Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • বাঙালি ইস্যুতে বিজেপি নেতাদের হুঁশিয়ারি দিলেন জয়পুরে, কি এমন বললেন যে হইচই পড়ে গেল এলাকায়,দেখুন বিস্তারিত।

    বাঙালি ইস্যুতে বিজেপি নেতাদের হুঁশিয়ারি দিলেন জয়পুরে, কি এমন বললেন যে হইচই পড়ে গেল এলাকায়,দেখুন বিস্তারিত।

    বাঙালী ইস্যুতে বিজেপি নেতাদের হুংকার তৃণমূল সভাপতির। ভিন রাজ্যে বিষ্ণুপুরের বাঙালীর উপর অত্যাচার হলে বিজেপির নেতাদের ঘর থেকে বেরোতে না দেওয়ার হুশিয়ারি তৃণমূল জেলা সভাপতির। অনুব্রত হতে যেও না কটাক্ষ বিজেপি সাংসদের।

    বাঙালী ইস্যুতে বিজেপি নেতাদের হুশিয়ারি বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতির। ভারতবর্ষের কোন রাজ্যে বিষ্ণুপুরের কোন বাঙালীর উপর অত্যাচার হলে বিষ্ণুপুরের বিজেপি নেতাদের বাড়ি থেকে বেরোতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি পাশাপাশি বিজেপি নেতাদের জনজীবন বিপর্য্যস্ত করে দেওয়ার হুংকার বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতির। জয়পুরে ২১ জুলাই এর প্রস্তুতি সভা থেকে বিজেপি সাংসদ ও নেতাদের উদ্দেশ্যে এমন কড়া হুংকার দিলেন তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্ত। তৃণমূল সভাপতির এই বক্তব্যকে পালটা কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

    একের পর এক বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালীর উপর আক্রমন করা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে তৃণমূল। বুধবার বাঙলী ইস্যুতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার রাজপথের পাশাপাশি জেলায় জেলায় বাঙালীর উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার বাঙলী ইস্যুতে একাধাপ এগিয়ে বিজেপি সাংসদ ও নেতাদের কড়া হুশিয়ারি তৃণমূল বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুব্রত দত্তের। বৃহঃস্পতিবার জয়পুরের ভাস্করানন্দ মঞ্চে ২১শে জুলাই এর প্রস্তুতি সভায় তৃণমূলের সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন, বিজেপি সাংসদ ও বিজেপি নেতাদের হুশিয়ারি দিয়ে বলি আমার জেলা বিষ্ণুপুর,

    স্পীচ সুব্রত দত্ত ( তৃণমূল সভাপতি, বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা)
    বাইট সুব্রত দত্ত ( তৃণমূল সভাপতি, বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা)
    বাইট সৌমিত্র খাঁ ( বিজেপি সাংসদ , বিষ্ণুপুর)

    এই বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার একটি পরিযায়ী শ্রমিক যারা ভারতবর্ষের যেকোন জেলায় কাজ করতে গেলে তাদের উপর যদি অত্যাচার, অন্যায় অবিচার করা হয় তাহলে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি নেতাদের বাড়ি থেকে বেরাতে দেবো না, বিজেপি নেতাদের জনজীবন বিপর্য্যস্ত করে দেবো সাংগঠনিক ভাবে গনতান্ত্রিক ভাবে। এই হুংকারের পরেও নিজের বক্তব্য কে সমর্থন তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্তের৷ তৃণমূল সভাপতির এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, তিনি বলেন অনুব্রত হওয়ার চেষ্টা করো না সামনের ১০ বছর ঝুলে যাবে। এসব হুমকি দিয়ে লাভ নেই।

  • হাটু সমান কাদা, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে জল, সেই জলের উপর দিয়েই যাতায়াত গ্রামবাসীদের এভাবেই চলছে পনেরোটা বছর কবে হবে রাস্তা সারায়,দেখুন বিস্তারিত।

    হাটু সমান কাদা, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে জল, সেই জলের উপর দিয়েই যাতায়াত গ্রামবাসীদের এভাবেই চলছে পনেরোটা বছর কবে হবে রাস্তা সারায়,দেখুন বিস্তারিত।

    বাঁকুড়া-জয়পুর—-


    গত ১৫ বছর ধরে বেহাল রাস্তা, রাস্তায় পড়লো না এক গাড়ি মোরাম কবে সাড়াই হবে রাস্তা প্রশ্ন গ্রামবাসীদের।

    হাটু সমান কাদা, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে জল, সেই জলের উপর দিয়েই যাতায়াত গ্রামবাসীদের, যেতে হয় স্কুল কলেজ হসপিটাল, রাস্তায় কাদার ভয়ে গ্রামে ঢোকে না অ্যাম্বুলেন্স, খাটিয়াই চাপিয়ে রোগীকে নিয়ে যেতে হয় কয়েক কিলোমিটার দূরে, এভাবেই বছরের পর বছর যাতায়াত গ্রামবাসীদের।


    এমন রাস্তা কোথায় রয়েছে জানেন জানলে চমকে যাবেন, তাহলে শুনুন কোতুলপুর বিধানসভার জয়পুর ব্লকের শিলাকন্দ ব্রাহ্মণ কোন্দা গ্রামের। দীর্ঘ 15 বছর ধরে সারায় হয়নি রাস্তা,রাস্তায় এক গাড়িও দেয়া হয়নি বোল্ডার মরাম। বারবার স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও মেলেনি সুরাহ। তাই এভাবেই যাতায়াত করতে হয় ব্রাম্ভনকন্দা সহ প্রায় একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের এমনটাই জানালেন গ্রামবাসীরা। ব্রাহ্মণকন্দা গ্রামের এক খুদে পড়ুয়া তিনি জানান এই রাস্তা দিয়েই তাদেরকে স্কুল আসতে হয়। অনেকে পড়ে গিয়ে জখম হয়েছে, ভেঙেছে হাত-পা তবুও রাস্তা সাড়াই এর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, তাই খুদে পড়ুয়া তিনি জানান খুব দ্রুত প্রশাসন যাতে এই রাস্তা সাড়াই এর উদ্যোগ নেয় তাহলে খুব উপকৃত হবে এবং ভালোভাবে স্কুলে যেতে পারবে।

    তবে বেহাল রাস্তার খবর পেয়ে ছুটে যান ব্লক প্রশাসন, সদ্য সরিয়ে ফেলা হয় উপরের কাদামাটি ,যাতে কোন মানুষ বিপদে না পড়ে। কিন্তু সেই রাস্তা কাদা সোড়ালেই কি হবে আবারো যেমন কার খারাপ রাস্তা তেমনি অবস্থা হয়ে গেছে।
    তবে জয়পুর ব্লকের জয়েন্ট ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার শুভজিৎ শিকারী, তিনি বলেন আমরা সরজামিনে গিয়েছিলাম বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানানো হয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্যবস্থা নেয়ার তিনি আর্জি জানিয়েছেন।

    কি বলছেন গ্রামবাসীরা কি জানাচ্ছেন জয়পুর ব্লকের জয়েন বিডিও চলুন সোনাব আপনাদের।

    বক্তব্য ১/কোমল বরন মাঝি (গৃহ শিক্ষক)
    বক্তব্য ২/আসিফ আলি খান (ক্ষুদে স্কুল পড়ুয়া)
    বক্তব্য ৩/সাজেদ আলী খান (গ্রামবাসী)
    বক্তব্য ৪/মইনুদ্দিন খান (গ্রামবাসী)

  • সমবায় সমিতির নির্বাচনে বিরোধীরা প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় তৃণমূলের। কোথায় এমন ঘটলো দেখুন বিস্তারিত।

    সমবায় সমিতির নির্বাচনে বিরোধীরা প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় তৃণমূলের। কোথায় এমন ঘটলো দেখুন বিস্তারিত।

    সমবায় সমিতির নির্বাচনে জয় জয় কার তৃণমূলের।

    আবারো বাঁকুড়ার জয়পুর ফার্মার্স সার্ভিস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটিডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয় পেল তৃণমূল। এই নির্বাচনে ছিল ২৯ আসন। মঙ্গলবার ছিল মনোনয়ন জমা করার শেষ দিন। এদিন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তৃণমূল ছাড়া বিরোধী দল থেকে কেউ মনোনয়ন জমা করেনি।
    স্বাভাবিক ভাবেই ২৯ আসনের লড়াই এ জয়পুর সমবায়ে জয় পেল তৃণমূল। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়ে উচ্ছ্বাসিত তৃণমূল কর্মীরা।


    গলায় পরান হল গেঁদা ফুলের মালা, খেললেন সবুজ আবির করলেন বিজয় মিছিল, জয়ের আনন্দে করলেন মিষ্টি মুখ।
    গত কয়েকদিন আগেই উত্তরবার সমবায় সমিতি নির্বাচনে জেলা সভাপতি বলেছিলেন বিরোধীরা মনোনয়ন জমা দিতে না পারলে যোগাযোগ করতে, তার কোথাও শুনল না কোন বিরোধী দল, না নমিনেশন করতে সিপিএম এল না এলো বিজেপি।

    নমিনেশন করতে না আসায় তীব্র কটাক্ষের সুর তৃণমূলের গলায়, নমিনেশন করতে প্রার্থী খুঁজে পেল না বিরোধীরা, এমনই বলে বসলেন জয়পুর ব্লক সভাপতি কৌশিক বটব্যাল, তবে ব্লক সভাপতির বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি সুজিত আগস্তি,তিনি দাবি করেন বাড়িতে বাড়িতে শাসক দল ভয় খাইয়ে সন্ত্রাসের সৃষ্টি করেছে। তাই দিতে পারেনি প্রার্থী। তিনি বলেন যেখানে ২০২১ বিধানসভা এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে বিজেপি, সেখানে প্রার্থী খুঁজে পায় না এটা তিনি মেনে নিতে পারেননি।

    তিনি শাসকের চোখ রাঙানি ও পুলিশের মিথ্যা কেসের ভয়ে কর্মীরা নাকি প্রার্থী দেয়নি বলেই তিনি দাবি করে বসেন।
    সামনেই বিধানসভা নির্বাচন 2026 তিনি বলেন এলাকার মানুষ প্রমাণ দিয়ে দেবে কাদের সাথে মানুষ রয়েছে, দেখুন তিনি ঠিক কি বললেন।

  • বিষ্ণুপুর মড়ারের রাস্তায় ধান লাগিয়ে অভিনব প্রতিবাদ কংগ্রেসের

    বিষ্ণুপুর মড়ারের রাস্তায় ধান লাগিয়ে অভিনব প্রতিবাদ কংগ্রেসের

    বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর ব্লকের মড়ার মাদ্রাসা থেকে তেতুলতলার মোড় পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা ঘিরে চরম ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

    দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে, চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে মড়ার মাদ্রাসায়। ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য এটি একেবারেই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই রাস্তায় পড়ে ঘুরপথে বাজার, হাট, হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জায়গায় যেতে হচ্ছে।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, বহুবার প্রশাসনকে জানানো হলেও মেলেনি কোনও স্থায়ী সমাধান। বিষ্ণুপুর কংগ্রেস নেতৃত্ব জানিয়েছে, বিডিও সাহেবকে আগেও বিষয়টি জানানো হয়েছে, তবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আজ সেই রাস্তাতেই অভিনব পন্থায় প্রতিবাদ জানিয়ে ধানের চারা রোপণ করে কংগ্রেস কর্মীরা রাস্তায় ধিক্কার ও নিন্দা জানান।

    তাদের দাবি, প্রশাসনের ঘুম ভাঙাতে এবং মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে অবিলম্বে এই রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হোক। আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কংগ্রেস।

  • বর্ষার ধান রোপণের শুরুতে জঙ্গলের মাশরুম(ছাতু)সংগ্রহে ব্যাঘাত ঘটাতে জঙ্গলে এলো দুটি দাঁতাল হাতি, গ্রামবাসীদের আশঙ্কায় সত্যি হবে না তো?

    বর্ষার ধান রোপণের শুরুতে জঙ্গলের মাশরুম(ছাতু)সংগ্রহে ব্যাঘাত ঘটাতে জঙ্গলে এলো দুটি দাঁতাল হাতি, গ্রামবাসীদের আশঙ্কায় সত্যি হবে না তো?

    ছাতু সংগ্রহে ব্যাঘাত ঘটাতে জঙ্গলে এলো দুটি দাঁতাল হাতি,

    আবারো বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে প্রবেশ করল দুটি দাঁতাল হাতি।
    বেশ কয়েক মাস যাবত জয়পুর জঙ্গলে হাতির আনাগোনা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বললেই চলে আবারো বাঁকুড়ার পাঞ্চেত বন বিভাগের জয়পুর রেঞ্জে হাতি চলে আসায় সমস্যায় জঙ্গলের জ্বালানি কাঠ ও ছাতু সংগ্রহ করতে যাওয়া গ্রামবাসীরা।


    ফের নতুন করে পশ্চিম মেদিনীপুর গড়বেতার জঙ্গল থেকে চলে এলো দল ছুর দুটি তাতাল হাতি, জানা যায় গতকাল রাতে পশ্চিম মেদিনীপুর গরবেতা থেকে প্রবেশ করে বিষ্ণুপুর বাঁকাদহ রেঞ্জের আমডহরা বিটে। প্রথমে হাতি গুলি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে নেমে পড়ে বাঁধের জলে তারপর সেই হাতে আবারো ফিরে যায় জঙ্গলে সেই হাসি গুলিকে আজ বনদপ্তরের পক্ষ থেকে পৌঁছে দেয়া হবে সোনামুখীর জঙ্গলে অর্থাৎ বাঁকুড়া উত্তর বনবিভাগে।

    এমনটাই বনদপ্তর সূত্রে খবর, তবে বনদপ্তর ও হুলা পার্টির দল হাতির গতিবিধির উপর নজর রেখেছে বেশ ভালই তবে কোন রকমের এই দুটি দাঁতালকে জয়পুর জঙ্গল থেকে বার করে নিয়ে যেতে রাস্তার মাঝে যদি কোন রকমের সমস্যা হয় তাহলে হয়তো রয়ে যেতে পারে হাতি দুটি। আর তাতেই সমস্যা গ্রামবাসীরা জঙ্গলের ভেতর অনেক গ্রাম রয়েছে রয়েছে জঙ্গলে ছাতু এই সময় কুরকুরে ছাতু ও মডাল ছাতু সংগ্রহের সময় চলছে একটু হলেও ভয়ে রয়েছেন গ্রামবাসীরা বলেই জানান।

    তবে বনদপ্তর সূত্রে খবর হাতি গুলিকে করা নজরে রয়েছে রেখেছে হুলা পার্টি ও বনকর্মিরা।
    চেষ্টা করছেন কোন রকমে যাতে জয়পুর জঙ্গলে রয়ে না যায় তেরা তারা চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেই খবর।।

  • মাথায় গেরুয়া বস্ত্র পরনে গামছা নিয়ে মাঠে নেমে পড়লেন বিজেপি বিধায়ক লাগালেন ধান ট্রাক্টরে করলেন চাষ।

    মাথায় গেরুয়া বস্ত্র পরনে গামছা নিয়ে মাঠে নেমে পড়লেন বিজেপি বিধায়ক লাগালেন ধান ট্রাক্টরে করলেন চাষ।

    মাথায় গেরুয়া বস্ত্র, কোমরে পরনে গামছা জমিতে চাষ করছেন বিজেপি বিধায়ক, নাটক বলে কটাক্ষ তৃণমূলের

    বাঁকুড়া:- মাথায় পরনে গেরুয়া বসন,কোমরে গামছা ফের আগের ভূমিকায় দেখা গেল বাঁকুড়ার গেরুয়া বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানাকে। নিজের পৈত্রিক জমিতে চালালেন ট্রাক্টর,রোপন করলেন ধান বীচ। তারপর জমির ধারে উঠে এসে বললেন কৃষকদের সাথে কথা। তাদের বোঝালেন কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক সময় মত কৃষকদের চাষের দ্রব্য প্রদান করলেও রাজ্য সরকারের সদিচ্ছা নেই সেই কারণে কৃষকরা সঠিক সময় সঠিক জিনিস পাচ্ছে না।

    প্রসঙ্গত বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রী শেখর দানা।জন্মসূত্রে বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের গোড়াবাড়ি গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান। বিধায়ক হওয়ার পূর্বে বরাবরই তিনি প্রত্যেক বছর পৈতৃক জমিতে চাষ করে আসতেন,এখনো তিনি সেই কাজ করেন বলে দাবি স্থানীয় কৃষক এবং প্রতিবেশীদের।

    বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার কথায় “চাষা বাড়ির সন্তান কৃষিকাজ করবো না তো করবটা কি, একটা সময় বাবা দাদারা সবাই এই কাজ করতেন তাই সেই কাজ আমি এখনো করে আসছি”। বিধানসভা ভোটের আগে জনসংযোগের নয়া মাধ্যম কিনা এই বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি তার উত্তরে বলেন “আমি বরাবরই এই কাজ করি বাপ ঠাকুর দাদার দেখানো পথেই আমি চলছি,জনসংযোগের কোন বিষয় নয়”।

    নীলাদ্রী শেখর দানার এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে তীব্র কটাক্ষ করেছে শাসক তৃণমূল শিবির। বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অলকা সেন মজুমদার বলেন “বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসছে তাই নাটক শুরু করেছে বাঁকুড়ার বিধায়ক,চার বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাবার পরও বিধায়ক মানুষের কোন কাজে লাগে না,মানুষ বিপদে তাকে পাশে পায় না”।

    বাইট:-
    ১) নীলাদ্রি শেখর দানা (বিজেপি বিধায়ক, বাঁকুড়া)

    ২)অলকা সেন মজুমদার (চেয়ারম্যান, বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল)

    ৩)কৃষকগন।

  • বাঁকুড়া টাউন গার্লস হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্কুল বন্ধ রেখে এমন কাজ ঘোটালো জানি হইচই শুরু এলাকায়। কি এমন কাজ করল দেখুন বিস্তারিত:-

    বাঁকুড়া টাউন গার্লস হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্কুল বন্ধ রেখে এমন কাজ ঘোটালো জানি হইচই শুরু এলাকায়। কি এমন কাজ করল দেখুন বিস্তারিত:-

    স্কুল বন্ধ রেখে চলছে জিবাংলার সারে গামা পা অনুষ্ঠানের অডিশন জানিয়ে তরজা শুরু বাঁকুড়ায়।

    বাঁকুড়া টাউন গার্লস হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্কুল বন্ধ রেখে জি বাংলা সারেগামাপার অনুষ্ঠানের অডিশন করার অভিযোগ।।

    শনিবার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।কোন টিভি চ্যানেলের নিজস্ব কাজের জন্য কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি দেওয়া যায়? উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতেই স্কুল বন্ধ রেখে ওই কাজ হচ্ছে। এর পিছনে ‘টাকার লেনদেন’ কিম্বা কারো ছেলে মেয়েকে ওই অনুষ্ঠানে সুযোগ করে দিতেই এভাবে অডিশনের ব্যবস্থা বলে তিনি দাবি করেন।

    অডিশনের দায়িত্বে থাকা কর্মীরাও এবিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি। এবিষয়ে যা বলার সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষিকা বলবেন বলে তারা জানিয়েছেন।বাঁকুড়া টাউন গার্লস হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মুকুরবালা মাণ্ডি টেলিফোনে  বলেন, দু'টি পাওনা ছুটির একটি ছুটি আজ দেওয়া হয়েছে। ।
    

    তবে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি গোরাচাঁদ কান্ত বলেন, ছুটি পাওনা আছে বলেই এভাবে ছুটি দেওয়া যায়না। শুধুমাত্র লোক্যাল ফেস্টিভ্যালের ক্ষেত্রেই ওই ছুটি দেওয়া যায়। টাউন গার্লসে যা হয়েছে তা শিক্ষা বিরোধী বলেও তিনি দাবি করেন।

  • এবার মাঠে ধানলাগাতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণ বিষ্ণুপুরে, দেখুন বিস্তারিত ।

    এবার মাঠে ধানলাগাতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণ বিষ্ণুপুরে, দেখুন বিস্তারিত ।

    এবার মাঠে ধানলাগাতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণ বিষ্ণুপুরে, দেখুন বিস্তারিত 👉

    এবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। ঘটনাই তোলপাড় বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর।।

    ফের ধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য হলো বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে।
    বিষ্ণুপুরের এক যুবতী পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে মাঠে ধান লাগানোর কাজে গিয়েছিলেন, বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন ব্যক্তি ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ জানাজায় ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার। সেই দিন থেকেই অসুস্থ শরীর নিয়ে বাড়িতেই ছিলেন বছর ৩১ এর অবিবাহিত যুবতী।

    ভয়ে কাউকে কোন কথাই বলতে পারছিলেন না সেই সময়, বাড়ির বৌদির নজরে আসে তার ননদ অস্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে বাড়িতে। কেন সুস্থ মেয়ে অসুস্থ ভাবে চলাফেরা করছে বিষয়টি আগ্রহ সহকারে জানার চেষ্টা করেন বৌদি ।আর তখনই কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই যুবতী ননদ, সম্পূর্ণ বিষয়টি খুলে বলেন, ঘটনার বিবরণ শুনে আটকে ওঠেন পরিবারের লোকজন। সাথে সাথেই নিয়ে যাওয়া হয় বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সেখানেই তাকে ভর্তি করা হয়েছে। এখন অবস্থা অবনতি ঘটায় বিষয়টি নিয়ে থানার দারস্ত হন, এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তে নামে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। সন্দেহের বশে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বলেই খবর।

    তবে ওই যুবতী জানান যারা এই কুকর্ম করেছে তাদের প্রত্যেকের মুখ বাধা ছিল বাড়ির লোকের কোথায় তারা নাকি তিনজন ব্যক্তি ছিলেন তিন জনের মধ্যে একজন ধর্ষণ করে আর দুইজন দাঁড়িয়েছিল। তাদের বাড়ির মেয়ে ভয়ে কোন কথা বলেননি। শরীর অসুস্থ থাকার তাদের সন্দেহ হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল ঘটনা পেরিয়ে পরে ওই নির্যাতিতা যুবতীর মুখ থেকে।

    তবে এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি নেত্রী শুক্লা চট্টোপাধ্যায়। এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ান এবং দ্রুত তদন্ত করে উপযুক্ত দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। এবং এই পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি বিস্তারিত দেখতে হলে অবশ্যই এই ভিডিওটি শুনুন।

  • তৃণমূলের সন্ত্রাসের ভয় নাকি ইচ্ছাকৃত নমিনেশন দিল না বিরোধীরা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাই সমবায় নির্বাচনে জয় তৃণমূলের। নির্বাচনের নামে প্রহসন বলে কটাক্ষ বিরোধীদের

    তৃণমূলের সন্ত্রাসের ভয় নাকি ইচ্ছাকৃত নমিনেশন দিল না বিরোধীরা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাই সমবায় নির্বাচনে জয় তৃণমূলের। নির্বাচনের নামে প্রহসন বলে কটাক্ষ বিরোধীদের

    তালডাংরায় ফের ‘গায়ের জোরে’ জয় তৃণমূলের! বিরোধীদের অভিযোগ, “নির্বাচনের নামে প্রহসন”।

    বিধানসভা নির্বাচন এখনও অনেক দূরে, কিন্তু তার আগে যেন প্রস্তুতি ম্যাচ শুরু করে দিল শাসক দল তৃণমূল। তালডাংরার সমবায় সমিতির পরিচালন সমিতি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সব আসনে জয় পেয়ে ফের উড়ল সবুজ আবির।

    আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিরোধীরা স্পষ্ট অভিযোগ তুলেছে, এই জয় কোনও গণতান্ত্রিক জয় নয়, এটা পুলিশের সহযোগিতায় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করে গায়ের জোরে ছিনিয়ে নেওয়া আসন।

    বৃহস্পতিবার তালডাংরায় ৯টি আসনের জন্য নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও, একটিও বিরোধী মনোনয়ন জমা পড়েনি। ফলে সব আসনেই তৃণমূল প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। বিরোধীরা দাবি করেছে, তাদের মনোনয়ন জমা দিতেই দেওয়া হয়নি। প্রশাসনের নির্লিপ্ত ভূমিকা এবং শাসক দলের হুমকি-চাপের কারণেই কেউ মনোনয়ন জমা দিতে সাহস পাননি।

    বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সৌগত পাত্র কটাক্ষ করে বলেন, “জয়লাভ আবার কি জিনিস ? মনোনয়ন জমা দিতেই যদি না দেওয়া হয়, তাহলে এটা নির্বাচনের নামে প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়। পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় গায়ের জোরে সব দখল করেছে তৃণমূল।”

    ২০০৯ সালে তৎকালীন সিপিআইএম-কে হারিয়ে তৃণমূল প্রথমবার এই সমবায়ে ক্ষমতায় আসে। ২০১৯ পর্যন্ত চলে তাদের কার্যকাল। তারপর দীর্ঘ ৬ বছর পেরিয়ে ২০২৫-এ এসে নির্বাচন না করেই ফের সব আসনে দখল।

    তৃণমূলের নেতারা যদিও এ জয়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের জয় বলেই ব্যাখ্যা করছেন, তবে বিরোধীদের প্রশ্ন, “উন্নয়নে যদি আস্থা থাকে, তাহলে ভোটে যেতে এত ভয় কেন ?”

  • প্রায় 400 বছর আগে থেকে কেন এই গ্রামে অসময়ে বাবা ধর্মরাজের গাজন হয় জানেন,শুনলে চমকে যাবেন আপনিও।

    প্রায় 400 বছর আগে থেকে কেন এই গ্রামে অসময়ে বাবা ধর্মরাজের গাজন হয় জানেন,শুনলে চমকে যাবেন আপনিও।

    প্রায় 400 বছর আগে থেকে কেন এই গ্রামে অসময়ে বাবা ধর্মরাজের গাজন হয় জানেন, এই গাজনে কেন উৎসবে মেতে উঠেছে গ্রামবাসীরা, দেখুন তাহলে।

    প্রায় ৪০০ বছরের অধিক প্রাচীন ধর্মরাজের গাজনকে ঘিরে উৎসব শুরু গ্রামে।
    ভাবছেন তো এখন কেন গাজন? দেখতে হলে চ্যানেলটি ফলো করে রাখুন এখনি।


    এই গাজনের ইতিহাস রয়েছে অনেক শুরুটা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৪০০ বছর আগে দুর্গাপুর দামোদর থেকে তাম্র সম্প্রদায়ের মানুষজন বেলিয়াতোড়ের গ্রামের মানুষদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন বাবা মহাদানা ঠাকুর, স্বরূপ নারায়ণ জীউ ও ধর্মরাজ জীউ কে। সেই থেকেই শুরু গাজন উৎসব।

    গাজন তো চৈত্র মাসের সংক্রান্তি থেকে জৈষ্ঠ মাস পর্যন্তই হয় প্রায় এক মাস ধরে বিভিন্ন গাজন হয়ে থাকে, যেমন ছেলে গাজন বা ধর্মের গাজন।
    গাজন মানেই দেবাদিদেব মহাদেব অর্থাৎ শিবের গাজন শুনেছেন বা দেখেছেন ।বেলিয়াতোড়ের ধর্মরাজের গাজন কিন্তু একেবারেই অন্যরকম, এটি একটি প্রাচীন লোক উৎসব, যা প্রতি বছর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় অনুষ্ঠিত হয়।

    এটি মূলত ধর্মঠাকুরের পূজা এবং একটি মেলা হিসাবে পরিচিত। এই উৎসবে ধর্মঠাকুরের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পূজা-অর্চনা করা হয় এবং বিভিন্ন লোকনৃত্য ও গান পরিবেশিত হয়। এটি বেলিয়াতোড় অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব এবং ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্য বহন করে।
    বেলিয়াতোড়ের ধর্মরাজের গাজন।
    এই উৎসবে প্রধানত ধর্মঠাকুরের পূজা করা হয়, যিনি লোকদেবতা হিসেবে পরিচিত।

    গাজন উপলক্ষ্যে বসে মেলা চলে বিভিন্ন লোকনৃত্য ও গান যা এই অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।
    এই উৎসব বেলিয়াতোড় অঞ্চলের মানুষের কাছে ধর্মীয় ও সামাজিক দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের
    ঐতিহ্যবাহী উৎসব, তাই শত শত বর্ষ ধরে এই গাজন উৎসব তারা করে আসছেন গ্রামে।