আজ বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস আর সেই দিবস উপলক্ষে বাঁকুড়া ভিডিও এন্ড স্টিল ফটোগ্রাফি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস পালন বাঁকুড়া জয়পুরে।
যাদের ক্যামেরার ছবিতে ফ্রেমবন্দি করে আপনার ছবি তাদেরও এবার অভিনব উদ্যোগ তাদের ছবি তুলে ধরলাম এবার আমরা। তারাও বুঝেন বিশ্বে বাড়ছে বিশ্ব উষ্ণায়ন, পরিবর্তন হচ্ছে আবহাওয়া। তাই তারা বিশ্ব উষ্ণায়নকে রোধ করতে এবং এলাকার সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দিতে অভিনব উদ্যোগ দেখা গেল বাঁকুড়ার জয়পুরে। করলেন বৃক্ষরোপোন ও বৃক্ষদান কর্মসূচি।
একটাই উদ্দেশ্য একটাই দান, গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান।
আর এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জয়পুর বনদপ্তর এর ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা দাস ও জয়পুর থানার সেকেন্ড ইনচার্জ আবির কুমার পাইন ও জয়পুর বি ডি ও স্যার দেবজ্যোতি পাত্র মহাশয়ের প্রতিনিধি মুজিবর কাজী ও বাঁকুড়া জেলা বিশিষ্ট বরশিয়ান সাংবাদিক গোপাল রায় সহ জয়পুর ও কোতুলপুর ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার বহু জনগণ তাদের প্রত্যেককে চন্দনের ফোটা ও একটি করে গাছ উপহার দেয়া হয়। এবং বার্তা দেয়া হয় গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান।
এই অনুষ্ঠানকে নিয়ে কি জানাচ্ছেন জয়পুর বনদপ্তরের রেঞ্জ অফিসার দুর্গাদাস ও জয়পুর বিডিও স্যার এর প্রতিনিধী মুজিবর কাজী চলুন শোনাবো আপনাদের।
আট-দশটি গ্রাম দাপিয়ে বেড়াত ‘কালু’। কারও কোনও ক্ষতি করত না। ভালোবেসে যে যা খাওয়াতেন, সেটাই খেত। সবার বড্ড মায়া পড়ে গিয়েছিল তার উপর। সেই ‘কালু’কে কি না ধরে বেঁধে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে হাটে। তার দামও উঠেছে বিস্তর—প্রায় ৫০ হাজার টাকা!
ঘটনাটি আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে ‘কালু’র অবাধ বিচরণ ভূমিতে। প্রতিটি গ্রামের মানুষের জোট বেঁধে হাজির হন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে। সবাই দাবি জানাতে থাকেন, যে ভাবেই হোক তাঁদের প্রিয় ‘কালু’ ফিরিয়ে আনতে হবে। শেষে প্রধানের হস্তক্ষেপে ‘কালু’কে বর্ধমানের হাট থেকে ফিরিয়ে আনা হল। তাতে বেজায় খুশি ওই আট-দশটি গ্রামের বাসিন্দারা। ঘটনা ঘটেছে সোনামুখীর মানিকবাজার গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তর্গত কৃষ্ণবাটি এলাকায়।
‘কালু’ আসলে একটি ষাঁড়। সে পাত্রসায়রের বীরসিংহ থেকে শুরু করে সোনামুখীর মানিকবাজার গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরে বেড়াত। গ্রামের বাসিন্দারাও তাঁকে শিবের বাহন হিসেবে ঠাকুরের ষাঁড় বলে মান্য করতেন। অভিযোগ, ক’দিন আগে কৃষ্ণবাটি গ্রাম থেকে ‘কালু’কে একটি লরিতে উঠিয়ে নিয়ে যেতে দেখে স্থানীয় কিছু যুবক। তাঁরা প্রতিবাদও করেন। যদিও তাঁদের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করে কয়েকজন গোরু ব্যবসায়ী ‘কালু’কে নিয়ে চলে যায়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। তাঁরা দলবেঁধে এর বিহিত চেয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের দ্বারস্থ হন। কৃষ্ণবাটি গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, ঠাকুরের ষাঁড় ভেবে ‘কালু’কে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই যত্ন করে খাবার দিয়ে আসছি। কিন্তু, বেশ কিছুদিন ধরে ‘কালু’ অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দেয়। মানুষজনকে তেড়ে মারতে আসছিল। কালুর গুঁতোয় ইতিমধ্যে কয়েকজন জখমও হয়েছেন। জমির ফসলও নষ্ট করছিল। সেজন্য গ্রামের সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে কালুকে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। যদিও এনিয়ে আপত্তি ওঠায় কালুকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে প্রধানের হেফাজতে রাখা হয়েছে। মানিকবাজার গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান প্রদীপ মাল বলেন, ‘কারও ব্যক্তি মালিকানাধীন না হওয়া সত্বেও কালুকে বিক্রি করা হয়েছে। এনিয়ে অভিযোগ আসে। সোশাল মিডিয়াতেও এনিয়ে সমালোচনা হয়। তারপরেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ব্যবসায়ীরা কালুকে বর্ধমানের কোনও একটি হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে কালুকে আমার গ্রাম নারায়নসুন্দরীতে রাখা হয়েছে। তাকে কোনও গোশালায় রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, কালু পাত্রসায়রের বীরসিংহ গ্রামে ছিল। সেখান থেকে এলাকার বিভিন্ন গ্রামে সে ঘুরে বেড়াত। ঠাকুরের ষাঁড় ভেবে তাকে সকলেই খাবার দিত। এভাবেই বিভিন্ন গ্রামে ঘুরতে ঘুরতে কিছুদিন আগে সে কৃষ্ণবাটি গ্রামে চলে আসে। সেখানকার মানুষজনও তাকে যত্ম করত। কালু ইদানীং কৃষ্ণবাটি গ্রামেই বেশি সময় থাকছিল। কিন্তু হঠাৎ করে কালুকে গোরু ব্যবসায়ীরা লরিতে চাপিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কালুকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে গ্রামবাসীদেরকে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তাঁরা আমল দেননি। তাই প্রধানের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে কালুকে বর্ধমানের হাট থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেছেন
স্থানীয় এলাকায় পুজো সেরে রাস্তা পার হতে গিয়ে ১২ চাকা লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল এক পুরোহিতের।
আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি বাঁকুড়ার কোতুলপুর কোপার মোড় সংলগ্ন এলাকায় ১২ চাকা লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল বছর ষাটের এক ব্যক্তির। মৃত ব্যক্তির নাম রাসবিহারী চক্রবর্তী বাড়ি কোতুলপুর থানার গোগরা গ্রামে বলেই খবর। ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার গোগরা বাইপাস মোড় এর কাছে এক ব্যক্তি সাইকেল রেখে রাস্তা পার হচ্ছিলেন, সেই সময় একটি ১২ চাকা লরি সজোরে ধাক্কা মারে। সাথে সাথেই লুটিয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। সাথে সাথেই ছুটে আছেন এলাকার মানুষজন, খবর দেওয়া হয় কোতুলপুর থানায়, কোতুলপুর থানার পুলিশ দ্রুত এসে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরে ওই দেহটিকে কোতুলপুর থানায় নিয়ে যায়, সাথে কোতুলপুর থানার পুলিশ ওই ঘটক লরিটিকে আটক করে এবং কোতুলপুর থানায় নিয়ে যায়।
কিভাবে ঘটল দুর্ঘটনা তা তদন্ত করছে কোতুলপুর থানার পুলিশ। কি জানাচ্ছেন স্থানীয় মানুষজন চলুন শোনাবো আপনাদের।।
আজ স্বাধীনতা দিবসের দিন আবারো মাওবাদী আতঙ্ক শুরু হল বাঁকুড়ায়, পড়লো প্রতিশোধের পোস্টার। আতঙ্কে বাঁকুড়ার মানুষ।
নিহত মাওবাদী নেতা কিষানজী ও সিধুর বদলা নিতে মাঠে নামছে মাওবাদীরা। আগামীকাল ১৬ই আগস্ট বন্ধের ডাক দিয়েছে মাওবাদী, বন্ধ না মানলে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হুমকি, শুধু তাই নয় মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোস ও বিকাশের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে পোস্টারে। আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি, তবে কি এবার ফের সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গলমহলে মাওবাদী ? আজ সকালের মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারে নতুন করে আতঙ্ক ছড়ালো বাঁকুড়ায়।
সত্যিই কি মাওবাদী লেখা পোস্টার নাকি রয়েছে অন্য কোন রাজনৈতিক রহস্য। তবে পোস্টার এর শেষ লাইনে লেখা সিপিআই মাওবাদী। তবে বিষয়টি স্থানীয় মানুষজন পুলিশকে জানিয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এসে ওই মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সত্যিই কি এই পোস্টারের সঙ্গে মাওবাদীর যোগ, নাকি অন্য কোন রহস্য রয়েছে লুকিয়ে ।
তা তদন্ত করছে পুলিশ, তবে জেলা পুলিশের ধারণা স্থানীয় কেউ আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এই কাজ করে থাকতে পারে ।
তবে যাই ঘটুক না কেন তদন্ত শুরু করেছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।।
মার খেয়ে বাড়ি আসবেন না। অনেক মার খেয়েছি এবার দেবার পালা” – বাঁকুড়ার মালিয়াড়ায় দলের কর্মীদের নিদান মিঠুন চক্রবর্তীর, পাল্টা কটাক্ষ তৃনমূলের
আজ বাঁকুড়া জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচী নিয়ে সফরে আসেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। প্রথমে বাঁকুড়ার একটি বেসরকারি লজে দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করেন। এরপরই তিনি চলে যান বড়জোড়া ব্লকের মালিয়াড়া গ্রামে। সেখানে বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার কর্মীদের নিয়ে সম্মেলন করেন মিঠুন চক্রবর্তী। সম্মেলন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে দলের কর্মীদের কয়েক দফা কাজের ইস্তেহার বেঁধে দেন মিঠুন।
সেখানেই বক্তব্য রাখার ফাঁকে মিঠুন চক্রবর্তী দলের কর্মীদের সমস্ত মনোমালিন্য ও বিদ্বেষ মুছে অন্তত নির্বাচন পর্যন্ত একসাথে লড়াই করার বার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা যদি একসাথে লড়ি তাহলে আমরা জিতবো”। এরপরই দলীয় কর্মীদের নিদান দিয়ে মিঠুন বলেন, “মার খেয়ে বাড়ি আসবেন না। ওরা যেভাবে ব্যবহার করবে আমরাও সেভাবে ওদের সাথে ব্যবহার করব। এতদিন তো আমরাই মার খেয়ে এলাম। এবার দেওয়ার পালা”। বক্তব্যের শেষে মিঠুন এদিনের উপস্থিত কর্মীদের মন রাখতে জনপ্রিয় তুফান সিনেমার ডায়লগ দেন। কিন্তু সেই ডায়লগের মধ্য দিয়েও কী মিঠুন চক্রবর্তী হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন রাজ্যের শাসক দলকে? অন্তত তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তৃনমূলের দাবি অভিনেতার সিনেমার ডায়লগ আর কেউ শুনতে চাইছে না। নিজের পরিবারকে বাঁচাতে তিনি এখন বিজেপিতে গেছেন। মিঠুন চক্রবর্তীর ডায়লগের পাল্টা তৃনমূলের দাবি তুফান হোক বা বন্যা তা মোকাবিলা করার ক্ষমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আছে।
আজ খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে শুরু দূর্গা পূজার সূচনা,
মা আসছেন,আর বেশি দেরি নেই ঘরের মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে আসতে, মা আসার খুশিতে প্রতি বছরের মত কিছুদিনের মধ্যেই সেজে উঠবে জয়পুর।।
দুর্গাপূজা কমিটির সদস্য সহ এলাকার মানুষের উপস্থিতিতে নারকেল ফাটিয়ে খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হল ৪১ তম জয়পুর রাস্তা ধর সর্বজনীন দুর্গা উৎসব কমিটির পূজার সূচনা। এই পূজার সূচনা হয়েছিল আজ থেকে ৪০ বছর আগে রাস্তার ধারে, তখন জয়পুরে এত দোকানদানি জন বসতি ছিল না ছিল মাত্র গুটিকয়েক দোকান ও মানুষজন, আর সেই গুটিকয়েক মানুষের চেষ্টাই শুরু হয়েছিল পূজা। তখন থেকে আজও চালিয়ে আসছেন এই পূজা কমিটির উদ্যোক্তারা। পান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া অর্থ সাহায্য। এবারের পূজায়, এক লক্ষ দশ হাজার টাকা সরকার থেকে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করায় খুশি কমিটির সদস্যরা।
দুর্গাপূজায় প্রতিদিনই চলবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ চমক থাকবে এই পূজাতে এমনটাই জানান জয়পুর রাস্তা ধরার সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সদস্যরা।
কি জানাচ্ছেন আজকের এই খুঁটি পূজা কে নিয়ে চলুন শোনাবো আপনাদের।।
রাখি বন্ধন উৎসব মানেই একে অপরের হাতে রাখি বেঁধে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে দৃঢ় করার দিন। তবে বাঁকুড়ার জয়পুরে এবার পালন করা হল একেবারে অন্য রকম রাখি বন্ধন। জয়পুর রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় অভিনব উৎসবের, যেখানে স্কুলের পড়ুয়ারা গাছেদের রাখি বেঁধে পরিবেশ রক্ষার শপথ নেয়। বনবিভাগের এই অনন্য উদ্যোগের মূল বার্তা “গাছ বাঁচান, প্রাণ বাঁচান”।
অনুষ্ঠানে বনকর্মীরা জানান, গাছ আমাদের প্রকৃত বন্ধু। গাছ বাঁচলে বাঁচবে মানুষসহ সমস্ত প্রাণীজগৎ। তাই গাছের প্রতি জন্মাতে হবে ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক। এদিন শুধুমাত্র গাছেই রাখি পরানো হয়নি, পথচলতি মানুষদের হাতেও রাখি বেঁধে মিষ্টিমুখ করানো হয়। সাথে উপহার হিসেবে দেওয়া হয় চারা গাছ, যাতে সকলেই গাছ লাগানোর ও পরিচর্যার অভ্যাস গড়ে তোলেন।
শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সাথে অংশ নিয়ে জানান, এই ধরনের আয়োজন তাদের মনে পরিবেশের প্রতি আরও সচেতনতা তৈরি করেছে। বনবিভাগ আশা প্রকাশ করেছে, এই উদ্যোগ মানুষের মনে গাছের প্রতি ভালোবাসা ও সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং প্রকৃতি রক্ষায় সবাইকে একত্রিত করবে।
এই বর্ষায় নদী খালে ডোবায় পুকুরে জালে মাছ ধরতে জান, এক্ষুনি সাবধান হয়ে যান,
না হলেই বড় বিপদ আপনার জন্য ওত পেতে বসে আছে। হয়ে যাবেন এক ছোবলে ছবি। কেন বলছি এ কথাটা নিশ্চয়ই ভাবছেন তো। শুনুন তাহলে, মাছ ধরা নেশায় গতকাল রাত্রিবেলায় এক মাঝি ক্যানেলের জলে রেখে এসেছিলেন জাল, ভেবেছিলেন প্রচুর মাছ পড়বে ঘুগি জালে।
শেষে মাছ ধরা জাল আনতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ। মাছ ধরার জালে পড়েছে বিশাল আকার দু-দুটির কেলে খরিশ সাপ। দুদুটি বিষধর সাপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মাছ ধরতে যাওয়া ব্যক্তি গোপাল মাঝি, মাছের জালে বিষধর কেলে খরিশ সাপ দেখেয় চোখ কপালে, কোন কারণবশত মাছের জালে যদি হাত পড়ে যেত তাহলেই ঘটে যেত অঘটন। আজ সকালে এমন ঘটনার সাক্ষী থাকলো বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের নবাসন খিরদিঘির পার এলাকায় মানুষ ।
দুই বিষধর সাপ দেখে খবর দেওয়া হয় জয়পুর বন দপ্তরকে, দ্রুত বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জল থেকে ওই ঘুঘী জালকে তুলে নিয়ে আসে পাড়ে, আর নিয়ে আসতেই সাপ দেখতে ভিড় জমান এলাকার মানুষ।
সেই বিষধর সাপ দুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে বনদপ্তরের কর্মীরা এবং ছেড়ে দেয়া হয় জয়পুর গভীর জঙ্গলে। আপনারা দেখছেন সেই ছবি আপনারা দেখতে থাকুন বিসিএন বাংলা।
সাতসকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পরল মাটির দোতলা বাড়ির একাংশ, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পাশের বাড়ির সদস্যরা সহ ওই পরিবারের পাঁচ সদস্যের।
রঞ্জিত কুণ্ডু-জয়পুর-বাঁকুড়া
লাগাতার বৃষ্টির জেরে মাটির দেয়ালের ভিত নড়বড়ে হয়ে ভেঙে পড়ল দীর্ঘদিন ধরে জোড়াজীর্ণ মাটির দোতলা বাড়ির একাংশ, দিনের আলোয় মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ায় ছুটে পালিয়ে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পরিবারের। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের নামাতা পাড়া দিঘীরপাড় এলাকায়।
দীর্ঘদিন ধরে জড়াজীর্ণ মাটির বাড়ির দেওয়াল, ভেঙে পড়ল পাশের বাড়িতে। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হলো এলাকার মানুষ। পাশেই রয়েছে বসত বাড়ি ও রান্নাঘর সেখানেই রান্না করছিলেন আজ সকালে। তখনই হুরুমুরিয়ে ভেঙে পড়ে মাটির দোতলা বাড়ির একাংশ ঝুলে রয়েছে ওই বাড়িরী একাংশ যেকোনো সময় আবারও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে আতঙ্কে রয়েছে পাড়া-প্রতিবেশীরা, ওই ভগ্নাবশেষ বাড়ির একাংশ আচময় আজ সকালে ভেঙে পড়ায় কোনক্রমে ছুটে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ রক্ষা পেল পাশের বাড়ির লোক ও ভাঙ্গা দোতলা বাড়ির সদস্যরা।
তবে হুড়মুড়িয়ে বাড়ি ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা। তারা জানান দীর্ঘদিন ধরে জড়াজীর্ণ মাটির বাড়ি, যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে এই ভয়টাই পাচ্ছিলেন,তাই বার বার পঞ্চায়েত ও বিডিওকে দরখাস্ত করেছিলেন পাশের বাড়ির লোক, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই আজ হঠাৎ ভেঙে পড়ায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে ফেরায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উপড়ে দেন গ্রামবাসীরা।
তারা জানান বারবার বাড়ি মালিক ও প্রশাসনকে গ্রামের ভিতরে বসত বাড়ির পাশে ভগ্নাবশেষ এই বাড়ি ভেঙে ফেলার কথা বললেও বা প্রশাসনকে জানালেও কোন ব্যবস্থা করেনি প্রশাসন ও বাড়ি মালিক। এখনো ওই বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ার ভয় রয়েছে তার কারণ ঝুলে রয়েছে মাটির বাড়ির দেয়াল। আবারো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
তাই পাশের বাড়ির লোক দাবি করেন আজ যদি বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত যদি গ্রামবাসীদের কারোর প্রাণ হানি ঘটতো তাহলে এর দায় কে নিতো? এমনই প্রশ্ন ছুড়ে দেন গ্রামবাসীরা।
তবে অবশ্য জড়াজীর্ণ মাটির বাড়িতেই বসবাসকারী দেবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তিনি জানান, এই বাড়িটি ছয় ভাইয়ের, তাই তারা ভাঙতে পারেনি, ভাঙতে গেলেও বাধা দেয় অন্য ভাইয়েরা। তার থেকেও বড় কথা এই বাড়ি ছাড়া তাদের মাথা গোজার কোন আশ্রয় নেই, বারবার প্রশাসনকে বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন নিবেদন করলেও কোন সুরাহা মেলেনি তাই এই ভগ্নবশেষ বাড়ির মধ্যেই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এখনো বসবাস করছেন দেবী বাবু।
দেবীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তিনি বলেন প্রাণের ভয় রয়েছে কিন্তু মাথা গোজার আশ্রয় নেই এখন তারা কোথায় যাবেন, কি করবেন,বাধ্য হয়েই এই ভগ্নাবশেষ বাড়ির দুয়ারেই তাদেরকে থাকতে হবে বলেই জানান তিনি। প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন ওই ভেঙে পড়া বাড়ি থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলে খুব ভালো হয়।
কি জানাচ্ছেন দেবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও গ্রামবাসীরা চলুন শোনাবো আপনাদের।।
প্রেম করে বিয়ে, মেনে নিতে পারেনি বাড়ির লোক তাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় হৈচৈ পড়ে গেল বাঁকুড়ার জয়পুরে।
কি হয়েছিল ঘটনা জানেন, শুনলে চমকে যাবেন আপনিও। শুনুন তাহলে, দীর্ঘদিন ধরে প্রেম বছর ১৫ নাবালিকা প্রেমিকা মেঘা সাঁতরার সাথে বছর 18 -20 যুবক রকি নন্দীর। কয়েক মাস আগে বাড়ির লোকের অমতে পালিয়ে বিয়েও করে নেয়, মেনে নেয়নি বাড়ির লোক নাবালিকা হওয়ার কারণে মেঘাকে বাড়ি নিয়ে চলে যায় তার বাবা মা। কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারো পালিয়া আসেন মেঘা। তারপর করে নেয় বিয়ে, বিবাহ করে ওই প্রেমিক যুবক রকি নন্দীকে । রকি নন্দীর বাড়ি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের টানা দিঘী গ্রামে। অন্যদিকে মেঘা সাঁতরার বাড়ি হুগলির গোঘাটে। মেয়ে নাবালিকা অবস্থায়, পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এই বারেও মেনে নিতে পারেনি তার বাবা-মা,দ্বারস্থ হন গোঘাট থানার। আর সেই খবর এসে পৌঁছায় নাবালিকা স্বামী-স্ত্রীর কাছে,সাথে সাথেই গ্রাম থেকে পালিয়ে আসে জয়পুরে। আর জয়পুরে এসে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে জয়পুর থানা এলাকায়।
সাথে সাথে খবর পেয়ে পুলিশ ওই দুজনকে উদ্ধার করে জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা দ্রুত চিকিৎসা শুরু করে, কিন্তু দুজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত স্থানান্তরিত করে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে। খবর দেয়া হয় দুই পরিবারের বাড়ির লোককে।
আর এই ঘটনায় সকাল থেকে এলাকায় জানাজানি হতেই হলুস-তুলুস পড়ে যায় এলাকায়, ছুটে যান জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেখানেই ভিড় জমান এলাকার মানুষ।।