বাঁকুড়া জেলা পুলিশের মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকের কৃর্তিদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান।
মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকের কৃর্তিদের সম্বর্ধিত করল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। আজ বাঁকুড়ার পুলিশ লাইনে একটি অনুষ্ঠানে বাঁকুড়া জেলার এমন ৪৬ জন কৃতি মেধাবীকে সম্বর্ধনা দিল জেলা পুলিশ। রাজ্য মেধাতালিকায় প্রথম দশে স্থান পেয়েছে এমন মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার ও সম্বর্ধনা তুলে দিলেন বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ দর্জি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ মাকসুদ হোসেন, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। সম্বর্ধনা পেয়ে খুশি কৃতি ও কৃতিদের পরিবার পরিজনরা।
এবার ইলেকট্রিক বাল্ব জ্বালতে গিয়ে ইলেকট্রিক তারে শক খেয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি তথা বর্তমানের পঞ্চায়েত সদস্য নদিয়া দের। আর এই ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি ইলেকট্রিক তারে শক খেয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের হেতিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি তথা বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্যর। যার যারে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য, যার জেরে হেতিয়া অঞ্চল তো বটেই গোটা ব্লক জুড়ে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আবারো হারালো ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াকু দীর্ঘদিনের সৈনিক কে। জানা যায় গতকাল রাত্রিবেলা পুকুরে মাছ ধরার জন্য বাল্ব জ্বালাচ্ছিলেন সেই সময় ইলেকট্রিক শক লাগে, সাথে সাথে এলাকার মানুষ উদ্ধার করে নিয়ে যায় জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।। সেখানে চিকিৎসকেরা চিকিৎসা করার পর মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর এই খবর গতকাল রাত্রে বেলায় চারিদিকে জানাজানি হতেই হসপিটাল চত্বরে ছুটে আছেন ও ভিড় জমান তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক কর্মী। আজ জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় জয়পুর থানার পুলিশ। কিভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা কি জানাচ্ছেন জয়পুর ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি ইয়ামিন শেখ। চলুন সোনাব আপনাদের।।
জলে থৈথৈ সোনামুখী হাসপাতাল, জলে ভাসছে ঔষধের প্যাকেট, পা তুলে বসে রয়েছে রোগী রোগীর আত্মীয়রা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে এই সমস্যা ক্ষোভ সাধারণের, মুখে কুলুপ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ,
সোনামুখী, বাঁকুড়া:- বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী গ্রামীণ হাসপাতালে চরম অব্যবস্থা। ক্ষুব্ধ রোগী রোগের আত্মীয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল দুপুরে সোনামুখী শহর জুড়ে তুমুল বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন হয়ে পড়ে সোনামুখী হাসপাতাল। আউটডোর থেকে হাসপাতালের ইনডোর সব জায়গায় জলমগ্ন হয়ে পড়ে জলমগ্নের ছবি মোবাইল বন্দি করেন রোগী এবং রোগীর আত্মীয়রা। এরপরেই সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা যায় হাসপাতালের ভেতরে জল থই থই পরিস্থিতি রোগীরা পা তুলে ওপরে বসে রয়েছে। ঔষধ এর প্যাকেট জলে ভাসছে। রোগী এবং স্থানীয়দের দাবি ডাক্তারবাবু ও চেয়ারের ওপরে পা তুলে বসে রয়েছেন জলের কারণে। তাদের অভিযোগ হাসপাতালের পরিকাঠামো ঠিক নেই। হাসপাতালে ড্রেন গুলি সংস্কার করা হয় না তাই এই সমস্যা। স্থানীয়দের দাবি অবিলম্বে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যেন এই সমস্যার সমাধান করে। কারণ সোনামুখী গ্রামীণ হাসপাতাল সোনামুখী ব্লকের দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ পরিষেবা নিতে আসে। হাসপাতালে রোগ সারাতে এসে এইভাবে দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের। স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উপড়ে দেয় স্থানীয়রা।
যদিও ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের বি এম ও এইচ কে বারংবার ফোন করলে তিনি সংবাদ মাধ্যমের phone রিসিভ করেননি।
বাঁকুড়ায় জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা নাগাদ বাঁকুড়া জেলা সংশোধনাগারে হাজির হন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারের নেতৃত্বে ১০ জনের প্রতিনিধিধল। বাঁকুড়া জেলা সংশোধনাগারের ভিতরে ঢুকে জলের মধ্যে থাকা মহিলা ও পুরুষ কয়েদীদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি জেলের মধ্যে সব ধরনের বিষয় খতিয়ে দেখেন তারা। ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য জানান, অনান্য জেলার শংশোধনাগারের তুলনায় বাঁকুড়া সংশোধনাগারের সব ধরনের ব্যবস্থা খুব ভালো। কয়েদীদের খাবার দাবার থেকে নানান পরিষেবা নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি মহিলা কমিশনের সদস্যা জানান, পারিবারিক বিবাদে খুন এই বিষয়গুলোর দিকে একটু বেশী দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। খুনের আগে যাতে প্রশাসনিক ভাবে পদক্ষেপ নিয়ে এই বিষয়গুলো একটু এড়ানো যায় সেই দিকে নজর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। এছাড়াও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এদিন জেলা সংশোধনাগার পরিদর্শন করে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ পরিদর্শনে যান প্রতিনিধি দলটি।
দেশের বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বাঁকুড়ার জয়পুরে মিছিল, আর সেই মিছিলে পায়ে পা মেলাতে উপচে পড়লো জনসাধারণের ভিড়
“সবার হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথের চেতনা, নজরুল । মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান ” মুসলিম তার নয়ন মনি হিন্দু তাহার প্রান । এই প্রবাদ বাক্যকে সামনে রেখে রবিবার বিকেলে জয়পুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসে পক্ষ থেকে দেশের বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। আর সেই মিছিলে পরিণত হলো মহা মিছিলে। ছয় থেকে সাত হাজার হাজার সাধারণ মানুষের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে এদিন জয়পুর ব্লকের রাজশোল এলাকা থেকে এই মিছিল শুরু করে জয়পুর বিডিও অফিস পর্যন্ত এই মিছিল করা হয়। অরাজনৈতিকভাবে প্রত্যেকটি মানুষের হাতে দেশের গর্ব দেশের সম্মান দেশকে আগেই নিয়ে যাওয়ার যে পতাকা, সেই তিরঙ্গা পতাকা নিয়েই মিছিলে হাটলেন সকলেই। প্রত্যেকেই ভারতীয় সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান জানিয়ে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলেই ৮ থেকে ৮০ সকলে । মিছিল শেষে জয়পুর বিডিও অফিস সংলগ্ন একটি স্থানে দেশের বিভিন্ন মনিষী থেকে শুরু করে হিন্দু ,মুসলিম ,বৌদ্ধ জৈন ,খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষদের পুস্তবক এবং উত্তরীয় পরিয়ে শ্রদ্ধা জানান জয়পুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কৌশিক বটব্যাল, জাকির খান সঙ্গীতা মালিক শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি মাম্পি দে দিলীপ খা ও বাবর আলী টোটাল সহ একাধিক নেতৃত্ব সহ বিভিন্ন সাধারণ মানুষজন এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।
এই সাল বিজ কেন বিক্রি হচ্ছে, কারা কিনছে,কেনই বা কিনছে?
জঙ্গলের শাল বীজ বিক্রি করেও অর্থ উপার্জন করছেন বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা। জঙ্গলমহল তথা জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের মানুষের মরসুমী আয়েরও এক উৎস। বৈশাখের শুরুতেই প্রখর রোদে শাল গাছের বীজ পেকে যায়। ফলে গাছ থেকে পড়ে। আর জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা রুজি রুটির টানে আর সেগুলোকে বিক্রি করে রোজকারের পথ বেছে নিয়েছে। আগে এক কেজি শাল বীজ বিক্রি করে তিন কেজি লবন পাওয়া যেত ল্যাম্পসের মাধ্যমে। তবে এখন সেখানে এই বীজ আর কেনা হয় না, বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা এসে বীজ গুলো কিনে নিয়ে যায়।শাল গাছের বীজ অনেকের কাছে ‘শাল বীজ’ আবার অনেকের কাছে ‘শালুই’ নামে পরিচিত। এই বীজ থেকে তেল উৎপন্ন হয়, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগে। সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষ দিক থেকে তা পেকে পড়তে শুরু করে মাটিতে। এটা পাওয়া যায় সাধারণত আষাড় মাসের প্রথম দিক পর্যন্ত। জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের মানুষ সেই বীজকে কুড়িয়ে নিয়ে আসেন জঙ্গল থেকে। এরপর ওই বীজের স্তুপে আগুন লাগিয়ে দেন। ফলে বাইরের অংশ পুড়ে যায়। তারপর সেগুলো রাস্তার উপর মেলে দেওয়া হয়। বেশ কিছুক্ষন রোদ পাওয়ার পর ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে বীজের ভেতরের দানা বের করা হয়। সেই বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন। এর দাম অবশ্য চাহিদার উপর বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন রকম হয়।
বাঁকুড়ায় বার বার হাতির হামলা। এবার হাতির হামলায় ভাঙলো পাকা বাড়ি সহ মাটির বাড়ি, তবে হতাহতের কোন খবর নেই।
আবারো হাতির দলের তাণ্ডব বাঁকুড়ার বড়জোড়ার গ্রামে,। বারবার হাতির তাণ্ডবে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীরা। ঘুম নেই জঙ্গল লাগোয়া একাধিক গ্রামের মানুষদের।
আবারো বৃহস্পতিবার রাতে ৫টি হাতির একটি দল খাঁড়ারী গ্রাম পঞ্চায়েতের লালবাজার গ্রামে হামলা চালায়। গ্রামবাসীদের তরফে দাবি করা হয়েছে হাতির আক্রমনে একটি কাঁচা বাড়ি সহ একটি পাকা পাঁচিল হাতির দলটি ভেঙে ফেলে । এই ঘটনায় রীতিমত আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা । রাতভর ঘুম নেই গ্রামবাসীদের গ্রামের মানুষরা সম্মিলিত হয়ে হাতির দলটিকে জঙ্গলে পাঠান।। বন আধিকারিক ঋত্বিক দে জানিয়েছেন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে । তবে প্রশ্ন উঠছে এ হাতির আক্রমণ নিয়ে। বারবার কেন ফরেস্টের চোখ কে ফাঁকি দিয়ে গ্রামের ভিতরে হাতির দল প্রবেশ করছে এবং বারবার ক্ষয় ক্ষতি করছে কেন আগলে রাখতে পারছে না বনদপ্তর। তবে এলাকার মানুষের দাবি জঙ্গলের ভিতরে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার খেতে পারছে না এই হাতির দল। তাই বারবার এই হাতির দল গ্রামের দিকে প্রবেশ করছে খাবারের সন্ধানে। এবং বনদপ্তরের গাফিলতিতে বার বার সর্বস্বান্ত হচ্ছেন গ্রামবাসীরা কারোর ঘর ভাঙছে কারোর ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে ওর হাতির হানায় অনেকের প্রাণও যাচ্ছে তারা ঠিকঠাক নজরদারি না করার জন্যই। তবে এই মুহূর্তে বন দফতর সূত্রে খবর বাঁকুড়ার বড়জোড়া রেঞ্জে বড়জোড়াতে হাতির সংখ্যা -৪টি,দক্ষিণ সরাগড়া-২০টি,উত্তর সরাগড়া-২টি,জি.ঘাঁটি বড়জুড়ি-২টি,রাধানগর ইচ্ছারিয়া-১৪টি,বেলিয়াতো শালুকা-২টি,কাঁটাবেন্স-২টি, লাদুনীয়া-১৭টি,সোনামুখী গোঁসাইবাঁধ-৫টি,হাতি ইতিমধ্যে রয়েছে। চলুন কি বলছেন গ্রামের মানুষ শোনাবো আপনাদের।
দিব্যি রাস্তায় বসে রয়েছে বাগরোল অসুস্থ ভেবে ধরতে গিয়ে কামড় দিল দুজনকে, হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। দুর্গাপুরের রাস্তায় বসে বাগরোল। অসুস্থ ভেবে অনেকে গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাছ থেকে দেখলেও বাগরোল। অনেকে ভেবেছিলেন অসুস্থ আর অসুস্থ ভেবে উদ্ধার করতে এসে বাগরলের কামড়ে আক্রান্ত হতে হল বনদপ্তরের কর্মীকে, আক্রান্ত হলো আরও এক স্থানীয় যুবক। হইচই পড়ে গেল এলাকা জুড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার লাগোয়া কলাবাগান বস্তি হয়ে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ঘটনা ।। বাইক এবং চারচাকা থামিয়ে এই বন্যপ্রাণীকে দেখতে ভিড় জমান অনেকে। স্থানীয়রাও ভিড় জমান। খবর দেওয়া হয় দুর্গাপুর বনবিভাগে। বনদপ্তরের কর্মীরা জাল ফেলে বাগরোলটিকে ধরার চেষ্টা করে। তখনই বনদপ্তরের কর্মী পঙ্কজ রায়ের হাতে কামড় বসায় ওই বাগরোলটি। ধরানো নখে যখন হয় স্থানীয় এক যুবক রাহুল বাউড়িও। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বনদপ্তরের জালে ধরা পড়ে। বনদপ্তরের কর্মী পঙ্কজ রায় বলেন,”এই জঙ্গলে বিলুপ্তপ্রায় বহু বন্যপ্রাণী রয়েছে। তাঁরা খবর পেয়ে বাগরোলটিকে উদ্ধার করতে আসেন। উদ্ধার করতে গিয়ে তিনি এবং স্থানীয় এক যুবক জখম হন বাঘরোলের কামড়ে এবং ধারালো নখে। কোনক্রমে উদ্ধার করে বনবিভাগে নিয়ে যান। বাঘরোলটি অসুস্থ কিনা শারীরিক পরীক্ষা করে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সাত সকালে এক গৃহ বধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধ, আর এই মৃতদেহ উদ্ধারকে গিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। কোতুলপুর ব্লকের মদনমোহন পুর এলাকায় এক গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে তোলপাড় এলাকা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওই গৃহবধূর বাড়ির লোকের, জানা যায় বাঁকুড়ার কোতুলপুর ব্লকের মদনমোহন পুর গৌর কলোনী এলাকার মাঠে এক গৃহবধূকে খুন করে পুকুর পাড়ে পরে থাকতে দেখেন এলাকার স্থানীয় মানুষজন ,খবর দেওয়া হয় কোতুলপুর থানায়, কোতুলপুর থানার পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুতদার সাথে ওই এলাকায় গিয়ে পৌঁছায় এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে। তবে ওই মৃত গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকের অভিযোগ তাদের মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে পুকুরপাড়ে ফেলিয়ে দিয়েছে। তবে কে বা কারা করেছে জানা নেই পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন যাতে করে উপযুক্ত দোষী কঠিন তম শাস্তি পায়। কি বলছেন বাড়ির লোক সব আপনাদের।
হেতীয়া গ্রামথেকে গত 4- দিন ধরে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে জয়পুর কিষাণমন্ডিতে আগলে রেখে তার বাড়ির লোকের হাতে তুলে দিলেন জয়পুরের যুবকেরা। জানা যায় গত কয়েকদিন ধরে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ঠাকুর মন্দির যাব বলে বের হন মানসিক ভারসাম্যহীন শীতল নন্দী, আর তারপর থেকেই খোঁজ পাচ্ছিল না বাড়ির লোক, গত তিনদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর গতকাল বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর থানার হেতিয়া ফারির পুলিশের দ্বারস্থ হন বাড়ির লোক,সেই খবর আমাদের চ্যানেলের প্রতিনিধি রঞ্জিত কুন্ডুর কাছে খবর আসতেই খবর আসার সাথে সাথেই ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে হেতিয়া অঞ্চলের ভিলেজ পুলিশ সিদ্ধার্থ গাঙ্গুলীকে খবর দেয়া হয়। তিনি সাথে সাথেই তার বাড়ির লোককে খবর দেন আর খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে আসেন বাঁকুড়ার জয়পুর কিষাণমন্ডিতে এবং তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। ওই মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির সম্বন্ধি তিনি বলেন মাঝেমধ্যেই তার মাথার প্রবলেম দেখা দেয় দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা। এই সমস্যা সব সময়ের জন্য নয়, মাথার প্রবলেম দেখা দিলেই হেতিয়া বাজারে ঘুরে বেড়ান। আবারো বাড়ি চলে আসে এই সমস্যা ওনার একার নন স্ত্রী মেয়ে সহ সকলের মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই তিনি জানান। আবারও তার জামাইবাবুকে ফিরে পেয়ে ধন্যবাদ জানান হেতিয়া অঞ্চলের ভিলেজ পুলিশ সিদ্ধার্থ কে ও এলাকার মানুষকে যারা খবর দিয়েছিলেন সকলকে। কি বলছেন ওই মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির সম্বন্ধি চিত্তরঞ্জন চৌধুরী চলুন সোনাব আপনাদের। বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।