Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • কোতুলপুরের টাকা চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার বিহারের কাটিহার গ্যাংয়ের চার সদস্য। আরো খোঁজে চলছে তল্লাশি

    কোতুলপুরের টাকা চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার বিহারের কাটিহার গ্যাংয়ের চার সদস্য। আরো খোঁজে চলছে তল্লাশি

    *রঞ্জিত কুন্ডু-বাঁকুড়া*

    বাইকের টুলবক্স খুলে পঞ্চাশ হাজার টাকা লুট করেও শেষ রক্ষা হলো না। কোতুলপুর পুলিশের হাতে ধৃত ভিন রাজ্য বিহারের কাটিহার গ্যাংগের চার দুষ্কৃতী। ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়।

    পুলিশ সূত্রে খবর বেশ কয়েকদিন আগে কোতুলপুর থানার হাজরা পুকুরের এক বাসিন্দা ও তার জামাই কোতুলপুরের ব্যাংক থেকে পঞ্চাশ এক টাকা তুলে তা বাইকে টুলবক্সে রেখে বাড়ি ফিরছিল,কোতুলপুর ব্লকের বামননাইরী মোড়ের দোকানের সামনে বাইক রেখে মিষ্টি কিনতে ঢুকেছিলেন সেইসময় দুইজন যুবক টুল বক্সের টাকার ব্যাগ নিয়ে চম্পট দেয় দুই দুষ্কৃতী। টাকা চুরির ঘটনার খবর দেওয়া হয় কোতুলপুর থানায়, কোতুলপুর থানার পুলিশ শুরু করে দ্রুত তদন্ত ,তদন্ত নেমে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য সূত্র মারফতে সন্ধান পান, বিহার কাটিহার গ্যাংয়ের সদস্যদের খুঁজে পান, খুঁজে পান যোগ সাজোস।

    সেইমতো মঙ্গলবার চার দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করে কোতুলপুর থানা পুলিশ, বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়, আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতদের দুদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    অভিযোগকারী নারায়ণদের জামাই গুরুদাস পাল বলে কিছুদিন আগে বিশেষ প্রয়োজনে কোতুলপুরে একটি রাষ্ট্রীয়ত্ব ব্যাংক থেকে শ্বশুর মশাই পঞ্চাশ হাজার টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। আমি তাকে বাইকে করে নিয়ে গিয়েছিলাম টাকা তোলার পর বামুননায়রী একটি দোকানে মিষ্টি কিনতে ঢুকেছিলাম তখন ওই দুই যুবক দোকানে ঝামেলা করছিল তার কিছুক্ষণ পরে আমি বাইকের দিকে তাকাতেই দেখি টুল বক্স খোলা।
    সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে দেখি টাকার ব্যাগ উধাও।


    টুলবক্সের অন্য একটি ব্যাগে পাসবই,আধার,ভোটার কার্ড সহ অন্যান্য কাগজপত্র ছিল সেগুলিও দুষ্কৃতীরা নিয়ে পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয় দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা যায়। মিষ্টি দোকানে ঝামেলার অছিলায় দুজন নজর ঘোরানোর চেষ্টা করে,তখন অন্য দুজন বাইকে করে টুলবক্স খুলে পরে দোকানে ঝামেলা করা দুই যুবকও পালিয়ে যায়।
    আমার মনে হয় ওরা ব্যাংক থেকে আমাদের ফলো করছিল। এই বিষয়ে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন বিহারের কাটিহারের একটি দল দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ব্যাংকের গ্রাহকদের টার্গেট করছিল।

    টাকা তুলে বেড়ানোর পরই তাদের অনুসরণ করছিল নির্জন জায়গায়।
    তারা ব্যাগ ছিনিয়ে চম্পট দিচ্ছিল, সেই সুযোগ না পেয়ে ওই দলের একাংশ এই পন্থা অবলম্বন করছিল।
    পূর্ব বর্ধমান,আসানসোল,বাঁকুড়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই নিয়ে অভিযোগ হয় অনেক।

    এর ঘটনায় কাটিহার গ্যাংগের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। তার ভিত্তিতে এই গ্যাংয়ের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চলছে আরও তদন্ত এবার মেন মাথার খোঁজে চলছে তল্লাশি।

  • গ্রামবাসীদের কথা শুনেনি ব্লক প্রশাসন,তাই গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে গ্রামে কাঁচা রাস্তা সাড়াইয়ের উদ্যোগ নিল বিজেপির বিধায়ক, খুশি গ্রামের মানুষ।

    গ্রামবাসীদের কথা শুনেনি ব্লক প্রশাসন,তাই গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে গ্রামে কাঁচা রাস্তা সাড়াইয়ের উদ্যোগ নিল বিজেপির বিধায়ক, খুশি গ্রামের মানুষ।

    বছরের পর বছর ধরে বেহাল রাস্তা, তার উপর জল যন্ত্রণা, প্রাণের ঝুকিনিয়ে যাতায়াত অযোগ্য রাস্তাতেই। এবার সেই রাস্তা ছাড়া এর উদ্যোগ নিল বিজেপি বিধায়ক খুশি গ্রামবাসীরা।

    রঞ্জিত কুন্ডু-বাঁকুড়া

    বাঁকুড়ার ইনদাস বিধানসভার রোল গ্রাম পঞ্চায়েতের দীর্ঘ কয়েক কিলোমিটার রাস্তার হাল বেহাল, রাস্তা সাড়াই এর উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন।
    বর্ষা আসলেই এবার সেই হাটু সমান কাদা, দিয়েই যাতায়াত করতে হয় স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে গ্রামবাসীদের ।


    কাদা যন্ত্রণায় নাজেহাল হয়ে পড়ে গ্রামের মানুষ। এই রাস্তার উপর দিয়েই যেতে হয় স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের থেকে শুরু করে বাজার হাট সবেতেই একমাত্র ভরসা এই রাস্তা। আর সেই রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। দেখেও দেখেনা প্রশাসন।
    বারবার বেহাল রাস্তার যন্ত্রণার কথা ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন নিবেদন করলেও মেলেনি সুরাহা, প্রায় ১০-১২ বছর ধরে এভাবেই পায়ের কাদা মাথায় নিয়ে চলতে হচ্ছে বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের রোল অঞ্চলের বিড়ি শিমুল গ্রামের বাসিন্দাদের।


    এবার সেই গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়ালো ইন্দাস বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধারা। গ্রামবাসীদের দাবি বিধায়ক নির্মল ধারা নিজের জমানো টাকা খরচা করে রাস্তায় চলাচলের যোগ্য করে তুলছেন রাস্তাই খেলা হচ্ছে লাল মোরাম। সম্পূর্ণ রাস্তা মেরামতি না করতে পারলেও যাতায়াতযোগ্য করে তোলায় খুশি গ্রামের মানুষ।।

  • বিজেপির কর্মীদের থানা ঘেরাও অভিযানে ধন্দুমার পরিস্থিতি, ভাংলো পুলিশের ব্যারিকেড, দেখুন কোথায় এমন ঘটল।

    বিজেপির কর্মীদের থানা ঘেরাও অভিযানে ধন্দুমার পরিস্থিতি, ভাংলো পুলিশের ব্যারিকেড, দেখুন কোথায় এমন ঘটল।

    BNK BANKURA BJP BIKHOB

    খাতড়া : বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ ভাঙল পুলিশের বেরিকেড। সোমবার ভারতীয় জনতা পার্টির বাঁকুড়া জেলার পক্ষ থেকে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতন সহ খাতড়ায় বিজেপি কর্মীদের ওপর মিথ্যা কেস দেওয়ার প্রতিবাদে খাতড়া শহরের মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে বিজেপি থানা ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছিল। ‌

    এদিন পুলিশের পক্ষ থেকে খাতড়া থানার কিছুটা আগে খাতড়া বাজারের থানা রোডের ওপর ব্যারিকেড করে বিজেপি কর্মীদের আটকানোর ব্যবস্থা করে। এদিন বিকেলে বিজেপির নেতাকর্মীরা খাতড়া বাজারে মিছিল করে খাতড়া থানার কাছাকাছি এসে পৌঁছতেই পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে যায় তারা। ব্যারিকেডের উপরে উঠে মাটিতে ফেলে দেয় ব্যারিকেডে।

    বিজেপি কর্মীদের আটকাতে নাজেহাল হয় খাতড়া থানার পুলিশ বাহিনী। ব্যারিকেড ভেজে দিয়ে ঐখানেই অবস্থান কর্মসূচি করে বিজেপি। অবস্থান কর্মসূচিতে বিজেপির নেতাকর্মীরা রাজ্য সরকার সহ মিথ্যা কেস দেওয়ার প্রতিবাদে খাতড়া থানার পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন।

  • আম পাকা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পুকুর পাড়ে নিয়ে গিয়ে দশ বছরের নাবালিয়া কে ধর্ষণ টোটো চালকের, পুলিশের জালে গ্রেপ্তার ধর্ষক যুবক।

    আম পাকা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পুকুর পাড়ে নিয়ে গিয়ে দশ বছরের নাবালিয়া কে ধর্ষণ টোটো চালকের, পুলিশের জালে গ্রেপ্তার ধর্ষক যুবক।

    ফের নাবালিকা ধর্ষণ, অভিযোগ হতেই গ্রেফতার অভিযুক্ত টোটো চালক

    ফের নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার সোনামুখীতে । গতকাল বিকালে এক নাবালিকাকে স্থানীয় একটি পুকুরের পাড়ে নিয়ে গিয়ে এক টোটো চালক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার পরিবারের তরফে অভিযোগ পেতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে আজ বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে সোনামুখী থানা এলাকার বাসিন্দা বছর দশ বয়সী এক নাবালিকা গতকাল সাইকেলে চড়ে এলাকার একটি দোকানে চিপস কিনতে যায়। সেই সময় আচমকাই সেখানে হাজির হয় স্থানীয় বাসিন্দা পেশায় টোটো চালক সপ্তর্ষী নাগ ওরফে পিন্টু নাগ। অভিযোগ সপ্তর্ষী ওরফে পিন্টু ওই নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যায় স্থানীয় একটি পুকুরের পাড়ে।

    সেখানে ওই নাবালিকাকে ওই যুবক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কোনোক্রমে ওই নাবালিকা বাড়িতে ফিরে পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানায়। এরপরই নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন অভিযুক্তর বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে ধরে সোনামুখী থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    পরে নির্যাতিতার পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে। আজ ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ। অভিযুক্তর কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা।

  • রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের কাঠ কেটে পাচার করতে গিয়ে কপাল পুরল দুষ্কৃতীদের, বাজেয়াপ্ত গাছ ও পিকআপ ভ্যান।

    রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের কাঠ কেটে পাচার করতে গিয়ে কপাল পুরল দুষ্কৃতীদের, বাজেয়াপ্ত গাছ ও পিকআপ ভ্যান।

    জঙ্গল থেকে পিকআপ ভ্যানে করে গাছ চুরি করে পালাতে গিয়ে বিপদে পড়ল চোরের দল, বনদপ্তরের হাতে পাকড়াও গাড়ি উদ্ধার কাঠ।


    জঙ্গল থেকে গাছ চুরি করে রাতের অন্ধকারে পালাতে গিয়ে, ভিজে মাটিতে গাড়ি বসে গিয়ে বিপদে পড়ল গাছ চোরের দল এমনই ঘটনা সাক্ষী থাকলো বাঁকুড়া উত্তর গণবিভাগের বাঁকুড়া ফরেস্ট রেঞ্জের বেলবনি বিটের অন্তর্গত উপরবান্দি গ্রামে ।


    জানা যায় উপরবান্দি গ্রামে ঢোকার আগেই বাঁদিকের জঙ্গল থেকে রাতের অন্ধকারে গাছ কেটে পাচার করার চেষ্টা চালাচ্ছিল বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। দুর্ভাগ্যক্রমে ভিজা মাটিতে কাঠ বোঝাই করা পিকআপ ভ্যানটি আটকে যায় জঙ্গলের মাঝে পিকআপ ভ্যানটিকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও বিফলে যায় সেই চেষ্টা। ফলে সকালেই বন কমিটি ও গ্রামের লোকেদের চোখে পড়ে।


    রীতিমতো খবর দেয়া হয় বেলবনি বিট অফিসে, বেলবনি বিট অফিসের পক্ষ থেকে কাটা গাছ ও গাছ বোঝায় পিকআপ ভ্যানটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে নিয়ে আসে বনদপ্তরের অফিসে। কারা পাচার করছিল জঙ্গলের কাঠ, কারা এর সাথে যুক্ত তার তদন্ত করছে বলে জানান বনদপ্তর।

  • বহু প্রতীক্ষিত পুরুলিয়া-বাঁকুড়া-হাওড়া ভায়া মশাগ্রাম নতুন ট্রেন পরিষেবা উদ্বোধনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো দক্ষিণবঙ্গ।

    বহু প্রতীক্ষিত পুরুলিয়া-বাঁকুড়া-হাওড়া ভায়া মশাগ্রাম নতুন ট্রেন পরিষেবা উদ্বোধনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো দক্ষিণবঙ্গ।

    পুরুলিয়া-বাঁকুড়া-হাওড়া নতুন ট্রেন পরিষেবা চালু, উদ্বোধন রেলমন্ত্রীর।

    আজ ২৮ জুন ঐতিহাসিক এক দিনের সাক্ষী থাকল দক্ষিণবঙ্গ। চালু হলো বহু প্রতীক্ষিত পুরুলিয়া-বাঁকুড়া-হাওড়া ভায়া মশাগ্রাম নতুন ট্রেন পরিষেবা। সাঁতরাগাছি স্টেশন থেকে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ট্রেনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

    দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ট্রেনটি পুরুলিয়া স্টেশন থেকে ছেড়ে বাঁকুড়ায় পৌঁছায় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। এরপর মশাগ্রাম হয়ে রাত ৯টা ১০ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছাবে এই ট্রেন। দীর্ঘদিন ধরেই এই ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হওয়ায় তিনি নিজেও আনন্দ প্রকাশ করেন।

    বাঁকুড়া স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছানো মাত্রই জেলার বিজেপি বিধায়ক ও নেতারা সবুজ পতাকা নেড়ে ট্রেনকে স্বাগত জানান। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা, দিবাকর ঘরামি সহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব এই সময় উপস্থিত ছিলেন। সোনামুখী সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতেও বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।

    রেলযাত্রীরা জানিয়েছেন, নতুন এই ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ায় তারা অত্যন্ত খুশি। কেউ কেউ প্রথম দিনের যাত্রা উপভোগ করতে কলকাতা থেকেও ছুটে এসেছেন। সকলের মুখে ছিল আনন্দের ছাপ। জেলা বাসীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই ট্রেন পরিষেবা তাদের যাতায়াতকে অনেকটাই সহজতর করবে বলেই আশাবাদী সকলেই।

  • বাঁকুড়ার দারকেশ্বর নদে স্নান করতে নেমে আবার চলে গেল ফুটফুটে ৯ বছরের শিশুর প্রাণ, বুকফাটা কান্নায় বাবা।

    বাঁকুড়ার দারকেশ্বর নদে স্নান করতে নেমে আবার চলে গেল ফুটফুটে ৯ বছরের শিশুর প্রাণ, বুকফাটা কান্নায় বাবা।

    _*দ্বারকেশ্বর নদে ফের দুর্ঘটনা, সামরোর ব্রিজ বেড়াতে এসে স্নান করতে নেমে নদীর জলে তলিয়ে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বাঁকুড়ার ইন্দাস ও কোতুলপুরে।

    আবারো ফের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল দারকেশ্বর নদীতে, এবার স্নান করতে নেমে নদীর জলে তলিয়ে গিয়ে ঘটনায় মৃত ৯ বছরের শিশু।
    বৃহস্পতিবার দুপুরে কোতুলপুর ও ইন্দাস থানার সংযোগকারী সামড়োঘাট ব্রিজের নিচে দ্বারকেশ্বর নদে স্নান করতে নামে চারজন ছাত্র। তারা সকলেই ইন্দাস থানার আমরুল অঞ্চলের বাসিন্দা। স্নানের সময় হঠাৎই জলের তোড়ে তলিয়ে যায় তিনজন ছাত্র।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় দু’জনকে কোনওক্রমে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ ছিল ৯ বছরের শেখ সলমন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইন্দাস ও কোতুলপুর থানার পুলিশ ও প্রশাসন।

    প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় সিভিল ডিফেন্স কর্মী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয় শেখ সলমনের নিথর দেহ।

    উল্লেখ্য, এই একই দ্বারকেশ্বর নদেই মাত্র দু’দিন আগেই বিষ্ণুপুরের তিন ছাত্র ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। তার পরেই ফের এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নদী পারাপার বা স্নানের সময় আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বনের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

  • *কংসাবতী জলাধার থেকে আগাম জল ছাড়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস বাঁকুড়ার কৃষকদের

    *কংসাবতী জলাধার থেকে আগাম জল ছাড়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস বাঁকুড়ার কৃষকদের

    *নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া, ২৪ জুন:


    বাঁকুড়া জেলার কৃষিজীবী মানুষদের জন্য সুখবর। চলতি মরসুমে প্রথমবারের জন্য মুকুটমণিপুরের কংসাবতী জলাধার থেকে জল ছাড়া হল। সেচ দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাত বারোটা নাগাদ জলাধারের চারটি গেট খুলে প্রায় ছয় হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হয় কংসাবতী নদীতে।

    গত কয়েক দিনের লাগাতার বৃষ্টি ও বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া সম্ভাব্য নিম্নচাপের আশঙ্কায় জলাধারের জলস্তর দ্রুত বেড়ে চলেছে। সোমবার রাত পর্যন্ত ওই স্তর দাঁড়ায় ৪২৫.৭৫ ফুটে। ফলে অতিরিক্ত জল ধরে রাখতে না পেরে আগেভাগে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেচ দপ্তর।

    এই পদক্ষেপে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন গ্রামীণ এলাকার কৃষকরা। ইতিমধ্যেই আলু তোলা হয়ে গেছে, তিলও কাটার কাজ প্রায় শেষ। এবার এই বিনামূল্যের জল ব্যবহার করে জমিতে আউশ ও আম্রপালি ধানের বীজতলা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছেন কৃষকেরা। এর ফলে সাবমার্সিবল পাম্প চালিয়ে জলের জন্য বাড়তি খরচের হাত থেকেও রেহাই মিলেছে।

    গ্রামের কৃষকদের মতে, “প্রতিবার  জল কিনতে গিয়ে 1 বিঘা প্রতি অনেক টাকা চলে যায়। এবার জলাধার থেকে জল পেয়ে আমরা খুবই খুশি। হাতের কাছে জল থাকলে জমি বাঁচে, ফসল বাঁচে।”

    সেচ দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “জলাধারে অতিরিক্ত জল জমা হতে থাকলে আরও কয়েক দিন এমনভাবে জল ছাড়া হতে পারে।

    এই খবরের পর বাঁকুড়া ও আশেপাশের অঞ্চলে কৃষকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ। বীজতলা তৈরির পাশাপাশি অনেকে আগাম জমি তৈরি করে ফেলছেন আগামী চাষের জন্যও।

  • গ্রামে রাত থেকে হিস-হিস শব্দ, সকালে দেখেই ঘুম ছুটলো গ্রামবাসীদের,গ্রামে যেন শুধুই আতঙ্ক, দেখুন কি এমন ঘটল।

    গ্রামে রাত থেকে হিস-হিস শব্দ, সকালে দেখেই ঘুম ছুটলো গ্রামবাসীদের,গ্রামে যেন শুধুই আতঙ্ক, দেখুন কি এমন ঘটল।

    গ্রামের পুকুর পাড়ে বিশালাকার পাহাড়ি অজগর সাপ কে দেখে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
    ইন্ডিয়ান রক পাইথন দেখতে গ্রামবাসীদের ভিড় এলাকায়।


    এর আগে অজগর ময়াল দেখেছেন গ্রামবাসীরা তবে এত বড় মাপের অজগর সাপ দেখেননি কেউই। কোথা থেকে এলো, কিভাবে বা এলো? এত বড় আকারের সাপ। তবে গ্রামবাসীদের ধারণা,লাগাতার চলছে বৃষ্টি, একদিকে যেমন বৃষ্টির জেরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঠিক তেমনি দুর্গাপুর ব্যারেজের ছাড়া জলে জলমগ্ন এলাকা, তাহলে কি দামোদর নদীর জল থেকে উঠে এলো এই সাপ। এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে গ্রামবাসীদের মনে। তবে এত বড় মতের সাব দেখে আতঙ্ক রয়ে যাচ্ছে গ্রামবাসীদের মনে দামোদর নদীর জলে কি নাকি গ্রামে চলে এসেছে কে জানে, মাত্র দুদিন আগে উদ্ধার হয়েছে বর্ধমান থেকে আনাগণ্ডা প্রজাতির সাপ আজ আবার সোনামুখী থেকে উদ্ধার রক পাইথন। গ্রামবাসিদের দাবি গ্রামের একটি পাড়ের ঝোপের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে ছিল এই সাপটি হিস হিস শব্দ শুনে গ্রামের মানুষের নজরে পড়ে এত বড় মাপের সাপের, প্রথমে এত বড় মাপের সাপ দেখে ভয় পেয়ে যান গ্রামবাসীরা,এটা কি সাপ কৌতুহল জাগে মনে।


    খবর দেয়া হয় গ্রাম বাসীদের তড়িঘড়ি ছুটে আসে এলাকায়। খবর দেয়া হয় সোনামুখী বনদপ্তরে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় ভিড় জমায় সাপ দেখতে আসা জনতার, দেখলে মনে হবে গ্রামে যেন কোন পরব লেগে গেছে,এতটাই সাপ দেখতে ভিড়। তবে তড়িঘড়ি বড় দপ্তরের পক্ষ থেকে ছুটে আসা হয় বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের নারায়ণ সুন্দরী গ্রামে। পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করা হয় সাপটিকে।

    বনদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয় এই সাপটি ইন্ডিয়ান রক পাইথন অর্থাৎ পাহাড়ি অজগর সাপ। প্রায় ১০ থেকে ১২ বছরের বেশি হবে বয়স, বহু পুরাতন সাপ এই সাপ সাধারণত ঠান্ডা স্বভাব চরিত্রের, হাঁস-মুরগি, ব্যাং, ছাগল ভেড়া পশু পাখি,এদের শিকার। এরা নির্বিশ,তবে সুযোগ পেলে মানুষকেও ছাড়ে না।
    যাই হোক না কেন বনদপ্তর এই সাপকে নিয়ে পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বনদপ্তরে। তারপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এলাকায়, যে যার ফিরে যায় বাড়ি।

    দেখুন সেই ছবি কি বলছেন বনদপ্তর দেখুন তাহলে।। বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে অরূপ ঘোষের রিপোর্ট বিসিএন বাংলা।

  • দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাবে গ্রামবাসীরা তাও আবার দুয়ারে রেশন প্রকল্পে, সেই পেঁড়া গোজা তৈরি হচ্ছে ব্লকে ব্লকের মিষ্টির দোকানে

    দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাবে গ্রামবাসীরা তাও আবার দুয়ারে রেশন প্রকল্পে, সেই পেঁড়া গোজা তৈরি হচ্ছে ব্লকে ব্লকের মিষ্টির দোকানে

    দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যবাসীর হাতে পৌঁছে যাবে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ। সেই অনুযায়ী রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে বাঁকুড়ার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে তৈরি হচ্ছে প্রসাদী পেঁড়া ও গজা।

    ইতিমধ্যেই দিঘা মন্দির থেকে আসা খোয়া মিশিয়ে চলছে প্রস্তুতি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্যাকেজিংয়ের কাজ শেষ হলেই রেশন ডিলারদের মাধ্যমে দুয়ারে রেশন প্রকল্পের উপভোক্তাদের মধ্যে বিলি করা হবে এই মহাপ্রসাদ।

    পেরা ও গজা বানানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিভিন্ন মিষ্টি ব্যবসায়ীদের। অংকুর এর বাংলা বাজারের আশীর্বাদ সুইট ফিরবান ব্লক প্রদর্শনের ওই প্রসাদ তৈরির বরাত পেয়েছে। দোকানের কর্ণধার তুষার চ্যাটার্জি জানান হীর্বাদ ব্লক প্রশাসনের প্রায় 12000 প্রসাদ প্যাকেটের বরাত পেয়েছেন তিনি কর্মীরা, পরিচ্ছন্নতার সাথে সুরক্ষাবিধি মেনে পেরা ও গোজা তৈরি করছেন।
    প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে প্রসাদ প্যাকেজিং হলেই রেশন ডিলারদের মাধ্যমে দুয়ারের রেশন প্রকল্প থেকে তা উপভোক্তা পরিবারগুলিকে বিল করা হবে।

    রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে

    দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়‌ ঘোষণা করেছিলেন জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাবেন রাজ্যবাসী। সেই থেকে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে। প্রশাসনের তরফে, প্রসাদী পেঁড়া ও গজা বিলির প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। ইতিমধ্যে পেঁড়া ও গজা বানানোর দায়িত্বপ্রাপ্ত মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের কাছে দিঘার মন্দির থেকে জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদের প্রসাদী খোয়া এসে পৌঁছেছে।

    তা মিশিয়ে চলছে প্রসাদী পেঁড়া তৈরি। ইন্দপুরের বাংলা বাজারের আশীর্বাদ সুইটস্- হিড়বাঁধ ব্লক প্রশাসনের ওই প্রসাদ তৈরির বরাত পেয়েছে। দোকানের কর্ণধার তুষার চ্যাটার্জি জানান, হিড়বাঁধ ব্লক প্রশাসনের প্রায় বারো হাজার প্রসাদ প্যাকেটের বরাত পেয়েছেন তিনি। কর্মীরা পরিচ্ছন্নতার সাথে, সুরক্ষা বিধি মেনে পেঁড়া ও গজা তৈরি করছেন।


    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রসাদ প্যাকেজিং হলেই, রেশন ডিলারদের মাধ্যমে দুয়ারে রেশন প্রকল্প থেকে তা উপভোক্তা পরিবারগুলিকে বিলি করা হবে।