Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • এবি ভিপির ডাকা ডিএম অফিস অভিযানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি, শেষে আটক ৮ সদস্য, কোথায় এমন ঘটল ঘটনা দেখুন বিস্তারিত।

    এবি ভিপির ডাকা ডিএম অফিস অভিযানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি, শেষে আটক ৮ সদস্য, কোথায় এমন ঘটল ঘটনা দেখুন বিস্তারিত।

    WBJEE ফলাফল ও ভর্তি দাবিতে ABVP-র আন্দোলনে পুলিশের গুন্ডামী! আটক ৮ ABVP সদস্য।

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)-এর ডাকা DM অফিস অভিযান ঘিরে উত্তেজনা বাঁকুড়ায়। WBJEE পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও কলেজে দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার দাবিতে আজ ABVP কর্মীরা বাঁকুড়া জেলা শাসকের দফতরে অভিযানে সামিল হন।

    কিন্তু জেলা শাসকের অফিস চত্তরে ঢোকার মুখেই পুলিশ তাদের বাধা দেয়। অভিযোগ, মিছিল আটকাতে গিয়ে পুলিশের সাথে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশ আটজন আন্দোলনকারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি না শুনে সরকার প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলন দমন করতে চাইছে। পুলিশের এই ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ABVP।

    উল্লেখ্য, WBJEE পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই জট তৈরি হয়েছে। এদিনের ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ল।

  • বাঁকুড়ার জয়পুরে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। চিন্তিত ব্লক প্রশাসন,তাই গাপপী মাছ ছেড়ে ডেঙ্গু মশার লাভা নিধনযোগ্যে নামলো প্রশাসন।

    বাঁকুড়ার জয়পুরে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। চিন্তিত ব্লক প্রশাসন,তাই গাপপী মাছ ছেড়ে ডেঙ্গু মশার লাভা নিধনযোগ্যে নামলো প্রশাসন।

    বাঁকুড়ার জয়পুরে বাড়ছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, তাই জমা জলে গাভটি পনা ছেড়ে রোগ দমনে ব্লক প্রশাসন।

    জয়পুর ব্লক প্রশাসন ও জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে নটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকার জমা জলে ও ড্রেনে,পুকুর ডোবাতে ছাড়া হলো গাপ্পি মাছ। ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন মশা জনিত রোগ নিধন যজ্ঞে নামলো ব্লক প্রশাসন।

    বাঁকুড়ার সোনামুখী ডিহি পাড়া মোনালিসা সংঘ সমবায় সমিতির লিমিটেডের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের চাষ করা পুকুরের গাপ্পি মাছের ২৫ হাজার চারা বিলি করা হলো জয়পুরে।


    প্রায় প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত কে দেয়া হলো ২৮০০ পিস গাপটি মাছের চারা। এই মাছ সাধারণত মশার লাভা খেয়ে মশার বংশ নির্বংশ করে ছাড়ে।


    তাই বিভিন্ন ডোবা-খাল বিল ড্রেনে ছাড়া হল এই গাপ্পি মাছ। এই মাছের সাহায্যে ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ার মশার লাভা খুব শীঘ্রই নিধন হবে এমনটাই মনে করছেন ব্লক প্রশাসন।

    এই মাছের পোনা প্রথমে ছাড়া হয় বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর থানাতে তারপর দেওয়া হয় জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এলাকার ডোবাতে।


    নিজেদের হাতে এই মাছের পোনা ছাড়লেন জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অঙ্কন কুন্ডু ও জয়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৌশিক হাজরা। এই মাছের পোনা ছেড়ে দিলেন সচেতনতার বার্তা এই মাছের চারার সাহায্যে অনেকটাই দমন হবে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ বহনকারী মশা।

    গাপ্পি মাছের চারা বিলি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জয়পুর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি থেকে শুরু করে একাধিক কর্মাধ্যক্ষ ও স্বাস্থ্য ও স্বয়ম্বর গোষ্ঠীর মহিলারা সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।


    কি জানাচ্ছেন সহ-সভাপতি ও জয়পুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ একাধিক ব্যক্তি তারা ঠিক কি জানাচ্ছেন চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসের দিনে কেন এভাবে দিনটি পালন করলো বাঁকুড়া  ভিডিও ভিডিও ও স্টিল ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশন, দেখুন তাহলে।

    বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসের দিনে কেন এভাবে দিনটি পালন করলো বাঁকুড়া ভিডিও ভিডিও ও স্টিল ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশন, দেখুন তাহলে।

    আজ বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস আর সেই দিবস উপলক্ষে বাঁকুড়া ভিডিও এন্ড স্টিল ফটোগ্রাফি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস পালন বাঁকুড়া জয়পুরে।

    যাদের ক্যামেরার ছবিতে ফ্রেমবন্দি করে আপনার ছবি তাদেরও এবার অভিনব উদ্যোগ তাদের ছবি তুলে ধরলাম এবার আমরা।
    তারাও বুঝেন বিশ্বে বাড়ছে বিশ্ব উষ্ণায়ন, পরিবর্তন হচ্ছে আবহাওয়া। তাই তারা বিশ্ব উষ্ণায়নকে রোধ করতে এবং এলাকার সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দিতে অভিনব উদ্যোগ দেখা গেল বাঁকুড়ার জয়পুরে।
    করলেন বৃক্ষরোপোন ও বৃক্ষদান কর্মসূচি।

    একটাই উদ্দেশ্য একটাই দান, গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান।

    আর এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জয়পুর বনদপ্তর এর ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা দাস ও জয়পুর থানার সেকেন্ড ইনচার্জ আবির কুমার পাইন ও জয়পুর বি ডি ও স্যার দেবজ্যোতি পাত্র মহাশয়ের প্রতিনিধি মুজিবর কাজী ও বাঁকুড়া জেলা বিশিষ্ট বরশিয়ান সাংবাদিক গোপাল রায় সহ জয়পুর ও কোতুলপুর ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার বহু জনগণ তাদের প্রত্যেককে চন্দনের ফোটা ও একটি করে গাছ উপহার দেয়া হয়। এবং বার্তা দেয়া হয় গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান।

    এই অনুষ্ঠানকে নিয়ে কি জানাচ্ছেন জয়পুর বনদপ্তরের রেঞ্জ অফিসার দুর্গাদাস ও জয়পুর বিডিও স্যার এর প্রতিনিধী মুজিবর কাজী চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের তৎপর্য আর দশটি গ্রামের কালুয়া ফিরে এলো গ্রামে খুশি গ্রামবাসীরা, কে এই কালুয়া ?দেখুন বিস্তারিত

    গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের তৎপর্য আর দশটি গ্রামের কালুয়া ফিরে এলো গ্রামে খুশি গ্রামবাসীরা, কে এই কালুয়া ?দেখুন বিস্তারিত

    সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: রঞ্জিত কুন্ডু

    আট-দশটি গ্রাম দাপিয়ে বেড়াত ‘কালু’। কারও কোনও ক্ষতি করত না। ভালোবেসে যে যা খাওয়াতেন, সেটাই খেত। সবার বড্ড মায়া পড়ে গিয়েছিল তার উপর। সেই ‘কালু’কে কি না ধরে বেঁধে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে হাটে। তার দামও উঠেছে বিস্তর—প্রায় ৫০ হাজার টাকা!


    ঘটনাটি আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে ‘কালু’র অবাধ বিচরণ ভূমিতে। প্রতিটি গ্রামের মানুষের জোট বেঁধে হাজির হন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে। সবাই দাবি জানাতে থাকেন, যে ভাবেই হোক তাঁদের প্রিয় ‘কালু’ ফিরিয়ে আনতে হবে। শেষে প্রধানের হস্তক্ষেপে ‘কালু’কে বর্ধমানের হাট থেকে ফিরিয়ে আনা হল। তাতে বেজায় খুশি ওই আট-দশটি গ্রামের বাসিন্দারা। ঘটনা ঘটেছে সোনামুখীর মানিকবাজার গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তর্গত কৃষ্ণবাটি এলাকায়।


    ‘কালু’ আসলে একটি ষাঁড়। সে পাত্রসায়রের বীরসিংহ থেকে শুরু করে সোনামুখীর মানিকবাজার গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরে বেড়াত। গ্রামের বাসিন্দারাও তাঁকে শিবের বাহন হিসেবে ঠাকুরের ষাঁড় বলে মান্য করতেন। অভিযোগ, ক’দিন আগে কৃষ্ণবাটি গ্রাম থেকে ‘কালু’কে একটি লরিতে উঠিয়ে নিয়ে যেতে দেখে স্থানীয় কিছু যুবক। তাঁরা প্রতিবাদও করেন। যদিও তাঁদের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করে কয়েকজন গোরু ব্যবসায়ী ‘কালু’কে নিয়ে চলে যায়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। তাঁরা দলবেঁধে এর বিহিত চেয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের দ্বারস্থ হন।
    কৃষ্ণবাটি গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, ঠাকুরের ষাঁড় ভেবে ‘কালু’কে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই যত্ন করে খাবার দিয়ে আসছি। কিন্তু, বেশ কিছুদিন ধরে ‘কালু’ অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দেয়। মানুষজনকে তেড়ে মারতে আসছিল। কালুর গুঁতোয় ইতিমধ্যে কয়েকজন জখমও হয়েছেন। জমির ফসলও নষ্ট করছিল। সেজন্য গ্রামের সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে কালুকে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। যদিও এনিয়ে আপত্তি ওঠায় কালুকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে প্রধানের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
    মানিকবাজার গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান প্রদীপ মাল বলেন, ‘কারও ব্যক্তি মালিকানাধীন না হওয়া সত্বেও কালুকে বিক্রি করা হয়েছে। এনিয়ে অভিযোগ আসে। সোশাল মিডিয়াতেও এনিয়ে সমালোচনা হয়। তারপরেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ব্যবসায়ীরা কালুকে বর্ধমানের কোনও একটি হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে কালুকে আমার গ্রাম নারায়নসুন্দরীতে রাখা হয়েছে। তাকে কোনও গোশালায় রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’


    গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, কালু পাত্রসায়রের বীরসিংহ গ্রামে ছিল। সেখান থেকে এলাকার বিভিন্ন গ্রামে সে ঘুরে বেড়াত। ঠাকুরের ষাঁড় ভেবে তাকে সকলেই খাবার দিত। এভাবেই বিভিন্ন গ্রামে ঘুরতে ঘুরতে কিছুদিন আগে সে কৃষ্ণবাটি গ্রামে চলে আসে। সেখানকার মানুষজনও তাকে যত্ম করত। কালু ইদানীং কৃষ্ণবাটি গ্রামেই বেশি সময় থাকছিল। কিন্তু হঠাৎ করে কালুকে গোরু ব্যবসায়ীরা লরিতে চাপিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কালুকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে গ্রামবাসীদেরকে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তাঁরা আমল দেননি। তাই প্রধানের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে কালুকে বর্ধমানের হাট
    থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা
    করেছেন

  • স্থানীয় এলাকায় পূজা সেড়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল এক পুরোহিতের। কোথায় ঘুটল এই মর্মান্তিক ঘটনা দেখুন বিস্তারিত।

    স্থানীয় এলাকায় পূজা সেড়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল এক পুরোহিতের। কোথায় ঘুটল এই মর্মান্তিক ঘটনা দেখুন বিস্তারিত।

    স্থানীয় এলাকায় পুজো সেরে রাস্তা পার হতে গিয়ে ১২ চাকা লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল এক পুরোহিতের।

    আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি বাঁকুড়ার কোতুলপুর কোপার মোড় সংলগ্ন এলাকায় ১২ চাকা লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল বছর ষাটের এক ব্যক্তির। মৃত ব্যক্তির নাম রাসবিহারী চক্রবর্তী বাড়ি কোতুলপুর থানার গোগরা গ্রামে বলেই খবর। ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ।


    স্থানীয় সূত্রে খবর বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার গোগরা বাইপাস মোড় এর কাছে এক ব্যক্তি সাইকেল রেখে রাস্তা পার হচ্ছিলেন, সেই সময় একটি ১২ চাকা লরি সজোরে ধাক্কা মারে। সাথে সাথেই লুটিয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। সাথে সাথেই ছুটে আছেন এলাকার মানুষজন, খবর দেওয়া হয় কোতুলপুর থানায়, কোতুলপুর থানার পুলিশ দ্রুত এসে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।


    পরে ওই দেহটিকে কোতুলপুর থানায় নিয়ে যায়, সাথে কোতুলপুর থানার পুলিশ ওই ঘটক লরিটিকে আটক করে এবং কোতুলপুর থানায় নিয়ে যায়।

    কিভাবে ঘটল দুর্ঘটনা তা তদন্ত করছে কোতুলপুর থানার পুলিশ। কি জানাচ্ছেন স্থানীয় মানুষজন চলুন শোনাবো আপনাদের।।

  • আজ স্বাধীনতা দিবস থেকে ফের বাঁকুড়ায় সত্যিই কি সক্রিয় হচ্ছে মাওবাদী, পড়লো প্রতিশোধ নেবার পোস্টার, বন্ধ পালন না করলে মৃত্যুদণ্ড।

    আজ স্বাধীনতা দিবস থেকে ফের বাঁকুড়ায় সত্যিই কি সক্রিয় হচ্ছে মাওবাদী, পড়লো প্রতিশোধ নেবার পোস্টার, বন্ধ পালন না করলে মৃত্যুদণ্ড।

    আজ স্বাধীনতা দিবসের দিন আবারো মাওবাদী আতঙ্ক শুরু হল বাঁকুড়ায়, পড়লো প্রতিশোধের পোস্টার। আতঙ্কে বাঁকুড়ার মানুষ।

    নিহত মাওবাদী নেতা কিষানজী ও সিধুর বদলা নিতে মাঠে নামছে মাওবাদীরা।
    আগামীকাল ১৬ই আগস্ট বন্ধের ডাক দিয়েছে মাওবাদী, বন্ধ না মানলে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হুমকি, শুধু তাই নয় মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোস ও বিকাশের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে পোস্টারে।
    আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি, তবে কি এবার ফের সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গলমহলে মাওবাদী ?
    আজ সকালের মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারে নতুন করে আতঙ্ক ছড়ালো বাঁকুড়ায়।

    সত্যিই কি মাওবাদী লেখা পোস্টার নাকি রয়েছে অন্য কোন রাজনৈতিক রহস্য। তবে পোস্টার এর শেষ লাইনে লেখা সিপিআই মাওবাদী। তবে বিষয়টি স্থানীয় মানুষজন পুলিশকে জানিয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এসে ওই মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সত্যিই কি এই পোস্টারের সঙ্গে মাওবাদীর যোগ, নাকি অন্য কোন রহস্য রয়েছে লুকিয়ে ।

    তা তদন্ত করছে পুলিশ, তবে জেলা পুলিশের ধারণা স্থানীয় কেউ আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এই কাজ করে থাকতে পারে ।


    তবে যাই ঘটুক না কেন তদন্ত শুরু করেছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।।

  • এবারে আর কেউ মার খেয়ে বাড়ি আসবেন না এবার মার দেবার পালা বাঁকুড়ায় ফের এসে মহাগুরুর বিতর্কিত মন্তব্য  তে হইচই এলাকা।

    এবারে আর কেউ মার খেয়ে বাড়ি আসবেন না এবার মার দেবার পালা বাঁকুড়ায় ফের এসে মহাগুরুর বিতর্কিত মন্তব্য তে হইচই এলাকা।

    “এবারে তৃনমূলের বিসর্জন অনিবার্য,

    মার খেয়ে বাড়ি আসবেন না। অনেক মার খেয়েছি এবার দেবার পালা” – বাঁকুড়ার মালিয়াড়ায় দলের কর্মীদের নিদান মিঠুন চক্রবর্তীর, পাল্টা কটাক্ষ তৃনমূলের

    আজ বাঁকুড়া জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচী নিয়ে সফরে আসেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। প্রথমে বাঁকুড়ার একটি বেসরকারি লজে দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করেন। এরপরই তিনি চলে যান বড়জোড়া ব্লকের মালিয়াড়া গ্রামে। সেখানে বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার কর্মীদের নিয়ে সম্মেলন করেন মিঠুন চক্রবর্তী। সম্মেলন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে দলের কর্মীদের কয়েক দফা কাজের ইস্তেহার বেঁধে দেন মিঠুন।

    সেখানেই বক্তব্য রাখার ফাঁকে মিঠুন চক্রবর্তী দলের কর্মীদের সমস্ত মনোমালিন্য ও বিদ্বেষ মুছে অন্তত নির্বাচন পর্যন্ত একসাথে লড়াই করার বার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা যদি একসাথে লড়ি তাহলে আমরা জিতবো”। এরপরই দলীয় কর্মীদের নিদান দিয়ে মিঠুন বলেন, “মার খেয়ে বাড়ি আসবেন না। ওরা যেভাবে ব্যবহার করবে আমরাও সেভাবে ওদের সাথে ব্যবহার করব। এতদিন তো আমরাই মার খেয়ে এলাম। এবার দেওয়ার পালা”। বক্তব্যের শেষে মিঠুন এদিনের উপস্থিত কর্মীদের মন রাখতে জনপ্রিয় তুফান সিনেমার ডায়লগ দেন। কিন্তু সেই ডায়লগের মধ্য দিয়েও কী মিঠুন চক্রবর্তী হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন রাজ্যের শাসক দলকে? অন্তত তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    তৃনমূলের দাবি অভিনেতার সিনেমার ডায়লগ আর কেউ শুনতে চাইছে না। নিজের পরিবারকে বাঁচাতে তিনি এখন বিজেপিতে গেছেন। মিঠুন চক্রবর্তীর ডায়লগের পাল্টা তৃনমূলের দাবি তুফান হোক বা বন্যা তা মোকাবিলা করার ক্ষমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আছে।

    স্টেজ স্পিচ – মিঠুন চক্রবর্তী
    বাইট :- অলোক মুখোপাধ্যায় ( তৃনমূল বিধায়ক, বড়জোড়া)

  • জয়পুর সার্বজনীন রাস্তাধার দুর্গা উৎসব কমিটির ৪১ তম খুঁটি পুজা, আর কিছুদিনের মধ্যেই মেতে উঠবে জয়পুর।

    জয়পুর সার্বজনীন রাস্তাধার দুর্গা উৎসব কমিটির ৪১ তম খুঁটি পুজা, আর কিছুদিনের মধ্যেই মেতে উঠবে জয়পুর।

    আজ খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে শুরু দূর্গা পূজার সূচনা,

    মা আসছেন,আর বেশি দেরি নেই ঘরের মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে আসতে, মা আসার খুশিতে প্রতি বছরের মত কিছুদিনের মধ্যেই সেজে উঠবে জয়পুর।।

    দুর্গাপূজা কমিটির সদস্য সহ এলাকার মানুষের উপস্থিতিতে নারকেল ফাটিয়ে খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হল ৪১ তম জয়পুর রাস্তা ধর সর্বজনীন দুর্গা উৎসব কমিটির পূজার সূচনা।
    এই পূজার সূচনা হয়েছিল আজ থেকে ৪০ বছর আগে রাস্তার ধারে, তখন জয়পুরে এত দোকানদানি জন বসতি ছিল না ছিল মাত্র গুটিকয়েক দোকান ও মানুষজন, আর সেই গুটিকয়েক মানুষের চেষ্টাই শুরু হয়েছিল পূজা।
    তখন থেকে আজও চালিয়ে আসছেন এই পূজা কমিটির উদ্যোক্তারা। পান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া অর্থ সাহায্য। এবারের পূজায়, এক লক্ষ দশ হাজার টাকা সরকার থেকে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করায় খুশি কমিটির সদস্যরা।

    দুর্গাপূজায় প্রতিদিনই চলবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ চমক থাকবে এই পূজাতে এমনটাই জানান জয়পুর রাস্তা ধরার সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সদস্যরা।

    কি জানাচ্ছেন আজকের এই খুঁটি পূজা কে নিয়ে চলুন শোনাবো আপনাদের।।

  • এ এক অন্যরকম রাখি উৎসব বনদপ্তরের, গাছেদের রাখি পড়িয়ে ভাই-বোনেদের বাঁচানোর বার্তায় বনদপ্তর ভাবছেন তো-কেন ভাই বোন বললাম দেখুন বিস্তারিত।

    এ এক অন্যরকম রাখি উৎসব বনদপ্তরের, গাছেদের রাখি পড়িয়ে ভাই-বোনেদের বাঁচানোর বার্তায় বনদপ্তর ভাবছেন তো-কেন ভাই বোন বললাম দেখুন বিস্তারিত।

    জয়পুরে গাছেদের রাখি বেঁধে পরিবেশ রক্ষার বার্তা বনবিভাগের।

    রাখি বন্ধন উৎসব মানেই একে অপরের হাতে রাখি বেঁধে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে দৃঢ় করার দিন। তবে বাঁকুড়ার জয়পুরে এবার পালন করা হল একেবারে অন্য রকম রাখি বন্ধন। জয়পুর রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় অভিনব উৎসবের, যেখানে স্কুলের পড়ুয়ারা গাছেদের রাখি বেঁধে পরিবেশ রক্ষার শপথ নেয়। বনবিভাগের এই অনন্য উদ্যোগের মূল বার্তা “গাছ বাঁচান, প্রাণ বাঁচান”।

    অনুষ্ঠানে বনকর্মীরা জানান, গাছ আমাদের প্রকৃত বন্ধু। গাছ বাঁচলে বাঁচবে মানুষসহ সমস্ত প্রাণীজগৎ। তাই গাছের প্রতি জন্মাতে হবে ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক। এদিন শুধুমাত্র গাছেই রাখি পরানো হয়নি, পথচলতি মানুষদের হাতেও রাখি বেঁধে মিষ্টিমুখ করানো হয়। সাথে উপহার হিসেবে দেওয়া হয় চারা গাছ, যাতে সকলেই গাছ লাগানোর ও পরিচর্যার অভ্যাস গড়ে তোলেন।

    শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সাথে অংশ নিয়ে জানান, এই ধরনের আয়োজন তাদের মনে পরিবেশের প্রতি আরও সচেতনতা তৈরি করেছে। বনবিভাগ আশা প্রকাশ করেছে, এই উদ্যোগ মানুষের মনে গাছের প্রতি ভালোবাসা ও সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং প্রকৃতি রক্ষায় সবাইকে একত্রিত করবে।

    বাইট:
    1) দুর্গা শংকর দাস (রেঞ্জার, জয়পুর রেঞ্জ)
    2) প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী (শিক্ষিকা)
    3) ঈশিতা ঘোষ (ছাত্রী)

  • বর্ষার বৃষ্টির জলে নদী নালা খানাখন্দে মাছ ধরতে যান খুব সাবধান, দেখুন মাছ ধরতে গিয়ে জালে কি পড়লো,তারপর মাঝির কি অবস্থা দেখুন বিস্তারিত।

    বর্ষার বৃষ্টির জলে নদী নালা খানাখন্দে মাছ ধরতে যান খুব সাবধান, দেখুন মাছ ধরতে গিয়ে জালে কি পড়লো,তারপর মাঝির কি অবস্থা দেখুন বিস্তারিত।

    এই বর্ষায় নদী খালে ডোবায় পুকুরে জালে মাছ ধরতে জান, এক্ষুনি সাবধান হয়ে যান,

    না হলেই বড় বিপদ আপনার জন্য ওত পেতে বসে আছে। হয়ে যাবেন এক ছোবলে ছবি।
    কেন বলছি এ কথাটা নিশ্চয়ই ভাবছেন তো। শুনুন তাহলে, মাছ ধরা নেশায় গতকাল রাত্রিবেলায় এক মাঝি ক্যানেলের জলে রেখে এসেছিলেন জাল, ভেবেছিলেন প্রচুর মাছ পড়বে ঘুগি জালে।

    শেষে মাছ ধরা জাল আনতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ। মাছ ধরার জালে পড়েছে বিশাল আকার দু-দুটির কেলে খরিশ সাপ।
    দুদুটি বিষধর সাপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন মাছ ধরতে যাওয়া ব্যক্তি গোপাল মাঝি, মাছের জালে বিষধর কেলে খরিশ সাপ দেখেয় চোখ কপালে, কোন কারণবশত মাছের জালে যদি হাত পড়ে যেত তাহলেই ঘটে যেত অঘটন। আজ সকালে এমন ঘটনার সাক্ষী থাকলো বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের নবাসন খিরদিঘির পার এলাকায় মানুষ ।

    দুই বিষধর সাপ দেখে খবর দেওয়া হয় জয়পুর বন দপ্তরকে, দ্রুত বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জল থেকে ওই ঘুঘী জালকে তুলে নিয়ে আসে পাড়ে, আর নিয়ে আসতেই সাপ দেখতে ভিড় জমান এলাকার মানুষ।

    সেই বিষধর সাপ দুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে বনদপ্তরের কর্মীরা এবং ছেড়ে দেয়া হয় জয়পুর গভীর জঙ্গলে। আপনারা দেখছেন সেই ছবি আপনারা দেখতে থাকুন বিসিএন বাংলা।