Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • সকাল থেকে জেলা জুড়ে বজ্রাপাত প্রাণ গেল জেলার ৭ জনের আহত হয়েছেন একাধিক। কোন জেলায়  এমন ঘটনা ঘটলো দেখুন বিস্তারিত।

    সকাল থেকে জেলা জুড়ে বজ্রাপাত প্রাণ গেল জেলার ৭ জনের আহত হয়েছেন একাধিক। কোন জেলায় এমন ঘটনা ঘটলো দেখুন বিস্তারিত।

    জেলায় চলছে লাগাতার বৃষ্টি সাথে বজ্রপাত, আর বজ্রপাতে প্রাণ গেল একি জেলার ৭ জনের আহত হয়েছেন একাধিক। কোন জেলায় মৃত্যু মিছিল হল জানেন, দেখুন তাহলে বিস্তারিত।

    ভয়ংকর পরিস্থিতি চলছে বাঁকুড়া জেলা জুড়ে, একদিকে চলছে প্রবল বৃষ্টি অন্যদিকে লাগাতার বজ্রপাত, আর যার জেলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। সকাল থেকে একেবারেই গৃহবন্দী সাধারণ মানুষ,বাড়ি থেকে বের হলেই বিপদ, আর পেটের দায়ে কাজে বেরিয়ে, বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাঁকুড়া জেলার সাত জনের।

    কোতুলপুর জয়পুর পাত্রসায়ের ও ইন্দাস ওন্দা ব্লক সহ ৭ জন ব্যক্তির, আহত আরো অনেকে।
    জেলায় সকাল থেকে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি সাথে ঝোরো হাওয়া ও লাগাতার বজ্রপাত। আর সেই বজ্রপাতে প্রাণ গেল কোতুলপুর ব্লকের একজনের আহত আরো এক। মৃত ব্যক্তির নাম আসিয়া মোল্লা দুজনেরই বাড়ি কোতুলপুর ব্লকের খিরি গ্রামে।

    আচমকায় বাজ পড়ে লুটিয়ে পড়ে দুজন তড়িঘড়ি স্থানীয় মানুষজন উদ্ধার করে নিয়ে যায় কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতাল সেখানে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
    এরপরেই আবারো জানা যায় পাত্রসায়ের ব্লকের কাঁটাবন গ্রামের যুবক জীবন ঘোষের।

    অন্যদিকে জয়পুর ব্লকের মৃত্যু হল জগন্নাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ভাইয়ের। গ্রাম খোরকাসুলি নাম উত্তম ভূঁইয়া বয়স ৩৫।

    এছাড়াও
    ইন্দাস থানার বাঙালচক গ্রামের এলাকার শেখ ইসমাইলের মৃত্যু হয়েছে আহত হয়েছেন আরো এক মহিলা।
    ওন্দা ব্লকের ৩ ব্যক্তি মৃত্যু হয়েছে, এক মৃত ব্যক্তির নাম নারায়ণ সাওয়ার বাড়ি ওন্দা থানার কামারকাটা গ্রামের। আরো দুজনের বাড়ি ভাদুল ডাঙ্গা ও কল্যাণীতে
    একই দিনে পরপর একাধিক ব্লকের গ্রামবাসীদের মৃত্যু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে। টনক নড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসনের কান্নায় ভেঙে পড়েছে একাধিক ব্লকের গ্রামবাসীরা।

  • উন্নয়নের নিরিখে খবরের শিরোনামে ফের একবার জয়পুর, জেলার প্রথম হল জয়পুর ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতি, ভাবছেন তো কিভাবে হলো দেখুন তাহলে বিস্তারিত।

    উন্নয়নের নিরিখে খবরের শিরোনামে ফের একবার জয়পুর, জেলার প্রথম হল জয়পুর ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতি, ভাবছেন তো কিভাবে হলো দেখুন তাহলে বিস্তারিত।

    জেলার উন্নয়নের নিরিখে আবারও খবরের শিরোনামে উঠে এলো বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লক ও জয়পুর পঞ্চায়েত সমিত।

    ফিফটিন অর্থ কমিশনে ফিফটিন ফাইন্যান্সের অধীনে যত কাজ হয়েছে সেই কাজের তহবিলের টাকা ১০০% খরচ করে সম্পূর্ণ হওয়া কাজের নিরিখে বাঁকুড়া জেলার প্রথম স্থান অধিকার করল জয়পুর ব্লক।

    রাস্তাঘাট থেকে পানীয় জল সোলার লাইট থেকে বিদ্যুৎ, আটচালা থেকে কমিউনিটি হল, ড্রেন থেকে ব্রিজ,কালভাট থেকে স্কুল প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজের নিরিখে সেরার সেরা উপহার ছিনিয়ে আনলেন বাঁকুড়া জেলার জয়পুর ব্লক ও জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতি। এবার বাঁকুড়া জেলার নাম উজ্জল করলো জয়পুর ব্লক। একদিকে যেমন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার শ্রী দেবজ্যোতি পাত্র অন্যদিকে জয়েন্ট বিডিও শ্রী শুভজিৎ শিকারী ও একাধিক ব্লকের আধিকারিক , পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধিগন ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ থেকে শুরু করে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল এলো জয়পুর ব্লকে।
    এলাকার মানুষ খুব খুশি।

    এমনিতেই সারা বছর খবরের শিরোনামে থাকে জয়পুর ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতি। গরীব অসহায় মানুষ থেকে শুরু করে, অসহায় ছাত্র-ছাত্রী ও প্রতিবন্ধী মানুষদের সব সময় পাশে দাঁড়ান, ২৪ ঘন্টা পরিষেবা দিয়ে যান কর্মীরা।

    তাই জেলার 190 টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে কাজের নিরিখের সেরার সেরা জয়পুর। হয়তো অনেক রাস্তাঘাট মানুষের পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ১০০% পূর্ণ করার।

    কিন্তু ২২ টি ব্লকের মধ্যে গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজের নিরিখে অনেকটাই এগিয়ে জয়পুর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতি। তাই জেলার উপহার ছিনিয়ে নিল জয়পুর ব্লক। আর জেলার সেরা সেরা হতেই খুশি জয়পুর ব্লকের মানুষ।


    কি জানাচ্ছেন জয়পুর ব্লক যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ও জয়পুর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ জনাব জাকির খান, চলুন শোনাই আপনাদের।

  • যাত্রীদের তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌছে দিতে হবে তাহলেই ছুটি, আর দ্রুত গতিতে যেতে গিয়ে সব শেষ দেখুন কি হয়েছে? কোথায় এমন ঘটল অঘটন।

    যাত্রীদের তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌছে দিতে হবে তাহলেই ছুটি, আর দ্রুত গতিতে যেতে গিয়ে সব শেষ দেখুন কি হয়েছে? কোথায় এমন ঘটল অঘটন।

    আবারো দ্রুত গতিতে যেতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা মারল চার চাকা,প্রাণ গেল একজনের আহত আরো ৪।

    ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, গোঘাটের হাজীপুর এলাকায়।
    ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বিকালে গোঘাটের হাজীপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত করপুকুর এলাকায়।
    ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকাজুড়ে।


    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় একটি চার চাকা গাড়ি কামারপুকুর থেকে মাংরুল যাবার পথে হাজীপুরের করপুকুর এলাকায় একটি গাছে গিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়।
    গাড়ির ভেতরে থাকা যাত্রীরা ও গাড়ির চালক সহ চার জন আহত হন,ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় একজনের । দুর্ঘটনা শব্দে ছুটে আসার স্থানীয়রা,
    স্থানীয়রা এসে আহতদের উদ্ধার করে কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠায়।


    শারীরিক অবনতি হওয়ার কারণে তিন জনকে আরামবাগ মেডিকেল হাসপাতালে স্থানন্তরিত করা হয়।
    পুলিশ গিয়ে গাড়িটিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
    জানা যায় মৃত ব্যক্তির নাম সন্তু বারুই, বাড়ি মঙ্গরুল এলাকায়।
    স্থানীয়দের দাবি অতিরিক্ত গতির জেরে এই দুর্ঘটনা। কি জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা চলুন শুনাবো আপনাদের।

  • সাপে মানুষে এক বাড়িতে বসবাস শেষে জীবন দিয়ে মাসুল গুনতে হলো বাসন্তীকে, আসলে ঘটনা কি হয়েছিল দেখুন বিস্তারিত।

    সাপে মানুষে এক বাড়িতে বসবাস শেষে জীবন দিয়ে মাসুল গুনতে হলো বাসন্তীকে, আসলে ঘটনা কি হয়েছিল দেখুন বিস্তারিত।

    আবারো সাপের কামড়ে মৃত্যু হল বাঁকুড়ার জয়পুরে, কান্নায় ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার।

    ভাঙ্গা মাটির বাড়ির ভেতর বসবাস করছিল বিষধর সাপ গুণখরেও টের পাননি বাড়ির লোক। একই বাড়িতে সাপে মানুষের বসবাস একটি বারের জন্যও জানতে পারেনি বাড়ির ভেতর বসবাস করছে ভয়ংকর বিষধর সাপ।
    আর শেষমেষ পরিণতি ভয়ানক, বছর পঞ্চাশের মহিলাকে সাপের ছোবলে প্রাণ দিয়ে চুকাতে হলো মূল্য।
    ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের দিগপাড় গ্রামে।


    জানা যায় গতকাল রাত্রি একটার সময় বাড়িতে শুয়েছিলেন বছর পঞ্চাশের বাসন্তী দিগার স্বামী করুনা দিগার, টেবিল ফ্যানের বাতাসে শীত লাগে গায়ে ,তাই খাটিয়া থেকে নেমে শুয়ে ছিলেন বাড়ির মেঝেতে, আর মেঝেতে শুতে গিয়েই কাল হলো বাসন্তীর, হঠাৎ শুরু হয় জ্বালা যন্ত্রনা ঘুমের ঘোরে কখন যে কামড়ে বসিয়ে দিয়েছে গুণক্ষরেও টের পাননি ওই বছর পঞ্চাশের মহিলা।।


    হঠাৎ জ্বালা যন্ত্রণা শুরু হতেই তড়িঘড়ি বাড়ির লোকেদের ডাকতে থাকেন, সাথে সাথে দেরি না করে ছুটে আসেন বাড়ির লোক, নিয়ে আসা হয় জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, সেখানে শুরু হয় দ্রুত চিকিৎসা,মাত্র সময়টা আধঘন্টা ডিফারেন্স তারমধ্যেই ঘটে গেল অঘটন, চিকিৎসকেরা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও বাঁচাতে পারেননি বাসন্তীকে।


    বিষধর সাপের ছোবলে মৃত্যু হল দিগপারের বাসন্তীর।
    কি জানাচ্ছেন বাসন্তীর ভাইপো গৌরাঙ্গ দিগার চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় প্রাক্তন সেনা কর্মীর যাবজ্জীবন সাজা ও জরিমানা বাঁকুড়া জেলা আদালতের।

    স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় প্রাক্তন সেনা কর্মীর যাবজ্জীবন সাজা ও জরিমানা বাঁকুড়া জেলা আদালতের।

    নিজের স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাক্তন সেনা কর্মীর
    ——–নিজস্ব প্রতিনিধি বাঁকুড়া——–

    বাঁকুড়ার ওন্দা থানার বহড়াবাঁধ গ্রামের পেশায় সেনাকর্মী সমিরণ ধল্লর সঙ্গে বিয়ে হয় তালডাংরা থানার পাইকা গ্রামের নিবেদিতার। বিয়ের পর ওই দম্পতির একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এরই মাঝে অবসর নেন সমিরণ ধল্ল। দাম্পত্য কলহের জেরে প্রাক্তন ওই সেনা কর্মী স্ত্রীকে মারধর করতো বলে অভিযোগ। ২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল প্রাক্তন ওই সেনা কর্মী নিজের স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।

    ঘটনার দিন গুরুতর জখম স্ত্রী নিবেদিতা ধল্লকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছর ৩০ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়। এরই মাঝে ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল এই ঘটনায় নিবেদিতার স্বামী সমিরণ ধল্ল, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাসুরের নামে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করে নিবেদিতার বাপের বাড়ির লোকজন। হাসপাতালে ওই মহিলার মৃত্যুকালীন জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।

    ঘটনার তিন মাসের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। এরপর গত চার বছর ধরে ১৯ জন সাক্ষী ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গতকাল প্রাক্তন সেনা কর্মী সমিরণ ধল্লকে দোষি সাব্যস্ত করে আদালত। আজ তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাস কারাদন্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। ঘটনায় যুক্ত থাকার তথ্য প্রমাণ না মেলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের নির্দোষ বলে ঘোষণা করে আদালত।

    বাইট :- অরুণ চট্টোপাধ্যায় ( সরকারি আইনজীবী)

  • ফের একবার প্রশ্নচিহ্নের মুখে দ্বারকেশ্বর নদ, একের পর এক মৃত্যু নাদীর ঘাটে, আজ আবার এক মহিলার দেহ উদ্ধার বিষ্ণুপুর দমদমার ঘাটে।

    ফের একবার প্রশ্নচিহ্নের মুখে দ্বারকেশ্বর নদ, একের পর এক মৃত্যু নাদীর ঘাটে, আজ আবার এক মহিলার দেহ উদ্ধার বিষ্ণুপুর দমদমার ঘাটে।

    ফের দ্বারকেশ্বর নদীর দমদমার ঘাটে এক মহিলার ভাসমান দেহ উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।


    পুলিশ জানিয়েছে মৃত মহিলার নাম মালা শীট। বাড়ি বাঁকুড়া থানা এলাকায়। শনিবার সকাল থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

    বিস্তারিত দেখাবো আপনাদের। তবে ইতিমধ্যেই দ্বারকেশ্বর নদীর জল থেকে মৃত মহিলা দেহ উদ্ধারে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।

    বিষ্ণুপুর দ্বারকেশ্বর নদীতে একের পর এক দুর্ঘটনা, প্রথমে তিন স্কুল ছাত্র তারপর ১ ব্যক্তির দেহ উদ্ধারের ঘটনার রেস কাটতে না কাটতেই আজ আবারো এক মহিলার দেহ উদ্ধার, শোরগোল পড়ে গেল এলাকায়।
    স্থানীয় সূত্রে খবর দমদমার ঘাটে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী স্নান করছিলেন, সেই সময় দারকেশ্বর নদীর জলে এক মহিলার ভাসমান দেহ দেখতে পান। ঠিক সেই সময় দমদমার ঘাটে নৌকা পারাপার করছিল, তড়িঘড়ি নৌকা ঘুড়িয়ে নিয়ে এসে ওই মহিলার দেহকে মাঝ নদী থেকে নদীর ধারে নিয়ে আসা হয় সাথে সাথেই খবর দেওয়া হয় বিষ্ণুপুর থানায়, বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ দ্রুততারা সাথে ছুটে আসে এবং ওই মহিলার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রথমে মৃত মহিলার নাম পরিচয় জানা না গেলেও পরবর্তীতে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।


    । তবে একের পর এক বিষ্ণুপুর দারকেশ্বর নদীর জলে ডুবে একের পর এক দুর্ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
    এই মহিলা কিভাবে দারকেশ্বর নদীর জলে এল কিভাবেই বা ডুবে প্রাণ হারালো।
    এই নিয়ে ধোঁয়াশা দান বাধে এলাকার মানুষের মনের মধ্যে।

    তবে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান আজ দুপুরে দিকে তারা প্রথমে নদীতে ওই মহিলার দেহটি ভাসতে দেখেন তারপরেই খবর দেয়া হয় পুলিশকে, পুলিশ এসে ওই মহিলার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় ।
    কিভাবেই মৃত্যু হল সেই নিয়ে তদন্ত শুরু করছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।

    কি জানাচ্ছেন স্থানীয় মানুষজন চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • হঠাৎ কালো মেঘ,প্রবল বেগে বৃষ্টি, তাড়ি মধ্যে স্কুলে পড়লো বাজ, আর তারপরেই সব অন্ধকার কান্নার চেচামেচি শব্দের কেঁপে উঠল স্কুল তারপর কি হলো দেখুন বিস্তারিত।

    হঠাৎ কালো মেঘ,প্রবল বেগে বৃষ্টি, তাড়ি মধ্যে স্কুলে পড়লো বাজ, আর তারপরেই সব অন্ধকার কান্নার চেচামেচি শব্দের কেঁপে উঠল স্কুল তারপর কি হলো দেখুন বিস্তারিত।

    স্কুল চলাকালীন স্কুলের দেওয়ালে পরলো বজ্রাঘাত, আর সাথে সাথেই লুটিয়ে পড়লেন ৫ স্কুল ছাত্রী একজনের অবস্থা আশংকা জনক।


    দেখুন কি ভয়ানক পরিস্থিতি, স্কুল চলাকালীন স্কুলের দেয়ালে বাজ, আর সেই বজ্রাঘাতের শব্দে অসুস্থ হলো পাঁচ জন ছাত্রী। ঘটনা গঙ্গাজলঘাটির কুস্থলিয়া হাইস্কুলে, আর ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
    জানা যায় সেকেন্ড পিরিয়ডের পর শর্ট টিফিন চলছিল। সেই সময় ঘনিয়ে আছে কালো মেঘ শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি, আর বৃষ্টির মধ্যেই শুরু হয় বাজ পড়া, আর সেই বাজ পড়ে অসুস্থ হল পাঁচজন স্কুল ছাত্রী।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান বৃষ্টির সময় স্কুলের দেওয়াল ঘেঁষে হঠাৎই একটি বজ্রাঘাত পড়ে, আর যার যে রে শুরু হয় ছাত্রীদের কান্না। সেই কান্না শুনে ছুটে যাই শিক্ষিকা, গিয়ে দেখেন বেশ কয়েক জন ছাত্রী খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে।


    দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় অমর কানন হাসপাতালে। এই ঘটনায় মোট পাঁচ জন ছাত্রী আহত হয়েছে বলেই খবর।

    অষ্টম শ্রেণীর চার জন,এবং ষষ্ঠ শ্রেণির এক জন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওই স্কুলের অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে।
    দেখুন সেই ভয়ানক চিত্র।

  • গোপনে আপনাদের ছাত্রছায় ঘুরে বেড়াচ্ছে খুনি আরএসএস টিম দেখলেই খবর দিন পুলিশকে। আইন নিজের হাতে নেবেন না বেফাস মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে তৃণমূল বিধায়ক।

    গোপনে আপনাদের ছাত্রছায় ঘুরে বেড়াচ্ছে খুনি আরএসএস টিম দেখলেই খবর দিন পুলিশকে। আইন নিজের হাতে নেবেন না বেফাস মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে তৃণমূল বিধায়ক।

    “গোপনে খুনেরা আর.এস.এস এর কিছু টিম আপনাদের ছত্রছায়ার মধ্য ঘুরছে তাদের নজর রাখুন, থানায় খবর দিন”—– মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের, কটাক্ষ বিজেপির।

    বাঁকুড়া:- নিজস্ব প্রতিনিধি

    আগামী ২১শে জুলাইকে সামনে রেখে বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়ায় একটি মিছিলের আয়োজন করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।সেখানে তৃণমূল কর্মী সর্মথকেরা মিছিলে পা মিলিয়ে সারা বড়জোড়া বাজার পরিক্রম করে বড়জোড়া চৌরাস্তায় এসে সমবেত হয়। সেখানে খোলা মঞ্চে কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরএসএসকে এক হস্তে নিলেন বড়জোড়ার তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন “গোপনে খুনেরা আরএসএস-এর কিছু টিম আপনাদের ছত্রছায়ার মধ্যে ঘোরাঘুরি করছে নজর রাখুন থানায় খবর দিন”।শুধু তাই নয় তিনি কেউ বলেন “অচেনা কোন মুখ আপনাদের এলাকায় দেখলেও থানাতে খবর দেবেন”।

    তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য কে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি শিবির।বড়জোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী নেতা তথা বিজেপি নেতা গোবিন্দ ঘোষ বলেন “বড়জোড়ার তৃণমূল জেলার বিধায়ক খিচুড়ি বিলি, মেলা,খেলাতেই ব্যস্ত উনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সম্পর্কে কি জানেন, ১৫ বছরের রাজত্বে তোলামুল সরকার চলছে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ সম্পর্কে বিধায়কের এই মন্তব্য কে তীব্র ধিক্কার জানাই”।

    ২১শে জুলাই যত এগিয়ে আসছে, তার প্রস্তুতি সভাতে কেন্দ্র করে জেলাতে রাজনৈতিক চাপানোতর অব্যাহত। দিনের পর দিন সরগরমও হচ্ছে জেলার রাজনীতি।এখন দেখার বিষয় এটাই রাজনৈতিক চাপা নতুন এর মধ্যেও কোন পথে অগ্রসর হয় বাঁকুড়া জেলার রাজনীতি।

    স্টেজ স্পীচ:-

    অলক মুখোপাধ্যায় (বিধায়ক বড়জোড়া)

    বাইট
    ১) অলোক মুখোপাধ্যায় (বিধায়ক,বড়জোড়া)

    ২)গোবিন্দ ঘোষ (বিজেপি নেতা)

  • একটা ছোট্ট প্রাণীর কামড়ে কেড়ে নিল এক স্কুল ছাত্রের প্রাণ, আর ডাকবে না মা-মা বলে।কি  এমন ঘটল দেখুন বিস্তারিত।

    একটা ছোট্ট প্রাণীর কামড়ে কেড়ে নিল এক স্কুল ছাত্রের প্রাণ, আর ডাকবে না মা-মা বলে।কি এমন ঘটল দেখুন বিস্তারিত।

    আবারো সাপের কামড়ে প্রাণ গেল এক নাবালকের, আর যার যেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা গ্রাম।


    মৃত নাবালকের নাম সূর্য রায়, বয়স ১৩ বছর।
    ঘটনাটি ঘটেছে গোঘাট ২ নং ব্লকের কামারপুকুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মধুবাটি এলাকায়।
    জানা যায় মৃত নাবালক স্থানীয় স্কুলের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র ছিল।
    গতকাল রাতে সূর্য তার পায়ে কিছু কামড়ানোর কথা সূর্য বাড়ির লোকেদের জানাই।


    পরিবারের সদস্যরা আশপাশ খোঁজাখুঁজির পর কিছুই পাইনি।
    পরে সূর্যর শারীরিক অবনতি হওয়ার পর ভোরের দিকে কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপালতে নিয়ে যাওয়া হয়।
    গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসকরা সূর্যর শারীরিক অবস্থা অবনতির কারণে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়।
    আরামবাগ মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা সূর্যকে মৃত বলে জানান।


    পরে ময়না তদন্ত করার পর জানা যায় সাপের কারণে মৃত্যু হয় সূর্যর।
    সূর্যের মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের লোক।
    ঘটনার জেরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

  • তৃণমূলের বাইক র‍্যালির ভয়ে ঘরে ঢুকে গেল বিরোধীরা, কোথায় এমন ঘটনা ঘটল,দেখুন বিস্তারিত।

    তৃণমূলের বাইক র‍্যালির ভয়ে ঘরে ঢুকে গেল বিরোধীরা, কোথায় এমন ঘটনা ঘটল,দেখুন বিস্তারিত।

    ২১ জুলাই কর্মসূচীর সমর্থণে ও দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলা ভাষীদের উপর আক্রমণের অভিযোগ তুলে বাইক মিছিল

    সিমলাপাল ব্লক যুব তৃণমূলের। বৃহস্পতিবার সিমলাপালের কুসুমডুংরি পেট্রোল পাম্প থেকে বিক্রমপুরের হেত্যাগোড়া পর্যন্ত এই বাইক মিছিলে উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা সভাপতি তারাশঙ্কর রায়, জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি সঞ্জয় মণ্ডল, বিধায়ক ফাল্গুনী সিংহবাবু, সিমলাপাল ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি সৌমেন পাত্র সহ অন্যান্যরা।

       এদিন উপস্থিত স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলিতে বাংলায় কথা বলার জন্য হেনস্থা করা হচ্ছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। তবে মানুষের ভয় নেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন বলে তিনি দাবি করেন।
    
    
    
    
    অন্যদিকে বিজেপির তালডাংরা মণ্ডল-৩ সভাপতি শৌভিক পাত্রের দাবি, এসব করে একুশে জুলাইয়ের আগে এই এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে তৃণমূল।

    বাইটঃ ফাল্গুনী সিংহবাবু (বিধায়ক তালডাংরা)
    বাইটঃ সৌভিক পাত্র ( বিজেপি তালডাংরা মন্ডল-৩ সভাপতি)