Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন সেচ মন্ত্রী মানুষ ভূঁইয়া।

    দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন সেচ মন্ত্রী মানুষ ভূঁইয়া।

    দুর্গাপুর ব্যারেজের পলি উত্তোলন নিয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুললেন সেচ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া।

    শুক্রবার সকালে দুর্গাপুর ব্যারেজের সংস্কার হওয়া রাস্তা পরিদর্শন করতে আসেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া। তখনই তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,”দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট মেরামতির জন্য ২০১৫ সাল থেকে কেন্দ্রের কাছে কোন সহযোগিতা পায়নি। আর ১২ বছর ধরে ড্যামগুলির ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পল্লী উত্তোলনের আবেদন জানানো হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে কেন্দ্রের কাছে। দুর্গাপুর ব্যারেজেও দীর্ঘদিন ধরে পলি উত্তোলন না হওয়ার জন্য জল ধারণ ক্ষমতা কমছে।

    সেই পলি উত্তোলনের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রকে চিঠি করেছেন জলশক্তি মন্ত্রকে এবং প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি করেছেন। কিন্তু ওরা শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু কোন সহযোগিতা না করে রাজ্যকে বঞ্চিত করছে।” দুর্গাপুর ব্যারেজের রাস্তা সংস্কার নিয়ে তিনি বলেন,”সময়ই রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে। বৃষ্টির জন্য কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। এখনো ব্যারেজের রাস্তায় রবার সিল লাগানো বাকি রয়েছে। হায়দ্রাবাদ থেকে এনে সেগুলি লাগানো হবে। দেড় মাস ধরে রাস্তার কাজ হওয়ার জন্য বন্ধ ছিল জল ছাড়া।

    মাইথন পাঞ্চেত এবং দুর্গাপুর ব্যারেজের জলে লেবেল স্বাভাবিক করার জন্য অল্প অল্প জল ছাড়া হচ্ছে। বাঁকুড়া,পুরুলিয়া পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং ঝাড়খন্ডে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। সেই জল দামোদরের নামছে। তেলুঘাট যাতে জল ছাড়ার আগে রাজ্যকে জানাই সেই আবেদন করা হয়েছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা এবং সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা নজর রাখছে। সেচ দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন নিজে নজর রাখছে। আজ ৪১ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। কোন মানুষের যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য তৎপর রাজ্য প্রশাসন।

    পুরনো সেতুর পাশে নতুন সেতু করার আবেদন দেওয়া হয়েছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। তারপরেই উত্তর জানানো হবে।” এদিন মন্ত্রীর সাথে ছিলেন বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী, সিয়াদ এন, আইএএস

    জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর,

    বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পন্নামবলাম এস, বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়, বড়জোড়ার বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

  • এলাকার উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যে ৩৩৫৪টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম কুড়ির পুরস্কার পেল বাঁকুড়া জয়পুর সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে।

    এলাকার উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যে ৩৩৫৪টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম কুড়ির পুরস্কার পেল বাঁকুড়া জয়পুর সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে।

    এলাকার উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যে ৩৩৫৪টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম কুড়ির পুরস্কার পেল বাঁকুড়া জয়পুর সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে।


    আলট্রাটেক যশো স্ত্রী প্রধান গ্রাম গড়বে দেশ এগোবে প্রতিযোগিতায় রাজ্যের কুড়ি জন প্রধানকে দেয়া হয় প্রথম পুরস্কার ।


    তার মধ্যে প্রথম কুড়িতে স্থান অধিকার করল সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে। আলট্রাটেক সিমেন্ট ও মিডিয়া পার্টনার আনন্দবাজার পত্রিকার যৌথ উদ্যোগে প্রথম পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় প্রধানদের হাতে।


    বাঙালির গর্ব সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জীর হাত থেকে পুরস্কার নিলেন প্রধান।
    যেমন খুশি তিনি তার সাথে খুশি হল বাঁকুড়া জেলার জয়পুরের মানুষ। জানা যায় কাজের নিরিখে এলাকার উন্নয়নের জন্য একাধিক বিষয়ের উপর রাজ্যের ৩৩১৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সমীক্ষা চালানো হয়।

    এবং পরীক্ষামূলকভাবে কাজের নিরিখে সিলেকশন করা হয়,তারই মধ্যে বাঁকুড়া জেলার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের মধ্যে একমাত্র প্রধান সিলেকশন হন জয়পুর ব্লকের সোলদা গ্রাম পঞ্চায়েত।


    এই পুরস্কার পেয়ে কতটা খুশি, কি বলছেন প্রধান চলুন শোনাবো আপনাদের।।

  • প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ইলেকট্রিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার

    প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ইলেকট্রিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার

    বর্ষার শুরুতেই বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলাতিতেই এই মর্মান্তিক মৃত্যু দাবি গ্রামবাসীদের



    বর্ষার শুরুতেই ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ার। পুলিশ জানিয়েছে মৃতার নাম রেবা মাজি। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের সাহাপুর মাজিপাড়া এলাকায়। বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলাতিতেই ওই প্রৌঢ়ার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে দাবি বিদ্যুৎ দফতরের।

    বর্ষার শুরুতেই প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা বাঁকুড়া জেলার। তার মাঝেই বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক প্রৌঢ়ার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। জানা গেছে এদিন সকালে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে স্নান করে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন ওন্দা ব্লকের সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা রেবা মাজি। গ্রামের রাস্তায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়েছিল তা নজরে আসেনি রেবা মাজির।

    ছেঁড়া সেই তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ওন্দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের দাবি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিপজ্জনকভাবে হাইটেনশান বিদ্যুতের তার ঝুলে রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের পুরানো তার বদলের বারংবার দাবিও জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা।

    কিন্তু সে কথায় বিদ্যুৎ দফতর কান দেয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ বিদ্যুৎ দফতর গ্রামবাসীদের কথামতো বিদ্যুতের তার বদল করলে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতো না। বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকদের দাবি আগামীতে এমন দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।

  • এক বাইক চালককে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী রাধাগোবিন্দ বেসরকারি বাস ঘটনায় মৃ-ত এক আহত ২৯।

    এক বাইক চালককে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী রাধাগোবিন্দ বেসরকারি বাস ঘটনায় মৃ-ত এক আহত ২৯।

    বেপরোয়া ভাবে ছুটে আসা এক বাইক আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে রাধাগোবিন্দ যাত্রীবাহী বাস, ঘটনায় মৃত এক আহত শিশু সহ ২৯ জন বাসযাত্রী।

    আবারো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দূর্ঘটনা ঝাড়গ্রামে। গোপীবল্লভপুর থেকে খড়্গপুর গামী একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ঘটনায় আহত হয়েছেন শিশু সহ মোট ২৯ জন যাত্রী, ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বাসন্তী মাহাতো নামে এক মহিলার।

    আরো চারজন যাত্রীর অবস্থা আশঙ্কা জনক। স্থানীয়দের অনুমান এক বাইক আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে বেসরকারি বাস।


    ঝাড়গ্রামের বালিভাষা ও গুপ্তমনির মাঝখানে এই দুঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল এসে পৌঁছায় পুলিশ। আহত ও নিহতদের উদ্ধার করে পুলিশ নিয়ে আসা হয় ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। দুর্ঘটনায় দুমড়ে মুছে গিয়েছে বাসের সামনের অংশ।

  • নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত পাত্রসায়ের বলরামপুর, সন্দেহর বসে গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু,ঘটনায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

    নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত পাত্রসায়ের বলরামপুর, সন্দেহর বসে গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু,ঘটনায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

    নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য পাত্রসায়েরে, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু।

    মঙ্গলবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ৯ বছরের এক নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের এর বলরামপুর শালকোটা গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে দেহটি পুঁতে ফেলার চেষ্টাও করা হয়। ঘটনায় সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রামবাসীরা মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    মারধরের জেরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই যুবককে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    নাবালিকার পরিবার জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির পর, সন্ধ্যায় গ্রামের লাগোয়া একটি ঝোপ থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গ্রামবাসীদের দাবি,

    অভিযুক্ত যুবককে একটি গর্ত খুঁড়তে এবং কাঁধে করে দেহ নিয়ে যেতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই সে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামের মানুষ ঝোপে গিয়ে দেখেন, দেহের গলায় জামা ছিঁড়ে ফাঁস লাগানো এবং পাশে খোঁড়া গর্ত।

    ঘটনার পর উত্তেজিত গ্রামবাসীরা অভিযুক্তকে ধরে মারধর করে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। মৃত যুবকের দাদার দাবি, ওই নাবালিকা তাদের বাড়িতে টিউশন পড়ত। পরিবারের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক ছিল। তাঁর ভাই এই ঘটনায় যুক্ত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

    এদিকে গ্রামে উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী। গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, অভিযুক্তের পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে হবে। মৃতদেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

  • আষাঢ়ের প্রথম দিনেই মধ্যজীবীদের খুলে গেল ভাগ্য,২৫ টন ইলিশ উঠল কাকদ্বীপে!

    আষাঢ়ের প্রথম দিনেই মধ্যজীবীদের খুলে গেল ভাগ্য,২৫ টন ইলিশ উঠল কাকদ্বীপে!

    এই মরসুমের প্রথম ‘রুপোলি শস্য’ এল বাজারে
    একসঙ্গে এত ইলিশ ওঠায় মাঝি থেকে ট্রলার মালিক রাও বেশ খুশি। কারণ, গত বছরে প্রথম পর্যায়ের ইলিশ খুব কম পরিমাণে উঠেছে জালে।

    আষাঢ় মাসের প্রথম দিনে খুশির হাওয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে। সকাল সকাল নামখানার খেয়াঘাটে ফিরে এসেছে প্রায় ২৫টি ট্রলার। সঙ্গে এসেছে প্রায় ২৫ টন এরকাছাকাছি ‘রুপোলি শস্য।’ এই মরসুমের প্রথম ইলিশ শীঘ্রই বাজারে আসতে চলেছে। চাঙ্গা হবে জেলার গোটা মৎস্যজীবী সমাজ। তাদের আশা, আবহাওয়া এই রকম থাকলে আরও ইলিশ ধরা দেবে জালে।

    সোমবার স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকার ফলেই মৎস্যশিকার ‘অত্যন্ত সফল’ হয়েছে। মরসুমের প্রথম দফার ইলিশ ধরায় এমন ‘ফলাফল’ দেখে খুশি তাঁরা। ট্রলার থেকে নেমে এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘‘যদি এমন আবহাওয়া বজায় থাকে, তা হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাজার আরও ইলিশে ভরে উঠবে।’’

    কাকদ্বীপ ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতির কথায়, ‘‘এই মরসুমের শুরুতেই যে পরিমাণ ইলিশ এসেছে, তাতে আমরা আশাবাদী। আবহাওয়া এখন অনুকূল। আরও ভাল পরিমাণে মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’’

    তবে ইলিশের দাম এখন বেশ কিছুটা চড়া থাকবে। তবে আগামী দিনে দাম কমার আশ্বাসের সুরও শোনা গেল। জানা যচ্ছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ শুরু হলেই সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে রুপোলি শস্য।

  • নির্জন জঙ্গলে প্রেম করছে দুই হাতি, আর হাতিদের প্রেম দেখতে জঙ্গলে ছুটলো গ্রামবাসীরা

    নির্জন জঙ্গলে প্রেম করছে দুই হাতি, আর হাতিদের প্রেম দেখতে জঙ্গলে ছুটলো গ্রামবাসীরা

    জঙ্গলের মাঝে প্রেমে মজল দুই হাতি, হাতির প্রেম দেখতে ভিড় গ্রামবাসীদের, ক্যামেরাবন্দি সেই ভাইরাল ভিডিও। সত্যিই কি প্রেম আলিঙ্গন নাকি দুই হাতির লড়াই।

    আচমকায় জঙ্গলের মাঝে প্রেমে ভাসলো দুই বুনো হাতি আর সেই হাতির প্রেম দেখতে ভিড় জমালো গ্রামবাসীরা।

    সত্যিই কি প্রেম বা আলিঙ্গন নাকি লড়াই। এমনই বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকলো পশ্চিম মেদিনীপুর
    কলাইকুণ্ডা রেঞ্জের বারডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা।
    একদিকে ভরা গ্রীষ্ম কখনো রোদ কখনো বৃষ্টি তাঁর উপর প্যাচপেচে গরম, আর সেই গরমের মাঝে হাতিদের মিষ্টি প্রেম, আর সেই মিষ্টি প্রেমের দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ক্যামেরাবন্দি করবে না পাবলিক তা কখনো হয়, যেমন কর্ম তেমনি কাজ সাথে সাথে সেই মুহূর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দি করল এলাকার মানুষ।এটা কেউই কল্পনা করেননি।


    রাস্তা ঘাটে বা পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রেমরত অবস্থায় সচরাচর দেখা যায়।
    কিন্তু তাই বলে হাতিদের প্রেম! কখনও চাক্ষুষ করার সুযোগ হয়েছে আপনার? নিশ্চয়ই হয়নি।


    আধঘণ্টা ধরে চলে অনুরাগের ছোঁয়া। একে অপরকে শুড় পেঁচিয়ে প্রেম নিবেদন করছে দুই হাতি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামবাসীরা ভিড় জমান। হস্তি যুগলের প্রেমলীলা দেখে আনন্দিত শতাধিক মানুষ। অনেকেই ঘটনাটি মোবাইল ফোনে বন্দী করেন যা এখন রীতিমত ভাইরাল দেখুন সেই ভাইরাল ছবি।

  • জয়পুর জঙ্গলে দুর্ঘটনায় জখম হয়ে প্রাণ হারাতে বসা ২ দুষ্টু মিষ্টি হরিণকে সুস্থ করে জঙ্গলে ফিরিয়ে দিল বনদপ্তর।

    জয়পুর জঙ্গলে দুর্ঘটনায় জখম হয়ে প্রাণ হারাতে বসা ২ দুষ্টু মিষ্টি হরিণকে সুস্থ করে জঙ্গলে ফিরিয়ে দিল বনদপ্তর।

    জয়পুর জঙ্গলে দুর্ঘটনায় জখম হয়ে প্রাণ হারাতে বসা ২ দুষ্টু মিষ্টি হরিণকে সুস্থ করে জঙ্গলে ফিরিয়ে দিল বনদপ্তর।


    গুরুতর অসুস্থ হওয়া দুই হরিণ কে বাঁচানোয় ছিল বনদপ্তরের কাছে এক প্রকার চ্যালেঞ্জের মত ।


    সেই হরিণদের সুস্থ করে ফিরিয়ে দিল বাঁকুড়ার জয়পুর বনদপ্তর। আর এই জয়পুরে বড় কর্মীদের কাজে খুশি হয়ে ভুওসি প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় মুখ্য বনপাল এস কুনাল ড্রাইভার্ট।
    তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দিলেন দুষ্টু মিষ্টি দের, প্রায় দুই থেকে আড়াই মাসের চিকিৎসায় বনদপ্তরের কর্মীদের সেবায় প্রায় 40 খানা সেলাই,অপারেশনের ঔষধ ইনজেকশন সেলাইন দিয়ে সেই হরিণদের সুস্থ করে জঙ্গলের প্রাণীদের জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে পেরে খুশি বনদপ্তর।


    জংলি হরিণ হলেও আড়াই মাস মানুষের কাছে থাকায় তৈরি হয়েছিল বন্ধুত্ব।।
    কিন্তু বন্ধুত্ব হলে কি হবে জঙ্গলের প্রাণীদের তো জঙ্গলে যেতে হবে। তার কারণ বন্যেরা বনে সুন্দর। তাই সেই জঙ্গিলি হরিণদের আজ গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেয়ার পর একটু দুরে পালিয়ে গিয়েও দাঁড়িয়ে থেকে সেবা সুশ্রূষা করা বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে রইলেন বেশ কিছুক্ষণ ধরে
    তারপর ফিরে গেল নিজেদের বাসায় পুরোনো বন্ধুদের কাছে।।

  • আগামী বুধে কি ঢুকছে বর্ষা, কি জানালো হাওয়া অফিস দেখুন।

    আগামী বুধে কি ঢুকছে বর্ষা, কি জানালো হাওয়া অফিস দেখুন।

    আগামী বুধে ঢুকবে বর্ষা তিন দিনের মধ্যে শুরু হবে বৃষ্টি।


    দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা কবে ঢুকবে জানাল আবহাওয়া দফতর! গরম কি কমবে? বিরাট আপডেট, দেখুন আগামীকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া, ২৪ পরগণা, বর্ধমান জেলাগুলি দিয়ে বর্ষা আসতে শুরু করবে। ১৮ তারিখে বর্ষা ঢুকে পড়বে দক্ষিবঙ্গে।

    ১৭ তারিখ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায় মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। ১৮ জুনও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভবনা, তবে উত্তর ও দক্ষিণ পরগণায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভবনা।

    ১৯ তারিখ দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে গরম কি কমবে? বর্ষা ঢুকছে, বৃষ্টিপাত বাড়বে। তাপমাত্রা কমবে কিন্তু একটি বৃষ্টির পর পরবর্তী বৃষ্টির যে সময় সেই সময় জুড়ে অস্বস্তি থাকবে। বর্ষা কালের এটাই নিয়ম। জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

  • *আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর ইলিশের খোঁজে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেবে মৎস্যজীবীরা, এই বছর পাওয়া যাবে প্রচুর ইলিশ আশাবাদী মৎস্যজীবীরা*

    *আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর ইলিশের খোঁজে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেবে মৎস্যজীবীরা, এই বছর পাওয়া যাবে প্রচুর ইলিশ আশাবাদী মৎস্যজীবীরা*

    আর কয়েক ঘন্টা পর উঠে যাবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। তার পরেই গভীর সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরতে পাড়ি দেবেন মৎস্যজীবীরা এমনটাই খবর। জানা যাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ডায়মন্ড হারবার,কাকদ্বীপ,নামখানা, ফ্রেযারগঞ্জ এলাকা থেকে কয়েক হাজার মৎস্যজীবী ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরতে পাড়ি দেবেন আর কয়েক ঘণ্টা পর। আগেভাগে থেকে তাঁরা সেই প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন প্রায়।

    বেশ কয়েক বছর ধরে মনমতো ইলিশ মাছ পাচ্ছেন না মৎস্যজীবীরা। এ বছর তাঁরা একটু আশাবাদী। কেননা, মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার ক্ষেত্রে এবার নতুন প্রযুক্তি এসেছে। তাই আগের-আগের বারের চেয়ে এবার তাঁরা কিছুটা হলেও বেশি পরিমাণে ইলিশ ধরতে সক্ষম হবেন, এমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    এবার মৎস্য দফতর জিপিএস ট্র্যাকের ব্যবস্থা করেছে। মাছ ধরতে গিয়ে যাতে অজান্তে সীমানা লঙ্ঘন না হয়ে যায়, সেটা দেখাই এই প্রযুক্তির লক্ষ্য। তেমন ঘটলে তার আগাম সর্তকতা আসবে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্তকতা, ট্রলারে কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে তার সতর্কতা এবং গভীর সমুদ্রে মাছের ঝাঁক কোন এলাকায় আছে– এই সব জরুরি বিষয়ের তথ্য জোগাবে এই ব্যবস্থা। প্রতিটি ট্রলারেই এমন ব্যবস্থা থাকছে বলে জানা গিয়েছে। এতে দুর্ঘটনার আগাম সর্তকতা পাওয়া যাবে মোবাইলের মাধ্যমে।


    এদিকে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে বরফের দাম কিছুটা হলেও বেড়েছে, জালের দামও বেড়েছে। তা ছাড়া মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার উপকরণের জন্যও বেশ কিছুটা খরচ বহন করতে হয়। একটি ট্রলার ছাড়তে মোটামুটি খরচ হয় দুলক্ষ টাকার উপরে। ইলিশ মাছ এবারে ভালো হলে এবং দাম ভালো পাওয়া গেলে, খরচটা উঠে আসবে, এমনই ভাবনা তাঁদের।

    কার উপর বাংলাদেশ থেকে ইলিশ মাছ আর আসার সম্ভাবনা নেই ভারতে কারণ ভারতবিদ্বেষ মাথা যারা দিয়েছে বাংলাদেশে তাই এই বছর নিজেরাই প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরে নিয়ে আসবে আমাদের রাজ্যে সেই মাছ পৌঁছে দেবে সারাদেশে। তাই একদিকে প্রচুর মাছ পাবেন সমুদ্রে যতটা আশা করছেন রোজগার হবে সেই পরিমাণে সেটাই এখন মৎস্যজীবীদের ভাবনা। তার জন্য
    মা গঙ্গাকে স্মরণ করে বেরিয়ে পড়বেন গভীর সমুদ্রে।

    এক-একটি ট্রলারে ১৮ জন ২০ জন করে মৎস্যজীবী থাকেন। প্রতিবারের মতো এবারও সরকারের নিষেধাজ্ঞা ছিল– দুমাস। সেটা কাটছে আগামী কাল, ১৫ জুন। এর পরেই গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার ছাড়পত্র পাবেন মৎস্যজীবীরা। তাঁদের প্রস্তুতিও শেষের পথে।


    শেষ মুহূর্তে বরফ, তেল মৎস্যজীবীদের খাবার, মাছ ধরার উপকরণ ইত্যাদি ট্রলারে তুলে নিচ্ছেন তাঁরা। আবহাওয়া ভালো থাকলেই মাছের ঝাঁক ধরা দেবে মৎস্যজীবীদের জালে। তাই মা গঙ্গাকে স্মরণ করে তাঁরা পাড়ি দেবেন অনেক দূরে।

    যাতে করে পড়শীদেশ বাংলাদেশের মুখে ঝামা ঘষে দিতে পারে আমাদের রাজ্যের মৎস্যজীবীরা। তাই একদিকে যেমন প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে অন্যদিকে শরণাপন্ন ভগবান দেব দেবীর।