠল বাঁকুড়ার জয়পুরের মানুষ।


    বাঁকুড়া জয়পুর বৈতল ঝগর ভঞ্জনি মায়ের কাদা খেলা উৎসব বহু প্রাচীন ইতিহাস বিজড়িত,শুরুটা হয়েছিল আজ থেকে সেই মল্লরাজার আমল থেকে, তখন থেকে আজও রীতিনীতি মেনে করে আসছেন গ্রামের মানুষ।

    এই কাদা খেলার ইতিহাস রয়েছে অনেক, স্বয়ংক মা ঝগর ভঞ্জনি দেবী এই কাদা খেলা শুরু করেছিল, তারপর মল্লরাজ স্বয়ং নিজে, তখন থেকেই বৈতল ঝগড়ায় মন্দির প্রাঙ্গন এলাকায় তখন থেকেই চলে আসছে এই কাদা খেলা উৎসব।

    বাচ্চা থেকে বুড় কচিকাঁচা থেকে গ্রামের মহিলা শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ এই এই কাদা খেলা উৎসবে মেতে থাকেন। প্রতিবছর এই বিজয়া দশমীর দিন কাদা খেলা উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সকলে। সাত পুকুরের জল একত্রিত করে চলে এই কাঁদা খেলা খেলা, খেলার শেষে সেই জলই নিয়ে যায় বাড়িতে কারণ এই জল বাড়ির সকল প্রাণীর গায়ে ছিটিয়ে দিলে রোগ নিরাময় হয়। এমনটাই বিশ্বাস করেন এই গ্রামের মানুষ। কি জানাচ্ছেন ঝগর ভঞ্জনী মায়ের পুরোহিত থেকে গ্রামবাসীরা চলুন শোনাবো আপনাদের।।

    রঞ্জিত কুন্ডু–বাঁকুড়া

  • আদিবাসী স্কুল ছা-ত্রীকে যৌ-ন হে-নস্তা, ক্ষিপ্ত হলো আদিবাসী সমাজ, বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশের ব্যারিকেট ভাঙার চেষ্টা উত্তপ্ত বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের।

    আদিবাসী স্কুল ছা-ত্রীকে যৌ-ন হে-নস্তা, ক্ষিপ্ত হলো আদিবাসী সমাজ, বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশের ব্যারিকেট ভাঙার চেষ্টা উত্তপ্ত বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের।

    আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা, আর তাতেই ক্ষিপ্ত হল আদিবাসী সমাজ, থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের ব্যারিকেট ভাঙার চেষ্টা, তুলকালাম পরিস্থিতি বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানা।
    জানাজায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে আদিবাসী ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে পাত্রসায়ের থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ আদিবাসীদের, পুলিশের ব্যরিকেড ভাঙার চেষ্টা, ধাক্কাধাক্কি


    ———————-*————–
    উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক আদিবাসী ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের কঠোরতম শাস্তি ও আদিবাসী ছাত্রীদের যথাযথ নিরাপত্তার দাবিতে আজ পাত্রসায়ের থানা ঘেরাও করে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন আদিবাসীরা। এদিন আদিবাসীরা মিছিল করে থানায় ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ ব্যরিকেড করে তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করে। ব্যরিকেড ভেঙে আদিবাসীরা এগোনোর চেষ্টা করলে দুই তরফে হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে সেখানেই বিক্ষোভ দেখান আদিবাসীরা।

    গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানা এলাকায় আদিবাসী এক ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে সাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে এক যুবক দ্বারা আক্রান্ত হয়। সাইকেল থামিয়ে যুবক ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় নিগৃহীতার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় সেখ সেলিম নামের অভিযুক্ত যুবককে ধরে ফেলে। পরে ওই যুবককে পাত্রসায়ের থানার পুলিশের হাতে তুলে দিলে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। এই ঘটনার পর আজ অভিযুক্ত যুবকের কঠোর শাস্তি এবং এলাকার আদিবাসী ছাত্রীদের স্কুল যাতায়াতের পতগে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে পাত্রসায়ের থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় আদিবাসীদের সামাজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল। পাত্রসায়ের ও আশপাশের ব্লক থেকে বহু আদিবাসী মানুষ এদিন প্রথাগত অস্ত্র হাতে মিছিল করে থানার সামনে জমায়েত করেন। পুলিশ থানার গেট বন্ধ করে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। এরপর আদিবাসীরা জোর করে থানায় ঢোকার চেষ্টা করলে দুপক্ষের মধ্যে হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশ আধিকারিকেরা দাবিপূরণের আস্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    বাঁকুড়া:-সংবাদ দাতা-রঞ্জিত কুন্ডু

  • আচমকায় ভেঙে পড়ল শালী নদীর উপর তৈরি হওয়া দীর্ঘ দিনের ব্রিজ, চরম সমস্যায় পড়েছেন বেশ কয়েকটা গ্রামবাসীরা কোথায় এমন ঘটল জানেন? আর কখনই বা এই ব্রিজ তৈরি হয়েছিল দেখুন বিস্তারিত।।

    আচমকায় ভেঙে পড়ল শালী নদীর উপর তৈরি হওয়া দীর্ঘ দিনের ব্রিজ, চরম সমস্যায় পড়েছেন বেশ কয়েকটা গ্রামবাসীরা কোথায় এমন ঘটল জানেন? আর কখনই বা এই ব্রিজ তৈরি হয়েছিল দেখুন বিস্তারিত।।

    আচমকা ভেঙে পড়ল ভৈরবডাঙ্গায় শালীনদীর উপর কজওয়ে।

    আজ বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়া ব্লকের বৃন্দাবনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের ভৈরবডাঙ্গায় শালীনদী ব্রিজ হঠাৎ ভেঙে পড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ব্রিজটি ছিল জগন্নাথপুর, গরিববাটি, রাউতরা সহ একাধিক গ্রামের মানুষের একমাত্র সড়ক যোগাযোগের ভরসা। ফলে এক ঝটকায় বহু গ্রাম মূল সড়ক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    এই ঘটনায় গ্রামবাসীর দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। বিশেষ করে রোগী পরিবহন ও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াতে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বড়জোড়ার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এই ব্রিজ ছিল একাধিক শর্টকাট রাস্তায় প্রধান ভরসা।

    ভেঙে যাওয়া ব্রিজ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও এখনো পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভোগান্তিতে জর্জরিত মানুষ দ্রুত ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন প্রশাসন ও সরকারের কাছে।

    এলাকার মানুষের কাতর আবেদন—যাতে অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা ও দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হয়, না হলে সমস্যার গভীরতা আরও বাড়বে।

  • জয়পুরে কি এমন ঘটলো যে কেনার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে গেল স্থানীয় এবং বাইরের মানুষের মধ্যে দেখলে চমকে যাবেন আপনিও,দেখুন বিস্তারিত।

    জয়পুরে কি এমন ঘটলো যে কেনার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে গেল স্থানীয় এবং বাইরের মানুষের মধ্যে দেখলে চমকে যাবেন আপনিও,দেখুন বিস্তারিত।

    এই বছরে এই প্রথম আজ থেকে কারণ ছাতু কেনার হিড়িক শুরু হলো বাঁকুড়া জয়পুরে

    প্রায় একটি বছর পর আবারও শুরু হলো ব্যাপকভাবে কারাম ছাতু বিক্রি। সকাল থেকে সন্ধ্যা প্রতিনিয়ত দূর দূরান্তের মানুষ ভিড় করছেন বাঁকুড়ার জয়পুরে। দাম যাই হোক মানে ভালো। কেন বললাম কথাটা? দেখুন তাহলে।

    বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গল মানেই বিভিন্ন জীবজন্তুর বসবাস বিশেষ করে হাতি হরিণ বন শুয়োর সহ বিভিন্ন বিষধর সাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জীবজন্তুর বাসস্থান হল এই জয়পুর।
    জয়পুর জঙ্গল যতটাই সুন্দর ঠিক ততটাই ভয়ে তার কারণ বর্ষাকালে জঙ্গলের ভিতর ঘুরঘুটে অন্ধকার ও স্যাঁত সেতে পরিবেশ, কোন কারণবশত জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করার পর একটু অন্যমনস্ক হলেই বিপদ অপেক্ষা করছে আপনার জন্য,আর সেই বিপদের মুখ থেকে রাত জেগে গোটা জঙ্গল তন্ন তন্ন করে খুঁজে, সংগ্রহ করছেন ছাতু। কারণ একটাই এই সময় জঙ্গলমহলের মানুষের রোজগার নেই একমাত্র রোজগার এই জঙ্গলের ছাতু সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রয় করা। এই জঙ্গলের ছাতু যেমন দেখতে ভাল তেমনি স্বাদ,তাই দাম যাই হোক বছরের সাদ উপভোগ করার জন্য জয়পুর ব্লক তো বটেই, দূর দূরান্তের মানুষ ভিড় করছেন বাঁকুড়ার জয়পুরে।


    বাঁকুড়া জেলা জুড়ে একাধিক ব্লকের রয়েছে জঙ্গল সেখানে ছাতুর বা মাশরুমের এত দাম না থাকলেও বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গলের ছাতুর মান অনেকটাই উন্নত। বাঁকুড়া,বিষ্ণুপুর, রায়পুর হিরবাদ সহ সমস্ত জঙ্গলমহলে ছাতুর দাম
    ২ থেকে-৩০০ বা ৪০০-৫০০-র মধ্যে প্রতি কেজির দাম থাকলেও,জয়পুর জঙ্গলের ছাতুর দাম বাজারে বিক্রয় হচ্ছে ১০০ টাকা শ, বা এক হাজার টাকা কেজি।

    ওই যে কোথায় বললাম দাম যাই হোক মানে ভালো। বছরের একটি বার জঙ্গলের ছাতু বা মাশরুম খাবার জন্য জয়পুর ব্লক ছাড়িয়ে পাশের ব্লক পেরিয়ে পাশের জেলার মানুষ, কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
    সকালে হোক বা সন্ধ্যা দাম যাই হোক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে অনেকে আবার আত্মীয় বাড়িতে কিনে পাঠাচ্ছেন,বছরের সাদ উপভোগ করার জন্য।

    কিভাবে সংগ্রহ করে ছাতু কি জানাচ্ছেন এলাকার মানুষ স্থানীয় বিক্রেতারা চলুন সোনাব আপনাদের।

  • আপনি কোন কোন প্রাণীর দুধের চা খেয়েছেন, এই প্রাণীর চা আপনি খেয়েছেন কোনদিন না খেলে খেয়ে আসুন এক্ষুনি,কোথায় পাওয়া যাচ্ছে দেখুন বিস্তারিত।

    আপনি কোন কোন প্রাণীর দুধের চা খেয়েছেন, এই প্রাণীর চা আপনি খেয়েছেন কোনদিন না খেলে খেয়ে আসুন এক্ষুনি,কোথায় পাওয়া যাচ্ছে দেখুন বিস্তারিত।

    চা তো আমরা কমবেশি সকলেই পছন্দ করি কিন্তু এই দুধের চা খেয়েছেন আপনি কোনদিন, খাননি নিশ্চয়ই ।

    এবার বীরভূমের আমোদপুরে পাওয়া যাচ্ছে উটের দুধের চা।।

    প্রায় অধিকাংশ মানুষের জীবনে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রয়োজন হয় এক কাপ চা। আর এই চা পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পেলেও সেই সংখ্যা খুবই কম। সাধারণত রাস্তার পাশে বা রেস্তোরায় কনডেন্সড মিল্কের বা গরুর দুধের তৈরি চা পান করা হয়। কেউ কেউ লেমন টি, গ্রিন টি ও মাসালা চা-ও পান করেন। তবে এবার বীরভূমের মধ্যে এই প্রথম পাওয়া যাচ্ছে উটের দুধের চা।

    উটের দুধের চায়ের কথা শুনে অবাক হতে পারেন, হওয়াটা স্বাভাবিক। বীরভূমে কোথায় বা উটের দুধ রয়েছে, এ প্রশ্ন রয়েছে অনেকের। বীরভূমে এই উটের দুধের পাউডার এসে পৌঁছে যাচ্ছে অনলাইন মাধ্যমে। তবে এবার হয়তো ভাবছেন বীরভূমে কোথায় গেলে পাবেন এই উটের দুধের চা! বীরভূমের মধ্যে অবস্থিত আমোদপুর। আপনি যদি নিজস্ব গাড়িতে তারাপীঠ এসে বোলপুর যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে বোলপুর যাওয়ার পথেই পড়বে এই আমোদপুর। আমোদপুরের চৌরাস্তা মোড়ে এসে আমোদপুর বোলপুর রোড ধরে এক মিনিট এগিয়ে গেলেই রাস্তার বাঁদিকে দেখতে পাবেন এই দোকান।

    চায়ের দোকানের কর্ণধার বরুন রায় জানান “অন্যান্য দেশে দুবাই থেকে নিয়ে আসা হয় এই উটের দুধের পাউডার, আর বাংলাদেশে এই উটের দুধের চা বিক্রি হয় ৪০০ টাকা কাপ হিসাবে, তবে বীরভূমের মতো জায়গায় এই ৪০০ টাকা কাপ হিসেবে চা সবাই পান করতে পারবেন না, তাই সবার কথা চিন্তা করে অনলাইন মাধ্যমে এই উটের দুধের পাউডার নিয়ে আসা হচ্ছে। এক কিলো উটের দুধের পাউডারের দাম পড়ছে প্রায় ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি। আর এই উটের দুধের চা এক কাপ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকায়।”

    তবে কারা পান করতে পারেন এই উটের দুধের চা এবং গরুর দুধের থেকে কী আলাদা স্বাস্থ্য গুণ রয়েছে! এই বিষয়ে জানা যায় গরুর দুধের থেকে তিন গুণ বেশি ভাল এই দুধ, এর মধ্যে ফ্যাট অনেক কম থাকে এবং যাদের কোলেস্টেরল রয়েছে তারা এই দুধ পান করতে পারেন। এছাড়াও বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে অনেকটাই সাহায্য করে এই দুধ।

    কাজী আমীরুল ইসলামের রিপোর্ট।।