দিনের আলোয় প্রকাশ্যে লুট হচ্ছে দারকেশ্বর নদী, প্রশাসন কোথায়? এমনই ছবি দেখাবো বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লক ও পাত্রসায়ের ব্লকের বুক দিয়ে বয়ে যাওয়া দারকেশ্বর নদীর দৌলতপুর মৌজার ঘটনা।
বালি মাফিয়া দের দৌড়াতে অতিষ্ট গ্রামের মানুষ, মুখ খুললেই বিপদ প্রাণহানি ও মারধরের মতন ঘটনা ঘটতে পারে, সেই ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ নদীর পাড়ে বাসিন্দাদের। দিনের আলোয় কার মদতে দারকেশ্বর নদীর লুট হচ্ছে বালি,তবে গ্রামবাসীরা মুখ না খুললেও তারা বলেন প্রশাসনের একাংশের মদতে বালি মাফিয়ারা সাহস পাচ্ছে তা না হলে কোন দিনই সম্ভব নয় দিনের আলোয় বালি লুট হবে। প্রতিদিন রাত হলেই শুরু হয় বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম চলে লুটতরাজ, এই লুটতরাজ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত চলছে, দিনের আলোয় পাত্রসায়ের ব্লক ও জয়পুর ব্লকের বুক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে শয়ে শয়ে ট্রাক্টর যা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। কিভাবে সম্ভব, যেখানে বর্ষাকালের জন্য সরকারিভাবে বন্ধ বালি খাদ সেখানে কিভাবে অবৈধভাবে অবৈধ খাদান থেকে বালি দুই ব্লকের বুক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি, এড়িয়ে নাকি নজর দাড়ির অভাব নাকি সব দেখেও দেখেনি প্রশাসন। প্রায় অধিকাংশ দিনই অবৈধভাবে দারকেশ্বর নদী থেকে বালি উত্তোলন হচ্ছে সেই খবর আমারা সংগ্রহ করতে গেলে একেবারে হাতে নাতে প্রমাণ পাওয়া গেল তবে অবশ্য ক্যামেরা দেখে নদী থেকে ট্রাক্টর নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীর দল। আপনাদেরকে দেখাবো সেই ছবি আপনারা দেখতে থাকুন বাংলা সার্কেল নিউজ জনগণের পক্ষে বাংলার সংবাদ।
ভোটের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তারপরেই গ্রামের উন্নয়নের ভোট দীর্ঘ পাঁচ বছরে কি পেলেন এলাকার মানুষ, কতটা উন্নয়ন হলো এলাকার। গতবারের পঞ্চায়েত ভোটে, নমিনেশন করতে পারেনি বিরোধীরা এবারও একই ছবি। পঞ্চায়েতের ভোট মানে গ্রাম বাংলার উন্নয়নের ভোট সেই ভোট বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় শাসকদলের। গতবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে এলাকার উন্নয়ন কতটা হয়েছে? কতটা মানুষ পরিষেবা পেলেন সেরকমই ছবি দেখাবো আপনাদের । আজ আমরা দেখাব জয়পুর ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের ছবি কতটা উপকার পেলেন এলাকার মানুষ গ্রামের মানুষের আর কি চাওয়া পাওয়া রয়েছে চলুন দেখাবো। আজ আমরা এমন এক ছবি দেখাবো দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝে পড়ে গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র নির্ভরশীল রাস্তার অবস্থা। আমরা যে ছবি দেখাচ্ছি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের শ্যামনগর গ্রাম পঞ্চায়েত ও রাউডখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ রাস্তা, গো বিন্দাবন পুরের রাস্তা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝে পড়ে রাস্তার দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা রাস্তা শাড়াই এর উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন তবে অবশ্য গ্রামবাসীরা দাবি করেন তারা মনে করছেন দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যস্থ রাস্তা হওয়ায় বেহাল অবস্থা তা না হলে এই রাস্তা সাড়াই হবে না কেন। তবে অবশ্য সিপিএমের আমল থেকে তৃণমূলের আমল অনেকটাই ভালো কাজ হয়েছে গ্রামের অধিকাংশ কাঁচা রাস্তা ঢালাই রাস্তায় পরিণত হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে তবে অধিকাংশ গ্রামে পানীয় জলের কল থেকে শুরু করে শৌচালয় অনেক উন্নয়ন হয়েছে এটা মানতেই হবে। ঘরে ঘরে শৌচাগার, তবে শৌচাগার হলেও শৌচাগারের অবস্থা একেবারেই বেহাল, শৌচাগারে শৌচ কর্ম আজ পর্যন্ত করতে হয়নি,এমনই ছবি গোবিন্দবানপুরের, হাজার টাকায় শৌচালয় পেয়েছেন গ্রামের অধিকাংশ মানুষ তবে সেই শৌচালয়ে শৌচ কর্ম করতে কেউ পারেনি কারণ সোচালয়ে ঢুকলেই মৃত্যুর ভয় যে কোন সময় ধসে পড়ে যেতে পারে, একেবারেই নিম্নমানের মালপত্র দিয়ে তৈরি হয়েছে এই শৌচালয়। এমনটাই জানান গ্রামের মানুষ তবে শৌচালয় এখন শৌচকরমের ঘর না হয়ে জ্বালানির ঘর রূপান্তরিত হয়েছে। তবে যাই হোক শৌচাগারে শৌচ কর্ম না করতে পারলেও জ্বালানি তো রাখতে পেরেছেন গ্রামের মানুষ। তবে অধিকাংশ গ্রামের মানুষ পাকার ঘর পাইনি ঠিক কথা,বৃষ্টি হলেই জল পড়ে, মাটির খরো চালের বাড়ি। তবে রান্না করার জন্য শুকনো জ্বালানির অভাব নেই। কারণ পায়খানা ঘরটি পাকার রয়েছে তাই। কি বলছেন এলাকার মানুষ কতটা উপকৃত হয়েছেন গত পাঁচ বছরে পঞ্চায়েত থেকে সেই সমস্ত তথ্য আপনাদের কাছে তুলে ধরবো আপনারা দেখতে থাকুন বাংলা সার্কেল নিউজ।
আবারো জয়পুর জঙ্গলে প্রবেশ করল একটি দলছুট দাঁতাল হাতি,
আজ পশ্চিম মেদিনীপুর গড়বেতা জঙ্গল থেকে জয়পুর জঙ্গলে সারাদিন দাঁড়িয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে জয়পুর ব্লকের তাঁতী পুকুর রাস্তা পার হয়ে প্রবেশ করলো শ্যামনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার জঙ্গলে, তবে বহুদিন পর আবারো জয়পুর জঙ্গলে হাতির প্রবেশ হোয়াই, দু নম্বর রাজ্য সড়কের তাঁতী পুকুর এলাকার হাতি দেখার জন্য হাতি পেমি মানুষদের ভিড়। তবে জয়পুর ব্লকের শ্যামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিকাংশ গ্রাম জঙ্গল লাগোয়া এবং জঙ্গলের ভেতর তাই একটু হলেও তারা এই দল ছুট দাঁতাল হাতির ভয়ে রয়েছেন তবে অবশ্য জয়পুর বনদপ্তরের কর্মীরা আগেভাগেই সতর্ক করেছেন যাতে তারা সন্ধ্যার পর সতর্ক হয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। কারণ যে কোন সময় এই দল ছুট দাঁতাল হাতি প্রবেশ করতে পারে তবে অবশ্য এই দলছুট হাতির গতিবিধির উপর কড়া ভাবে নজর রেখে চলেছে জয়পুর বনদপ্তরের কর্মীরা এই দলছুট দাঁতাল হাতি যখন থেকে বিষ্ণুপুর ব্লকের জঙ্গলে প্রবেশ করেছে তখন থেকেই করা নজর দাড়ির মধ্য দিয়ে দল ছুট দাতাল হাতিটিকে জয়পুর জঙ্গল থেকে দ্বারকেশ্বর নদী পার করে সোনামুখীর জঙ্গলে পাঠাবেন। এমনটাই বনদপ্তর সূত্রে খবর। তবে এখন দেখার বিষয় রাত্রি হবার জন্য বনদপ্তরের কর্মীরা কতটা নজরদারি রাখতে পারে হাতির গতিবিধির উপর নাকি বনদপ্তরের কর্মীদের চোখকে ধুলো দিয়ে গ্রামের দিকে হাতি চলে আসে সেটাই এখন দেখার ।
বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।
বাঁকুড়া : এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে সরকারকে নকল করে দুয়ারে মেম্বার প্রকল্প চালু করার পথে হাঁটছে আইএসএফ। বাঁকুড়ার পুনিশোলে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে এসে এই কথা ঘোষণা করেন আইএসএফ সুপ্রিমো নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি, বলেন পঞ্চায়েতে তাদের যে সকল প্রার্থীরা গ্রাম পঞ্চায়েত,সমিতিতে জয়ী হবেন তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে সব পরিষেবা দেবেন। আর এর পোষাকী নাম থাকবে দুয়ারে সরকার। অন্যদিকে,রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের দফা বাড়াবে বলে এখনও আশাবাদী নওশাদ। তিনি বলেন সোমবার হাইকোর্টে শুনানি আছে। আদালতের ওপর তার আস্থা আছে তাই তিনি দফা বাড়ার আশা এখনও ছাড়ছেন না। যেহেতু এত বিশাল পরিমান কেন্দ্রীয় বাহিনী একসাথে পাওয়া নির্বাচন কমিশনের পক্ষে পাওয়া সম্ভব নয়। এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য এক লপ্তে এত বেশী বাহিনী ভোটে মোতায়ন করা যাবে না তাই একমাত্র দফা বাড়ানোই বিকল্প পথ বলে দাবি করেন তিনি।এমনকি এক দফায় ভোট সুষ্ঠু ভাবে হবে না বলেও দাবী করেন তিনি। পাশাপাশি,সায়নী ঘোষকে ইফির তলব প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন আইনের উর্ধ্বে কেও নন।তাই উনি চাকরি বিক্রি করে থাকলে ওনার শাস্তি হবে। এদিন, পুনিশোলে আইএসএফের ১৪ জন প্রার্থীর সমর্থনে তিনি সভা করেন। সভায় ভীড়ও ছিল উপচে পড়া।তিনি ভীড়ে ঠাসা সভায় নিজের দলের কর্মী সমর্থকদের বলেন পঞ্চায়েত ভোটের প্রথম থেকেই শাসক দল তৃণমূল তাদের ঠেকাতে নানা চক্রান্ত করছেন। এমনকি মনোনয়ন দাখিল থেকে প্রতীক দেওয়া সব ক্ষেত্রে সরকারি আধিকারিকদের দিয়ে নানা বাধা দেওয়া হয়েছে। তবুও ঠেকাতে পারেনি আমাদের। এবার ভোটের দিনও আমাদের ঠাকাতে পারবে না। পুনিশোলের সব প্রার্থীরায় জয়ী হবেন বলে তিনি দাবি করেন।
বর্ষা আসতেই বাঁকুড়াই ধানবীচ তোলা তোয়রীর কাজ শুরু করলেও তবে সেইভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় জয়পুর জঙ্গলের ছাতুর আশায় মন খারাপ জঙ্গলমহলের মানুশের।
রঞ্জিত কুণ্ডু–বাঁকুড়া
দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা, তবে বর্ষা প্রবেশ করলেও সে রকম ভাবে বৃষ্টির দেখা নেই, যেখানে সেখানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির লুকোচুরি, তবে বর্ষা যখন এসে গেছে বৃষ্টি, লুকোচুরি তো করবেই। তবে যাই হোক ভ্যাপসা গরমের হাত থেকে একটু হলেও রেহাই পেয়েছেন দক্ষিণ বঙ্গের মানুষ। তবে বর্ষাকালে ধান রোপনের জন্য, বাঁকুড়ার কৃষকেরা বীজ ধান ছড়িয়ে চারা তৈরির কাজ সেরে ফেলছেন, রাজ্যে যেকোনো সময় প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে,প্রবল বৃষ্টি হলেই শুরু হবে ধান রোপনের কাজ। তাই চাষের জমি উর্বর করে রাখছেন লাঙ্গল দিয়ে। একদিকে যখন বাঁকুড়ার জয়পুরের কৃষকেরা ধান বীজ রোপনে ব্যস্ত ঠিক তখনই জয়পুর জঙ্গল এলাকার মানুষ জঙ্গলের প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপন্ন হওয়া মাশরুম বা ছাতু সংগ্রহ করতে ব্যস্ত তবে সে রকমভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় বিঘ্ন ঘটছে মাশরুম উৎপন্নতে। জঙ্গলে প্রাকৃতিকভাবে শাল গাছের পাতা পচে উৎপন্ন হয় একাধিক নামে পরিচিত ছাতু। শুধু নামে পরিচিত নয় বিভিন্ন রংবেরঙের ছাতু পাওয়া যায় এই জয়পুরের জঙ্গল থেকে। অন্যান্য বছর এই সময় দুই এক পশলা প্রবল বৃষ্টি হয় সেই প্রবল বৃষ্টির হওয়ার পরেই উৎপন্ন হয় ছাতু। তবে এই বছরে সেরকম ভাবে বৃষ্টির দেখা নেই, আর বৃষ্টির দেখা না পাওয়া যেতেই অনেক মানুষেরই রুজি রোজগার নেই বললেই চলে, তাই অধিকাংশ জয়পুর জঙ্গল এলাকার মানুষের মুখ ভার একই বর্ষার সময় কাজ নেই, তার উপর বৃষ্টির দেখা নেই,এই বর্ষার সময় দু-তিন মাস জঙ্গল থেকে বিভিন্ন ধরনের ছাতু সংগ্রহ করে তারা সংসার চালান,ছেলেপুলেদের মুখে দুবেলা দুমুঠো অন্ন তুলে দেন এই ছাতু বিক্রয় করে। সেখানেও আশার আলো দেখছে না এলাকার মানুষ। তারা অবশ্য ভগবানের উপরেই দোষারোপ করছেন তারা বলছেন রাখে হরি তো মারে কে, তিনি সব দেখছেন তিনিই ঠিক করবেন বাঁচিয়ে রাখবেন নাকি মেরে ফেলবেন সবই তারই হাতে ।তবে যাই হোক জঙ্গলের ছাতু সংগ্রহ নিয়ে কি বলছেন জঙ্গল এলাকার মানুষ তারা কিভাবে এই বর্ষাকালে সংসার চালান কিভাবে তারা ছাতুর সংগ্রহ করে জঙ্গল থেকে চলুন দেখব আপনাদের।
বাঁকুড়া জেলার ওন্দার গোগড়া গ্রামের ভট্টাচার্য্য বাড়ির ঐতিহ্যবাহী বিপত্তারিণী পুজো ২৫০ বছরে পদার্পণ করল।
বিপত্তারিণী আসলে দেবী দুর্গারই আর এক রূপ। শাস্ত্র মতে, দুর্গার ১০৮টি অবতারের মধ্যে অন্যতম হলেন দেবী সঙ্কটনাশিনী। তাঁর একটি রূপ হলেন মা বিপত্তারিণী। প্রতি বছর আষাঢ় মাসে রথযাত্রা থেকে উল্টোরথের মধ্যে যে মঙ্গল ও শনিবার পড়ে, তাতেই এই ব্রত পালিত হয়। সমস্ত রকমের বাধা, বিপত্তি ও বিপদ থেকে সন্তান এবং পরিবারকে রক্ষা করার জন্য এই পুজো করা হয়। রথযাত্রার পরের মঙ্গল ও শনিবার মা বিপত্তারিণীর পুজো করে থাকেন ভক্তগণেরা। স্বামী, সন্তান এবং সমগ্র পরিবারের মঙ্গল কামনায় বিবাহিত মেয়েরা এই পুজো করে থাকেন।
পূজায় ১৩ সংখ্যাটির একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই পূজায়সুতো বাঁধার প্রথা রয়েছে,যা ১৩টি গাট থেকে প্রস্তুত করা হয়। মহিলারা উপোস রেখে এটি প্রস্তুত করে। বিশ্বাস করা হয় যে এই সুতো বেঁধে রাখলে স্বামী-সন্তানের উপর আসা সমস্ত বিপদ দূর হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, এই তাগা হাতে পরলে তাঁকে কোনও বিপদ স্পর্শ করতে পরে না। বিপত্তারিণী পুজোর শেষে সকলেই হাতে ওই তাগা বেঁধে দেওয়া হয়৷ মেয়েরা বাম হাতে ও ছেলেরা ডান হাতে এটি পরেন। এটি শুধু ব্রত পালন যিনি করছেন তিনিই যে বাঁধেন তা নয় পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাঁধেন বিপন্মুক্তির জন্য। বিশ্বাস করা হয় যে সংসার ও সন্তানদের জন্য এই ব্রত পালন করেন তারা৷ এই ব্রতর ফলে কেটে যায় সমস্ত বিপদ। প্রসাদ হিসেবে ১৩টি লুচি ও ১৩ রকমের ফল খাওয়ার চল রয়েছে।
– বিপত্তারিণী পুজোয় ১৩ সংখ্যার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। স্বামী ও সন্তানের রক্ষার্থে ১৩টি গিঁট দেওয়া লাল সুতো যা রক্ষা সুতো নামে পরিচিত, তা হাতে বেধে দিতে হয়। তাতে ১৩টি দুর্বাও দেওয়া থাকে।
ভট্টাচার্য্য পরিবারের সকলের এক সময় আদিবাড়ি ছিল ওন্দা থানার অন্তর্গত রঘুনাথনগরে। তখন থেকেই মাটির একচালা ঘরে আজ থেকে প্রায় ২৫০ বছর আগে ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে অর্থাৎ ১১৮০ বঙ্গাব্দে ভট্টাচার্য্য পরিবারের আদিপুরুষ স্বর্গীয় রমেশ ভট্টাচার্য্য , স্বর্গীয় বিজয় ভট্টাচার্য্য,স্বর্গীয় কেদারনাথ ভট্টাচার্য্য এবং স্বর্গীয় গোষ্ঠ ভট্টাচার্য্য এর তত্ত্বাবধানে মা বিপত্তারিণী-র পুজো শুরু করেন ভট্টাচার্য পরিবারের ব্যক্তিবর্গরা। সেই সময় সংসারে অভাব অনটন থাকায় শুধুমাত্র ঘট পুজোর প্রথা প্রচলিত ছিল।প্রথম থেকেই ভট্টাচার্য্য পরিবার বিশেষ শাস্ত্রীয় পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন। পুজো অর্চনার পান্ডিত্যের জন্য বর্তমানে আজও পুরোহিত হিসেবে ওন্দা অঞ্চলে খুব সুখ্যাতি আছে। পুজো অর্চনায় ছিল তাদের একমাত্র প্রধান জীবিকা। শোনা যায়,ভট্টাচার্য্য পরিবারের আদি এক সদস্যের কঠিন ব্যাধি হলে বিভিন্ন প্রান্তের কবিরাজি চিকিৎসকদের দেখালেও সেই ব্যাধি থেকে কিছুতেই মুক্তি পাচ্ছিলেন না। সেই সময় দেবী বিপত্তারিণী স্বয়ং ভট্টাচার্য্য পরিবারের আদিপুরুষ কোন এক সদস্য কে স্বপ্নে সেই কঠিন ব্যাধির ওষুধ বলে দেন। ঠিক তখন থেকেই মাটির একচালা কুড়েঘরে মা বিপত্তারিণীর পুজো প্রথম শুরু করেন। কথিত আছে, গোগড়া গ্রামের চক্রবর্তী জমিদাররা দেবত্ব পূজা অর্চনার জন্য ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে অর্থাৎ ১২৭৫ বঙ্গাব্দে রঘুনাথনগর থেকে গোগড়া গ্রামে ভট্টাচার্য্য পরিবারদের নিয়ে আসেন। কারন গোগড়া গ্রামে তখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করলেও কুলো পুরোহিত ব্রাহ্মণ সেকালে ছিল না। ভট্টাচার্য্য পরিবারকে গোগড়া গ্রামে নিয়ে আসার পর চক্রবর্তী জমিদারেরা কিছু ভূ- সম্পত্তি প্রদান করেন। এবং বাড়ির ও দেবত্ব মন্দিরের পুজো অর্চনার কাজে নিযুক্ত করেন। তখন থেকে ভট্টাচার্য্য পরিবার আজও বর্তমানে গোগড়া গ্রামে বসবাস করছেন। গোগড়া গ্রামে আসার পর স্বর্গীয় সুকুমার ভট্টাচার্য্য,স্বর্গীয় কানাইলাল ভট্টাচার্য্য,স্বর্গীয় রামকিঙ্কর ভট্টাচার্য্য, স্বর্গীয় সুধাংশু ভট্টাচার্য্য ও স্বর্গীয় কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য্য রা গোগড়া গ্রামে মা বিপত্তাতারিনীর পুজো শুরু করেন। বর্তমানে প্রতি বছর ভট্টাচার্য্য পরিবারের বংশধর প্রবীর ভট্টাচার্য্য মহাশয় এর দ্বারা সাড়ম্বরে গোগড়া গ্রামের বাড়িতে মা বিপত্তারিণী-র পুজো করছেন নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে। এই বছর মা বিপত্তারিণীর পুজো গোগড়া গ্রামে ১৫৫ বছর অতিক্রম করল। এই পুজো দেখতে গোগড়া ছাড়াও ওন্দা গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে ভক্তবৃন্দরা ছুটে আসেন পুজো দেখতে। মা বিপত্তারিণীর কাছে কেউ যদি মনস্কামনা করেন তা ফলস্বরূপ সকলের মনবাঞ্ছনা পূরণ করেন।
মা বিপত্তারিণী পুজোর উপলক্ষে ভট্টাচার্য্য বাড়িতে এদিন মায়ের অন্য ভোগের আয়োজন করা হয়। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে অরন্ধন পালিত হচ্ছে। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের রান্না হচ্ছে এক হাঁড়িতে। তাই গোগড়া গ্রাম সহ এদিন গ্রামের আশেপাশে প্রতিটি প্রান্তের জনসাধারণ মানুষ এই সম্মিলিত উৎসবে সামিল হয়েছেন।
এছাড়াও গোগড়া গ্রামের ভট্টাচার্য্য পরিবার এক ঐশ্বরিক শক্তির অধিকারী, কথিত আছে ভট্টাচার্য্য পরিবারের কুলো দেবতা শ্রীরাম চন্দ্র ও হনুমান রয়েছে। ঠাকুরের স্বপ্নাদেশ আছে যে বাচ্চাদের এক প্রকার ব্যাধি রয়েছে যেটা নাকি বাচ্চাদের হাত-পা শুরু হয়ে যায় পেট বড় হয়ে যায়। এরকম ব্যাধির প্রতিকারে উপায় ‘ধন্বন্তরীর ওষুধ’ ভট্টাচার্য্য পরিবারের এক পূর্বপুরুষ স্বপ্নাদেশে পান। স্বপ্নাদেশে পাওয়া ওষুধ এই রোগের জন্য দেয়া হয়। বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এই ব্যাধির প্রতিকারের জন্য ছুটে আসেন। এবং সকলেই ভালো হয়ে বাড়ি ফিরে যান। বর্তমানে এই ধন্বন্তরীর ‘ওষুধ’ দিয়ে আসছেন ভারতী ভট্টাচার্য্য, ছায়া ভট্টাচার্য্য, পূর্ণিমা ভট্টাচার্য্য। কূলদেবতা বজরংবলী ও রঘুনাথ জি-র মূর্তি গুলি ওন্দার কৃষি জমিতে চাষ দেওয়ার সময় নাগলের ফলাতে উঠেছিল। সেখান থেকে নিয়ে এসে বাড়িতে স্থাপন করা হয়। ভট্টাচার্য্য বাড়ির বিপত্তারিণী পুজো যে বহু প্রাচীন তা বলার কোনো অপেক্ষা রাখে না।
প্রায় 25 বছর ধরে আজও খোলা আকাশের নীচে রান্না আইসিডিএস কেন্দ্রের, আজ হলো না বাড়ি। এমনই ছবি বাঁকুড়ার রাইপুরের বেঙ্গদা গ্রামেশিশুদের সুরক্ষা কোথায় প্রশ্ন গ্রামবাসীদের। কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কি প্রশাসন নেবেন।
দীর্ঘ 25 বছর ধরে বাঁকুড়ার রাইপুরের একটি আইসিডিএস কেন্দ্রের শিশুদের রান্না করা খাবার গাছের তলায় করে আসছেন আইসিডিএস এর কর্মীরা আজও হলো না আইসিডিএস কেন্দ্রের রান্না করার ঘর।, শীত গ্রীষ্ম বর্ষা খোলা আকাশের নিচে চলে আসছে এমনই দাবি গ্রাম বাসিদের । এই গ্রামে আইসিডিএস কেন্দ্রের জন্য নিজস্ব কোনো ঘর নেই,ক্লাবের একটি ঘরে ওই কেন্দ্রের পড়াশোনা খাওয়া-দাওয়া সবকিছুই বর্তমানে এই ক্লাব ঘরে। যে হারে দিনের পর দিন আইসিডিএস কেন্দ্রের খাবারে টিকটিকি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাপ আরশোলা সারা রাজ্য যুরে যে ছবি আমরা দেখেছি সেই ছবি হয়তো দেখা যাবে এই কেন্দ্রে কারণ একটাই খোলা আকাশের নিচে রান্না হলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে যেখানে ছোট ছোট শিশুরা খাবার খায় সেই খাওয়ারই রান্না হচ্ছে গাছের তলায় ফাঁকা খোলা আকাশের নিচে ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের সুরক্ষা কোথায় প্রশ্ন তুলছেন গ্রামবাসীরা। যদিও ওই কেন্দ্রের দিদিমণির দাবী আমারা বিডিও, সিডিপিও, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছি তাও কোনো কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই তারা এই আইসিডিএস কেন্দ্র এইভাবেই দিনের পর দিন চালিয়ে আসছেন। আমাদের মুখোমুখি হয়ে তারা কি জানাচ্ছেন চল শোনাবো আপনাদের। বাঁকুড়া রায়পুর থেকে তনময় নন্দীর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।
তৃণমূলের জেলা পরিষদের প্রার্থী ভোট প্রচারে গিয়ে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে সুজাতা মন্ডল, বিজেপির প্রার্থী লক্ষ্মীর ভান্ডার পাওয়াতে দলে আসার আহ্বান সুজাতা মন্ডলের। অভিনব কায়দায় দলে আসার বার্তা সুজাতা মন্ডলের তিনি বলেন একসময় দুজনেই একই দল করতাম তাই নির্বাচনে দুজনেই দুজনের বিরুদ্ধে নির্বাচনি লড়াই হলেও লড়াইয়ের পরেই তৃণমূলে আসার বার্তা দিলেন সুজাতা মন্ডল, আর তা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনলেন বিজেপির প্রার্থী। তিনি ঠিক কি বললেন চলুন দেখাবো আপনাদের।
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে প্রাক্তন স্বামী সৌমিত্র খাঁয়ের ভোট প্রচারে এসেছিলেন সুজাতা মন্ডল তখন থেকেই জয়পুর হিজলডিহা গ্রামের বিজেপি নেত্রী পরিচিত ছিলেন বিজেপির প্রার্থী মঞ্জু রুইদাস, ২০১৯ নির্বাচনে সৌমিত্র খাঁ বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয় ।বিষ্ণুপুর লোকসভা এলাকায়, আইনের গ্যারাকলে পড়ে সৌমিত্র খাঁ নিজের লোকসভা এলাকায় প্রচার করতে না পারলেও তার পত্নী সুজাতা মন্ডল তার জায়গা পূরণ করে দেন বিপুল ভোটে জয়যুক্তও হয়ে যান। তারপর থেকেই অনেক জল গড়িয়েছে। রাজনীতির গ্যারাকলে পড়ে ছারখার হয়ে গেছে সংসার ত্যাগ করেছেন স্বামীকে। বিজেপি ছেড়ে, সেই লোকসভা কেন্দ্রের জয়পুর ব্লকের জেলা পরিষদের প্রার্থী তৃণমূলে ৪৪ নম্বর জিপি আসনে লড়ছেন তাই বহু বছর পর হলেও একসময় একসাথে বিজেপির হয়ে ভোট প্রচার করা সঙ্গী এখন লড়ছেন তারই বিরুদ্ধে বিজেপির হয়ে মঞ্জু রুইদাস। বরাবরই বিজেপির পুরনো নেত্রী নামেই পরিচিত মঞ্জু রুইদাস আজ সুজাতা মন্ডল জয়পুর ব্লকের হিজলডিহা গ্রামে ভোট প্রচারে জান, আর সেখানেই সামনাসামনি দেখা হয়ে যায় দুই প্রার্থীর আর দেখা হয়ে যেতেই তিনি বিজেপি নেত্রী কে প্রশ্ন করেন আপনি লক্ষীর ভান্ডার পান তিনি সাথে সাথেই বলেন হ্যাঁ পায়, আর তারপরেই তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন তৃণমূল বিজেপি বা কোনো রাজনৈতিক দল কালার দেখেন না সকলকেই লক্ষীর ভান্ডার দিয়েছেন। তাই। প্রতিপক্ষ হিসাবে লড়াই করলেও লড়াইয়ের শেষে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে আশার বার্তা দিলেন। লোকসভা নির্বাচনে কোমর বেঁধে প্রাক্তন স্বামীকে জিতিয়ে আনলেও তিনি বিজেপিতে কোন জায়গায় সেরকমভাবে পাননি তাই তিনি মমতা ব্যানার্জির উন্নয়নের শামিল হতে যোগদান করেছিলেন তৃণমূলে, শুধু যোগদানই নয় 2023 পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের ক্যান্ডিডেট হয়ে লড়াই করছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন দলকে জেতার জন্য। কারণ একটাই সুজাতা মন্ডল এর চেনা মাঠ কতটা যে কঠিন হবে তা তিনি নিজেও টের পাচ্ছেন। তিনি প্রকাশ না করলেও বুঝতে পারছেন ২০১৯ থেকে ২১ সবেতে বিজেপি ব্যাপক হারে জিতেছে লোকসভা ও বিধানসভা তে তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির নমিনেশন না করতে পারলেও জেলা পরিষদের নমিনেশন করেছেন তাই টক্করে টক্করে লড়াই টা যে হবে তা প্রচার দেখেই পরিষ্কার বোঝা যায়। তবে বিজেপি অবশ্য সেরকমভাবে প্রচারের আলোয় আসেননি। এখন দেখা তিনি যে এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন সেই এলাকায় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজেপি জয়যুক্ত হয়। এখন দেখা বিজেপির জেতা আসন বিজেপির শক্ত খাটি নামে পরিচিত ময়নাপুর উত্তরবার জগন্নাথপুর এই এলাকার মানুষের মধ্যে প্রচারের মাধ্যমে তৃণমূল মুখী করতে পারেন নাকি পুনরায় এলাকার মানুষ বিজেপিকেই ভোট দেয় সেই দিকেই তাকিয়ে জয়পুর এলাকার মানুষ।
এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে বাইকের সাথে গরুর মুখোমুখি সংঘর্ষ ,আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি। দ্রুত গতিতে যাওয়া বাইকের সাথে জঙ্গল একাকার গরুর ধাক্কা ,ঘটনায় গুরুতর আহত বাইকে থাকা এক মহিলা সহ চালক। ও বাইকের ধাক্কায় গুরুতর জখম গরু, ঘটনা বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের তাঁতীপুকুর এলাকায়, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জয়পুর থানার পুলিশ, আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই দুই ব্যক্তি। তবে বাইকের ধাক্কায় গুরুতর জখম গরু। সূত্রে খবর জয়পুর জঙ্গলে গরুর পাল চোর ছিল সেই সময় রাস্তা দিক দিয়ে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে চলে আসে একটি গরু সেই সময় আচমকায় জয়পুর থেকে বিষ্ণুপুর দিকে যাচ্ছিল ওই বাইক আরোহি। দ্রুত গতিতে যাওয়ার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে চলে আসা গরুকে সজোরে ধাক্কা মারে সাথে সাথেই ছিটকে পড়েন বাইক চালক সহ গাড়িতে থাকা এক মহিলা, তবে বাইক আরোহীর হেলমেট না থাকায় গুরুতর মাথায় চোট পান, তবে গাড়িতে থাকা মহিলার পরিচয় জানতে পারা যায় বাইক চালকের ভাগ্নি, বাড়ি হাওড়া জেলার কোন নগরে শ্রাদ্ধ বাড়িতে এসেছিলেন সূত্রে খবর ।বাইক চালকের বাড়িতে শ্রাদ্ধ বাড়ি চলাকালীন ওই ভাগ্নিকে নিয়ে বেড়াতে যান মামা,বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথেই এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে প্রচন্ড মদ্যপান অবস্থায় গাড়ি চালানো এই দুর্ঘটনা বলেই অনুমান এলাকার মানুষের। তবে জয়পুর থানার পুলিশ দুর্ঘটনগ্রস্ত বাইক আরোহীর বাড়িতে খবর দেয় এই দূর ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বাড়ির আত্মীয়-স্বজনেরা কিভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা কি বলছেন দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়া মামার ভাগ্নি চলুন দেখাবো আপনাদের। বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুণ্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।
জগন্নাথ দেবের ছাপান্ন ভোগ উপলক্ষে হাজারেরো বেশি ভক্ত সমাগম হাটআশুড়িয়ায়।
আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ বিগত দশ বছর ধরে হাটআশুড়িয়ায় রথ যাত্রা মহোৎসবের আয়োজন করছে হাটআশুড়িয়ার ইসকন নামহট্ট। রবিবার ছাপান্ন রকমের ভোগ দেন ভক্তরা।পোলাও, পায়েস, নানান তরিতরকারি সহ হরেক রকমের মিষ্টি বানান ভক্তরাই।আটদিন ধরেই প্রসাদ খাওয়ানো হয় এলাকার মানুষকে।প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভক্তিমূলক গান, নাচ, নাটক ও ধর্মীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়।বড়জোড়া ব্লকের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এই রথযাত্রা উৎসবে হাজির হন।সারাদিন ধরে চলে কীর্তন ও ধর্ম আলোচনা।ইসকন অনুমোদিত হাটআশুড়িয়া নামহট্টের পাবনী বিরোজা দেবীদাসী বলেন ছাপান্ন ভোগের দিন দেড় হাজার মানুষ অন্ন প্রসাদ গ্রহণ করেছেন। এখানে সব কিছু ভক্তরা নিজেরাই রান্না করেন।