Category: রাঢ় বঙ্গ

  • আচমকাই বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে মারুতি ভ্যানে আগুন, দাউ দাউ করে জ্বলছে মারুতি ভ্যান।

    আচমকাই বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে মারুতি ভ্যানে আগুন, দাউ দাউ করে জ্বলছে মারুতি ভ্যান।

    Bankura…

    আচমকাই বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে মারুতি ভ্যানে আগুন, দাউ দাউ করে জ্বলছে মারুতি ভ্যান। পুড়ে ছাই মারতি ওমনি ভেন ,তবে হতাহতের কোন খবর নেই।
    জানা যায় বাঁকুড়া থেকে পোস্ট অফিসের চিঠি কাগজপত্র নিয়ে আসছিল জয়পুর দিকে সেই সময় হঠাৎই শসার্কিট থেকে আগুন লেগে যায় এমনটাই জানান ওই গাড়ির চালক। তবে কিভাবে লাগলো আগুন তা তদন্ত করে দেখছে জয়পুর থানার পুলিশ। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর আজ সকালের দিকে বাঁকুড়ার দিক থেকে ছুটে আস একটি মারুতি ভ্যান আচমকায় গাড়ির থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা, সাথে সাথে ড্রাইভারকে বলা মাত্রই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন ড্রাইভার। কোনক্রমে কাগজপত্র কিছু বার করতে পারলেও তবে তেমন কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়নি কাগজপত্রের। তবে গাড়িটি পুড়ে ছাই, গাড়ির কিছু অবশিষ্ট আর কিছুই নেই মাথায় হাত গাড়ি চালকের। গাড়ির ড্রাইভার তিনি বলেন প্রতিদিন পোস্ট অফিসের মালপত্র প্রতিদিনের মতোই তিনি নিয়ে আসছিলেন হটাৎ আগুন লেগে যায় কোনক্রমে তিনি কিছু কাগজপত্র বার করতে পারলেও কিছু অবশিষ্ট রয়ে যায় গাড়ির ভেতরে,অনেক চেষ্টা করেও তিনি বার করতে পারেননি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে যায়। আর এই ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যান জয়পুর থানার পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন দ্রুততার সাথে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে তবে ততক্ষণে পুড়ে ছাই মারুতি ভ্যান। কি বলছেন গাড়ির চালক চলুন শোনাবো আপনাদের।

    বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট

  • বাউল গানের প্রেমের টানে জাপানি মহিলা রয়ে গেলেন মনের মানুষ আখরায়।

    বাউল গানের প্রেমের টানে জাপানি মহিলা রয়ে গেলেন মনের মানুষ আখরায়।

    বর্ধমান থেকে কিছুটা দূরে হাট গোবিন্দপুর গ্রাম, ধুলো মাখা পথ ধান মাঠ গাছপালা আর চারিদিকে মুখর পাখির কাকলি। দূর থেকে ভেসে আসে, রাখালিয়া বাঁশির সুর ও তারই মাঝে একটি নিভৃত আশ্রম। আষাঢ়ের পড়ন্ত বিকেলে সে আশ্রমের নিকনো উঠোনে বসে বাটি দিয়ে নারকেলের শুকনো পাতা ছাড়িয়ে কাঠি বের করে রাখছেন এক জাপানি যুবতী। নিত্য ব্যবহারের ঝাঁটা তৈরি হবে বলে। সকাল থেকে করেছেন রান্নাবান্না কাজ মাটির উনুন আর কাঠের জ্বালানিতে। বাউল ফকির কথা বইয়ের হাট গোবিন্দপুর এর এই আগ্রার কথা লেখা আছে।

    নাম তার মাকি কাজুমি জন্ম ১৯৫৯ এ জাপানের ওসাকা শহরে, বাবা তেরুও কাজমি মা হিরোকা কাজমি আর একমাত্র ভাই সিনসুকো, সেখানে পড়াশোনা করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ অসম্পূর্ণ রেখে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে, জাপানেই যুক্ত হয়েছিলেন কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে। সেই সূত্রে 1988 তে কাজুমি প্রথমবার ভারতে এসেছিলেন এক মাসের জন্য। এরপর ১৯৯১ এ পশ্চিমবঙ্গ থেকে জাপানে গিয়েছিলেন দু একটি সাংস্কৃতিক দল। একটি দল পুরুলিয়ার গম্ভীর সিং মরার ছৌ নাচের, অন্যটি সাধন দাস বৈরাগ্যের বাউল গানের। প্রায় দেড় মাস তারা জাপানে ছিলেন। সাধন দাস বৈরাগ্য আজ বাউল গানের জগতে পরিচিতি নাম। সাধন জন্মেছিলেন বর্ধমানের শ্যামসুন্দর এর কাছে মুক্তিপুর গ্রামে। স্কুলের পড়াশোনা ক্লাস ৫ পর্যন্ত শৈশবের দিনগুলো কাটতো বাউল গানের ও স্বেচ্ছা সেবির মাধ্যমে।

    ১৯৯১ এর সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে ওসাকায় সান্ধ্য গানের আসরে গাইছিলেন এই সাধন দাস বাউল। মূলত বাংলা দেহতত্ত্বের গান শ্রোতারা প্রায়ই সকলেই মুগ্ধ হয়েছিলেন। গান শোনার পর এক যুবতী তার নাম মাকি কাজুমি গানের ভাব বেশে বিভোর হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলে উঠলেন আমি বাউল হব । সঙ্গে সঙ্গে সাদন দাস বৈরাগ্যর সাথে মাকি কাজুমি বাউল গান শিখবো বলে পথ চলা শুরু করে।
    কাজুমি আর সাধনের স্বপ্ন ছিল ছোট্ট একটি আখড়া করে তুলবেন জয়দেব কেন্দুলীতে। এবং ২০০২ সালে এই চিন্তাভাবনায় বাস্তবের মনের মানুষ নামকরণের সাথে সাথে আশ্রম প্রতিষ্ঠিত করা হলো। রূপান্তরিত করল,ইলামবাজার থেকে পায়ের,আকম্বা হয়ে মেলা যাওয়ার পথে রামপুরের মাঠের মাঝে তাদের অনারম্ভ আখড়াটির নাম ‘মনের মানুষ। শুধু মেলার সময় নয়, মাঝেমধ্যেই তাদের দেখা মেলে আশেপাশের গায়ে গঞ্জে বাউলবোষ্টমদের আখড়াই। কয়েক বছর আগে অজয় নদীর তীরে অযোধ্যা গ্রামের আখড়ায় দেহা বাসনের পর যখন মাটি দেওয়া হচ্ছিল বিশ্বনাথ দাস বাউল কে আর পাঁচজনের সঙ্গে গলা মিলিয়ে নাম গান করছিলেন মাকি কাজুমি। এই মধুময় ধূলি ধূসর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন সাধন দাস বাউল নিজেই।
    শুধু পড়ে রইল তারই সিটির অজয় নদীর তীরে মনের মানুষ আখড়া, যেটি বীরভূম জেলার ইলামবাজার ব্লকের জয়দেব কেন্দুলী ধামে অবস্থিত। মা কি কাজুমির ও তার শিষ্য তন্ময় ওরফে বাপি তত্ত্বাবধানে মনের মানুষ আখড়া এখনো পর্যন্ত একই সজ্জায় অবস্থিত আছে। আজও সেই জয়দেব কেনুলিতে মনের মানুষ আখড়ায় সাধন দাস বৈরাগ্য ও মা কি কাজুমির গানের সুর পাখির কলরব গোটা আখড়া জুড়ে ভেসে আসে। পৌষ মেলায় বাউল গানের আসরে মঞ্চে উঠে গান গাইতে মা কি কাজুমিকে অনেকবারই দেখা গেছে।।

    জয়দেব কেন্দুলী থেকে জয়ন্ত মন্ডলের রিপোর্ট বীরভূম।।

  • লাগাতার হাতির আতঙ্ক তো ছিলই বাঁকুড়ার জয়পুরে,তার উপর সকাল থেকেই বৃষ্টিতে নাজেহাল কৃষকেরা।

    লাগাতার হাতির আতঙ্ক তো ছিলই বাঁকুড়ার জয়পুরে,তার উপর সকাল থেকেই বৃষ্টিতে নাজেহাল কৃষকেরা।

    একদিকে সকাল থেকেই চলছে অঝোর ঝড়ে বৃষ্টি তার সাথে ঘন কুয়াশার দাপট জেলায়, তার উপর বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গলে হাতির ভয়। এ দুইয়ের আতঙ্কে নাজেহাল কৃষকেরা।
    বাঁকুড়ায় একদিকে লাগাতার হাতির তাণ্ডব, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি অন্যদিকে প্রচন্ড বৃষ্টি। জেঠ আলু পোখরাজ পেপসি সুপার সিক্স জ্যোতি চন্দ্রমুখী সহ আলুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নাজেহাল কৃষকেরা।
    হাজার হাজার টাকা খরচা করে লাগিয়েছেন আলু একবার নয় দুই দুবার, এর আগে অতিবৃষ্টিতে নষ্ট করেছিল চাষের আলু লাগানো অবস্থায়, সেই আলু ভেঙ্গে আবারো রোপন করেছিল আলু, আবার সেই আলুতে ব্যাঘাত ঘটালো বৃষ্টি।
    আবহাওয়ার খামখেয়ালী পোনায় মরণফাঁদে কৃষকেরা।
    কিভাবে চালাবেন সংসার কিভাবে শোধ হবে দেনা, একই বৃষ্টিতে রক্ষে নেই বাঁকুড়ার মানুষদের তার উপর বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে হাতির আতঙ্ক। প্রায় দিনই হাতির আনাগোনা, একবার পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে জয়পুর জঙ্গল আবার অন্যদিকে সোনামুখীর জঙ্গল থেকে জয়পুর জঙ্গল। অনবরত হাতির আনাগোনা জয়পুর জঙ্গলে, যদিও একবার ফরেস্টের চোখকে ফাঁকি দিয়ে নষ্ট করছে জমির ফসল আলু। আজ আবার সকাল থেকেই প্রচন্ড বৃষ্টি, এই দুইয়ের আতঙ্কে রয়েছেন জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের মানুষ। আবারো আজ ভোরে প্রবেশ করেছে হাতীর দল, একই বৃষ্টিতে রক্ষে নেই তার উপর হাতির দলের প্রবেশ জয়পুরে। নাজেহাল জঙ্গল লাগবো গ্রামের মানুষ।

  • ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হল বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার বি এস এ স্টেডিয়ামে।

    ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হল বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার বি এস এ স্টেডিয়ামে।

    ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হল বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার বি এস এ স্টেডিয়ামে।
    ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্টেডিয়াম জুড়ে সাজো সাজো রব আজ সকাল থেকে, স্টেডিয়ামের উপচে পড়া দর্শকের ভিড়ে সকলের উপস্থিতিতে ঘড়ির কাটায় ঠিক নটার সময় ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভ উদ্বোধন। উদ্বোধন করলেন বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ, সাথে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর মহকুমার আরাধ্যক্ষ সুপ্রকাশ দাস, সাথে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের আইসি, অতনু সাঁতরা।
    প্যারেড কমান্ডার বিশ্বনাথ শাহানা, সাথে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা ট্রাফিক পুলিশ শহ পুলিশের একাধিক আধিকারিক ।
    ভারতের জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি তিন রাউন্ড গ্রান ফায়ার করাহয় তারপরেই চলে প্যারেড, প্যারেড শেষে একাধিক ব্লকের ট্যাবল পদর্শনী করা হয়। অভিবাদন বহন করেন বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসক ও মহাকুমার পুলিশ আধিকার।
    তারপরে চলে একাধিক স্কুলের ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
    সকাল থেকে এমনই দৃশ্য ধরা পরল আমাদের ক্যামেরায় দেখুন সেই ছবি।
    আজকের দিনের এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসক কি অভিবাসন দিলেন চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে হালকা রোদের উঁকি ঝুঁকি কে অপেক্ষা করে ম্যারাথন দৌড়ের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা হয়ে গেল জয়পুর উৎসব।

    কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে হালকা রোদের উঁকি ঝুঁকি কে অপেক্ষা করে ম্যারাথন দৌড়ের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা হয়ে গেল জয়পুর উৎসব।

    কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে হালকা রোদের উঁকি ঝুঁকি কে অপেক্ষা করে ম্যারাথন দৌড়ের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা হয়ে গেল জয়পুর উৎসব।
    গান ফায়ার এর মধ্য দিয়ে শুরু হল ম্যারাথন দৌড় উদ্বোধন করলেন জয়পুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেবজ্যোতি পাত্র। শুরু হলো সপ্তম তম জয়পুর মেলা। আজ সকালে, জয়পুর ব্লকের রাজগ্রাম বাস স্ট্যান্ড থেকে পুরুষ দের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা,ও বাঘা জোল বাস স্ট্যান্ড থেকে মহিলাদের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয় শেষ হয় জয়পুর হাই স্কুল মাঠে।
    আজ ২৫শে জানুয়ারি জাতীয় ভোটার দিবস সেই ভোটার দিবসে জয়পুর ব্লক প্রশাসনের জাতীয় ভোটার দিবস পালনে অভিনব উদ্যোগ দেখল জয়পুর ব্লকের মানুষ। হালকা আকাশী কালারের ড্রেস পড়ে শয়ে শয়ে পুরুষ ও মহিলারা এই দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন প্রথম হন আরামবাগের যুবক সাহেব অধিকারী প্রতিবছরই তিনি এই দৌড় প্রতিযোগিতায় ডাক পান অংশগ্রহণ করার জন্য। তিনি এসেছিলেন এবং প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়ে যান।
    মহিলা প্রথম হন কোতুলপুর ব্লকের সিয়াস শ্রীরামপুরের কন্যা বৃষ্টি সেন। পুরস্কার তুলে দেন জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিউটি শার্ট, ৫০০০ টাকার চেক ও সাথে ট্রফি।
    ও সাহেবের হাতে প্রথম পুরস্কার তুলে দেন জয়পুর ব্লকের বিডিও দেবজ্যোতি পাত্র।
    তবে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় এক অন্য চিত্র ধরা পরল আমাদের ক্যামেরায় দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন জয়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ওসি রামনারায়ণ পাল, উনাকে দীর্ঘ রাজগ্রাম থেকে জয়পুর পর্যন্ত দৌড়াতে দেখা যায় সাথে ছিলেন একাধিক কর্মীরা।
    ওনার এই প্রতিভাকে কুর্নিশ জানান জয়পুর ব্লকের মানুষ যে সারাদিন অতি ব্যস্ত থাকার পরেও তিনি দৌড় প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে সকলকে দেখিয়ে দিলেন তিনি সারাদিন ব্লক সামাললেও কোন দিক দিয়ে তিনি কম যান না কোথায় বলে না যিনি রাঁধেন তিনি চুলও বাঁধেন।
    তেনার এই প্রতিভাকে দেখে ওনাকেও পুরস্কৃত করা হয় জয়পুর ব্লক এর পক্ষ থেকে।

  • জয়পুর জঙ্গলে আবারো প্রবেশ করল দল হাতি, আর সেই হাতি দেখতে অগণিত মানুষের ভিড় বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের তাঁতীপুকুর মুরাবারি রেললাইন সংলগ্ন এলাকায়।

    জয়পুর জঙ্গলে আবারো প্রবেশ করল দল হাতি, আর সেই হাতি দেখতে অগণিত মানুষের ভিড় বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের তাঁতীপুকুর মুরাবারি রেললাইন সংলগ্ন এলাকায়।

    জয়পুর জঙ্গলে আবারো প্রবেশ করল দল হাতি, আর সেই হাতি দেখতে অগণিত মানুষের ভিড় বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের তাঁতীপুকুর মুরাবারি রেললাইন সংলগ্ন এলাকায়।
    জানা যায় আজ ভোরে বরজোরার জঙ্গল থেকে সোনামুখী হয়ে দ্বারকেশ্বর নদী পেরিয়ে প্রবেশ করে দশটি হাতির একটি দল সেই হাতির দলটি আজ সারাদিন জয়পুর জঙ্গলের তাঁতিপুকুর বিট এলাকায় থাকার পর অবশেষে আজ সন্ধ্যায় হাতির দলটি বিষ্ণুপুর রেঞ্জের বাকাদহ বিটে প্রবেশ করে।
    আর সেই হাতির দলকে দেখতে অগণিত মানুষ ভিড় করেন বাসুদেবপুর,তাঁতীপুকুর,মুড়াবাড়ি সংলগ্ন রেল লাইনের উপর।
    বনদপ্তত সূত্রে খবর আজ রাতে বিষ্ণুপুর বাঁকাদহ থেকে গরবেতার জঙ্গলে প্রবেশ করাতে চলেছে পাঞ্চেত বন বিভাগের একাধিক রেঞ্জের বনদপ্তরের আধিকারিক সহ কর্মীরা।
    এখন দেখার বিষয়, জঙ্গল সংলগ্ন একাধিক মাঠে জেঠ আলুর চাষ হয়েছে কোন রকমের এই হাতির দল বনদপ্তরের কর্মীদের নজর এড়িয়ে জঙ্গলের ভেতরে বসবাসকারী গ্রামে প্রবেশ করে তাহলে ঘরবাড়ি সহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবার আশঙ্কা করছেন। এখন দেখার আজ রাতে বনদপ্তরের কর্মীরা কতটা এ হাতির দলের উপর নজরদারি করতে পারে, সেটাই এখন দেখার । তবে বনদপ্তরের কর্মীরা হাতির গতিবিধির উপর নজর রেখে চলেছে বলেই বনদপ্তর সূত্রে খবর।

  • বীর নারায়ন এর পূজাতে অগণিত মানুষের ভিড় বাঁকুড়ার জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের সুমুদ্র বাঁধ সংলগ্ন এলাকাই।

    বীর নারায়ন এর পূজাতে অগণিত মানুষের ভিড় বাঁকুড়ার জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের সুমুদ্র বাঁধ সংলগ্ন এলাকাই।

    বিরনারায়ন এর পূজাতে অগণিত মানুষের ভিড় বাঁকুড়ার জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের সুমুদ্র বাঁধ সংলগ্ন এলাকাই। প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ বছর ধরে এভাবেই
    প্রতিবছর মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে এই পূজা হয়ে আসছে। বসেচে মেলা, সকাল থেকেই চলে পূজা অর্চনা। বীর নারায়ণের প্রসাদ খেতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন এখানে। বির নারায়ণ দেবতা এখানে কোন মন্দিরে নয় একেবারে গাছের তলায় বসবাস করেন মূর্তি বলতে মাটির হাতি ঘোড়া ও পাথরে পূজা অর্চনা চলে, বাবা এখানে মন্দিরে থাকতে ভালোবাসেন না থাকতে ভালোবাসেন গাছের তলায় জঙ্গলের মধ্যে, বাবার প্রসাদ বলতে চিরে মন্ডা সহ খিচুড়ি ভোগ বাবা নাকি খুবই জাগ্রত যে যা মানত করে তার আশা পূর্ণ করে দেন বাবা বির নারায়ন। তাই বার বার ছুটে আসেন আজকের দিনটিতে বহু দূর দুরান্ত থেকে ভক্তরা।

  • কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে চলছে মকর সংক্রান্তির পূর্ণ স্ননে ভিড় বীরভূম কেন্দুলির অজয় নদিতে।

    কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে চলছে মকর সংক্রান্তির পূর্ণ স্ননে ভিড় বীরভূম কেন্দুলির অজয় নদিতে।

    কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে চলছে মকর সংক্রান্তির পূর্ণ স্ননে ভিড় বীরভূম কেন্দুলির অজয় নদিতে।

    পুণ্যার্থীদের পুন্য স্নানের মধ্য দিয়ে শুরু হল জয়দেব মেলা ২০২৪
    আজ সোমবার রাত ১২টা ১৩ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে শাহি স্নান বা মকর স্নানের যোগ। চলবে পরদিন মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত। ১৫ই জানুয়ারি থেকে ১৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত এই জয়দেব কেন্দুলি মকর সংক্রান্তি মেলা থাকবে বলে জানা যায়। ইতিমধ্যে বীরভূমের এই জয়দেব মেলায় আনুমানিক ৩-৪ লক্ষ পুণ্যার্থী এসেছেন
    বলে জানা যায়। মকর স্নানকে কেন্দ্র করে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তার দিকে বীরভূম জেলা পুলিশের কঠোর নজরদারিতে চলছে জয়দেব মকর সংক্রান্তি স্নান।ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শৈত্যপ্রবাহ কে উপেক্ষা করে পুণ্যার্থীরা পুণ্যস্নান করেছেন অজয় নদে। ভক্তদের স্নানের জন্য সব রকমের সুব্যবস্থা করেছে বীরভূম জেলা প্রশাসন।স্নান সেরে পুন্যার্থীরা পুজো দেন রাধাবিনোদের মন্দিরে। যা এখন “জয়দেব মন্দির” নামে খ্যাত। আজ থেকে ৩৪১ বছর পূর্বে ১৬৮৩ খ্রিস্টাব্দে বর্ধমানের মহারাজা কীর্তিচাঁদ বাহাদুর বর্তমান এই মন্দির নির্মাণ করেন। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া,এখন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে।তৎকালীন পুরোনো ঐতিহ্য ধরে রাখার কারণে সংস্কার হয়নি আজও।কথিত আছে বর্তমান মন্দিরটি জয়দেবের আবাসস্থলে প্রতিষ্ঠিত।।

    জয়দেব কেন্দুলি থেকে জয়ন্ত মন্ডলের রিপোর্ট বীরভূম।।

  • আজ থেকেই টুসু পড়বে মেতে উঠলো বাঁকুড়ার গ্রাম বাংলার মানুষ।

    আজ থেকেই টুসু পড়বে মেতে উঠলো বাঁকুড়ার গ্রাম বাংলার মানুষ।

    আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই টুসু পরবে মাতবে বাঁকুড়ার মানুষ, তার আগেই গ্রামেগঞ্জে চলছে জোর প্রস্তুতি।
    আগামীকাল মকর সংক্রান্তি আর মকর স্নানের আগেই টুসূ পড়ব। আজ সারারাত ধরে গ্রামের মহিলারা এই টুসু দেবীকে পূজা করে সকালবেলায় পুকুরে বা নদীর জলে ভাসিয়ে দেবে ভেলা, আর সেই ভেলায় চেপে বিদায় নেবে টুসু।
    এভাবেই চলে আসছে গ্রাম বাংলার বিশেষ করে বাঁকুড়ার টুসু পরব।
    আজ পিঠে পড়ব, ঢেঁকিই ছাঁটা চালের গুড়া দিয়ে বিভিন্ন পদের পিঠে তৈরি করে থাকেন গ্রামের মহিলারা সারাদিন ধরেই চলে পিঠে খাওয়া উৎসব, যাকে আমরা পিঠে পরব বলে থাকি। এবং সারাদিন পিঠে খেয়ে থাকার পর সন্ধ্যার থেকে বিভিন্ন শ্লোকের টুসু গান গেয়ে মেতে উঠবেন মহিলারা আপনাদের শোনাবো। কি বলছেন শোনাবো আপনাদের।

  • কনকনে শীতে কাঁপছে বাঁকুড়া তাপমাত্রা একেবারে তোলানিতে হাড়ভাঙ্গা ঠাণ্ডায় কাঁপছে বাঁকুড়া বাসি ।

    কনকনে শীতে কাঁপছে বাঁকুড়া তাপমাত্রা একেবারে তোলানিতে হাড়ভাঙ্গা ঠাণ্ডায় কাঁপছে বাঁকুড়া বাসি ।

    কনকনে শীতে কাঁপছে বাঁকুড়া তাপমাত্রা একেবারে তোলানিতে হাড়ভাঙ্গা ঠাণ্ডায় কাঁপছে বাঁকুড়া বাসি ।
    আট ডিগ্রী কাছাকাছি তাপমাত্রা,
    সন্ধ্যার পর জঙ্গলমহল এলাকায় শীতের ভয়ে বাড়ি থেকে বেরোনোর বিপদ হয়ে পড়েছে গ্রামবাসীদের।
    একই রোদের ছোটা জঙ্গল থাকার জন্য নিচে এসে পৌঁছায় না। তার উপর ঠান্ডা, তাই একমাত্র ভরসা আগুন। আগুন জেলে গরমের খোঁজে পথ চলতি মানুষ। আগুন জ্বললেই দাঁড়িয়ে পড়ছেন প্রতিদিন কাজের তালিতে বের হওয়া মানুষজন,একটিবার গা গরম করার জন্য।
    এক কথায় শীত জ্বরে আক্রান্ত বাঁকুড়া। তবে আবহাওয়ার খামখালিপনাতে আক্রান্ত হচ্ছেন জ্বর সর্দি কাশিতে। দুদিন গরম তো চার দিন ঠান্ডা আবারো বৃষ্টি আসতে চলেছে এমনই আবহাওয়া সূত্রে খবর। তবে আপাতত ঠান্ডার দাপট থাকছে পৌষ সংক্রান্তি পর্যন্ত। তবে বাঁকুড়ার পৌষ সংক্রান্তি মানে পিঠে পড়বে মেতে উঠবে গোটা জেলা ।
    সকালেই চলবে মকর স্নান, এই কনকনে শীতকে উপেক্ষা করেও স্নান করবেন জেলার মানুষেরা ।তবে এই বছর যে হারে শীতের দাপট তবে মকর স্নান হবে কিনা তা আগেভাগে বলা যাবে না।