এক নাবালিকাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ উঠল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ তিনজনের বিরুদ্ধে! ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলার, শহর বর্ধনের হাটু দেওয়ানগঞ্জের ক্যানেল বাঁধ এলাকার। ঘটনার পরই নাবালিকার মা অভিযোগ দায়ের করেন লিখিত আকারে বর্ধমান থানায়। অভিযোগে লেখেন “গত ২৭ ৭ ২০২৬ তারিখ রাত্রি নট নাগাদ যখন আমি বাড়িতে ছিলাম না পাশের বাড়িতে ছিলাম সেই সময় সিদ্দিকুল্লা মল্লিক, ইলিয়াস মল্লিক, এবং শেখ শাহিদুল আমার বাড়িতে ঢোকে এবং তারা সকলে মিলে মেয়ের মুখ চেপে ধরে তারপরে
মেয়ের পরনের নাইটি ছিড়ে তাকে বিছানায় ফেলে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে মেয়ের বুকে হাত দেয়। মেয়ের যৌনাঙ্গে হাত দিয়ে জোর জবরদস্তি করতে থাকে পরে মেয়ের চিৎকারে আমি ও আমার স্বামী এবং আশেপাশের লোকজন চলে এলে পালানোর সময় রিভলভারের বাট দিয়ে আমাকেও আমার স্বামীকে আঘাত করে। পরবর্তী সময়ে বর্ধমানে হাসপাতালে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাই”।নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ঘটনায় ইলিয়াস মল্লিক গ্রেফতার হলেও সিদ্দিকুল্লাহ মল্লিক ও শেখ সাইদুল এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। রবিবার নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেনের অভিযোগ, “যারা জঘন্য কাজ করেছে তারা তৃণমূল করত কিন্তু সম্প্রতি বিধানসভা ভোটের ফলাফল বের হতেই তারা দাবি করছে তারা নাকি বিজেপি নেতা। কামাল হোসেন তিনি আরো বলেন আমি বিজেপি করতাম একসময় তবে এখন কোন দল করি না।
কামাল হোসেন আরও বলেন, অভিযোগ তিনজনের নামে হয়েছে একজন গ্রেফতার হলেও বাকি দুইজন এখনো পর্যন্ত দাদাগিরি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে! আমরা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছি না বাকি দুজন কেন গ্রেফতার হচ্ছে না। ইলিয়াস মল্লিক গ্রেপ্তার হয়েছে তার বাড়ি আমার বাড়ি থেকে পাঁচ মিটার দূরে বাকি দুইজন আমাদের পুড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে পুলিশকে বললেও পুলিশ বলছে পরে গ্রেপ্তার করব। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ বাকি দুইজন যেন অতি দ্রুত গ্রেফতার হয়”। নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মন্ডল সভাপতি ছিল বিজেপির। আমি বুথ সভাপতি ছিলাম কিন্তু এখন আমরা আর কোন পার্টি করি না।
বকেয়া ডিএর ৮৫% মেটাতে চায় রাজ্য! ১০০% দিতে পারব না আর্জি সুপ্রিম কোর্টে!
রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএর ১০০ শতাংশই মিটিয়ে দিতে হবে, নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছিল। বুধবার সেই রিপোর্টই জমা দেওয়া হয়েছে।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ১০০ শতাংশ নয়, ৮৫ শতাংশ মেটাতে চায় রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টে স্টেটাস রিপোর্টে তেমনটাই জানানো হয়েছে। বাকি ১৫ শতাংশের ছাড় চাওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের কাছে। রাজ্য জানিয়েছে, মোট চার কিস্তিতে ২০২৮ সালের মধ্যে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
তবে পুরো ১০০ শতাংশ মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে রাজ্যের উপর বিপুল আর্থিক বোঝার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে। রাজ্য জানিয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ মোট ১১ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা দিতে হবে। চার কিস্তিতে তা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রথম কিস্তির টাকা ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
“বাংলার প্রকল্পকে বিজেপি টুকলি করছে”- নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বরের জনসভা থেকে তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে বিরোধী শিবিরকে বিঁধলেন – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।।
বাংলা জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যে প্রকল্পগুলি চলছে সেই প্রকল্পের টুকলি করে অন্যান্য রাজ্যে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি। কিন্তু তারপরও তারা বেঁধে দিচ্ছে কিছু গাইডলাইন। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বয়স হলেই বাংলার প্রতিটি মহিলা , পুরুষ , যুবক যুবতী ছাত্রছাত্রী সকলেই উপকৃত হন, তার পাশাপাশি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পও আজীবন চলবে- পাণ্ডবেশ্বর এর জনসভা থেকে এমনই দাবি করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য , পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সমর্থনে বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাই ভোল্টেজ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের লাউদোহা ফুটবল মাঠে। মুখ্যমন্ত্রীর এই জনসভা কে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন থেকেই প্রস্তুতিপর্ব ছিল তুঙ্গে। এদিন সকাল থেকেই কোনরকম কোন বিশৃঙ্খলা এড়াতে সারা খনি অঞ্চল সহ লাউদোহা ফুটবল মাঠে ছিল পুলিশ প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা সাথে ছিল পুলিশ কুকুর ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চলছিল খুঁটিয়ে সভাস্থল পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে ১:৩০ টার মাঝামাঝি সময় লাউদোহা ফুটবল মাঠে তৈরি হেলিপ্যাডে হেলিকপ্টারে করে পৌঁছায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে কেউ আশার বাণী, কেউবা একটিবার দেখার জন্য সকাল থেকেই ফুটবল মাঠ ও সভাস্থলে তৃণমূল কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ জনের স্রোত নেমেছিল।
মঞ্চে উঠতেই মাইক্রোফোন হাতে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমেই পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ জেলার আরো আটটি বিধানসভা কেন্দ্রের মনোনীত প্রার্থীদের সমর্থন করে জয়ী করানোর আর্জি জানাই জেলাবাসীর কাছে, এমনকি প্রতিটি ভাষা ও ধর্মের মানুষজন ও তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসবকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন মাননীয়া। পড়ে দীর্ঘ ১৫ বছরে আসানসোল সহ পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা জুড়ে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন সকলের সামনে।
যেখানে উঠে আসে, তৃণমূল সরকারের আমলে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট তৈরি, আসানসোল কে নতুন জেলার মান দেওয়া, তার সাথে আসানসোল মাল্টি সুপার হসপিটাল ছাড়াও আসানসোল কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর তৈরির কথাও এদিন গুরুত্ব পাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণে। তার পাশাপাশি আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় যে ব্যাপক হারে উন্নয়ন হয়েছে তার খতিয়ানও একের পর এক তুলে ধরেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
তবে সরকারের উন্নয়নের ডালি তুলে ধরা এবং ২৬ শের নির্বাচনী প্রচার ছাড়াও এদিন তীব্র বাক্যবাণে এস আই আর সহ আরো বেশ কিছু বাংলা বিরোধী কর্মকাণ্ডকে সামনে রেখে বিরোধী শিবির বিশেষ করে বিজেপিকে আক্রমণ শানাতে দেখা যায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে।
এস আইরের নামে বাংলার মানুষকে চূড়ান্তভাবে হয়রানি এবং অযাচিতভাবে নাম কেটে দেওয়ার কথা বলতে গিয়ে জানান -এরা সব লুট করে মানুষকে ঝুট বলে। এছাড়াও তিনি তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিটি কর্মী সমর্থক এবং সংগঠনের নেতা নেতৃত্বদের নির্দেশ দেন এসআইআরে যাদের নাম বাদ গেছে তাদের সকলের পাশে থেকে লড়াই করতে হবে।
তাছাড়াও এদিন দেশের গণতন্ত্র এবং সংবিধান যে সংকটের মুখে রয়েছে তার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, বিজেপি ইসিএল থেকে শুরু করে বিসিএল,রেল, সেল , এল আই সি সহ সমস্ত কিছুই বিক্রি করে দিচ্ছে তার কথাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে আবার বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস সংকটের বিষয়টিকে সামনে রেখে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন একটা গ্যাস অর্ডারের ২৫ দিন পর আরও একটা সিলিন্ডার পাবে সাধারণ মানুষ, তাহলে কি গ্যাস ফুরিয়ে গেলে মানুষ হাওয়া খাবে ? এমনই মন্তব্য করে কেন্দ্রীয় সরকারকে খোঁচা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি জানান, গ্যাস দেবে গ্যাস বেলুনের মাধ্যমে নিজেদের প্রচার করার জন্য মানুষের রান্নার ঘরে গ্যাস দেবে না কেন্দ্র। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে গ্যাসের দাম এবং বর্তমানে গ্যাসের দাম কে নিয়েও একহাত নেন বিরোধী শিবির কে।
অন্যদিকে বাংলা জুড়ে তৃণমূল সরকারের চলা প্রকল্পগুলির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমান সময়ে বিজেপি বাংলার প্রকল্পকে টুকলি করে অন্য রাজ্যে দিচ্ছে কিন্তু সেখানে তারা বেছে বেছে দিচ্ছে যাদের টিভি আছে এমনকি যাদের স্কুটি আছে , মোবাইল ফোন আছে তাদের কাউকে দিচ্ছে না। সে জায়গায় আমাদের বাংলার প্রতিটি মানুষ বাংলার প্রতিটি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পায়।
স্বাভাবিকভাবেই এদিন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর এর জনসভায় একপ্রকার রুদ্রমূর্তি ধারণ করতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সবশেষে তিনি জানান, যতই চক্রান্ত করুক আমরা সমস্ত প্রতিকূলতা কে অতিক্রম করে লড়াই করতে রাজি আছি। মঞ্চে ভাষণের শেষে আদিবাসী মহিলাদের হাতে হাত রেখে ধামসা মাদলের তালে নৃত্য করে সভাস্থল ছাড়েন তৃণমূল সুপ্রিমো মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই জনসভা জেলায় শাসকদলের কাছে এক বড় ধরনের টনিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
১০ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ হুমায়ুন কবিরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির।হুমায়ূন কবীরের মেয়েসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে NDPS আইনে বড়সড় পদক্ষেপ মুর্শিদাবাদ পুলিশের।
মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা থেকে যে খবর উঠে আসছে জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের পরিবারের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালাল জেলা পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় লালগোলা থানার পুলিশ লালগোলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের একাধিক সম্পত্তি ফ্রিজ করে দেয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লালগোলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি লজ, বলরামপুর এলাকার একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নলডহরি গ্রামের একটি বসতবাড়ি এই অভিযানে এই সম্পত্তি গুলো ফ্রিজ করা হয় । এই সম্পত্তিগুলি হুমায়ূন কবীরের মেয়ে নাজমা সুলতানা, জামাই রাইহান আলি, জামাইয়ের বাবা-মা, মেয়ে ও অন্যান্য আত্মীয়দের নামে নথিভুক্ত রয়েছে।
এই অভিযান ঘিরে পাল্টা অভিযোগ হুমায়ূন কবীরের মেয়ে নাজমা সুলতানার। তাঁর দাবি, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চক্রান্ত। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে এই অভিযান চালিয়েছে এবং বাবার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই পরিবারের সদস্যদের নিশানা করা হচ্ছে এমনটাই অভিযোগ হুমায়ুন কবিরের মেয়ে নাজমা সুলতানা।
দীর্ঘদিনের প্রেম পূর্ণতা পেল অবশেষে, সাত পাকে বাঁধা পরল বড় রিয়া সরদার ও কোনে রাখি নস্কর।
আজ আপনাদেরকে কোন লায়লা মজনুর প্রেমের কাহিনী শোনাবো না, না শোনাবো ও আপনাদের কোন সিনেমার গল্প, একেবারে দুই মহিলার বাস্তবের প্রেমের কাহিনী শোনাবো আপনাদের। প্রথমে ফোনে আলাপ, তারপর দুজন দুজনের পরিচয়।তারপরে একই দলের ড্যান্সের কাজ করা। তারপর থেকেই গড়ে ওঠে সম্পর্ক। আর সেই সম্পর্ক পৌঁছে গেল একেবারেই ছাতনা তলায়। ভাবছেন তো? কোন প্রেমিক প্রেমিকার কথা বলছি, না কোন প্রেমিক প্রেমিকার কথা বলছি না, দুই প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার প্রেমের কাহিনী তুলে ধরছি আপনাদের কাছে।
আর সেই প্রেমের কাহিনী থেকেই একেবারে বাস্তব রূপ নিল আজ। এমনই ছবি উঠে এলো দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলী ব্লকের জালাবেড়িয়া 1 নম্বর অঞ্চলের পালের চক এলাকার। সেখানে দেখা গেল মন্দির বাজারের রামেশ্বরপুরের বাসিন্দা বর রুপে রিয়া সর্দার- পেশায় তিনি একজন ড্যান্সার,অপরদিকে কোনে সাজে রাখি নস্কর- বকুলতলা থানার বাসিন্দা। দুই মেয়ে একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করছেন বাস্তবে শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য।প্রথমে দুই মেয়ের প্রেম মেনে নিতে পারেনি বাড়ির লোক। পরে মেনে নেন উভয় পরিবার। তারা সাত পাকে বাঁধা পড়ল ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে। মাথায় টোপর পড়ে মালা বদলের মাধ্যমে সাতপাকে বাধা পড়লেন দুজনে। সারা জীবন একসাথে চলবে একসাথে থাকবে। এমনই প্রতিজ্ঞা করলেন তারা।
একজন ছেলে ও একজন মেয়ে। প্রেম ভালোবাসা করে বা দেখাশোনা করে বিবাহ হয় এবারে দেখল দুই মেয়ের প্রেম সেই প্রেম গড়ালো ছাতনা তলায়,বিবাহ হলো মন্দিরে। আর সেই দুই পূর্ণবয়স্ক মহিলার বিবাহ দেখতে ভিড় জমালো মন্দির প্রাঙ্গণে।
পারফরমেন্স ভিত্তিক মূল্যায়ন ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কোন পদে থাকা যাবে না, করা বার্তায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সি।
বিগত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে রেখেই শুক্রবার কামাক স্ট্রীটে ২ লোকসভা কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট নিয়ে জেলাভিত্তিক আলোচনা এ দিনের আলোচনায় ছিলেন রাজ্য তৃণমূল সভাপতি সুব্রত বক্সি।
তবে বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে মিলিয়ে ভোটের ব্যবধানে বিজেপি এক শতাংশের কম ব্যবধানে এগিয়েছিল। তবে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে বৈঠকে আসা তৃণমূল নেতৃত্বকে সতর্ক করে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এখন থেকে সতর্ক হতে হবে প্রচার করতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামাজিক প্রকল্পগুলি। পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে।। তা না হলে এই সামান্য ব্যবধানে ভবিষ্যতের লড়াইয়ের বড় ভূমিকা নেবে।
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন জেলায় সাংগঠনিকভাবে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে সকলকে। যেসব এলাকায় এখনো কাজ বাকি রয়েছে সেখানে প্রাধান্য দিতে হবে। দলের সর্বস্তরের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামতে হবে, দলের পুরনো নতুন কর্মীদের গুরুত্ব আরো বেশি করে দিতে হবে। মানুষের সমস্যার কথা শুনতে হবে, ও বাস্তবে যে সমস্যাগুলি রয়েছে তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করতে হবে বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে ট্রেনের তলায় ঢুকে যাচ্ছে যুবক প্রকাশ্যে এল লাইভ সিসিটিভি ফুটেজ,আর.পি.এফ এর সহায়তায় প্রাণে বাঁচলেন কোনক্রমে
(CCTV footage given by Rail)
বাঁকুড়া:- গতকাল ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক সকাল সাড়ে আটটা। বাঁকুড়া স্টেশন থেকে আসানসোলের অভিমুখে রওনা দিয়েছিল ১৮০২৭ আসানসোল মেমু এক্সপ্রেস। হন্তদন্ত হয়ে কোনক্রমে ট্রেনে ওঠার জন্য ছুটে আসছিলেন এক যুবক।কিন্তু উঠতে গিয়েই বাঁধলো বিপত্তি। ট্রেন চলন্ত অবস্থায় থাকায় বেসামাল হয়ে ওই যুবক পড়ে যায় সোজা ট্রেনের তলায়। সাথে সাথে আর পি এফ এর তৎপরতায় উদ্ধার করা হয় ওই যুবককে।আরপিএফের তৎপরতায় কোনক্রমে ওই যুবক প্রাণে বাঁচলেও এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই তা দেখে রীতিমতো চক্ষুচড়ক গাছ রেল আধিকারিকদের।
রেল সূত্রে প্রাপ্ত খবর ওই যুবকের নাম সঞ্জয় ক্ষেত্রপাল বাড়ি বাঁকুড়া জেলার সিমলাপাল থানা এলাকায়।
বাঁকুড়া আর.পি.এফ পোস্টের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক টি.কে রায় জানান,”কাল সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে,যখনই এটা দেখা যায় সাথে সাথে আমাদের কর্তব্যরত কনস্টেবেলরা ছুটে গিয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে, ওই যুবককে সুস্থ অবস্থাতেই উদ্ধার করা গেছে”।
বাইট:-
তপন কুমার রায় (ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক,বাঁকুড়া আরপিএফ থানা)
পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা, বাঁকুড়ায় গ্রেফতার যুবক
পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল বাঁকুড়ার তালডাংরা থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে ধৃত যুবকের নাম্র নূর ইসলাম মল্লিক। ধৃত যুবককে আজ খাতড়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে গত সোমবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার তালডাংরা থানা এলাকার পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রী পাড়ার অদূরে থাকা বাজারে চকোলেট, বিস্কুট কিনতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে আচমকাই ওই ছাত্রীর পথ আটকায় পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক যুবক। অভিযোগ নাবালিকাকে অন্ধকার একটি গলিতে টেনে নিয়ে গিয়ে হাতে করে মুখ চাপা দিয়ে ওই ক্ষুদে পড়ুয়ার শ্লীলতাহানি করে যুবক। কোনোক্রমে অভিযুক্ত যুবকের হাত ছাড়িয়ে সেদিন বাড়িতে ফিরে আসে ওই পড়ুয়া।
পরিবারের দাবি বাড়িতে ফিরেই ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ওই পড়ুয়া। পরে জ্ঞান ফিরে এলে ঘটনার কথা পরিবারের লোকজনকে জানালে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।কিন্তু ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় ওই যুবক। পরিবারের দাবি বুধবার ফের ওই যুবককে নিগৃহীতার স্কুলের সামনে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাকে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করে তালডাংরা থানায় খবর দেয়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
ক্লাস রুমে এক হাঁটু জল, সেই জলেই চলছে লেখাপড়া, সাথে চলছে মাছ ধরা,
চলছে মিড ডে মিলের রান্না। জলে, মাছে, স্কুলে জেন একসাথে , এক কথায় বলতে গেলে যোগা খিচুড়ি অবস্থা। জলের স্রোতে স্কুলে ঢুকে পড়ল মাছ আর সেই মাছ ধরতে ব্যস্ত ছাত্রছাত্রীরা। দেখুন সেই ছবি, ভাবছেন তো এমন ঘটনা কোথায় ঘটল, দেখুন তাহলে। কিছুদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন স্কুল। নদীয়া জেলার চাকদা থানার অন্তর্গত হিংনাড়া পঞ্চায়েতের বল্লভপুর জি এস এফ পি স্কুল। এই স্কুলে কিছুদিনের বৃষ্টিতে ক্লাসরুম থেকে শুরু করে অফিস রুম জলে থৈথৈ করছে। স্কুলে ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীরা সেই জলের মধ্যে ক্লাস করছে। যাতে এই সমস্যার সুরাহা হয় তার জন্য এবার পথে নামল ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা। তারা স্কুলের গেটে তালা মেরে পথ অবরোধ করে। এই খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে উপস্থিত হন চাকদা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। তারা আশ্বস্ত করে যান খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করবে। ঠিক তার দুইদিন পর স্কুলে হাজির হন হরিণঘাটা বিধানসভার বিধায়ক অসীম সরকার মহাশয়। তিনি সেখানে এসে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তিনি জানান এই সমস্যা সমাধান করতে যা খরচ হয় তিনি নিজের কাছ থেকেই দেবেন। এবং পরবর্তীতে মিড ডে মিলের গৃহনির্মাণ, শৌচালয় নির্মাণের জন্য এম এল এ কোটা থেকে টাকা বরাদ্দ করবেন। আমরা কথা বলেছিলাম বিধায়ক অসীম সরকার, স্কুলের শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে।।
নদীয়ার এক স্কুলে হঠাৎ একের পর এক ছাত্রীর শ্বাসকষ্ট, তারপরেই শুরু বমি বমি ভাব তারপরই শুরু মাথা ঘোরা এমন ঘটনায় হইচই পড়ে যায় এলাকায়। কি এমন হলো ভেবে পারছিলেন না শিক্ষকেরা। এমন ঘটনা ঘটে গেল নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের খালবোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ।
একসাথে প্রায় ৩০ জনের বেশি ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। সূত্র মারফত জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে প্রথমে এক ছাত্রী শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করলে তাকে দ্রুত কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই একে একে আরও বহু ছাত্রী মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং অস্বস্তিতে ভুগতে থাকে। এক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালের শয্যায় ভর্তি হন প্রায় ৩০ জন।
হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, এটি ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হতে পারে। ছাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের স্থানান্তর করা হয়েছে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি দাস।
তিনি বলেন, “এত ছাত্রীর একসঙ্গে অসুস্থ হওয়া উদ্বেগজনক, বিস্তারিত তদন্ত জরুরি। আগামীকাল বিদ্যালয়ে মেডিকেল টিম পাঠানো হবে।” এদিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশও। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেই খবর দেখুন কি বলছেন অভিভাবক থেকে স্কুল ছাত্রী ও শিক্ষকেরা চলুন শোনাবো আপনাদের।