Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • বিজেপির প্রভাবশালী নেতা খুন, হইচই এলাকায়, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার কোতুলপুর।

    বিজেপির প্রভাবশালী নেতা খুন, হইচই এলাকায়, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার কোতুলপুর।

    এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর বাঁকুড়ার কোতুলপুরে বিজেপি নেতা খুন, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার আলুর জমি থেকে ঘটনায় গ্রেফতার চারজন।


    আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি বাঁকুড়ার কোতুলপুর এ বিজেপি নেতা খুন ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায় ঘটনাস্থলে পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে খবর বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার লাউগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা সুমন মণ্ডল খুন হলেন রহস্যজনক পরিস্থিতিতে। বয়স আনুমানিক ৩২। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্দাস চার নম্বর মণ্ডলের বিজেপির মণ্ডল সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এলাকায় তিনি দাপুটে ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে কোতুলপুরের মাটিয়ারি এলাকার একটি রাস্তার ধারে তাঁকে ছুরির কোপ মেরে খুন করা হয় বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশ ও স্থানীয়দের। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁর বাইক, হেলমেটসহ অন্যান্য জিনিস উদ্ধার হয়েছে।
    মৃত্যুর আগে সুমন মণ্ডল “বাঁচাও বাঁচাও” বলে চিৎকার করছিলেন বলে দাবি করেছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই আওয়াজ পেয়ে লোকজন ছুটে গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর তারা পুলিশে খবর দিলে কোতুলপুর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ও গোটা এলাকাটি ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে তদন্ত শুরু করে।

    সুমন মণ্ডলের বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার। ঘটনার কিছুক্ষণ পরই ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে কোতুলপুরের ঘাটদীঘি এলাকা থেকে পুলিশ একটি ছোট চারচাকা গাড়িসহ চারজনকে আটক করে।
    গ্রেফতার হওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি লাউগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ডিঙ্গাল গ্রামে এবং একজনের বাড়ি কোতুলপুরের ধোবাপুকুর এলাকায় বলে জানা গেছে। খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পরিবারের পক্ষ থেকেও এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

    আজ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চারজন ধৃত অভিযুক্তকে আজই বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।

    বাইট: সেখ আনারুল আলি (স্থানীয় বাসিন্দা)

  • বিশালাকার পাহাড়ি বাবু গ্রামে এসে বিপদে, গ্রামবাসীদের তারা খেয়ে চরে বসলো বেলগাছে ভয়ে বেলগাছ ভরসা পাহাড়ি বাবু দেখুন ভিডিও।

    বিশালাকার পাহাড়ি বাবু গ্রামে এসে বিপদে, গ্রামবাসীদের তারা খেয়ে চরে বসলো বেলগাছে ভয়ে বেলগাছ ভরসা পাহাড়ি বাবু দেখুন ভিডিও।

    গ্রামবাসীদের তারা খেয়ে বেলগাছে উঠলো বিশালাকার রক পাইথন।

    আর এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো জামগাড়ি এলাকা। আর এই রোগ পাইথন উদ্ধার হওয়ার খবর চারিদিকে চাউর হতেই সাপ দেখার ভিড় এলাকায়।
    ফের ফাঁকা মাঠ এলাকা থেকে উদ্ধার হলো এক বিশাল আকার রক পাইথন।
    স্থানীয় সূত্রে খবর ফাঁকা মাঠে সাপটিকে দেখতে পান এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা, সেই সাপটিকে এলাকা থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করে গ্রামবাসীরা আর তাড়ানোর চেষ্টা করতেই প্রাণ হাতে নিয়ে বাঁচার চেষ্টায় স্থানীয় একটি বেলগাছে উঠলো সাপ অবলা এই প্রাণী।


    আর সেই সব এতটাই বড় একটি বার দেখার জন্য হুড়োহুড়ি, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির জামগাড়ি গ্রামে।
    গ্রামবাসীরা প্রথমে দীর্ঘক্ষণ ধরে নানান উপায়ে সাপটিকে নামানোর চেষ্টা করে কিন্তু আতঙ্কে গাছের ডাল আগড়ে বসে থাকেন বিশালাকার রক পাইথন। ব্যর্থ হন গ্রামবাসীরা। শেষে খবর দেয়া হয় বনদপ্তরকে। বনদপ্তরে কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই সাপটিকে গাছ থেকে নামিয়ে উদ্ধার করে এবং প্রাণে বাঁচিয়ে দেন।।


    বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে উদ্ধার হওয়ার রক পাইথনের দৈর্ঘ্য প্রায় সাত ফুটের বেশি। এবং ওজন ১৪ থেকে ১৫ কিলো ।


    বনদপ্তরে কর্মীরা উদ্ধার করে নিয়ে যায় বনদপ্তরে,প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের জন্য কিছুক্ষণের জন্য বিশালাকার সাপটিকে রেঞ্জ অফিসে রাখা হয়। পরে গঙ্গাজলঘাটির গভীর জঙ্গলে নিরাপদ স্থলে ছেড়ে দেয়া হয় বলেই বনদপ্তর সূত্রে খবর।

  • আদিবাসী মহিলাকে নিগ্রহ তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে মারধরের অভিযোগ তুলকালাম সিউড়ি।

    আদিবাসী মহিলাকে নিগ্রহ তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে মারধরের অভিযোগ তুলকালাম সিউড়ি।

    এবার আদিবাসী মহিলাকে নৃশংস মারধরের অভিযোগে তুলকালাম সিউড়ি।

    আদিবাসী মহিলাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে মারধর করে বলে অভিযোগ, স্থানীয়দের চেষ্টায় জঙ্গল থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

    বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত আমগাছি গ্রামে এক আদিবাসী মহিলাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন যুবক হঠাৎই ওই মহিলার বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধর শুরু করে। মহিলা তখন বাড়িতে একাই ছিলেন, স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কোনও যোগাযোগ নেই বলে জানা যায়।

    চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে, অভিযুক্তরা মহিলাকে জোর করে তুলে নিয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ফের মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে অচৈতন্য অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা ওই মহিলাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন।

    খবর পেয়ে সিউড়ি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত মহিলাকে উদ্ধার করে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার কারণ জানা যায়নি, তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিউড়ি থানার পুলিশ।

    নিজস্ব প্রতিনিধি রিপোর্ট।।

  • স্বয়ং মা জঙ্গলে মাঝে শিশুর খেলা রূপে দর্শন দিয়েছিলেন মল্ল রাজাকে,আর তখন থেকেই গ্রামে হয়ে আসছে কাদা খেলা উৎসব, কোথায় এমন ঘটনা ঘটেছিল জানেন দেখুন বিস্তারিত।

    স্বয়ং মা জঙ্গলে মাঝে শিশুর খেলা রূপে দর্শন দিয়েছিলেন মল্ল রাজাকে,আর তখন থেকেই গ্রামে হয়ে আসছে কাদা খেলা উৎসব, কোথায় এমন ঘটনা ঘটেছিল জানেন দেখুন বিস্তারিত।

    কাদা খেলা উৎসবে মেতে উঠল বাঁকুড়ার জয়পুরের মানুষ।


    বাঁকুড়া জয়পুর বৈতল ঝগর ভঞ্জনি মায়ের কাদা খেলা উৎসব বহু প্রাচীন ইতিহাস বিজড়িত,শুরুটা হয়েছিল আজ থেকে সেই মল্লরাজার আমল থেকে, তখন থেকে আজও রীতিনীতি মেনে করে আসছেন গ্রামের মানুষ।

    এই কাদা খেলার ইতিহাস রয়েছে অনেক, স্বয়ংক মা ঝগর ভঞ্জনি দেবী এই কাদা খেলা শুরু করেছিল, তারপর মল্লরাজ স্বয়ং নিজে, তখন থেকেই বৈতল ঝগড়ায় মন্দির প্রাঙ্গন এলাকায় তখন থেকেই চলে আসছে এই কাদা খেলা উৎসব।

    বাচ্চা থেকে বুড় কচিকাঁচা থেকে গ্রামের মহিলা শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ এই এই কাদা খেলা উৎসবে মেতে থাকেন। প্রতিবছর এই বিজয়া দশমীর দিন কাদা খেলা উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সকলে। সাত পুকুরের জল একত্রিত করে চলে এই কাঁদা খেলা খেলা, খেলার শেষে সেই জলই নিয়ে যায় বাড়িতে কারণ এই জল বাড়ির সকল প্রাণীর গায়ে ছিটিয়ে দিলে রোগ নিরাময় হয়। এমনটাই বিশ্বাস করেন এই গ্রামের মানুষ। কি জানাচ্ছেন ঝগর ভঞ্জনী মায়ের পুরোহিত থেকে গ্রামবাসীরা চলুন শোনাবো আপনাদের।।

    রঞ্জিত কুন্ডু–বাঁকুড়া

  • আদিবাসী স্কুল ছা-ত্রীকে যৌ-ন হে-নস্তা, ক্ষিপ্ত হলো আদিবাসী সমাজ, বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশের ব্যারিকেট ভাঙার চেষ্টা উত্তপ্ত বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের।

    আদিবাসী স্কুল ছা-ত্রীকে যৌ-ন হে-নস্তা, ক্ষিপ্ত হলো আদিবাসী সমাজ, বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশের ব্যারিকেট ভাঙার চেষ্টা উত্তপ্ত বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের।

    আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা, আর তাতেই ক্ষিপ্ত হল আদিবাসী সমাজ, থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের ব্যারিকেট ভাঙার চেষ্টা, তুলকালাম পরিস্থিতি বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানা।
    জানাজায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে আদিবাসী ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে পাত্রসায়ের থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ আদিবাসীদের, পুলিশের ব্যরিকেড ভাঙার চেষ্টা, ধাক্কাধাক্কি


    ———————-*————–
    উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক আদিবাসী ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের কঠোরতম শাস্তি ও আদিবাসী ছাত্রীদের যথাযথ নিরাপত্তার দাবিতে আজ পাত্রসায়ের থানা ঘেরাও করে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন আদিবাসীরা। এদিন আদিবাসীরা মিছিল করে থানায় ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ ব্যরিকেড করে তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করে। ব্যরিকেড ভেঙে আদিবাসীরা এগোনোর চেষ্টা করলে দুই তরফে হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে সেখানেই বিক্ষোভ দেখান আদিবাসীরা।

    গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানা এলাকায় আদিবাসী এক ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে সাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে এক যুবক দ্বারা আক্রান্ত হয়। সাইকেল থামিয়ে যুবক ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় নিগৃহীতার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় সেখ সেলিম নামের অভিযুক্ত যুবককে ধরে ফেলে। পরে ওই যুবককে পাত্রসায়ের থানার পুলিশের হাতে তুলে দিলে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। এই ঘটনার পর আজ অভিযুক্ত যুবকের কঠোর শাস্তি এবং এলাকার আদিবাসী ছাত্রীদের স্কুল যাতায়াতের পতগে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে পাত্রসায়ের থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় আদিবাসীদের সামাজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল। পাত্রসায়ের ও আশপাশের ব্লক থেকে বহু আদিবাসী মানুষ এদিন প্রথাগত অস্ত্র হাতে মিছিল করে থানার সামনে জমায়েত করেন। পুলিশ থানার গেট বন্ধ করে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। এরপর আদিবাসীরা জোর করে থানায় ঢোকার চেষ্টা করলে দুপক্ষের মধ্যে হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশ আধিকারিকেরা দাবিপূরণের আস্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    বাঁকুড়া:-সংবাদ দাতা-রঞ্জিত কুন্ডু

  • আচমকায় ভেঙে পড়ল শালী নদীর উপর তৈরি হওয়া দীর্ঘ দিনের ব্রিজ, চরম সমস্যায় পড়েছেন বেশ কয়েকটা গ্রামবাসীরা কোথায় এমন ঘটল জানেন? আর কখনই বা এই ব্রিজ তৈরি হয়েছিল দেখুন বিস্তারিত।।

    আচমকায় ভেঙে পড়ল শালী নদীর উপর তৈরি হওয়া দীর্ঘ দিনের ব্রিজ, চরম সমস্যায় পড়েছেন বেশ কয়েকটা গ্রামবাসীরা কোথায় এমন ঘটল জানেন? আর কখনই বা এই ব্রিজ তৈরি হয়েছিল দেখুন বিস্তারিত।।

    আচমকা ভেঙে পড়ল ভৈরবডাঙ্গায় শালীনদীর উপর কজওয়ে।

    আজ বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়া ব্লকের বৃন্দাবনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের ভৈরবডাঙ্গায় শালীনদী ব্রিজ হঠাৎ ভেঙে পড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ব্রিজটি ছিল জগন্নাথপুর, গরিববাটি, রাউতরা সহ একাধিক গ্রামের মানুষের একমাত্র সড়ক যোগাযোগের ভরসা। ফলে এক ঝটকায় বহু গ্রাম মূল সড়ক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    এই ঘটনায় গ্রামবাসীর দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। বিশেষ করে রোগী পরিবহন ও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াতে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বড়জোড়ার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এই ব্রিজ ছিল একাধিক শর্টকাট রাস্তায় প্রধান ভরসা।

    ভেঙে যাওয়া ব্রিজ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও এখনো পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভোগান্তিতে জর্জরিত মানুষ দ্রুত ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন প্রশাসন ও সরকারের কাছে।

    এলাকার মানুষের কাতর আবেদন—যাতে অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা ও দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হয়, না হলে সমস্যার গভীরতা আরও বাড়বে।

  • জয়পুরে কি এমন ঘটলো যে কেনার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে গেল স্থানীয় এবং বাইরের মানুষের মধ্যে দেখলে চমকে যাবেন আপনিও,দেখুন বিস্তারিত।

    জয়পুরে কি এমন ঘটলো যে কেনার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে গেল স্থানীয় এবং বাইরের মানুষের মধ্যে দেখলে চমকে যাবেন আপনিও,দেখুন বিস্তারিত।

    এই বছরে এই প্রথম আজ থেকে কারণ ছাতু কেনার হিড়িক শুরু হলো বাঁকুড়া জয়পুরে

    প্রায় একটি বছর পর আবারও শুরু হলো ব্যাপকভাবে কারাম ছাতু বিক্রি। সকাল থেকে সন্ধ্যা প্রতিনিয়ত দূর দূরান্তের মানুষ ভিড় করছেন বাঁকুড়ার জয়পুরে। দাম যাই হোক মানে ভালো। কেন বললাম কথাটা? দেখুন তাহলে।

    বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গল মানেই বিভিন্ন জীবজন্তুর বসবাস বিশেষ করে হাতি হরিণ বন শুয়োর সহ বিভিন্ন বিষধর সাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জীবজন্তুর বাসস্থান হল এই জয়পুর।
    জয়পুর জঙ্গল যতটাই সুন্দর ঠিক ততটাই ভয়ে তার কারণ বর্ষাকালে জঙ্গলের ভিতর ঘুরঘুটে অন্ধকার ও স্যাঁত সেতে পরিবেশ, কোন কারণবশত জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করার পর একটু অন্যমনস্ক হলেই বিপদ অপেক্ষা করছে আপনার জন্য,আর সেই বিপদের মুখ থেকে রাত জেগে গোটা জঙ্গল তন্ন তন্ন করে খুঁজে, সংগ্রহ করছেন ছাতু। কারণ একটাই এই সময় জঙ্গলমহলের মানুষের রোজগার নেই একমাত্র রোজগার এই জঙ্গলের ছাতু সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রয় করা। এই জঙ্গলের ছাতু যেমন দেখতে ভাল তেমনি স্বাদ,তাই দাম যাই হোক বছরের সাদ উপভোগ করার জন্য জয়পুর ব্লক তো বটেই, দূর দূরান্তের মানুষ ভিড় করছেন বাঁকুড়ার জয়পুরে।


    বাঁকুড়া জেলা জুড়ে একাধিক ব্লকের রয়েছে জঙ্গল সেখানে ছাতুর বা মাশরুমের এত দাম না থাকলেও বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গলের ছাতুর মান অনেকটাই উন্নত। বাঁকুড়া,বিষ্ণুপুর, রায়পুর হিরবাদ সহ সমস্ত জঙ্গলমহলে ছাতুর দাম
    ২ থেকে-৩০০ বা ৪০০-৫০০-র মধ্যে প্রতি কেজির দাম থাকলেও,জয়পুর জঙ্গলের ছাতুর দাম বাজারে বিক্রয় হচ্ছে ১০০ টাকা শ, বা এক হাজার টাকা কেজি।

    ওই যে কোথায় বললাম দাম যাই হোক মানে ভালো। বছরের একটি বার জঙ্গলের ছাতু বা মাশরুম খাবার জন্য জয়পুর ব্লক ছাড়িয়ে পাশের ব্লক পেরিয়ে পাশের জেলার মানুষ, কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
    সকালে হোক বা সন্ধ্যা দাম যাই হোক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে অনেকে আবার আত্মীয় বাড়িতে কিনে পাঠাচ্ছেন,বছরের সাদ উপভোগ করার জন্য।

    কিভাবে সংগ্রহ করে ছাতু কি জানাচ্ছেন এলাকার মানুষ স্থানীয় বিক্রেতারা চলুন সোনাব আপনাদের।

  • আপনি কোন কোন প্রাণীর দুধের চা খেয়েছেন, এই প্রাণীর চা আপনি খেয়েছেন কোনদিন না খেলে খেয়ে আসুন এক্ষুনি,কোথায় পাওয়া যাচ্ছে দেখুন বিস্তারিত।

    আপনি কোন কোন প্রাণীর দুধের চা খেয়েছেন, এই প্রাণীর চা আপনি খেয়েছেন কোনদিন না খেলে খেয়ে আসুন এক্ষুনি,কোথায় পাওয়া যাচ্ছে দেখুন বিস্তারিত।

    চা তো আমরা কমবেশি সকলেই পছন্দ করি কিন্তু এই দুধের চা খেয়েছেন আপনি কোনদিন, খাননি নিশ্চয়ই ।

    এবার বীরভূমের আমোদপুরে পাওয়া যাচ্ছে উটের দুধের চা।।

    প্রায় অধিকাংশ মানুষের জীবনে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রয়োজন হয় এক কাপ চা। আর এই চা পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পেলেও সেই সংখ্যা খুবই কম। সাধারণত রাস্তার পাশে বা রেস্তোরায় কনডেন্সড মিল্কের বা গরুর দুধের তৈরি চা পান করা হয়। কেউ কেউ লেমন টি, গ্রিন টি ও মাসালা চা-ও পান করেন। তবে এবার বীরভূমের মধ্যে এই প্রথম পাওয়া যাচ্ছে উটের দুধের চা।

    উটের দুধের চায়ের কথা শুনে অবাক হতে পারেন, হওয়াটা স্বাভাবিক। বীরভূমে কোথায় বা উটের দুধ রয়েছে, এ প্রশ্ন রয়েছে অনেকের। বীরভূমে এই উটের দুধের পাউডার এসে পৌঁছে যাচ্ছে অনলাইন মাধ্যমে। তবে এবার হয়তো ভাবছেন বীরভূমে কোথায় গেলে পাবেন এই উটের দুধের চা! বীরভূমের মধ্যে অবস্থিত আমোদপুর। আপনি যদি নিজস্ব গাড়িতে তারাপীঠ এসে বোলপুর যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে বোলপুর যাওয়ার পথেই পড়বে এই আমোদপুর। আমোদপুরের চৌরাস্তা মোড়ে এসে আমোদপুর বোলপুর রোড ধরে এক মিনিট এগিয়ে গেলেই রাস্তার বাঁদিকে দেখতে পাবেন এই দোকান।

    চায়ের দোকানের কর্ণধার বরুন রায় জানান “অন্যান্য দেশে দুবাই থেকে নিয়ে আসা হয় এই উটের দুধের পাউডার, আর বাংলাদেশে এই উটের দুধের চা বিক্রি হয় ৪০০ টাকা কাপ হিসাবে, তবে বীরভূমের মতো জায়গায় এই ৪০০ টাকা কাপ হিসেবে চা সবাই পান করতে পারবেন না, তাই সবার কথা চিন্তা করে অনলাইন মাধ্যমে এই উটের দুধের পাউডার নিয়ে আসা হচ্ছে। এক কিলো উটের দুধের পাউডারের দাম পড়ছে প্রায় ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি। আর এই উটের দুধের চা এক কাপ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকায়।”

    তবে কারা পান করতে পারেন এই উটের দুধের চা এবং গরুর দুধের থেকে কী আলাদা স্বাস্থ্য গুণ রয়েছে! এই বিষয়ে জানা যায় গরুর দুধের থেকে তিন গুণ বেশি ভাল এই দুধ, এর মধ্যে ফ্যাট অনেক কম থাকে এবং যাদের কোলেস্টেরল রয়েছে তারা এই দুধ পান করতে পারেন। এছাড়াও বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে অনেকটাই সাহায্য করে এই দুধ।

    কাজী আমীরুল ইসলামের রিপোর্ট।।

  • এবি ভিপির ডাকা ডিএম অফিস অভিযানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি, শেষে আটক ৮ সদস্য, কোথায় এমন ঘটল ঘটনা দেখুন বিস্তারিত।

    এবি ভিপির ডাকা ডিএম অফিস অভিযানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি, শেষে আটক ৮ সদস্য, কোথায় এমন ঘটল ঘটনা দেখুন বিস্তারিত।

    WBJEE ফলাফল ও ভর্তি দাবিতে ABVP-র আন্দোলনে পুলিশের গুন্ডামী! আটক ৮ ABVP সদস্য।

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)-এর ডাকা DM অফিস অভিযান ঘিরে উত্তেজনা বাঁকুড়ায়। WBJEE পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও কলেজে দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার দাবিতে আজ ABVP কর্মীরা বাঁকুড়া জেলা শাসকের দফতরে অভিযানে সামিল হন।

    কিন্তু জেলা শাসকের অফিস চত্তরে ঢোকার মুখেই পুলিশ তাদের বাধা দেয়। অভিযোগ, মিছিল আটকাতে গিয়ে পুলিশের সাথে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ আটজন আন্দোলনকারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি না শুনে সরকার প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলন দমন করতে চাইছে। পুলিশের এই ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ABVP।

    উল্লেখ্য, WBJEE পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই জট তৈরি হয়েছে। এদিনের ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ল।

  • বাঁকুড়ার জয়পুরে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। চিন্তিত ব্লক প্রশাসন,তাই গাপপী মাছ ছেড়ে ডেঙ্গু মশার লাভা নিধনযোগ্যে নামলো প্রশাসন।

    বাঁকুড়ার জয়পুরে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। চিন্তিত ব্লক প্রশাসন,তাই গাপপী মাছ ছেড়ে ডেঙ্গু মশার লাভা নিধনযোগ্যে নামলো প্রশাসন।

    বাঁকুড়ার জয়পুরে বাড়ছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, তাই জমা জলে গাভটি পনা ছেড়ে রোগ দমনে ব্লক প্রশাসন।

    জয়পুর ব্লক প্রশাসন ও জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে নটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকার জমা জলে ও ড্রেনে,পুকুর ডোবাতে ছাড়া হলো গাপ্পি মাছ। ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন মশা জনিত রোগ নিধন যজ্ঞে নামলো ব্লক প্রশাসন।

    বাঁকুড়ার সোনামুখী ডিহি পাড়া মোনালিসা সংঘ সমবায় সমিতির লিমিটেডের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের চাষ করা পুকুরের গাপ্পি মাছের ২৫ হাজার চারা বিলি করা হলো জয়পুরে।


    প্রায় প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত কে দেয়া হলো ২৮০০ পিস গাপটি মাছের চারা। এই মাছ সাধারণত মশার লাভা খেয়ে মশার বংশ নির্বংশ করে ছাড়ে।


    তাই বিভিন্ন ডোবা-খাল বিল ড্রেনে ছাড়া হল এই গাপ্পি মাছ। এই মাছের সাহায্যে ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ার মশার লাভা খুব শীঘ্রই নিধন হবে এমনটাই মনে করছেন ব্লক প্রশাসন।

    এই মাছের পোনা প্রথমে ছাড়া হয় বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর থানাতে তারপর দেওয়া হয় জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এলাকার ডোবাতে।


    নিজেদের হাতে এই মাছের পোনা ছাড়লেন জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অঙ্কন কুন্ডু ও জয়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৌশিক হাজরা। এই মাছের পোনা ছেড়ে দিলেন সচেতনতার বার্তা এই মাছের চারার সাহায্যে অনেকটাই দমন হবে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ বহনকারী মশা।

    গাপ্পি মাছের চারা বিলি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জয়পুর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি থেকে শুরু করে একাধিক কর্মাধ্যক্ষ ও স্বাস্থ্য ও স্বয়ম্বর গোষ্ঠীর মহিলারা সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।


    কি জানাচ্ছেন সহ-সভাপতি ও জয়পুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ একাধিক ব্যক্তি তারা ঠিক কি জানাচ্ছেন চলুন শোনাবো আপনাদের।