Category: রাজ্য

  • কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়।

    কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়।

    https://youtu.be/t0kb7q8UJNM

    কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে আচমকায় বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়,
    আচমকা কংসাবতী কেনেলের জল বাড়িতে ঢুকে যাওয়ায় কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ে যাবার ভয়ে আতঙ্কিত গ্রামের মানুষ।
    জানা যায় কংসাবতী ক্যানেলের জল আজ সকালে আচমকায় চলে আসে, কেনেল সংস্কারের অভাবে ঝোপ-জঙ্গলে বুঝে থাকায় সেই জল পার উপছে প্লাবিত হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। এমনকি রান্নাঘরে জল ঢুকে যায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের। এই ঘটনায় সাথে সাথে খবর দেয়া হয় কংসাবতী কানেল দপ্তরকে, কংসাবতী ক্যানেলের পক্ষ থেকে সেই ভাবে সারা না মেলায় গ্রামবাসীরা জেসিপি নিয়েছে নিজেদের টাকায় ক্যানেল সংস্কারের চেষ্টা করেন, আর এই নিয়ে শুরু হয় ঝামেলা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষ । তবে অবশ্য কংসাবতী ক্যানেলের পক্ষ থেকে জানতে পারা যায় তারা এই ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে মেইন ক্যানেল এর শাখা গেট বন্ধ করে দেয়,
    গ্রামবাসীদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি এই কেন্যেল সেই কারণে ঝোপ জঙ্গলে ভরে যায় এলাকার কেনেল,আচমকায় কংসাবতীর জল আজ সকালে চলে আশা তেই পার উপছে জল উঠছে ঢুকে পড়ে গ্রামে। আর জল ঢুকে একের পর এক বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। তবে গ্রামবাসীরা নিজেরা সহযোগিতায় সকলে না হাত লাগালে কত বড় যে দুর্ঘটনা ঘটতো তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি বা এই কেনেলের জল রাত্রিবেলায় যদি প্রবেশ করত ভয়ানক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো জয়পুরে তা আর বলাই বাহুল্য।
    দেখুন সেই ভয়ানক চিত্র কিভাবে কেনেলের জল ঢুকে গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি। এই বন্যা পরিস্থিতি নেই কি বলছেন এলাকার মানুষ। চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • পান্তা ভাত খেয়ে মৃত এক অসুস্থ আরো তিন। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে।

    পান্তা ভাত খেয়ে মৃত এক অসুস্থ আরো তিন। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে।

    পান্ত ভাত খেয়ে অসুস্থ ৩ মৃত ১ বাঁকুড়া জয়পুরো ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটি ডাঙ্গা গ্রামে।

    https://youtu.be/gT_tbFyCToM

    লেগ পঞ্চায়েতের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে একটি পরিবারের চারজন সদস্য বাসি ভাত (পান্তা ভাত) খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে একটি পরিবারের চার সদস্য, পান্তা ভাত খেয়ে অসুস্থ বোধ করায় গ্রামের মানুষ প্রথমে নিয়ে যাই কোতুলপুর গ্রামীণ হসপিটালে, সেখানে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করাহয়,হসপিটালে কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন বিষাক্ত খাবার খেয়েই শারীরিক সমস্যায় পড়েছে এই পরিবারের সদস্যরা। তাদের শারীরিক অবনতি দেখে গ্রামীণ হসপিটাল থেকে বিষ্ণুপুর জেলা হসপিটালে স্থানান্তরিত করে, সেখানে ই পরিবারের এক সদসের মৃত্যু হয়।
    গতকাল ওই পরিবারের কণিষ্ক সদস্য নাম বিধান সরেন চাতরা জুনিয়র হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ মারা যান। আজ দুপুর নাগাদ মৃতদেহটি ফুটিডাঙ্গা গ্রামে আনা হয়। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সেই খবর পেয়ে গ্রামে যান পঞ্চায়েত প্রধান তিনি এই অসহায় পরিবার গুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এখন অব্দি পরিবারের তিন সদস্য হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেই সূত্রে খবর।। গ্রামবাসী ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন লেগ অঞ্চলের প্রধান অসিতকুমার পাল সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা শুনে নেওয়া যাক কি বলছেন পঞ্চায়েতের প্রধান।
    বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট bcn no1 নিউজ।

  • আইসিডিএস সেন্টার নাকি গোয়ালঘর, রাখা রয়েছে তিলের বোঝা তাও আবার গ্রামবাসীদের।

    আইসিডিএস সেন্টার নাকি গোয়ালঘর, রাখা রয়েছে তিলের বোঝা তাও আবার গ্রামবাসীদের।

    https://youtu.be/M4l9zOT4Qmk
    https://youtu.be/M4l9zOT4Qmk

    আজ আমরা একেবারে অন্য ছবি দেখাবো আইসিডিএস সেন্টার নাকি গোয়ালচালা জোড়াজীর্ণ বাথরুমে রাখা রয়েছে তিলের বোঝা, ভাঙা চালায় চলছে রান্না ঘরের দেওয়ালের ফাটে রয়েছে সাপ প্রায় দিনই বের হয় দেওয়ালের ফাঁট থেকে,আতঙ্কে ক্ষুদে পড়ুয়ারা।

    আইসিডিএস সেন্টারে ছোট্ট শিশুদের নিয়ে চলছে ছেলে খেলা জোড়াজির্ণ রান্না চালায়, চলছে রান্না করা খাবার পরিবেশন,যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড়সড়ো দুর্ঘটনা । প্রশাসনের নজরদারি কোথায়।
    জোড়া জির্ণ আইসিডিএস স্কুলে চলছে পড়াশুনা ও খাওয়া-দাওয়া রান্না। এমনই ছবি উঠে এলো বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের কলায় ডাঙ্গা আইসিডিএস সেন্টারে।
    প্রতিদিন নিয়ম করে হচ্ছে স্কুল স্কুলে আসছে ক্ষুদে পড়ুয়ারা হচ্ছে খাওয়া দাওয়া তবুও হুশ ফিরেনি প্রশাসনে যেকোনো সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে শিশুদের। রান্না করা খাবারে কোন রকমের বিষক্রিয়া পরে গেলে তার দায় কার আতঙ্কে অভিভাবকেরা।
    তার উপর ছোট ছোট শিশুরা বাথরুম বসবে তার উপায় নেই বাথরুম দখল করেছে গ্রামের মানুষ বাথরুমের ভিতরে রাখা রয়েছে তিলের বোঝা যাতে করে বৃষ্টি না ভিজে যাই বাড়িতে রান্না করতে অসুবিধা না হয়। কিন্তু ছোট ছোট শিশুদের আইসিডিএস সেন্টারে পড়াশোনা করতে এলে বাদরুম কোথায় বসবে সেই চিন্তাভাবনা করেনি গ্রামের মানুষ ,তাদের জালন রাখাটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। বাদরুম বসার কোন জায়গা নেই বাথরুম দখল করে গ্রামের মানুষের রাখা রয়েছে তিলের বোঝা।
    শুধু বাথরুমের অবস্থা খারাপ তা নয় সমস্যা পানীয় জলের, কল রয়েছে তবে জলের অভাব, দশ মিনিট হ্যান্ড পাম্প টিপার পর জল পড়ে তাও আবার সেই জল পান করার অযোগ্য। আইসিডিএস দিদিমণিদের জল আনতে হয় গ্রামের সজল ধরা কল থেকে তাও আবার দূর থেকে তবেই হয় রান্না কারণ কল থাকলেও সেই জল পান করার উপযুক্ত নয়। একেবারেই আর্সেনিক থাকা লাল রংয়ের জল। সেই জলে রান্না করা অসম্ভব বা পান করাও অসম্ভব। তবে জোরাজীর্ণ আইসিডিএস সেন্টার ও শৌচালয় সহ পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, জানিয়েও কোন সূরা মেলেনি। তাই বাধ্য হয়েই বৃষ্টির জলকে উপেক্ষা করে তারা রান্না করছেন এবং শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন।
    কি বলছেন আইসিডিএস সেন্টারে পড়তে আসা খুদে শিশুদের অভিভাবকরা কি বলছেন আইসিডিএস সেন্টারের দিদিমণ
    চলুন সোনাব আপনাদের।

    বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।

  • বর্ষাকালে আপেল কুলের চাষ করে তাক লাগালে একজন শিক্ষক।

    বর্ষাকালে আপেল কুলের চাষ করে তাক লাগালে একজন শিক্ষক।

    বর্ষাকালে আপেল কুলের চাষ করে তাক লাগালে একজন শিক্ষক। অসময়ে কিভাবে কাশ্মীরি আপেল কুলের চাষ করা যায়।সেই সম্পর্কে জানালেন রাজগ্রাম এস বি রাহা ইনস্টিটিউশনের জীব বিদ্যা শিক্ষক দেবীপ্রসাদ পাত্র। তিনি বাঁকুড়া জেলার জয়পুর থানার রাজগ্রামে থাকেন। তিনি জানান গত ‘বছর এই আপেল কুলের গাছটি স্থানীয় নার্সারি থেকে নিয়ে আসেন। গত শীতে এই গাছ থেকে তিনি কিছু ফল পান। শীতের পর তিনি এই গাছটি একটি পলিথিনের বস্তায় প্রতিস্থাপন করেন। এ বছর এপ্রিল মে মাস নাগাদ এই গাছে প্রচুর ফুল আসে। এরপর এই ফুলগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য এবং ফলে পরিণত করার জন্য তিনি বেশ কিছু ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ থেকে ফুলগুলোকে রক্ষা করার জন্য গ্রীন নেট ব্যবহার করেন। গাছের মাটি যাতে গরম না হয় তার জন্য বস্তার চারদিকে পলিথিনের মালচিং পেপার দিয়ে মুড়ে দেন। সময় মতো গাছে জৈব সার তার সঙ্গে ফলগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের জৈব কীটনাশক বোরন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি পুষ্টি মৌল সময় সময় স্প্র করেন। আজ তার গাছ আপেল কুলে ভরে গেছে ফুলের ভারে গাছের ডাল নিয়ে পড়েছে। কুলের সাইজ যথেষ্ট বড়ো।কিছুদিনের মধ্যেই কুলগুলি খাবার উপযুক্ত হয়ে যাবে। বর্ষাকালে এভাবে এত পরিমাণ আপেল কুল ফলানো যায় দেখে আমরা অবাক হয়ে গেছি। কথায় বলে চেষ্টা করলে সবই সম্ভব তা আরো একবার প্রমাণ করে দিলেন রাজগ্রাম এস বি রাহা ইনস্টিটিউশনের জীব বিদ্যার শিক্ষক দেবীপ্রসাদ পাত্র। তিনি বিসিএন নং ১ চ্যানেলের মুখোমুখি হয়ে ঠিক কি বললেন চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • পঞ্চায়েত ভোটেও দেদার ছাপ্পার অভিযোগ বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে এমনই ছবি উঠে এলো রাউত খন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের sskm বুথ ও জামদিগিরি ও কুন্ডু পুস্করনী বুথে

    পঞ্চায়েত ভোটেও দেদার ছাপ্পার অভিযোগ বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে এমনই ছবি উঠে এলো রাউত খন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের sskm বুথ ও জামদিগিরি ও কুন্ডু পুস্করনী বুথে

    পঞ্চায়েত ভোটেও দেদার ছাপ্পার অভিযোগ বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে এমনই ছবি উঠে এলো রাউত খন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের sskm বুথ ও জামদিগিরি ও কুন্ডু পুস্করনী বুথে

    চলছে দেদার ছাপ্পা ক্যামেরা দেখেই চম্পট দুষ্কৃতীর দল। এমনই ছবি উঠে এলো আমাদের ক্যামেরায়।
    আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি, জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে দেদার ছাপ্পা এমনই অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে সরজামিনে গিয়ে পৌঁছাতেই ক্যামেরা দেখে দেদার ছুট। যেখানে বারবার হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। স্পর্শকাতর ও অতি স্পর্শকাতর এ কেন্দ্রীয় বাহিনীর আঠা নিরাপত্তা থাকবে সেখানে দেখা গেল অন্য ছবি সেভিক পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ দিয়ে চলছে দেদার ভোট। সেই ভোট কেন্দ্রে সাধারণ মানুষ গিয়ে পৌঁছাচ্ছেন কিন্তু ভোট দিতে পারছেন না বুথের মধ্যে দেখা গেল তৃণমূলের নেতারা বুথের মধ্যে হাতে করে ভোটারদের নিয়ে গিয়ে ভোট দেয়া করাছেন এমনই ছবি উঠে এলো রাউজ খন্ড অঞ্চলের জামদিগিরি বুথে। এই ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলে তিনি সাফাই দেন তার কাকিমা চোখে দেখতে পারছেনা তাই তিনি বুথকেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন, আদৌ কি তাই এটাই এখন বড় প্রশ্ন ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার সহ অন্যান্য ভোট কর্মীরা রয়েছে তারা অনায়াসে পৌঁছে দিতে পারে সেখানে সেখানে অচেনা ব্যক্তি সে কি করে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে নিয়ে যেতে পারে এটা এখন বড় প্রশ্ন।

  • ভোটের আগের দিনেই গোয়াল ঘরে গুতাগুতি নয়তো,তৃণমূলকে ভোট না দেবার পোস্টার।

    ভোটের আগের দিনেই গোয়াল ঘরে গুতাগুতি নয়তো,তৃণমূলকে ভোট না দেবার পোস্টার।

    ভোটের আগেই গোয়াল ঘরে গুতাগুতি শুরু বাঁকুড়ার কোতুলপুরে, রামডিহাতে পরলো অস্বাভাবিক পোস্টার

    রঞ্জিত কুণ্ডু–বাঁকুড়া
    আগে বলতাম তৃণমূলকে ভোট দেবেন এখন বলছি, ভেবেচিন্তে ভোট দেবেন তৃণমূলকে এমনই পোস্টার কে ঘিরে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার কোতুলপুর গোপীনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েত রামডিহা এলাকায়। কে দিল পোস্টার কেনই বা দিল, সেই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    আগামীকাল পঞ্চায়েত ভোট আর তারই আগে আজ শুক্রবারে সাত সকালে পোস্টারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো কোতুলপুর ব্লকের গোপীনাথপুর অঞ্চলের রামডিহা বাজার এলাকায় ।

    সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে, ভোট দিতে যাওয়ার আগে সাবধান, আগে বলতাম ভোট দেবেন আমাদের তৃণমূলকে, এখন বলছি ভোট দেওয়ার আগে চিন্তা ভাবনা করে ভোট দেবেন, কারণ এখন আর তৃণমূল কংগ্রেস টা পুরনো কর্মীদের তৃণমূল কংগ্রেস নেই, পোস্টার এর প্রথমের দিকের দু-তিন লাইন এইরকমই ভাষা রয়েছে বাকি পোস্টারটি ভিডিওতে দেখুন …
    কে বা কারা এই পোস্টার চারিদিকে দিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি বলে এলাকাবাসীদের দাবি…
    কোতুলপুর বিধানসভায় একই শাসকদল নমিনেশন করতে দেয়নি বিরোধীদের,পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত হলেও আটকাতে পারেনি জেলা পরিষদের প্রার্থীদের।

    সমস্ত রাজনৈতিক দল কম বেশি প্রার্থী দিয়েছেন, শাসক দল ভেবেছিলেন তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা পরিষদ পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি দখল নেবেন। কিন্তু আটকাতে পারেনি তৃণমূল জেলা পরিষদের প্রার্থী দেওয়ায় ঘুম ছুটেছে নেতাদের।
    আর তারই মাঝে আগামীকাল পঞ্চায়েত নির্বাচন আর সেই নির্বাচনের আগে
    এই পোস্টার দেখে তৃণমূলের যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বৃদ্ধি পেয়েছে তা একেবারে পরিষ্কার। তবে অবশ্য শাসক দল এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাদের দাবি তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এই পোস্টার দিয়েছে বিরোধীরা। তবে অবশ্য বিরোধীদল বিজেপির বক্তব্য নব্য ও তৃণমূল ও পুরাতন তৃণমূলের মধ্যে কে অরজিনাল নেতা প্রমাণ করতে তাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে তাদেরই নেতাদের এইরকম পোস্টার দিয়েছেন,
    ভোটের মাত্র আর কয়েক ঘন্টা বাকি তার মধ্যে গোয়াল ঘরের গুতাগুতি শুরু কোতুলপুর ব্লকে এই গোঁতাগুতিতে ভোটের বাস্কের ফল কোন দিকে যায় সেই দিকে তাকিয়ে জেলার মানুষ। কি বলছেন এলাকার মানুষ কি বলছেন শাসক বিরোধী নেতারা, চলুন শোনাবো আপনাদের
    বাঁকুড়া কোতুলপুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।

  • নবম দ্বাদশের হবু শিক্ষক-শিক্ষিকা পদপ্রার্থীরা আজও বসে ধর্নায় 843দিন অতিক্রান্ত।

    নবম দ্বাদশের হবু শিক্ষক-শিক্ষিকা পদপ্রার্থীরা আজও বসে ধর্নায় 843দিন অতিক্রান্ত।

    ধর্মতলা গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ৮৪৩ দিন ধরে নবম-দ্বাদশের হবু শিক্ষক-শিক্ষিকা পদপ্রার্থীরা ধর্ণায় বসে রয়েছেন আজও, কবে পাবেন চাকরি আর কতদিন ধরনায় বসে থাকতে হবে হবু শিক্ষক শিক্ষিকা পদপ্রার্থীদের। 2016 সালে 1ST SLST এর নবম -দ্বাদশ স্তরের শিক্ষক -শিক্ষিকা নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধাতালিকা ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও এখনো নিয়োগপত্র হাতে পায়নি প্রায় 5578 জন চাকরিপ্রার্থী । রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সরকার আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের পাশে রয়েছে। সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি করে যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। যদিও সুপার নিউমেরারি পোস্ট সংক্রান্ত বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আইন মেনেই নিয়োগ করা হবে। সুপার নিউমেরারি পোস্ট বৈধতা পেলেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। চাকরি প্রার্থীদের দাবি সরকার উচ্চ আদালতে সুপার নিউমেরারি পোস্ট সংক্রান্ত মামলা আর্জেন্ট ম্যাটারে হেয়ারিং এর আবেদন করুক। সুপার নিউমেরারি পোস্ট রাজ্য সরকারের এক্তিয়ার ভুক্ত। সরকার উচ্চ আদালত থেকে সুপার নিউমেরারি পোস্ট পাশ করিয়ে অতি দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করুক।

  • বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরে পঞ্চায়েত এলাকা কতটা উন্নয়ন হলো কি কি সুবিধা পেলেন এলাকার মানুষ দেখুন প্রতিবেদ।

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরে পঞ্চায়েত এলাকা কতটা উন্নয়ন হলো কি কি সুবিধা পেলেন এলাকার মানুষ দেখুন প্রতিবেদ।

    ভোটের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তারপরেই গ্রামের উন্নয়নের ভোট দীর্ঘ পাঁচ বছরে কি পেলেন এলাকার মানুষ, কতটা উন্নয়ন হলো এলাকার। গতবারের পঞ্চায়েত ভোটে, নমিনেশন করতে পারেনি বিরোধীরা এবারও একই ছবি। পঞ্চায়েতের ভোট মানে গ্রাম বাংলার উন্নয়নের ভোট সেই ভোট বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় শাসকদলের। গতবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে এলাকার উন্নয়ন কতটা হয়েছে? কতটা মানুষ পরিষেবা পেলেন সেরকমই ছবি দেখাবো আপনাদের ।
    আজ আমরা দেখাব জয়পুর ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের ছবি কতটা উপকার পেলেন এলাকার মানুষ গ্রামের মানুষের আর কি চাওয়া পাওয়া রয়েছে চলুন দেখাবো।
    আজ আমরা এমন এক ছবি দেখাবো দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝে পড়ে গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র নির্ভরশীল রাস্তার অবস্থা। আমরা যে ছবি দেখাচ্ছি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের শ্যামনগর গ্রাম পঞ্চায়েত ও রাউডখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ রাস্তা, গো বিন্দাবন পুরের রাস্তা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝে পড়ে রাস্তার দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা রাস্তা শাড়াই এর উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন তবে অবশ্য গ্রামবাসীরা দাবি করেন তারা মনে করছেন দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যস্থ রাস্তা হওয়ায় বেহাল অবস্থা তা না হলে এই রাস্তা সাড়াই হবে না কেন। তবে অবশ্য সিপিএমের আমল থেকে তৃণমূলের আমল অনেকটাই ভালো কাজ হয়েছে গ্রামের অধিকাংশ কাঁচা রাস্তা ঢালাই রাস্তায় পরিণত হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে তবে অধিকাংশ গ্রামে পানীয় জলের কল থেকে শুরু করে শৌচালয় অনেক উন্নয়ন হয়েছে এটা মানতেই হবে। ঘরে ঘরে শৌচাগার, তবে শৌচাগার হলেও শৌচাগারের অবস্থা একেবারেই বেহাল, শৌচাগারে শৌচ কর্ম আজ পর্যন্ত করতে হয়নি,এমনই ছবি গোবিন্দবানপুরের, হাজার টাকায় শৌচালয় পেয়েছেন গ্রামের অধিকাংশ মানুষ তবে সেই শৌচালয়ে শৌচ কর্ম করতে কেউ পারেনি কারণ সোচালয়ে ঢুকলেই মৃত্যুর ভয় যে কোন সময় ধসে পড়ে যেতে পারে, একেবারেই নিম্নমানের মালপত্র দিয়ে তৈরি হয়েছে এই শৌচালয়। এমনটাই জানান গ্রামের মানুষ তবে শৌচালয় এখন শৌচকরমের ঘর না হয়ে জ্বালানির ঘর রূপান্তরিত হয়েছে। তবে যাই হোক শৌচাগারে শৌচ কর্ম না করতে পারলেও জ্বালানি তো রাখতে পেরেছেন গ্রামের মানুষ। তবে অধিকাংশ গ্রামের মানুষ পাকার ঘর পাইনি ঠিক কথা,বৃষ্টি হলেই জল পড়ে, মাটির খরো চালের বাড়ি। তবে রান্না করার জন্য শুকনো জ্বালানির অভাব নেই। কারণ পায়খানা ঘরটি পাকার রয়েছে তাই। কি বলছেন এলাকার মানুষ কতটা উপকৃত হয়েছেন গত পাঁচ বছরে পঞ্চায়েত থেকে সেই সমস্ত তথ্য আপনাদের কাছে তুলে ধরবো আপনারা দেখতে থাকুন বাংলা সার্কেল নিউজ।

  • বিরল প্রজাতির ডোরাকোটা হয়না উদ্ধার।

    বিরল প্রজাতির ডোরাকোটা হয়না উদ্ধার।

    মেদিনীপুর রেঞ্জের বন বিভাগের অধীনে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ডোরাকাটা হায়নার

    শনিবার দুপুরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের বন বিভাগের মেদিনীপুর রেঞ্জের অধীনে মুড়াকাটা থেকে মিলল বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ডোরাকাটা হায়নার মৃতদেহ উদ্ধার হল । এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় শনিবার জঙ্গল থেকে বেরিয়ে মুড়াকাটা গ্রামে ঢুকে পড়ে। হায়না টি গ্রামে ঢুকে পড়া ওই হায়নাটিকে লাঠি সোটা নিয়ে তা করা এবং তার ওপর স্থানে কিছু মানুষ নৃশংস আক্রমণের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এই ঘটনার কিছুক্ষণের পরেই জঙ্গল এলাকায় থেকে ওই হায়নার মৃতদেহ উদ্ধার করে বনদপ্তর । এই বিষয়ে মেদিনীপুর বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক মনীষ যাদব জানান সোশ্যাল মিডিয়া য় এই হায়নাকে তাড়া করার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে গ্রামবাসীদের তারা করতে। হায়নার মাথাটা যেভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বুঝা যাচ্ছে আহত অবস্থায় আয়নাটি দুর্ঘটনার শিকার হতেও পারে । আয়নাটি কে মারা হয়েছে নাকি পথ দুর্ঘটনা ফলে মৃত্যু হয়েছে । রবিবার হায়নাটির ময়নাতদন্ত করা হবে তারপরেই মৃত্যুর যথাযথ কারণ বোঝা যাবে । মেদিনীপুর রেঞ্জের তরফ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে । এই ঘটনার প্রশ্ন উঠছে তাহলে এই জঙ্গলে হায়নার অস্তিত্ব রয়েছে ? তাহলে কি এই জঙ্গলে একটি হায়না ছিল নাকি আরো হায়না রয়েছে । অন্য কোথায় থেকে এসেছিল জঙ্গলে এই হায়নাটি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এমনই জানিয়েছেন বনদপ্তর ।

  • লক্ষীর ভান্ডার মমতা ব্যানার্জির বাপের টাকা নয় এটা আপনার আমার ট্যাক্সের টাকা বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

    লক্ষীর ভান্ডার মমতা ব্যানার্জির বাপের টাকা নয় এটা আপনার আমার ট্যাক্সের টাকা বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপি করার অপরাধে লক্ষীর ভান্ডার বন্ধ করে দিলে তিনি দায়িত্ব নিয়ে চালু করে দিবেন এটা মমতা ব্যানার্জির বাপের টাকা নয় বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

    রঞ্জিত কুন্ডু–বাঁকুড়া

    আজ হুল দিবস, আর সেই হুল দিবস পালন বাঁকুড়ার রায়পুরে । শুক্রবার বিকেলে খাতড়ার এটিএম গ্রাউন্ড মাঠ প্রাঙ্গণে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার সাংসদ ড. সুভাষ সরকার,বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জ বিবেকানন্দ পাএ,রাষ্ট্রিয় এসটি মোর্চার সম্পাদক ক্ষুদিরাম টুডু সহ অন্যান্যরা।এদিন মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করে সুর চরান তিনি। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থীরা প্রচারে গিয়ে বলছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে!ওটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাপের টাকা নয়,কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের টাকা। আর মায়েদের লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দিলে তার সুদ সমেত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিবেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, সায়নি ঘোষের এডির জেরা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আজ এই পবিত্র হুল দিবস উপলক্ষে ওই সব নোংরা নাম নিবেন না এর পাশাপাশি তিনি আর কি বললেন শুনুন।