Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • বাদলের দিনে বাজার করতে গিয়ে সবজি ও সজনে ডাটার দাম শুনে শুকিয়ে ডাটা হবার উপক্রমে মধ্যবিত্ত।

    বাদলের দিনে বাজার করতে গিয়ে সবজি ও সজনে ডাটার দাম শুনে শুকিয়ে ডাটা হবার উপক্রমে মধ্যবিত্ত।

    *রঞ্জিত কুন্ডু-বাঁকুড়া*

    একেবারেই মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে সবজির দাম।

    কয়েক মাস আগেও যে জিনিসের মূল্য ছিল প্রতি কেজির দাম 5 থেকে 10 টাকা সেই জিনিসের দাম একেবারেই আকাশ সমান।
    এমনিতেই সরিষার তেলের ঝাঁজ থাকুক বা না থাকুক মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্ন মধ্যবিত্তের সরষের তেলের দাম শুনে চোখে জল এসে গেছে এখন।


    সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। চিন্তায় শুকিয়ে যাচ্ছেন সজনে ডাটার মত তার উপর অনেক সবজি বাজারে অমিল। টাকা দিলেও না পাওয়ার উপক্রম। অতি বৃষ্টির কারণেই এই মূল্যবৃদ্ধি এমনটাই জানাচ্ছেন যারা সবজি চাষ করেন তারা। তারা জানাচ্ছেন অনেক গাছ লাগাতার বৃষ্টির কারণে মারা যাচ্ছে হচ্ছে না জমির ফসল তার উপর রাসায়নিক সার ও কীটনাশক দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। তাই সবজি চাষে বেড়েছে খরচ তাই দামোদ তুলনামূলকভাবে বাড়ছে বাজারে।

    এক নজরে দেখে নিন আজকের সবজি ও বাজারের দাম
    বেগুন ৮০ টাকা, ঝিঙে ৭০টাকা, পটল ৪০, লাউ ২৫ থেকে ৩০, কুদরি ৩০, টমেটো ৬০, ঢেঁড়স ৭০, বরবটি ৬০ থেকে ৭০, কাঁচা লঙ্কা ১০০, শশা ৫০, বাঁধাকপি ৪০ ফুলকপি ৮০ কচু ৩০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা কেজি পেপসিকাম ১৬০, কাকরোল ৮০ টাকা, বিন্স ২০০ টাকা, গাজর ৫০, বিট ও ৫০ টাকা দাম, সজিনা টাটা ২০০ চিচিঙ্গা ৫০, আলু ১৫, কুমড়ো ২০ টাকা কেজি,করোলা ৭০, পুনকো সাক ৫০, কলমি শাক আঠি পেছু পাঁচ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা কেজি এই হচ্ছে আমাদের নিত্যদিনের বাজারের দাম।

    তবে দাম বাড়ুক বা কমুক বাজার তো করতেই হবে না। কারণ পেট তো আর কথা শুনবে না। তবে যে হারের দাম বৃদ্ধি হয়েছে সবজি থেকে আলু পটল থেকে গোলদারীর দোকানে, সরষের তেল হোক বা সোয়াবিন সবেতিই বেড়েছে দাম, দাম কি কমা সম্ভাবনা আছে, নাকি এভাবেই বৃদ্ধি হতে থাকবে আরো।


    তবে স্থানীয় এলাকার মানুষ যেটা জানাচ্ছেন এরকমভাবে আর কয়েক মাস চলতে থাকলে সংসার চালানোই দুর্দায় হয়ে পড়বে, একই তো রোজগার নেই, বৃষ্টি হচ্ছে অনর্গল। কাজ নেই হাতে, তার ওপর সংসারের চাপ। শুধু যে সংসারের চাপ তা নয় ছেলেপুলেদের পড়াশোনার খরচ, সবেতি খরচ আর খরচ।
    বেতন বাড়েনি লেবারের কাজ থেকে কর্মচারীদের। তাই রোজগার করার সব লাইনেই বন্ধ। শুধু খরচের উপর খরচ কি করবেন আগামী দিনে ভেবে উঠতে পারছে না বলেই জানান স্থানীয় মানুষজন।

  • দুষ্টুর দুষ্টুমি দেখবে এবার সারাদেশ, আগেই দেখেছে জেলার মানুষ এবার দেখবে তথা রাজ্য ও দেশের মানুষ।

    দুষ্টুর দুষ্টুমি দেখবে এবার সারাদেশ, আগেই দেখেছে জেলার মানুষ এবার দেখবে তথা রাজ্য ও দেশের মানুষ।

    কষ্ট করলে যে কেষ্ট মেলে আর ধৈর্যের ফল যে মিষ্টি হয়, তা আরো একবার প্রমাণ করে দিল বাঁকুড়ার ইন্দাসের ছেলে শ্যামাপদ মল্লিক ওরফে দুষ্টু।


    এবার জেলা পেরিয়ে সারা রাজ্যের মানুষ দুষ্টুর দুষ্টুমি দেখবে অর্থাৎ দু পায়ের জাদু দেখবে ফুটবলপ্রেমী দর্শকেরা।
    এবার বাঁকুড়ার ঘরের ছেলের টালিগঞ্জ অগ্রগামী টি এ এফ সি ফুটবল ক্লাবের খেলার সুযোগ পেল শ্যামাপদ, খুশির হওয়া ইন্দাস জুড়ে।
    ছোট থেকেই হারিয়েছে বাবাকে অনেক কষ্ট করে সংসারের হাল ধরেছে মা, নিজেও অনেক কষ্ট করে বড় হয়েছেন। খেলাটা শুরু ছিল স্কুল জীবনে, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা করেছেন অনেক কষ্ট করে।
    অনেক কষ্টের মধ্যে বড় হলেই হাল ছাড়েনি তিনি চালিয়ে গেছেন খেলা ধুলা।


    খেলা ছিল তার কাছে নেশার মত, কেউ ফুটবল খেলতে দেখলেই নেমে পড়তো মাঠে, আর খেলোয়ার হিসেবে এতটাই নাম অর্জন করেছিল এলাকায় যে মাঠেই যে দলের হয়ে খেলতে যেতেন দর্শকের মন কেড়ে নিতেন এলাকায় ভালই নাম রয়েছে দুষ্টুর।
    তার প্রমাণ তার বাড়িতে সারি সারি ভাবে সাজানো ট্রফি মেডেল সবই রয়েছে,তার কাছে। কিন্তু বাঁকুড়া জেলার মানুষের কাছে খেলোয়ার হিসাবে নাম অর্জন করলেও সেরকমভাবে সুযোগ পায়নি নামিদামি কলকাতার নামকরা ফুটবল ক্লাবে।


    কিন্তু ইন্দাস ব্লকের ইন্দাস ফিটনেস গ্রুপ ফুটবল কোচিং সেন্টার তারাই যোগাযোগ করেন কলকাতার নামিদামি ক্লাবে, সেখান থেকেই যোগাযোগ হয়ে চান্স পেল টালিগঞ্জ অগ্রগামী ফুটবল ক্লাবে, অর্থাৎ টি এ এফসিতে নিজেকে একটা প্রতিষ্ঠিত ফুটবল ক্লাবে জায়গা করে নেওয়ায় বা সুযোগ পাওয়ায় যেমন খুশি তেমনি ঠিক ততটাই খুশি ইন্দাস ফিটনেস গ্রুপের প্রতিটি সদস্য থেকে শুরু করে এলাকার মানুষ।
    আর ইন্দাস বিধানসভার মধ্যে এত সুন্দর একজন খেলোয়াড় কলকাতার ক্লাবে খেলতে যাবে তাকে সম্বর্ধনা জানাবে না বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধারা, তা কখনো হয়।

    ছুটে গেলেন তার বাড়িতে দিলেন সমবর্ধনা দাঁড়ালেন পাশে উত্তরীয় ও ফুলের মালা ও ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করলেন তাকে। আগামী দিনে আরো বড় হোক দুষ্টু আরো নামিদামি ক্লাবে খেলে আগামী দিনে রাজ্য তথা দেশের নাম উজ্জ্বল করুক শ্যামাপদ মল্লিক এটাই ঈশ্বরের কাছে তিনি প্রার্থনা করেন।
    মাত্র 29 বছর বয়সে ইন্দাসের যুবকের এই সাফল্যে খুশি আপামোর সাধারণ মানুষ, কি জানাচ্ছেন শ্যামাপদ মল্লিক ওরফে ইন্দাস এলাকার দুষ্টু ।

    তিনি জানান ছোট থেকেই অনেক কষ্ট করে মানুষ মা লোকের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। বাবা মারা গেছে বেশ কয়েক বছর হল। মা কোনদিনই বাধা যায়নি খেলাধুলা বন্ধ করতে।

    সহযোগিতা করেছে সকলে খেলেছেন বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে এক জেলা থেকে আরেক জেলা তবে এত বড় মাপের ক্লাবের সুযোগ পাওয়ায় তিনি খুশি ধন্যবাদ জানান উনার পাশে দাঁড়ানো বিজেপির বিধায়ক নির্মল ধারা কে তিনি যে পাশে দাঁড়িয়েছেন এতেই খুশি। তিনি চান আরো অনেকে এভাবেই ওর পাশে দাঁড়াক। এই বিষয়ে কি বলছেন নির্মল ধারা তা বিস্তারিত দেখতে এই ভিডিওটি অবশ্যই দেখুন।।

  • তারাপীঠে উল্টো রথে মা তারার রাজবেশে মহা পরিক্রমা, ভক্তদের ঢল নামল মন্দির চত্বরে।

    তারাপীঠে উল্টো রথে মা তারার রাজবেশে মহা পরিক্রমা, ভক্তদের ঢল নামল মন্দির চত্বরে।

    নিজস্ব প্রতিনিধি:-….

    তারাপীঠের রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি এক গভীর আস্থার প্রতীক। অন্যান্য স্থানে যেখানে রথে চড়েন জগন্নাথ দেব ও বলরাম ও সুভদ্রা তারাপীঠে সেই রথে চড়েন মা তারা স্বয়ং। এটাই তারাপীঠের এক বিশেষ ও প্রাচীন ঐতিহ্য।

    আজ শনিবার উল্টো রথের দিনেও সেই ঐতিহ্য অনুসারে রাজবেশে মা তারাকে রথে বসানো হয়। তার আগে সম্পন্ন হয় বিশেষ মঙ্গল আরতি। এরপর শুরু হয় মা তারার রথযাত্রা—বাজনা, ঢাক, কাঁসর ও শঙ্খধ্বনির মধ্যে দিয়ে নগর পরিক্রমা করেন মা তারা। গোটা তারাপীঠ এলাকায় সৃষ্টি হয় এক অপার্থিব আবহ।

    বৃষ্টির জন্য এক মুহূর্তেরও বিরতি না নিয়ে ভক্তরা ভিজে ভিজেই অংশ নেন এই পবিত্র রথযাত্রায়। সকাল থেকেই বৃষ্টির দাপট থাকলেও তা ঠেকাতে পারেনি ভক্তদের উদ্দীপনা। তারাপীঠ মন্দির চত্বরে দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার ভক্ত ভিজে গিয়েও মা তারার দর্শনে মগ্ন হন। রথের দড়িতে টান দিতে কেউ এসেছেন বীরভূমের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, কেউ বা এসেছেন রাজ্য বাইরের জেলা থেকেও।

    সাধু-সন্ন্যাসীরাও এই দিনটিতে অংশগ্রহণ করেন তাদের নিজস্ব ধর্মীয় কলাকৌশল ও উপাচারের মাধ্যমে। রথযাত্রার আগে তারা রাস্তা ধরে নানা আচার-অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত পরিবেশন করে রথের পথ প্রশস্ত করেন। সেই সঙ্গেই বাজনার তালে তালে এগিয়ে চলে মা তারার রথ, আর রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তির স্পন্দন।

    এই রথযাত্রা শুধু এক ধর্মীয় রীতির প্রতিফলন নয় এ এক অনুভব, এক বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ, যা বছরের পর বছর ধরে মা তারার মাটিতে গড়ে তুলেছে এক অতুলনীয় ধর্মীয় ঐতিহ্য।

  • ইউটিউব দেখে ড্রাগন ফলের চাষ করে সফলতার মুখ দেখতে চলেছেন রাজগ্রামের যুবক অরিন্দম

    ইউটিউব দেখে ড্রাগন ফলের চাষ করে সফলতার মুখ দেখতে চলেছেন রাজগ্রামের যুবক অরিন্দম

    ইউটিউব দেখে ড্রাগন চাষ করে লাভের আসা দেখছেন অরিন্দম।
    সমতল জমিতে ঐ যে ড্রাগন ফলের চাষ করা যায় তা দেখিয়ে দিলেন বছর ৩৬ এর যুবক অরিন্দম পাত্র।

    ইউটিউব দেখে চাষ করেও সফলতার মুখ দেখছেন অরিন্দম।

    মাত্র দু বছর হল লাগিয়েছেন তিনি ইতিমধ্যেই লক্ষ টাকার বেশি ড্রাগন ফল বিক্র করে ফেলেছেন।

    শুধু তাই নয় সাথে বিক্রয় করেছেন চারা গাছ।।
    এখন শুধু মাঠ ময় সাদা সাদা ফুল আর লাল লাল ও হলুদ রঙের ড্রাগন ফল, কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে মৌমাছির ম ম আর গুনগুন শব্দ।

    ইউটিউব দেখেও যে চাষ করে লাভের মুখ দেখা যায় তা প্রমাণ করল বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের রাজগ্রামের যুবক অরিন্দম পাত্র। পড়াশোনাতে তিনি ভালই ছিলেন কিন্তু চাকরি জোটেনি কপালে, আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় আর সেই সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই কপাল খুলতে চলেছে অরিন্দমের। তিনি ইউটিউব ঘাটতে ঘাটতে নজরে আসে ড্রাগন ফলের চাষে যেমন ভাবনা তেমনি কাজ,বেকার বসে না থেকে শুরু করলেন চাষ।

    মাত্র ৫২ শতক জায়গায় লাগিয়েছেন ড্রাগন গাছ। এরই মধ্যে প্রায় পাঁচ রকমের প্রজাতির গাছ লাগিয়েছেন তিনি। তার মধ্যেই তিন রকমের কালারের গাছ রয়েছে”লাল-হলুদ ও সাদা”

    তিন রকমে ফল হচ্ছে জমিতে। তিনি নিজের জমিতে বিশেষ করে যে প্রজাতির গাছ গুলি লাগিয়েছেন সেগুলি হল “সিয়াম রেড, জাম্বুরেড, ভিয়েতনাম সুইট হোয়াইট, ইসরাইল ইয়োলো ও দেশি মরক্কোর রেড।”

    তবে বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ লাগাতে গিয়ে খরচাও হয়েছে বেশ ভালই, প্রায় ৬ লক্ষ টাকার মতো খরচ ইতোমধ্যেই করে ফেলেছেন দুবছরে।
    তবে প্রথম বছরে তেমন একটা লাভের মুখ দেখতে পাননি,মাত্র এক লক্ষ টাকার ফল তিনি বিক্রি করেছেন তিনি। তবে এই বছরের যে হারে গাছে ফুল এসেছে বা ইতোমধ্যেই ফল ধরে রয়েছে তাতে করে তিনি তার খরচের শতকরা টাকা তুলে নিতে পারবেন বলেই মনে করছেন তিনি।।

    তবে ড্রাগন চাষ সচরাচর উঁচু জায়গায় চাষ করলে ভালো ফলন হয়। তবে বিশেষ করে তিনি উঁচু জায়গা না হলেও নিচু জায়গাতেও যে চাষ করে ফলন ফলিয়েছেন তাতে করে নজর কেড়েছে রাজগ্রামের যুবক অরিন্দম পাত্র।

    বছর ৩৬ এর এই অরিন্দম অসাধ্য সাধন করেছেন বলেই মনে করছেন এলাকার মানুষ।। এই চাষ সচরাচর এর আগে লোকের বাড়িতে টবে বাগান বাড়িতে ছাড়া কোথাও হয়নি,দেখেনি এলাকার মানুষ এরকম ফসল চাষ করা যায় রাজগ্রামের এটেল মাটিতে।

    তবে এই চাষ দেখে অনেকেই আগ্রহী হয়ে চারা গাছ নিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান ইউটিউব দেখে সফলতার মুখ দেখতে যাওয়া ড্রাগন ফল চাষি অরিন্দম এমনটাই তিনি জানান।

    তবে এই চাষ বিষয় নিয়ে রাজগ্রাম শশীভূষণ রাহা ইনস্টিটিউসনের জীব বিদ্যার শিক্ষক দেবীপ্রসাদ পাত্র তিনি জানান এই গাছ মরুভূমির ক্যাকটাস প্রজাতির মধ্যে বা মনসা গাছ জাতীয় উদ্ভিদ। উর্বর মাটিতে ভালো ফলন হয় তবে নিচু বা সমতল ডোবা জমিতে গাছের ফলন কম ও জল লেগে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে,

    তবে একেবারেই যে এই গাছের জল লাগে না তেমনটা কিন্তু নয় যেমন প্রয়োজন তেমন জল দিতে হয়। তিনি এও জানান ১৫৩ বেশি প্রজাতি রয়েছে এই উদ্ভিদের, তার মধ্যেই তিনি পাঁচ রকম প্রজাতির চাষ করেছেন। তবে এই চাষ সচরাচর (লংজিবিটি) অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদী ফসল একবার গাছ লাগালে কুড়ি থেকে ২৫ বছর এই কাজ থেকে ফলন পাওয়া যায়।।


    প্রতিবছর পর বছর ফলন দিতেই থাকে, শুধুমাত্র প্রয়োজন এই গাছের পরিচর্যা ।তবে রাজগ্রামের অরিন্দম চাষ করেছে সমতল জমি এবং মেটেল মাটিতে ,তাতেও যে তার ফলন প্রচুর হয়েছে, এতেই তিনি খুশি উনার কোথায় তিনি অসাধ্য সাধন করেছেন এই চাষে।।

    এনার চাষ থেকে আরও অনেকেই এলাকার মানুষ চাষ করবেন বলেই তিনি আশাবাদী।।

    বিশদ জানতে,

    এই ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করলে চারাগাছ পাবেন। Number —- 8972518027call/WhatsApp করুন।

  • ফের রাজ্যে বোমা বিস্ফোরণ কেঁপে উঠল গোটা গ্রাম,ছিন্নভিন্ন দেহ কোথায় এমন ঘটল দেখুন।

    ফের রাজ্যে বোমা বিস্ফোরণ কেঁপে উঠল গোটা গ্রাম,ছিন্নভিন্ন দেহ কোথায় এমন ঘটল দেখুন।

    কাটোয়ায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, ছিন্নভিন্ন দেহ….

    ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ (Terrible Bomb Blast)! শুক্রবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার (Katwa) রাজোয়া গ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল এক ব্যক্তির দেহ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরেকজন। বিস্ফোরণের অভিঘাতে উড়ে গিয়েছে বাড়ির ছাদ, ভেঙে পড়েছে দেওয়াল।

    আতঙ্কে রাতে ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন গ্রামবাসীরা।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ঝলসে যাওয়া একটি দেহ। দেহটি এতটাই ক্ষতবিক্ষত যে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ওই বাড়ি থেকেই গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হন আরও এক ব্যক্তি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাঁর নাম তুফান চৌধুরী।

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ওই বাড়িতে বোমা তৈরি চলছিল। সেই সময় বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের। আহত তুফানকে কটোরিয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যালে স্থানান্তর করা হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, রাত প্রায় ন’টা পেরিয়ে গিয়েছে। আচমকা দু’দফা প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা গ্রাম। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের বেশ কিছু বাড়ির দরজা-জানালা থরথর করে কাঁপতে থাকে। আতঙ্কিত মানুষজন দৌড়ে বেরিয়ে আসেন রাস্তায়। তার পরই নজরে আসে একটি বাড়ি থেকে কালো ধোঁয়া উঠছে। দেখা যায়, ছাদ উড়ে গিয়েছে, একাংশ দেওয়াল ধসে পড়েছে।

    তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, তুফান সম্ভবত বাইরে থেকে কয়েকজন দুষ্কৃতীকে এনে সেখানে বোমা বাঁধানোর কাজ করাচ্ছিলেন। মৃত ব্যক্তি তাঁদেরই কেউ হতে পারেন। তুফানের কোনও রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু বিস্ফোরক দ্রব্য, তাজা বোমা তৈরির সামগ্রী। এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে প্রবল উত্তেজনা। কেন এই বোমা তৈরি হচ্ছিল, কার নির্দেশে, কী উদ্দেশ্যে— সব দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।তদন্তে নেমেছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত, বিস্ফোরক কোথা থেকে এল— সব দিকেই নজর রাখা হচ্ছে। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

  • ফের বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর দ্বারকেশ্বর নদীর সুভাষপল্লী ঘাটে দুর্ঘটনা,আবারো উদ্ধার হল একব্যক্তির ভাসমান দেহ , ঘটনাস্থলে বিষ্ণুপুর থানা পুলিশ।

    ফের বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর দ্বারকেশ্বর নদীর সুভাষপল্লী ঘাটে দুর্ঘটনা,আবারো উদ্ধার হল একব্যক্তির ভাসমান দেহ , ঘটনাস্থলে বিষ্ণুপুর থানা পুলিশ।

    রঞ্জিত কুন্ডু বাঁকুড়া:-

    আবারো বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর দারকেশ্বর নদীতে জলে ডুবে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল সুভাষপল্লীর ঘাট সংলগ্ন এলাকায়, আবারো নতুন করে সুভাষপল্লীর ঘাটে মৃতদেহ ভেসে ওঠার ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকাতে।

    এই সুভাষপল্লীর ঘাটের তিন তিনটি ছাত্রের জলে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা রেস কাটতে না কাটতে ফের আবার দুর্ঘটনা সুভাষপল্লীর ঘাট সংলগ্ন এলাকায়, আবারো জলে ডুবে মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত্যু হল এক ব্যক্তির, মৃত ব্যক্তির নাম হারাধন রায় বাড়ি বিষ্ণুপুর বেন্দাই গ্রামে বলেই সূত্রে খবর।
    জানা যায় গতকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন এই ব্যক্তি অবশেষে আজ দুপুরবেলায় স্থানীয় মানুষজন নদীতে মাছ ধরতে যান সেই সময় নদীর ঘাটে এক ব্যক্তির মৃতদেহ জলে ভাসতে দেখেন, সাথে সাথেই খবর দেওয়া হয় বিষ্ণুপুর থানায়,বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত জন্য নিয়ে যায়।

    তবে স্থানীয় সূত্রে খবর ওই মৃত ব্যক্তি প্রায় দিনে বাড়ির বাইরে থাকতেন, ঠিক তেমনি গত কাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি, আজ ওই ব্যক্তির দেহ ভেসে উঠলো দারকেশ্বর নদীর সুভাষপল্লীর ঘাটে,


    তবে কি কারণে গতকাল থেকে নিখোঁজ ওই ব্যক্তি, কি কারতেই বা নদীতে এল, কিভাবেই বা মৃত্যু হল তা তদন্ত করছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিস।

    কি জানাচ্ছেন স্থানীয় মানুষজন চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • ফের গোঘাটে ঝরল প্রাণ, বের হলো রক্ত, কি ভয়ানক পরিস্থিতি দেখুন।

    ফের গোঘাটে ঝরল প্রাণ, বের হলো রক্ত, কি ভয়ানক পরিস্থিতি দেখুন।

    আবারো ভয়াবহ দুর্ঘটনা,এবার যাত্রীবাহী বাসের সাথে ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১,আহত আরো ১০ থেকে ১৫ জন বাস যাত্রী।

    আবারো ভয়াবহ দুর্ঘটনা হুগলির গোঘাটে। আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি
    ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা হুগলির গোঘাটের শ্যামবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের ধরমপুর গ্রামে

    কিভাবে ঘটল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা, যার জেরে চলে গেল একটি প্রাণ ও আহত হলেন অনেকে।
    তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরামবাগের দিক থেকে বদনগঞ্জগামী একটি বাসের সঙ্গে একটি ট্রাক্টর এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে ই মৃত্যু হয় একজনের ও আহত হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন বাস যাত্রী। দুর্ঘটনার শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে শব্দ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় মানুষজন,খবর দেয়া হয় পুলিশ প্রশাসনকে, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে দ্রুত ছুটে আসেন পুলিশ,আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে।


    তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুসারে তারা জানান আরামবাগের দিক থেকে ছুটে আসা বদনগঞ্জগামী একটি বাসের সঙ্গে একটি ট্রাক্টর এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের আহত হয়েছে ১০ থেকে ১২ জন তাদেরকে পুলিশ উদ্ধার করে স্থানীয় তামার পুকুর হসপিটালে নিয়ে যায় সেখানেই তাদের চিকিৎসা চলছে। তবে যিনি মারা গেছেন উনার নাম তপন দে। বাড়ি চন্দ্রকোনা থানার বিষ্ণুদাসপুরে,বয়স আনুমানিক ৫৩ বছর। সূত্রের খবর তিনি আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছিলেন।

    কিভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা কি জানাচ্ছেন এলাকার মানুষ চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • বিয়ের মাত্র ৫ দিন বাকি, মামার বাড়িতে আইবুড়ো ভাত খেতে গিয়ে বাড়ি ফিরেই মহা বিপদে জয়পুর ময়নাপুরের তরুণী,কি এমন হলো দেখুন বিস্তারিত।

    বিয়ের মাত্র ৫ দিন বাকি, মামার বাড়িতে আইবুড়ো ভাত খেতে গিয়ে বাড়ি ফিরেই মহা বিপদে জয়পুর ময়নাপুরের তরুণী,কি এমন হলো দেখুন বিস্তারিত।

    আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চোরের দল ঘরের জানালার সিদ কেটে চিচিং ফাক করল গহনা ও টাকা। আর বিবাহর গহনা হারিয়ে মাথায় হাত যুবতী ও যুবতীর পরিবারের।


    জানা যায় বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের ময়নপুর গ্রামে বাড়ি ওই যুবতীর,কর্মসূত্রে উঠেছিলেন বিষ্ণুপুরের ভগৎ সিং মোড়ের ভাড়া বাড়িতে, আর সেই বাড়িতেই হয়ে গেল দুঃসাহসিক চুরি। খোয়া গেল সোনা গহনা ও টাকা মিলিয়ে লক্ষ টাকা।
    বিবাহ আর মাত্র পাঁচদিন বাকি তার আগেই গয়না হারিয়ে দিশেহারা পরিবারের লোক ছুটলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানায়।


    আর বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ অভিযোগের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করল বাঁকুড়ার কেঠারডাঙ্গা থেকে দুই দুষ্কৃতিকে। আরো দুষ্কৃতীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি তবে দুষ্কৃতীরা গ্রেপ্তার হতেই একটু হলেও বুকে বল ফিরল ওই যুবতির, তবে তিনি বলেন ৭ তারিখে বিয়ে তার আগে যদি গহনাগুলো ফেরত পেতাম তাহলে খুব ভালো হতো। বলেই তিনি জানান।

    24 ঘণ্টার মধ্যেই দুষ্কৃতীদেরকে ধরে ফেলতেই
    বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ কে ধন্যবাদ জানালো যুবতী। দেখুন তিনি কি বলছেন।

  • রাজ্যে খুন ধর্ষণ রাহাজানি দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার বাঁকুড়া ঝাড়গ্রাম ৯ নং রাজ্য সড়ক পথ অবরোধ করল বিজেপি

    রাজ্যে খুন ধর্ষণ রাহাজানি দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার বাঁকুড়া ঝাড়গ্রাম ৯ নং রাজ্য সড়ক পথ অবরোধ করল বিজেপি

    রাজ্য জুড়ে ধর্ষণ খুন চাকরি চুরি, বালি কাঠ পাথর চাল চুরি সহ বিভিন্ন দুর্নীতির প্রতিবাদে বিজেপির পথ অবরোধ কর্মসূচি বাঁকুড়ার সিমলাপালে।

    বুধবার বিজেপির তালডাংরা তিন নম্বর মন্ডলের তরফে বাঁকুড়া ঝাড়গ্রাম ৯ নম্বর রাজ্য সড়কের ওপর সিমলাপালির স্কুল মোড়ে ওই কর্মসূচি হয়।


    উপস্থিত ছিলেন বিজেপির তালডাংরা বিধানসভার 3 নম্বর মন্ডল এর সভাপতি সৌভিক পাত্র সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকরা। সৌভিক বাবু বলেন, কসবায় ছাত্রীর ওপর তৃণমূলের নেতাদের পাশবিক অত্যাচারের

    প্রতিবাদে ও একই সঙ্গে রাজ্য জুড়ে চাকরি চুরি, বালি চুরি সহ বিভিন্ন দুর্নীতি স্থানীয় বিভিন্ন দুর্নীতির প্রতিবাদে এদিনের পথ অবরোধ কর্মসূচি করা হয়। এদিন প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বহু পন্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে উঠে যায় অবরোধ।

  • বাড়ির জানালার সিক ভেঙে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই চুরির কিনারা করল পুলিস গ্রেপ্তার দুই চোর, উদ্ধার চুরি যাওয়া গহনা ও টাকা।

    বাড়ির জানালার সিক ভেঙে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই চুরির কিনারা করল পুলিস গ্রেপ্তার দুই চোর, উদ্ধার চুরি যাওয়া গহনা ও টাকা।

    চুরির অভিযোগের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া সোনার গহনা সহ নগদ টাকা উদ্ধার করল বিষ্ণপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতার দুই দুষ্কৃতি।

    ধৃতদের পেশ করা হচ্ছে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করছে পুলিশ। জানা গেছে গত ৩০ জুন বিষ্ণুপুর শহরের ভগত সিং মোড়ের কাছে একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। বাড়িতে কেউ না থাকার কারনে সেই বাড়ির জানালার সিক ভেঙে বাড়ির মধ্যে ঢুকে সোনার গহনা ও নগদ টাকা চুরি করে চম্পট দেয় চোরের দল। নগদ টাকা ও সোনা মিলিয়ে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা চুরি হয়ে যায় বলে দাবি পুলিশের।

    বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ জানানোর পরেই পুলিশ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে দুইজনকে সনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে বাঁকুড়া শহরে একটি সোনার দোকানে বিক্রি করতে যাওয়ার পথে তাজ মহম্মদ ওরফে বাঁকা ও আলি মহম্মদ ওরফে রিন্টু নামে দুই জনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া নগদ টাকা ও সোনার গহনা উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। ধৃতদের বুধবার পেশ করা হচ্ছে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে।

    পুলিশ জানিয়ে ধৃত দুজনের সাথে যুক্ত রয়েছে আরও দুজন তাদের খোজ চলছে। বিষ্ণুপুর বাইপাশে একটি বড় বাড়ি টার্গেট করেছিল তারা তবে সেই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা থাকার কারনে সেই বাড়ি ছেড়ে ভগত সিং মোড়ের একটি বাড়ির জানালান সিক ভেঙ্গে ঢুকে চুরির ঘটনা ঘটায় দলটি।