Category: রাঢ় বঙ্গ

  • ১১ মাইল হাইওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা মৃত এক,

    ১১ মাইল হাইওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা মৃত এক,কাঁকসা থানার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১১ মাইল এ ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা।।

    আজ শনিবার ২৮ শে অক্টোবর কোজাগরী লক্ষী পূজা ঠিক সাত সকালেই কাঁকসা থানার অন্তর্গত বনকাটি অঞ্চলের ১১ মাইলের হাইওয়ের উপর ভয়াবহ মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। দুর্গাপুর তথা পানাগর থেকে আসা একটি টেলার গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে গাড়ির নিচে পড়ে যায় মোটরসাইকেল আরোহী। সূত্রে খবর অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মোটরসাইকেল আরোহী একই দিক দিয়ে আসছিল, হঠাৎই সামনে এক সাইকেল চালককে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ির নিচে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়। কাঁকসা থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে এবং মৃত ব্যক্তিটিকে দুর্গাপুর মহকুমার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়, এবং গাড়িটি কে রিকভার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয। এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে ১১ মাইল তথা গ্রামবাসী ও ব্যবসায়ী গনদের মধ্যে একটা এলাকায় ভীষণ চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়।সংবাদ সূত্রে প্রকাশ মোটরসাইকেলে এক জন আরোহী ছিল বলে জানা গেছে।এই দুর্ঘটনার খবর পাওয়াই বাড়ির লোকদের মধ্যে এক শোকের ছায়া নেমে আসে।।

    ১১ মাইল থেকে জয়ন্ত মন্ডলের রিপোর্ট বীরভূম।।

  • জয়পুর জঙ্গলে প্রবেশ করল আদুরে রামলাল সাথে আরো কুড়ি-পাঁচটি বন্ধুবান্ধব

    জয়পুর জঙ্গলে প্রবেশ করল আদুরে রামলাল সাথে আরো কুড়ি-পাঁচটি বন্ধুবান্ধব

    সাত সকালে আবারো প্রবেস করলো হাতির দল বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গলে।
    মায়ের সাথে ছেলে বিদাই নিলেও জয়পুর জঙ্গলে রয়ে গেল এক দল গজরাজ।
    দ্বাদশীর সকালে দুঃসংবাদ জয়পুরের মানুষদের জন্য।
    এই মুহূর্তে 20-25টি হাতীর একটি দল সাত সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর গরবেতার জঙ্গল থেকে প্রবেশ করলো জয়পুর জঙ্গলে ।
    এই মুহূর্তে হাতির অবস্থান বাসুদেবপুর গুরুর বাসায় এলাকায়।
    এই মুহূর্তে জঙ্গলমহল এলাকায় আউস ধান কাটতে ব্যস্ত কৃষকেরা মাঠকে মাঠ পাকা ধান রয়েছে কোনো ক্রমে হাতি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে গ্রামের দিকে চলে আসলে ধান জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে সেই চিন্তায় মাথায় হাত জয়পুর ব্লকের শ্যামনগর পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম সংলগ্ন মানুষের। শুধু শ্যামনগরের মানুষই নয় আতঙ্কে রয়েছে ত্রিভঙ্গ বেলসুল নতুন গ্রাম বেলিয়া সহ একাধিক গ্রামের মানুষ।
    প্রতিবছর ধান পাকার সময় দলমার হাতির দল প্রবেশ করে জয়পুর জঙ্গলে। তছনছ করে দেয় একাধিক এলাকার ধানের জমি, ক্ষতি করলেও মেলেনি কোন আর্থিক সাহায্য, যেটুকু সাহায্য মেলে তাতে করে সংসার চালানো সম্ভব নয়,তাই আতঙ্কে জঙ্গল লাগোয়া একাধিক গ্রামের মানুষ। তবে অবশ্য বনদপ্তর পক্ষ থেকে এলাকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার জন্য সাবধানের বাণী শোনাচ্ছেন মাইকিং করে জয়পুর বনদপ্তর।
    তবে অবশ্য সাবধানের বাণী শোনালেও আতঙ্ক কাটছে না গ্রামবাসীদের ।
    কোন রকমের বন দপ্তরের কর্মীদের চোখকে ধুলো দিয়ে হাতীর দল গ্রামের দিকে চলে আসলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেই মনে করছেন গ্রামবাসীরা কি বলছেন গ্রামের মানুষ শোনাবো আপনাদের।
    বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।

  • বাঁকুড়া জয়পুরের বৈতল ঝগড়ায় মন্দিরের এলাকার মানুষ কেন কাদা খেলায় মাতেন দেখুন কি বলছেন এলাকার মানুষ।

    বাঁকুড়া জয়পুরের বৈতল ঝগড়ায় মন্দিরের এলাকার মানুষ কেন কাদা খেলায় মাতেন দেখুন কি বলছেন এলাকার মানুষ।

    জয়পুর বৈতল ঝগড়াভঞ্জনী মায়ের বিজয়া দশমী উপলক্ষে মায়ের কাঁদা খেলা উৎসবে মাতল হাজার হাজার মানুষ।
    বহু দূর দূরান্ত থেকে আজকের দিনে এই ঝগড়ায় মন্দির প্রাঙ্গনে কাদা খেলতে আসেন বহু মানুষ। এই কাদা খেলা শুরুটা হয়েছিল সেই মল্লরাজের আমল থেকে শোনা যায় বর্ধমানের রাজার সাথে বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজার মামলা-মোকদ্দমা লড়তে যাচ্ছিলেন স্বয়ং রাজা রঘুনাথ সিং বাচ্চা মেয়ের উপর মায়ের দর্শন পান,তিনি ফিরে এসেই এই জায়গাতেই শুরু করেছিলেন মায়ের উৎসব, তখন থেকেই আজও হয়ে আসছে এই কাদা খেলা আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
    এখানে কাঁদা বলতে প্রচুর এলাকা জুড়ে মাটির বাঁধ দিয়ে সাতটি পুকুরের জল দিয়ে জায়গাটি ভর্তি করে জল থৈ থৈ অবস্থায় এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ একে অপরকে জল ছুড়ে ঘোলা জলে স্নান করেন ।
    সেই জল এতটাই পবিত্র বিভিন্ন রোগ নিরাময় থেকে আরম্ভ করে অনেক কিছু উপকারে লাগে কারণ একটাই মা স্বয়ং এ কাদা খেলেন এমনটাই দাবি গ্রামবাসীদের, তারা পূর্বপুরুষ ধরে এমনটাই বিশ্বাস করে আসছেন। কাদা খেলা উৎসবে মাতেন বাচ্চা থেকে বুড়ো, ছুরি থেকে বুড়ি সকলে কাদা খেলার শেষে তাদের জামা খুলে গাছে টাঙিয়ে দেন।
    আবারো একটি বছর অপেক্ষা করতে হবে গ্রামবাসীদের। তাই মায়ের ছেলেরা মাকে বিদায় জানাতে হাসিমুখে চলছে কাদা খেলা উৎসব। আপনাদেরকে দেখাবো সেই ছবি আপনারা দেখতে থাকুন বাংলা সার্কেল নিউজ।
    বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।

  • দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া আইসিডিএস কর্মীদের টাকা, আইসিডিএস সেন্টার বন্ধের হুঁশিয়ারী বাঁকুড়া জয়পুরে,

    দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া আইসিডিএস কর্মীদের টাকা, আইসিডিএস সেন্টার বন্ধের হুঁশিয়ারী বাঁকুড়া জয়পুরে,

    দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া আইসিডিএস কর্মীদের টাকা, আইসিডিএস সেন্টার বন্ধের হুঁশিয়ারী বাঁকুড়া জয়পুরে,

    https://youtu.be/XfH9zvXghcI

    দ্রব্যমূল্যের কারণে নাজেহাল icds সেন্টারের কর্মীরা তার উপর সরকারের টাকা বকেয়া তিন মাস, দোকানে ধার দিচ্ছে না আইসিডিএস কর্মীদের।
    রান্না করবে কিভাবে? কে দেবে টাকা ধার। তার উপর তিন বছর ধরে কোন ড্রেস নেই ড্রেস কিনতে হচ্ছে পকেট থেকে ডেশ না পড়ে আইসিডিএস সেন্টারে এলেই বিপদ, জোর করে প্রেসার ক্রিয়েট করছেন সুপারভাইজার, আর টাকা দেবার বেলায় অষ্টরম্ভা। মায়েদের ৮৪ পয়সার সবজি ছেলেদের বেলায় ফ্যান ভাত ও ডিম এইভাবে কি রান্না করা সম্ভব, তাও আবার কাঠের জালে।, ঘর থেকে গোছা গোছা টাকা বের করে নিয়ে এসে মা ও শিশুদের খেতে দিতে হচ্ছে মূল্যবৃদ্ধির বাজারে টাকার পরিমাণ ১২ সাল থেকে আজও একই রয়ে গেছে।
    বারবার প্রশাসনকে বললেও মিটিং মিছিল আন্দোলন করলেও কাজের কাজ কিচ্ছু হয়নি,আজ অব্দি কোন রকমের চালিয়ে এসেছেন আইসিডিএস সেন্টার কর্মীরা। কিন্তু আর চালানো সম্ভব নয়। এরপর আইসিডিএস সেন্টার এর কর্মীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে বন্ধের মুখে আইসিডিএস সেন্টার, আইসিডিএস সেন্টার বন্ধ করার হুঁশিয়ার দিলেন কর্মীরা ।দিনের পর দিন রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের অবহেলা করে আসছেন এমনটাই অভিযোগ তুলছেন আইসিডিএস সেন্টারের একাধিক কর্মী, তার উপর অকেজো আইসিডিএস সেন্টার ভাঙা জোড়া চিহ্ন অবস্থাতে পড়ে রয়েছে ব্লকের একাধিক আইসিডিএস সেন্টারে নেই শৌচালয় না রয়েছে বাথরুম,অনেক জায়গাতেই জলের অভাব। এইভাবে কি আইসিডিএস সেন্টার চালানো সম্ভব এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে, একদিকে রাজ্য সরকারের মেলা,খেলা,দান ধ্যান,ভাতা,পূজাতে টাকা দিচ্ছে সরকার,আর শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের খেতে দেবার বেলায় টাকা নেই এই দ্বিচারিতা কেন, কি বলছেন আইসিডিএস কর্মীরা কি বলছেন জয়পুর ব্লকের সিডিপিও চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়।

    কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়।

    https://youtu.be/t0kb7q8UJNM

    কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে আচমকায় বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়,
    আচমকা কংসাবতী কেনেলের জল বাড়িতে ঢুকে যাওয়ায় কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ে যাবার ভয়ে আতঙ্কিত গ্রামের মানুষ।
    জানা যায় কংসাবতী ক্যানেলের জল আজ সকালে আচমকায় চলে আসে, কেনেল সংস্কারের অভাবে ঝোপ-জঙ্গলে বুঝে থাকায় সেই জল পার উপছে প্লাবিত হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। এমনকি রান্নাঘরে জল ঢুকে যায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের। এই ঘটনায় সাথে সাথে খবর দেয়া হয় কংসাবতী কানেল দপ্তরকে, কংসাবতী ক্যানেলের পক্ষ থেকে সেই ভাবে সারা না মেলায় গ্রামবাসীরা জেসিপি নিয়েছে নিজেদের টাকায় ক্যানেল সংস্কারের চেষ্টা করেন, আর এই নিয়ে শুরু হয় ঝামেলা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষ । তবে অবশ্য কংসাবতী ক্যানেলের পক্ষ থেকে জানতে পারা যায় তারা এই ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে মেইন ক্যানেল এর শাখা গেট বন্ধ করে দেয়,
    গ্রামবাসীদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি এই কেন্যেল সেই কারণে ঝোপ জঙ্গলে ভরে যায় এলাকার কেনেল,আচমকায় কংসাবতীর জল আজ সকালে চলে আশা তেই পার উপছে জল উঠছে ঢুকে পড়ে গ্রামে। আর জল ঢুকে একের পর এক বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। তবে গ্রামবাসীরা নিজেরা সহযোগিতায় সকলে না হাত লাগালে কত বড় যে দুর্ঘটনা ঘটতো তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি বা এই কেনেলের জল রাত্রিবেলায় যদি প্রবেশ করত ভয়ানক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো জয়পুরে তা আর বলাই বাহুল্য।
    দেখুন সেই ভয়ানক চিত্র কিভাবে কেনেলের জল ঢুকে গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি। এই বন্যা পরিস্থিতি নেই কি বলছেন এলাকার মানুষ। চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • পান্তা ভাত খেয়ে মৃত এক অসুস্থ আরো তিন। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে।

    পান্তা ভাত খেয়ে মৃত এক অসুস্থ আরো তিন। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে।

    পান্ত ভাত খেয়ে অসুস্থ ৩ মৃত ১ বাঁকুড়া জয়পুরো ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটি ডাঙ্গা গ্রামে।

    https://youtu.be/gT_tbFyCToM

    লেগ পঞ্চায়েতের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে একটি পরিবারের চারজন সদস্য বাসি ভাত (পান্তা ভাত) খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে একটি পরিবারের চার সদস্য, পান্তা ভাত খেয়ে অসুস্থ বোধ করায় গ্রামের মানুষ প্রথমে নিয়ে যাই কোতুলপুর গ্রামীণ হসপিটালে, সেখানে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করাহয়,হসপিটালে কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন বিষাক্ত খাবার খেয়েই শারীরিক সমস্যায় পড়েছে এই পরিবারের সদস্যরা। তাদের শারীরিক অবনতি দেখে গ্রামীণ হসপিটাল থেকে বিষ্ণুপুর জেলা হসপিটালে স্থানান্তরিত করে, সেখানে ই পরিবারের এক সদসের মৃত্যু হয়।
    গতকাল ওই পরিবারের কণিষ্ক সদস্য নাম বিধান সরেন চাতরা জুনিয়র হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ মারা যান। আজ দুপুর নাগাদ মৃতদেহটি ফুটিডাঙ্গা গ্রামে আনা হয়। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সেই খবর পেয়ে গ্রামে যান পঞ্চায়েত প্রধান তিনি এই অসহায় পরিবার গুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এখন অব্দি পরিবারের তিন সদস্য হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেই সূত্রে খবর।। গ্রামবাসী ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন লেগ অঞ্চলের প্রধান অসিতকুমার পাল সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা শুনে নেওয়া যাক কি বলছেন পঞ্চায়েতের প্রধান।
    বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট bcn no1 নিউজ।

  • মাত্র দু বছর সাত মাস বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠল জঙ্গলমহল বেলপাহাড়ির মেয়ে আরাত্রিকা

    মাত্র দু বছর সাত মাস বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠল জঙ্গলমহল বেলপাহাড়ির মেয়ে আরাত্রিকা

    মাত্র দু বছর সাত মাস বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠল বেলপাহাড়ির মেয়ে আরাত্রিকা

    https://youtu.be/c_aE9tEfyXQ

    , মাত্র দুই বছর সাত মাস বয়সেই সে এই সাফল্য অর্জন করেছে। তার এই সাফল্যে খুশি তার পরিবার, পরিজন থেকে গোটা বেল পাহাড় সহ জঙ্গলমহল বাসী। ইতি মধ্যেই আরাত্রিকা বলে দিতে পারে 50টি দেশের জাতীয় পতাকা। 13টি রং,35টি শরীরের অঙ্গ,40 জীবজন্তু,30টি পেশা, 27টি সবজি,32টি কর্মকাজ,30টি ফল,16টি পাখি,20টি যানবাহন,20টি চিকিৎসার সরঞ্জাম,20টি বাচ্চাদের সরঞ্জাম,22টি আসবাবপত্র, 21টি খাদ্যদ্রব্য, 8টি আকার সনাক্ত করে,এবং12টি জাতীয় প্রতীক,6টি ঋতুর নাম ,ইংরেজি 7 দিনের নাম,12টি ইংরেজি মাসের নাম,A থেকে Z পর্যন্ত,1 থেকে 50 পর্যন্ত পুনরাবৃত্তি করে মাত্র 2বছর 7 মাস বয়সে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড এ স্থান পেয়েছে বেলপাহাড়ির মেয়ে আরাত্রিকা মাহাত।। যেখানে এই বয়সে বাচ্চারা ভালো করে কথা বলতে পারেনা, হাঁটতে পারে না, সেখানে এই সফলতা অর্জন সত্যিই অবাক করা দৃশ্য।

  • নতুনভাবে বনপলাশী ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন হলো বাঁকুড়ার জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের জয়পুরে।

    নতুনভাবে বনপলাশী ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন হলো বাঁকুড়ার জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের জয়পুরে।

    নতুনভাবে বনপলাশী ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন হলো বাঁকুড়ার জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের জয়পুরে।
    জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একের পর এক হোটেল এন্ড রিসোর্ট এবার সেই রিসোর্ট এলাকাতেই গড়ে উঠল বনপলাসি হোটেল লজ ও রেস্টুরেন্ট। ভারতবর্ষের ইতিহাসে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা পেয়েছে মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুর ঠিক তেমনি জয়পুর জঙ্গলকে কেন্দ্র করে স্থান পেয়েছে জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রের, জয়পুর ব্লকে একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি সহ মাকরাই পাথরের মন্দির ঠিক তেমনি রয়েছে ঢোলসমুদ্র,জঙ্গলে রয়েছে চিতল হরিণ ও বন্যহাতি, রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পশু পাখি তার থেকেও বড় কথা এই জয়পুর এলাকাতেই বিষ্ণুপুর মল্ল রাজার প্রথম রাজধানী ছিল এই জয়পুর।
    তাই বিষ্ণুপুর পর্যটন কেন্দ্রের যতটাই মান রয়েছে ঠিক ততটাই রয়েছে জয়পুরে। জয়পুরেও গড়ে উঠেছে একের পর এক মন্দির। তবে বিষ্ণুপুর রাজা মল্লরাজার আমলেই গড়ে উঠেছিল এই মন্দিরগুলি। জয়পুর পর্যটন কেন্দ্রে বেড়াতে এলে থাকা তো খাওয়া নিয়ে কোন চিন্তা ভাবনাই করতে হবে না,জয়পুর জঙ্গল সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার জন্য থাকা ও খাবার সু বন্দোবস্ত করার জন্য একের পর এক গড়ে উঠছে হোটেল এন্ড রিসোর্ট ।ঠিক তেমনি উদ্বোধন হলো বন পলাশীর এই বন পলাশীর।উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট সমাজসেবী ব্যক্তি রা।

  • ঝাড়গ্রামে ডিজে দেখতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলোনা inttucr সভাপতির, ফিরতে হোলো বেলপাহাড়ি থেকে লাস হয়ে।

    ঝাড়গ্রামে ডিজে দেখতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলোনা inttucr সভাপতির, ফিরতে হোলো বেলপাহাড়ি থেকে লাস হয়ে।

    ঝাড়গ্রামে ডিজে দেখতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলোনা INTTUC সভাপতির, ফিরতে হোলো বেলপাহাড়ি থেকে লাস হয়ে।

    ডিজে দেখতে যাওয়াই কাল হল আই এন টিটি ইউসি সভাপতি শিবু মুর্মু বয়স আনুমানিক ৩২ বছর পিতা শ্রীরাম মুর্মু ।
    জানা যায় আজ সকালে একটি লাশ উদ্ধার হয় ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ির সাহাড়ির ডাঙ্গায়। জানা যায় গতকাল এখানে ডিজে প্রতিযোগিতার আসর বসেছিল। এখানে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের সমাগম হয় বলে স্থানীয় সূত্র খবর পাওয়া যায়। যে ব্যক্তির লাস উদ্ধার হয়েছে ওই ব্যক্তির বাড়ি এড়গোদা অঞ্চলের কেসদা গ্রামে। জানা যায় তিনি এড়গোদা অঞ্চল আইএনটিটিসিইউ সভাপতি ছিলেন। পরিবার সূত্রে খবর গতকাল থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ করার সময় পরিবার জানতে পারে উনার দেহ সাহাড়িত পড়ে রয়েছে। পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য দেহ টি ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে পাঠায়। এরপর সেখান থেকে পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেয় পুলিশ। ঠিক কি কারনে এই এই মৃত্যু তার হদিস এখনো পাওয়া যায়নি। তবে নিছক এটা খুন নাকি অন্য কিছু তার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
    তবে প্রশ্ন উঠছে একজন আইএনটিটিওসি সভাপতি বেরিয়েছিলেন ডিজে দেখতে, তিনি সেখান থেকে কিভাবে নিখোঁজ হলেন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ধোঁয়াশা রয়েছে তবে যাই হোক ঘটনার পুঙ্খানুপু তদন্ত করছে পুলিশ।

  • তাহলে কি রাজ্যের ভাড়ার শূন্য, একাধিক ফান্ডের টাকা রাজ্য নির্বাচনের জন্য ভোট কর্মীদের বিতরন।

    তাহলে কি রাজ্যের ভাড়ার শূন্য, একাধিক ফান্ডের টাকা রাজ্য নির্বাচনের জন্য ভোট কর্মীদের বিতরন।

    শালী ব্রিজ তৈরী ও মিড ডে মিলের বরাদ্দকৃত টাকা ভোট কর্মীদের বেতন দাবি কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকারের। তাহলে কি রাজ্যের ভাড়ার শূন্য বিভিন্ন ফান্ড থেকে দেয়া হচ্ছে টাকা।
    বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের সাংসদ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন।

    এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, এরাজ্যের বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নজরে আসতেই কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। এ ধরণের ঘটনা অন্যায়। রাজ্য সরকারের টাকা না থাকলে টাকার ব্যবস্থা করতে হবে। বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমানের মতো ঘটনা রাজ্যের অন্যান্য জেলা গুলিতে হয়েছে কিনা তা তাঁরা খোঁজ নিয়ে দেখছেন বলে তিনি জানান।