Category: রাঢ় বঙ্গ

  • বহু প্রাচীন দশহরা উৎসব,সেই উৎসবে মাতল বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ।

    বহু প্রাচীন দশহরা উৎসব,সেই উৎসবে মাতল বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ।

    পাহাড়পুরে দশহারা উৎসব ও গ্রামীণ মেলা।
    -সংবাদদাতা


    বীরভূম জেলার সাঁইথিয়া ব্লকের অন্তর্গত আমোদপুর শহরের দক্ষিনে,বকেশ্বর নদীর ধারে, পাহাড়পুর গ্রামে বহু প্রাচীন শ্রী শ্রী মনসা মাতার মহা পূজা উপলক্ষে দশহরা উৎসব ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হলো,৩রা জুন হতে ৭ই জুন ২০২৫ পর্যন্ত। এই উৎসবটি কে কেন্দ্র করে স্থানীয় অঞ্চলে জনচেতনার চমৎকার বাতাবরণ গড়ে ওঠে।

    বিশেষ করে বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্ত হতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ব্যাপকমানুষ এই উৎসবে শামিল হয়ে থাকে। ৩রা জুন বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দশাহরা উৎসবের শুভ সূচনা হলো। বিকালে বাল্যবিবাহ রোধের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো , উপস্থিত ছিলেন বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের সভাপতি রাজকুমার ফুলমালি, সম্পাদক এ এম, জামাল সাহেব, কোষাধ্যক্ষ মিঠুন দাস এবং আনন্দপাঠ শিক্ষা কেন্দ্রের সমাজসেবী মহিলা গন। রাত্রিতে দূরদর্শন ও বেতার শিল্পী সনৎ মুখার্জী সম্প্রদায়ের কর্তৃক মনসামঙ্গল পালা গান ।

    ৪ তারিখে বিকালে এলাকার দুস্থদের মধ্যে জামা গেঞ্জি প্যান্ট এবং শাড়ি বিতরণ করা হলো ৬৪ জন মানুষের মধ্যে, রাতে মনসামঙ্গল পালা গান। ৫ তারিখ মা মনসার মহা পূজা, চন্ডী পাঠ, যোগ্য,বেলা একটার পর মা মনসার,বড়মা ছোট মা,গ্রাম পরিক্রমা ও গাছ মঙ্গলা অনুষ্ঠান। বিকালে বলিদান,পরে প্রসাদ বিতরণ, রাতে মনসামঙ্গল পালা গান।, ৬ই জুন বিকালে সংড়া ও নানুবাজার আদিবাসী পাড়ার লোকনৃত্য। সন্ধ্যায় গুণীজনদের সংবর্ধনা। সন্ধ্যা সাত ঘটিকায় বোলপুর সঙ্গীতায়ন পরিবেশিত নৃত্যনাট্য ও রকমারি গানের অনুষ্ঠান। রাত্রি ৮ঃ০০ ঘটিকার পর জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অনুমোদনের তপন দাস সম্প্রদায়ের বাউল গান। ৭ই জুন বিকালে পাহাড়পুর ও শহিষপুর আদিবাসী লোকনৃত্য।

    ৭ ঘটিকায় কবিতা হেমরম পরিচালিত একাঙ্গ নাটক, আম্মাজান,,। রাত্রি ৮ঃ০০ ঘটিকায় পরান বন্ধু লোক ব্যান্ডের লোকসংগীত ও লোকনৃত্য। মেলাগুলোতে জনসাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাছাড়া এই মেলাতে উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি ও উভোক্তাদের অধিকার পণ্য পরিষেবা পণ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা উপভোক্তা সুরক্ষা আইন ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে পোস্টার ও প্রদর্শনী স্টল লিফলেট বিতরণ জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।উৎসব অনুষ্ঠানে জাতির ধর্ম নির্বিশেষে ব্যাপক মানুষের সমাগম ঘটেছে, সেবাইদের পক্ষে জয়দেব দেবাংশী গ্রাম ও এলাকার মানুষের সাহায্য সহযোগিতায় সুস্থ সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করলেন।

    ভিডিও দেখুন।

  • বন্যজন্তুর করিডরে পথবাতি লাগিয়ে বিতর্কে বেসরকারী হোটেল কর্তৃপক্ষ, সরজমিন খতিয়ে দেখতে এলেন বনবিভাগ।

    বন্যজন্তুর করিডরে পথবাতি লাগিয়ে বিতর্কে বেসরকারী হোটেল কর্তৃপক্ষ, সরজমিন খতিয়ে দেখতে এলেন বনবিভাগ।

    বন্যজন্তুর করিডরে পথবাতি লাগিয়ে বিতর্কে বেসরকারী হোটেল কর্তৃপক্ষ,সরজমিন খতিয়ে দেখতে এলেন বনবিভাগ।

    বন্যজন্তুর করিডরে পথবাতি লাগিয়ে বিতর্কে জড়াল বেসরকারী হোটেল কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে খতিয়ে দেখতে এলেন বনবিভাগ। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের লটিহীড় জঙ্গলের ঘটনা। হোটেল কর্তৃপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। খতিয়ে দেখার আশ্বাস বনবিভাগের। কোন অনুমতি না নিয়ে বনবিভাগের জায়গায় কিভাবে এই কাজ করল হোটেল কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।  বন্যজন্তুর করিডরে পথবাতি লাগানো নিয়েও স্থানীয় গ্রামের মানুষের মধ্যেও জমেছে ক্ষোভ৷ জঙ্গলের রাস্তায় আলো দিলে গ্রামে ঢুকবে বন্যজন্তুরা দাবি এলাকাবাসীর।  প্রশ্ন উঠছে কিভাবে কার মদতে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ?

    বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বনবিভাগের বিষ্ণুপুর রেঞ্জের লটিহিড়, লাগারডাঙ্গা, মোলকারী, মুড়াবাড়ি, বাসুদেবপুর সহ একাধিক গ্রামের মানুষের যাতায়াত গভীর জঙ্গলের মাঝ বরাবর মাটির রাস্তা৷ একজঙ্গল থেকে আর এক জঙ্গলে যেতে এই রাস্তা ব্যবহার করে হাতি সহ জঙ্গলের অনান্য বন্যজন্তুরা।   সম্প্রতি লটিহীড় গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে মাঝে গড়ে উঠেছে একটি বেসরকারী রিসোর্ট। জঙ্গলের প্রায় ১ কিমি এই রাস্তা বেসরকারী ওই রিসোর্ট যাওয়ার রাস্তা। জঙ্গলের ওই রাস্তায় লাগানো হয়েছে পথবাতি। বনদফতরের রাস্তায় হোটেল কর্তৃপক্ষ এই পথবাতি নিজেদের উদ্যোগে লাগিয়েছেন।

    আর তাতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক৷ গভীর জঙ্গলের মাঝে হাতি সহ বন্যজন্তুর করিডরে কেন লাগানো হল পথবাতি? কার নির্দেশে কাদের অনুমতি নিয় এই কাজ করেছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।  এই খবর পাওয়ার সাথে বিষ্ণুপুর রেঞ্জ অফিসার সহ বনকর্মীরা খতিয়ে দেখতে হাজির হন সেখানে। হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথেও কথাও বলেন। বিষ্ণুপুর রেঞ্জ অফিসার জানান, কোন অনুমতি না নিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পথবাতি লাগিয়েছেন। ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে লাইট বন্ধ করতে বলা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় লটিহীড় আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের মানুষের দাবি, রাস্তায় এই পথবাতি লাগালে জঙ্গলের রাস্তায় বাধা পাবে বন্যজন্তুরা। বাধা পেয়ে গ্রামের দিকে বন্যজন্তুরা ঢুকে পড়বে। ক্ষতি হবে গ্রামের মানুষের। এছাড়াও জঙ্গলের রাস্তায় পথবাতি জ্বললে নিজেদের করিডর হারিয়ে হাতি সহ অনান্য বন্যজন্তুরা ভিন্নপথ বেছে নিলে মানুষের প্রানহানি ও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। প্রশ্ন উঠছে বনদফতরের জায়গায় কিভাবে হোটেল কর্তৃপক্ষ বৈদ্যুতিক সংযোগ করে পথবাতি লাগালো।

    পথবাতির  লাগানো বিদ্যুতের খুটির নিচের জয়েন্ট বক্স গুলিও খোলা অবস্থায় রাখা রয়েছে সেখানেও বন্যজন্তুর ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

    বাইট আশীষ ঘোষ ( রেঞ্জার বিষ্ণুপুর)

    বাইট   বিজয় মূর্মূ ( গ্রামবাসী)

    বাইট জগন্নাথ মূর্মূ ( গ্রামবাসী)

  • আবারো সাত সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা দুর্ঘটনার বিকর শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা।

    আবারো সাত সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা দুর্ঘটনার বিকর শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা।

    আবারো সাত সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা দুর্ঘটনার বিকর শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা।

    খাতরা বাঁকুড়া অন্তিকা বাসের সাথে পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ঘটনায় আহত একাধিক।
    আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি বাঁকুড়া- খাতড়া রাজ্য সড়কের সুপুরের কাছে বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন।


    ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার সকালে খাতড়ায়।বাঁকুড়া গামী একটি বেসরকারী বাস ও তার সাথে খাতড়া মুখী একটি পিকাপ ভ্যানের সংঘর্ষ হয়। এতটাই সংঘর্ষের শব্দ হয় যে শব্দ শুনে ছুটে আছেন আশপাশ এলাকার মানুষ, উদ্ধার করেন আহত ব্যক্তিদের খবর দেয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ও এলাকাবাসী এসে তাদের খাতড়া মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানেই তাদের চিকিৎসা চলছে এমনটাই খবর।


    তবে কিভাবে এই দুর্ঘটনা তাকেও দেখেনি। মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে বাসের এক ধার ভেঙে দুমড়ে যায়।
    অপরদিকে পিকআপ ভ্যান দুমড়ে মুজরে রাস্তার মাঝেয় পাল্টি হয়ে যায়,
    পুলিশ এসে পালটি হয়ে যাওয়া পিক আপ ভ্যান উদ্ধার করে ক্রেন দিয়ে। দেখুন সেই ভয়াবহ চিত্র।
    আপনারা দেখছেন বিসিএন বাংলা, জনগণের পক্ষে বাংলার সংবাদ।

  • বাঁকুড়ায় আমপ্রেমে হাতি, গ্রামে হানা প্রতিদিন বিকালে

    বাঁকুড়ায় আমপ্রেমে হাতি, গ্রামে হানা প্রতিদিন বিকালে

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা
    জল পড়ে পাতা নড়ে,
    পাগলা হাতি মাথা নাড়ে।
    কিন্ত বাঁকুড়ার বড়জোড়ার দক্ষিণ সরাগাড়া গ্রামে
    জল পড়ে পাতা নড়ে,
    চেন বাঁধা হাতি মাথা নাড়ে।

    আম প্রেমে হাতি। এখন আমের মরসুম । রাজ্য জুড়ে ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, , হিমসাগর, মোহনভোগ, লক্ষ্মণভোগ বাহারি মরসুম । কিছু দিন বাদে উঠবে ফজলি আম । আম প্রিয় বাংলা।আম প্রিয় বাংলার মানুষ। আম ডালোবাসে পশুরাও । বাঁকুড়া (উত্তর) বনবিভাগের বড়জোড়া রেঞ্জের সংগ্রামপুর বীট এর দক্ষিণ সরাগাড়া গ্রামে তিনের মাইল জঙ্গল থেকে একটি দাঁতাল হাতি প্রতিদিন বিকালে এসে নিয়ম করে আম ভক্ষণ করে যাচ্ছে ।

    দক্ষিণ সরাগাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ কুন্ডু , সুশান্ত দে , দীনবন্ধু কুন্ডু বলেন বেশ কিছুদিন বিকাল হলেই ‘চেন বাঁধা ‘ হাতিটা রোজ বিকাল বেলায় চলে আসে আম খেতে আমাদের গ্রামে । গোটা সাতেক আম গাছ আছে আমতলায় ।

    দক্ষিণ সরাগাড়া গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র কুন্ডু বলেন হাতি চারটে আছে । এই হাতি গুলো দলছুট হাতি দলের সাথে যেতে যেতে মেদিনীপুর বিষ্ণুপুর থেকে ঘুরে চলে এসেছে । ঝরে এখন আম পাকার সিজিন । আমাদের এখানে শ্যামপুর, ডকাইসিনী বাগান আছে । আম কাঁঠাল বাগান খেতে পেলে সরতে চাইছে না। চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে একরকম ধান চাষ । হাতির উপদ্রব এ পা দিয়ে থেঁতলে শুঁড়ে খেয়ে নষ্ট করে দেয় ।এখন হাতি আম খাচ্ছে। আমতলায় আসবে । গ্রামে আসবে ।

    সংগ্রামপুর বীট অফিসার জয়ন্ত কুমার ঘোষ বলেন খাবার না পেয়ে আম প্রিয় হয়ে গেছে হাতিটি। একটা হাতি এক দিনে প্রায় এক কুইনট্যাল খেতে পারে খাবার। হাতি মিষ্টি পাকা আম ছাড়া খায় না । টক আম না পসনদ । রাতে ঝড় বৃষ্টিতে আম টুপ টাপ পড়ছে আর খাচ্ছে।
    মঙ্গলবার রাতে চারটি হাতি দক্ষিণ সরাগাড়ায় আছে । বাজ পড়ছে বৃষ্টি হচ্ছে হূলা টিমের সদস্যরা হাতি গুলিকে নজরে রেখেছি। যাতে গ্রামে না ঢুকে পড়ে । ক্ষয়ক্ষতি না হয়।
    মঙ্গলবার সকাল বেলায় হাতি তিনটি বেলিয়াতোড় রেঞ্জের লাদুনিয়া-২টি,কাঁটাবেস-১টি থেকে বড়জোড়া রেঞ্জে চলে আসে। চেন বাঁধা হাতি পাবয়া জঙ্গলে ছিল আগে থেকেই।

    বড়জোড়া রেঞ্জের রেঞ্জার সৈয়দ সঈফ উর রহমান বলেন হাতির অবস্থান তাং-০৪.০৬.২০২৫
    মোট হাতি-৪টি,বড়জোড়া রেঞ্জে দক্ষিণ সরাগোড়া-৪টি। বাঁকুড়া (উত্তর) বনবিভাগ। নজরে রাখা হয়েছে হাতি গুলিকে । বনদপ্তরের কর্মীরা রয়েছে।

  • পুলিশের চেকিং এর ভয়ে বেপরোয়া ভাবে ফলবোঝাই অটো নিয়ে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা প্রাণ গেল অটোচালকের।

    পুলিশের চেকিং এর ভয়ে বেপরোয়া ভাবে ফলবোঝাই অটো নিয়ে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা প্রাণ গেল অটোচালকের।

    রাস্তায় পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকায় পুলিশের ভয়ে দ্রুত গতিতে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ফল বোঝায় অটোচালকের।
    আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি, দ্রুত গতিতে পুলিশের ভয়ে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে ফল বোঝায় অটো, ঘটনায় মৃত অটোচালক, পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করে পথ অবরোধ করল স্থানীয় মানুষজন।

    স্থানীয় সূত্রে খবর বাঁকুড়ার ধলডাঙ্গা মোড়ের দিক থেকে একটি ফল বোঝাই অটো ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাঁকুড়ার দিকে বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। আর যেতে গিয়ে ধলডাঙ্গা থেকে কিছুটা এগোতেই পুলিশ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকায় অটো চালক আরো গতিবেগ বাড়িয়ে দেয়।
    আর তাতেই এক্তেশ্বর সেতু সংলগ্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোটি সামনে থাকা চলন্ত একটি লরিকে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে সামনের অপর একটি চলন্ত লরির উপর উল্টে যায়।


    ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ফল বোঝাই অটোর চালকের। এরপরই স্থানীয়রা পুলিশের বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে দুর্ঘটনাস্থলে অবরোধ শুরু করেন।
    বেশ কিছুক্ষণ অবরোধ চলার পর অবশেষে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি অবরোধ তুলে দেয়।
    স্থানীয়রা কি জানাচ্ছেন শোনাবো আপনাদের।

  • গৃহবধূকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করে দেয়ার অভিযোগ বাড়ির লোকের, তোলপাড় এলাকা।

    গৃহবধূকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করে দেয়ার অভিযোগ বাড়ির লোকের, তোলপাড় এলাকা।

    বীরভূমের ইলামবাজার থানার ঘুড়িষা বাউরীপাড়ায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য

    এক গৃহবধূর জানোকি বাউরী, ডাকনাম প্রিয়া বাউরি বয়স আনুমানিক ২০ ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে আজ ১লা জুন রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ বীরভূমের ইলামবাজার থানার ঘুরিষার বাউরিপাড়া এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ছেলে কালিপদ বাগদি এবং মেয়েটির বাড়ি একই গ্রামেই।বিগত দু বছর আগে তাদের পরিবারের অমতে তাদের প্রেম করে বিয়ে হয়। কয়েক মাসের মধ্যে পারিবারিক অশান্তির জেরে ছেলেটি মেয়েটিকে বাপের বাড়িতে রেখে আসে।গতকাল রাত্রে ঘুড়িষা গ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল ২৪ প্রহর অনুষ্ঠান। সেই সময় ওই গৃহবধূকে রাত্রিবেলায় তারই স্বামী ডেকে নিয়ে যায় বাড়ির লোকের অজান্তে। আজ সকাল আটটা নাগাদ সেই মেয়েটির ঝুলন্ত দেহ স্থানীয়রা দেখতে পায় এবং ইলামবাজার থানায় প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয় এবং তড়িঘড়ি প্রশাসন ঘটনাস্থলে আসে।


    পরিবার সূত্রে খবর মেয়েটি ভাত খাওয়ার পর বাড়িতে শুয়েছিল কখন বা কিভাবে ছেলেটি ডেকে নিয়ে যায় আমরা জানিনা তবে আমাদের সন্দেহ ছেলেটি ডেকে নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে খুন করেছে বলেই পরিবারের অভিযোগ।

    তবে এই ঝুলন্ত গৃহবধূর দেহটি উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। স্বামী এবং শ্বশুরকে আটক করেছে ইলামবাজার থানার পুলিশ।তবে খুন না আত্মহত্যা এ ঘটনায় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।।

    ইলামবাজার থেকে জয়ন্ত মন্ডল এর রিপোর্ট বীরভূম।।

  • রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে বালি পাচার করতে গিয়ে পুলিশের জালে এক পাচারকারী, আটক ১২ চাকার বালি বোঝাই লরি,

    রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে বালি পাচার করতে গিয়ে পুলিশের জালে এক পাচারকারী, আটক ১২ চাকার বালি বোঝাই লরি,

    রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে বালি পাচার করতে গিয়ে পুলিশের জালে এক পাচারকারী, আটক ১২ চাকার বালি বোঝাই লরি,

    ইন্দাস, বাঁকুড়া:- বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস থানার খোশবাগ সংলগ্ন এলাকায় এই অবৈধ বালি বোঝায় লরিটিকে আটক করে পুলিশ। জানা যায় রাতের অন্ধকারে বাঁকুড়ার দিক থেকে কলকাতার দিকে একটি ১২ চাকার লরি বালি বোঝাই করে যাচ্ছিল। খোশবাগ সংলগ্ন এলাকায় ইন্দাস থানার পুলিশ বালি বোঝাই লরিটিকে দাঁড় করিয়ে বৈধ-নথি দেখতে গেলে চালক কোনরকম বালি পরিবহনের বৈধ নথি দেখাতে পারেনি। এরপরেই বালি বোঝাই ওই লরিটিকে আটক করে ইন্দাস থানার পুলিশ।

    ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধভাবে বালি পাচার করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই গাড়ির চালককে। পুলিশ সূত্রে জানতে পারা যায়, গাড়ি চালকের নাম বিকাশ পোড়েল বাড়ি আরামবাগ থানা এলাকায়। আজ অভিযুক্ত কে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ইন্দাস থানা পুলিশের পক্ষ থেকে। তবে কিভাবে এই অবৈধ বালি পাচার হচ্ছে সে বিষয় নিয়ে তৎপর ইন্দাস থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি কোনরকম অবৈধভাবে বালি পাচার করতে দেওয়া যাবে না। কেউ যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাদের বিরুদ্ধে করা ভাবে এবং আইনানক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নিত্যানন্দ গরাই এর বাগানে এখন আমের সমাহার। ১২৫ প্রজাতির আমের চাষ করে সেই আম জেলা রাজ্যে ছেড়ে পাড়ি দিচ্ছে দেশ বিদেশে।।

    নিত্যানন্দ গরাই এর বাগানে এখন আমের সমাহার। ১২৫ প্রজাতির আমের চাষ করে সেই আম জেলা রাজ্যে ছেড়ে পাড়ি দিচ্ছে দেশ বিদেশে।।

    বাঁকুড়াঃ গঙ্গাজলঘাটির পাকতোড় গ্রামের নিত্যানন্দ গরাই এর বাগানে এখন আমের সমাহার। ১২৫ প্রজাতির আমের চাষ করেছেন তিনি।এখন তার বাগানের আম বাঁকুড়ায বাইরে অন্য রাজ্যেও পাড়ি দিচ্ছে। যা তাকে আর্থিক স্বাচ্ছলতা দিচ্ছে।

    নিত্যানন্দ গরাই তার আম ও আমের বাগান প্রসঙ্গে বলেন,  আমের ফলন অনেক বেশী। বর্তমানে চাহিদাও বেশ ভালো। মানুষ বাগানে এসেই আম সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। মালদা-মুর্শিদাবাদের থেকেও ভালো তার আম। এখন প্রচুর চাহিদা আমের। ফলে রোজগার বেশ ভালো হচ্ছে। সব মিলিয়ে সময় বেশ ভালো কাটছে তার।

    নিত্যানন্দ গরাই আরও তার আম ও আমের বাগান প্রসঙ্গে বলেন, শুধুমাত্র আমের প্রতি দূর্বলতা ও ভালোবাসা থেকেই এই বাগান তৈরীর সাথে যুক্ত হয়ে পড়া। ইতিমধ্যে বাগানে দেশী-বিদেশী মিলিয়ে ১২৫ প্রজাতির আমের গাছ থাকলেও আরও নতুন প্রজাতির গাছের সন্ধান চলছে।অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আমের ফলন অনেক বেশী। বর্তমানে চাহিদাও বেশ ভালো। মানুষ বাগানে এসেই আম সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমের জন্য বিখ্যাত মালদা-মুর্শিদাবাদকেও স্বাদ ও গন্ধে বাঁকুড়ার আম অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

  • ড্রাম্পার ও ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল একজনের আহত আরো ৫, উত্তপ্ত এলাকা।

    ড্রাম্পার ও ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল একজনের আহত আরো ৫, উত্তপ্ত এলাকা।

    পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা গোঘাটের খাটুলে। ডাম্পারের সঙ্গে ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়। ঘটনায় আরও ৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন। এরপরই এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি আরামবাগ-কোতুলপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। স্থানীয় মহিলারাও অবরোধে শামিল হন। খবর পেয়ে গোঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে পুলিশকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় উত্তেজিত জনতার। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ ওঠে।

    জানা গেছে, কোতুলপুরের দিক থেকে ট্রাক্টরে ৬ জন আসছিল। ডাম্পারটি আরামবাগের দিক থেকে কোতুলপুরের দিকে যাচ্ছিল। খাটুল এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ট্রাক্টর উল্টে গিয়ে ৬ জনই রাস্তায় ছিটকে পড়েন। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। জখমদের উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অবরোধের জেরে রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
    বাইট- ১) গুড্ডি নন্দী( স্থানীয় বাসিন্দা)
    ২) জয়দেব মণ্ডল(স্থানীয় বাসিন্দা)

  • টানা বৃষ্টি শুরু হতে জঙ্গলে দেখা মিলল মরাল বা মডাল ছাতু সংগ্রহে মহিলারা।

    টানা বৃষ্টি শুরু হতে জঙ্গলে দেখা মিলল মরাল বা মডাল ছাতু সংগ্রহে মহিলারা।

    ছবি রঞ্জিত কুন্ডু।

    নিম্নচাপের টানা বৃষ্টি শুরু হতে জয়পুর জঙ্গলে দেখা মিলল প্রাকৃতিক উপায়ে সৃষ্টি হওয়া মোরাল বা মোডাল ছাতু (মাশরুম)।

    সকাল থেকেই জঙ্গলে জঙ্গলে চলছে ছাতুর তল্লাশি আর তল্লাশিতে জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের মহিলারা। প্রতিবছর বর্ষা শুরু থেকেই বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গল সহ জঙ্গলমহলের একাধিক জঙ্গলে শাল পাতা পচে সৃষ্টি হয় প্রাকৃতিক উপায়ে বিভিন্ন ধরনের ও রংবেরঙের ছাতু। আর সেই ছাতুর সংগ্রহ করতে বেরিয়ে পড়েন গ্রামের মহিলারা যেমন দেখতে সুন্দর ঠিক ততটাই খেতেও সুস্বাদু তাই বছরের প্রথম ছাতুর স্বাদ অন্যরকম তাই ভোর ভোর জঙ্গলে গিয়ে সংগ্রহ করে থাকেন মোরাল বা মডাল যাই বলুন না কেন ছাতু।

    এই ছাতুর সাধারণত চার থেকে পাঁচ রকমের কালার হয়ে থাকে, লাল হলুদ কালো গোলাপি ও সাদা। তাই রংবেরঙের ছাতু সংগ্রহ করে নিয়ে আসে বাড়িতে, বাড়িতে এনে বিভিন্ন পদের রান্না করে খেয়ে থাকেন জঙ্গলমহলের মানুষজন। দেখুন সেই ছবি।