Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • গ্রামে রাত থেকে হিস-হিস শব্দ, সকালে দেখেই ঘুম ছুটলো গ্রামবাসীদের,গ্রামে যেন শুধুই আতঙ্ক, দেখুন কি এমন ঘটল।

    গ্রামে রাত থেকে হিস-হিস শব্দ, সকালে দেখেই ঘুম ছুটলো গ্রামবাসীদের,গ্রামে যেন শুধুই আতঙ্ক, দেখুন কি এমন ঘটল।

    গ্রামের পুকুর পাড়ে বিশালাকার পাহাড়ি অজগর সাপ কে দেখে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
    ইন্ডিয়ান রক পাইথন দেখতে গ্রামবাসীদের ভিড় এলাকায়।


    এর আগে অজগর ময়াল দেখেছেন গ্রামবাসীরা তবে এত বড় মাপের অজগর সাপ দেখেননি কেউই। কোথা থেকে এলো, কিভাবে বা এলো? এত বড় আকারের সাপ। তবে গ্রামবাসীদের ধারণা,লাগাতার চলছে বৃষ্টি, একদিকে যেমন বৃষ্টির জেরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঠিক তেমনি দুর্গাপুর ব্যারেজের ছাড়া জলে জলমগ্ন এলাকা, তাহলে কি দামোদর নদীর জল থেকে উঠে এলো এই সাপ। এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে গ্রামবাসীদের মনে। তবে এত বড় মতের সাব দেখে আতঙ্ক রয়ে যাচ্ছে গ্রামবাসীদের মনে দামোদর নদীর জলে কি নাকি গ্রামে চলে এসেছে কে জানে, মাত্র দুদিন আগে উদ্ধার হয়েছে বর্ধমান থেকে আনাগণ্ডা প্রজাতির সাপ আজ আবার সোনামুখী থেকে উদ্ধার রক পাইথন। গ্রামবাসিদের দাবি গ্রামের একটি পাড়ের ঝোপের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে ছিল এই সাপটি হিস হিস শব্দ শুনে গ্রামের মানুষের নজরে পড়ে এত বড় মাপের সাপের, প্রথমে এত বড় মাপের সাপ দেখে ভয় পেয়ে যান গ্রামবাসীরা,এটা কি সাপ কৌতুহল জাগে মনে।


    খবর দেয়া হয় গ্রাম বাসীদের তড়িঘড়ি ছুটে আসে এলাকায়। খবর দেয়া হয় সোনামুখী বনদপ্তরে। তৎক্ষণাৎ এলাকায় ভিড় জমায় সাপ দেখতে আসা জনতার, দেখলে মনে হবে গ্রামে যেন কোন পরব লেগে গেছে,এতটাই সাপ দেখতে ভিড়। তবে তড়িঘড়ি বড় দপ্তরের পক্ষ থেকে ছুটে আসা হয় বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের নারায়ণ সুন্দরী গ্রামে। পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করা হয় সাপটিকে।

    বনদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয় এই সাপটি ইন্ডিয়ান রক পাইথন অর্থাৎ পাহাড়ি অজগর সাপ। প্রায় ১০ থেকে ১২ বছরের বেশি হবে বয়স, বহু পুরাতন সাপ এই সাপ সাধারণত ঠান্ডা স্বভাব চরিত্রের, হাঁস-মুরগি, ব্যাং, ছাগল ভেড়া পশু পাখি,এদের শিকার। এরা নির্বিশ,তবে সুযোগ পেলে মানুষকেও ছাড়ে না।
    যাই হোক না কেন বনদপ্তর এই সাপকে নিয়ে পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বনদপ্তরে। তারপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এলাকায়, যে যার ফিরে যায় বাড়ি।

    দেখুন সেই ছবি কি বলছেন বনদপ্তর দেখুন তাহলে।। বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে অরূপ ঘোষের রিপোর্ট বিসিএন বাংলা।

  • দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাবে গ্রামবাসীরা তাও আবার দুয়ারে রেশন প্রকল্পে, সেই পেঁড়া গোজা তৈরি হচ্ছে ব্লকে ব্লকের মিষ্টির দোকানে

    দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাবে গ্রামবাসীরা তাও আবার দুয়ারে রেশন প্রকল্পে, সেই পেঁড়া গোজা তৈরি হচ্ছে ব্লকে ব্লকের মিষ্টির দোকানে

    দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যবাসীর হাতে পৌঁছে যাবে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ। সেই অনুযায়ী রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে বাঁকুড়ার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে তৈরি হচ্ছে প্রসাদী পেঁড়া ও গজা।

    ইতিমধ্যেই দিঘা মন্দির থেকে আসা খোয়া মিশিয়ে চলছে প্রস্তুতি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্যাকেজিংয়ের কাজ শেষ হলেই রেশন ডিলারদের মাধ্যমে দুয়ারে রেশন প্রকল্পের উপভোক্তাদের মধ্যে বিলি করা হবে এই মহাপ্রসাদ।

    পেরা ও গজা বানানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিভিন্ন মিষ্টি ব্যবসায়ীদের। অংকুর এর বাংলা বাজারের আশীর্বাদ সুইট ফিরবান ব্লক প্রদর্শনের ওই প্রসাদ তৈরির বরাত পেয়েছে। দোকানের কর্ণধার তুষার চ্যাটার্জি জানান হীর্বাদ ব্লক প্রশাসনের প্রায় 12000 প্রসাদ প্যাকেটের বরাত পেয়েছেন তিনি কর্মীরা, পরিচ্ছন্নতার সাথে সুরক্ষাবিধি মেনে পেরা ও গোজা তৈরি করছেন।
    প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে প্রসাদ প্যাকেজিং হলেই রেশন ডিলারদের মাধ্যমে দুয়ারের রেশন প্রকল্প থেকে তা উপভোক্তা পরিবারগুলিকে বিল করা হবে।

    রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে

    দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়‌ ঘোষণা করেছিলেন জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ পাবেন রাজ্যবাসী। সেই থেকে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে। প্রশাসনের তরফে, প্রসাদী পেঁড়া ও গজা বিলির প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। ইতিমধ্যে পেঁড়া ও গজা বানানোর দায়িত্বপ্রাপ্ত মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের কাছে দিঘার মন্দির থেকে জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদের প্রসাদী খোয়া এসে পৌঁছেছে।

    তা মিশিয়ে চলছে প্রসাদী পেঁড়া তৈরি। ইন্দপুরের বাংলা বাজারের আশীর্বাদ সুইটস্- হিড়বাঁধ ব্লক প্রশাসনের ওই প্রসাদ তৈরির বরাত পেয়েছে। দোকানের কর্ণধার তুষার চ্যাটার্জি জানান, হিড়বাঁধ ব্লক প্রশাসনের প্রায় বারো হাজার প্রসাদ প্যাকেটের বরাত পেয়েছেন তিনি। কর্মীরা পরিচ্ছন্নতার সাথে, সুরক্ষা বিধি মেনে পেঁড়া ও গজা তৈরি করছেন।


    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রসাদ প্যাকেজিং হলেই, রেশন ডিলারদের মাধ্যমে দুয়ারে রেশন প্রকল্প থেকে তা উপভোক্তা পরিবারগুলিকে বিলি করা হবে।

  • দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন সেচ মন্ত্রী মানুষ ভূঁইয়া।

    দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন সেচ মন্ত্রী মানুষ ভূঁইয়া।

    দুর্গাপুর ব্যারেজের পলি উত্তোলন নিয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুললেন সেচ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া।

    শুক্রবার সকালে দুর্গাপুর ব্যারেজের সংস্কার হওয়া রাস্তা পরিদর্শন করতে আসেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া। তখনই তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,”দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট মেরামতির জন্য ২০১৫ সাল থেকে কেন্দ্রের কাছে কোন সহযোগিতা পায়নি। আর ১২ বছর ধরে ড্যামগুলির ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পল্লী উত্তোলনের আবেদন জানানো হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে কেন্দ্রের কাছে। দুর্গাপুর ব্যারেজেও দীর্ঘদিন ধরে পলি উত্তোলন না হওয়ার জন্য জল ধারণ ক্ষমতা কমছে।

    সেই পলি উত্তোলনের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রকে চিঠি করেছেন জলশক্তি মন্ত্রকে এবং প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি করেছেন। কিন্তু ওরা শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু কোন সহযোগিতা না করে রাজ্যকে বঞ্চিত করছে।” দুর্গাপুর ব্যারেজের রাস্তা সংস্কার নিয়ে তিনি বলেন,”সময়ই রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে। বৃষ্টির জন্য কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। এখনো ব্যারেজের রাস্তায় রবার সিল লাগানো বাকি রয়েছে। হায়দ্রাবাদ থেকে এনে সেগুলি লাগানো হবে। দেড় মাস ধরে রাস্তার কাজ হওয়ার জন্য বন্ধ ছিল জল ছাড়া।

    মাইথন পাঞ্চেত এবং দুর্গাপুর ব্যারেজের জলে লেবেল স্বাভাবিক করার জন্য অল্প অল্প জল ছাড়া হচ্ছে। বাঁকুড়া,পুরুলিয়া পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং ঝাড়খন্ডে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। সেই জল দামোদরের নামছে। তেলুঘাট যাতে জল ছাড়ার আগে রাজ্যকে জানাই সেই আবেদন করা হয়েছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা এবং সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা নজর রাখছে। সেচ দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন নিজে নজর রাখছে। আজ ৪১ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। কোন মানুষের যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য তৎপর রাজ্য প্রশাসন।

    পুরনো সেতুর পাশে নতুন সেতু করার আবেদন দেওয়া হয়েছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। তারপরেই উত্তর জানানো হবে।” এদিন মন্ত্রীর সাথে ছিলেন বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী, সিয়াদ এন, আইএএস

    জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর,

    বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পন্নামবলাম এস, বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়, বড়জোড়ার বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

  • এলাকার উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যে ৩৩৫৪টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম কুড়ির পুরস্কার পেল বাঁকুড়া জয়পুর সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে।

    এলাকার উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যে ৩৩৫৪টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম কুড়ির পুরস্কার পেল বাঁকুড়া জয়পুর সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে।

    এলাকার উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যে ৩৩৫৪টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রথম কুড়ির পুরস্কার পেল বাঁকুড়া জয়পুর সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে।


    আলট্রাটেক যশো স্ত্রী প্রধান গ্রাম গড়বে দেশ এগোবে প্রতিযোগিতায় রাজ্যের কুড়ি জন প্রধানকে দেয়া হয় প্রথম পুরস্কার ।


    তার মধ্যে প্রথম কুড়িতে স্থান অধিকার করল সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে। আলট্রাটেক সিমেন্ট ও মিডিয়া পার্টনার আনন্দবাজার পত্রিকার যৌথ উদ্যোগে প্রথম পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় প্রধানদের হাতে।


    বাঙালির গর্ব সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জীর হাত থেকে পুরস্কার নিলেন প্রধান।
    যেমন খুশি তিনি তার সাথে খুশি হল বাঁকুড়া জেলার জয়পুরের মানুষ। জানা যায় কাজের নিরিখে এলাকার উন্নয়নের জন্য একাধিক বিষয়ের উপর রাজ্যের ৩৩১৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সমীক্ষা চালানো হয়।

    এবং পরীক্ষামূলকভাবে কাজের নিরিখে সিলেকশন করা হয়,তারই মধ্যে বাঁকুড়া জেলার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের মধ্যে একমাত্র প্রধান সিলেকশন হন জয়পুর ব্লকের সোলদা গ্রাম পঞ্চায়েত।


    এই পুরস্কার পেয়ে কতটা খুশি, কি বলছেন প্রধান চলুন শোনাবো আপনাদের।।

  • প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ইলেকট্রিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার

    প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ইলেকট্রিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার

    বর্ষার শুরুতেই বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলাতিতেই এই মর্মান্তিক মৃত্যু দাবি গ্রামবাসীদের



    বর্ষার শুরুতেই ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ার। পুলিশ জানিয়েছে মৃতার নাম রেবা মাজি। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লকের সাহাপুর মাজিপাড়া এলাকায়। বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলাতিতেই ওই প্রৌঢ়ার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে দাবি বিদ্যুৎ দফতরের।

    বর্ষার শুরুতেই প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা বাঁকুড়া জেলার। তার মাঝেই বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক প্রৌঢ়ার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। জানা গেছে এদিন সকালে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে স্নান করে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন ওন্দা ব্লকের সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা রেবা মাজি। গ্রামের রাস্তায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়েছিল তা নজরে আসেনি রেবা মাজির।

    ছেঁড়া সেই তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ওন্দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের দাবি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিপজ্জনকভাবে হাইটেনশান বিদ্যুতের তার ঝুলে রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের পুরানো তার বদলের বারংবার দাবিও জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা।

    কিন্তু সে কথায় বিদ্যুৎ দফতর কান দেয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ বিদ্যুৎ দফতর গ্রামবাসীদের কথামতো বিদ্যুতের তার বদল করলে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতো না। বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকদের দাবি আগামীতে এমন দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।

  • এক বাইক চালককে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী রাধাগোবিন্দ বেসরকারি বাস ঘটনায় মৃ-ত এক আহত ২৯।

    এক বাইক চালককে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী রাধাগোবিন্দ বেসরকারি বাস ঘটনায় মৃ-ত এক আহত ২৯।

    বেপরোয়া ভাবে ছুটে আসা এক বাইক আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে রাধাগোবিন্দ যাত্রীবাহী বাস, ঘটনায় মৃত এক আহত শিশু সহ ২৯ জন বাসযাত্রী।

    আবারো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দূর্ঘটনা ঝাড়গ্রামে। গোপীবল্লভপুর থেকে খড়্গপুর গামী একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ঘটনায় আহত হয়েছেন শিশু সহ মোট ২৯ জন যাত্রী, ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বাসন্তী মাহাতো নামে এক মহিলার।

    আরো চারজন যাত্রীর অবস্থা আশঙ্কা জনক। স্থানীয়দের অনুমান এক বাইক আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে বেসরকারি বাস।


    ঝাড়গ্রামের বালিভাষা ও গুপ্তমনির মাঝখানে এই দুঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল এসে পৌঁছায় পুলিশ। আহত ও নিহতদের উদ্ধার করে পুলিশ নিয়ে আসা হয় ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। দুর্ঘটনায় দুমড়ে মুছে গিয়েছে বাসের সামনের অংশ।

  • নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত পাত্রসায়ের বলরামপুর, সন্দেহর বসে গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু,ঘটনায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

    নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত পাত্রসায়ের বলরামপুর, সন্দেহর বসে গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু,ঘটনায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

    নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য পাত্রসায়েরে, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকের মৃত্যু।

    মঙ্গলবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ৯ বছরের এক নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের এর বলরামপুর শালকোটা গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে দেহটি পুঁতে ফেলার চেষ্টাও করা হয়। ঘটনায় সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রামবাসীরা মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    মারধরের জেরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই যুবককে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    নাবালিকার পরিবার জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। চারদিকে খোঁজাখুঁজির পর, সন্ধ্যায় গ্রামের লাগোয়া একটি ঝোপ থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গ্রামবাসীদের দাবি,

    অভিযুক্ত যুবককে একটি গর্ত খুঁড়তে এবং কাঁধে করে দেহ নিয়ে যেতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই সে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামের মানুষ ঝোপে গিয়ে দেখেন, দেহের গলায় জামা ছিঁড়ে ফাঁস লাগানো এবং পাশে খোঁড়া গর্ত।

    ঘটনার পর উত্তেজিত গ্রামবাসীরা অভিযুক্তকে ধরে মারধর করে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। মৃত যুবকের দাদার দাবি, ওই নাবালিকা তাদের বাড়িতে টিউশন পড়ত। পরিবারের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক ছিল। তাঁর ভাই এই ঘটনায় যুক্ত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

    এদিকে গ্রামে উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী। গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, অভিযুক্তের পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে হবে। মৃতদেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

  • আষাঢ়ের প্রথম দিনেই মধ্যজীবীদের খুলে গেল ভাগ্য,২৫ টন ইলিশ উঠল কাকদ্বীপে!

    আষাঢ়ের প্রথম দিনেই মধ্যজীবীদের খুলে গেল ভাগ্য,২৫ টন ইলিশ উঠল কাকদ্বীপে!

    এই মরসুমের প্রথম ‘রুপোলি শস্য’ এল বাজারে
    একসঙ্গে এত ইলিশ ওঠায় মাঝি থেকে ট্রলার মালিক রাও বেশ খুশি। কারণ, গত বছরে প্রথম পর্যায়ের ইলিশ খুব কম পরিমাণে উঠেছে জালে।

    আষাঢ় মাসের প্রথম দিনে খুশির হাওয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে। সকাল সকাল নামখানার খেয়াঘাটে ফিরে এসেছে প্রায় ২৫টি ট্রলার। সঙ্গে এসেছে প্রায় ২৫ টন এরকাছাকাছি ‘রুপোলি শস্য।’ এই মরসুমের প্রথম ইলিশ শীঘ্রই বাজারে আসতে চলেছে। চাঙ্গা হবে জেলার গোটা মৎস্যজীবী সমাজ। তাদের আশা, আবহাওয়া এই রকম থাকলে আরও ইলিশ ধরা দেবে জালে।

    সোমবার স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকার ফলেই মৎস্যশিকার ‘অত্যন্ত সফল’ হয়েছে। মরসুমের প্রথম দফার ইলিশ ধরায় এমন ‘ফলাফল’ দেখে খুশি তাঁরা। ট্রলার থেকে নেমে এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘‘যদি এমন আবহাওয়া বজায় থাকে, তা হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাজার আরও ইলিশে ভরে উঠবে।’’

    কাকদ্বীপ ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতির কথায়, ‘‘এই মরসুমের শুরুতেই যে পরিমাণ ইলিশ এসেছে, তাতে আমরা আশাবাদী। আবহাওয়া এখন অনুকূল। আরও ভাল পরিমাণে মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’’

    তবে ইলিশের দাম এখন বেশ কিছুটা চড়া থাকবে। তবে আগামী দিনে দাম কমার আশ্বাসের সুরও শোনা গেল। জানা যচ্ছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ শুরু হলেই সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে রুপোলি শস্য।

  • নির্জন জঙ্গলে প্রেম করছে দুই হাতি, আর হাতিদের প্রেম দেখতে জঙ্গলে ছুটলো গ্রামবাসীরা

    নির্জন জঙ্গলে প্রেম করছে দুই হাতি, আর হাতিদের প্রেম দেখতে জঙ্গলে ছুটলো গ্রামবাসীরা

    জঙ্গলের মাঝে প্রেমে মজল দুই হাতি, হাতির প্রেম দেখতে ভিড় গ্রামবাসীদের, ক্যামেরাবন্দি সেই ভাইরাল ভিডিও। সত্যিই কি প্রেম আলিঙ্গন নাকি দুই হাতির লড়াই।

    আচমকায় জঙ্গলের মাঝে প্রেমে ভাসলো দুই বুনো হাতি আর সেই হাতির প্রেম দেখতে ভিড় জমালো গ্রামবাসীরা।

    সত্যিই কি প্রেম বা আলিঙ্গন নাকি লড়াই। এমনই বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকলো পশ্চিম মেদিনীপুর
    কলাইকুণ্ডা রেঞ্জের বারডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা।
    একদিকে ভরা গ্রীষ্ম কখনো রোদ কখনো বৃষ্টি তাঁর উপর প্যাচপেচে গরম, আর সেই গরমের মাঝে হাতিদের মিষ্টি প্রেম, আর সেই মিষ্টি প্রেমের দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ক্যামেরাবন্দি করবে না পাবলিক তা কখনো হয়, যেমন কর্ম তেমনি কাজ সাথে সাথে সেই মুহূর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দি করল এলাকার মানুষ।এটা কেউই কল্পনা করেননি।


    রাস্তা ঘাটে বা পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রেমরত অবস্থায় সচরাচর দেখা যায়।
    কিন্তু তাই বলে হাতিদের প্রেম! কখনও চাক্ষুষ করার সুযোগ হয়েছে আপনার? নিশ্চয়ই হয়নি।


    আধঘণ্টা ধরে চলে অনুরাগের ছোঁয়া। একে অপরকে শুড় পেঁচিয়ে প্রেম নিবেদন করছে দুই হাতি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামবাসীরা ভিড় জমান। হস্তি যুগলের প্রেমলীলা দেখে আনন্দিত শতাধিক মানুষ। অনেকেই ঘটনাটি মোবাইল ফোনে বন্দী করেন যা এখন রীতিমত ভাইরাল দেখুন সেই ভাইরাল ছবি।

  • জয়পুর জঙ্গলে দুর্ঘটনায় জখম হয়ে প্রাণ হারাতে বসা ২ দুষ্টু মিষ্টি হরিণকে সুস্থ করে জঙ্গলে ফিরিয়ে দিল বনদপ্তর।

    জয়পুর জঙ্গলে দুর্ঘটনায় জখম হয়ে প্রাণ হারাতে বসা ২ দুষ্টু মিষ্টি হরিণকে সুস্থ করে জঙ্গলে ফিরিয়ে দিল বনদপ্তর।

    জয়পুর জঙ্গলে দুর্ঘটনায় জখম হয়ে প্রাণ হারাতে বসা ২ দুষ্টু মিষ্টি হরিণকে সুস্থ করে জঙ্গলে ফিরিয়ে দিল বনদপ্তর।


    গুরুতর অসুস্থ হওয়া দুই হরিণ কে বাঁচানোয় ছিল বনদপ্তরের কাছে এক প্রকার চ্যালেঞ্জের মত ।


    সেই হরিণদের সুস্থ করে ফিরিয়ে দিল বাঁকুড়ার জয়পুর বনদপ্তর। আর এই জয়পুরে বড় কর্মীদের কাজে খুশি হয়ে ভুওসি প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় মুখ্য বনপাল এস কুনাল ড্রাইভার্ট।
    তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দিলেন দুষ্টু মিষ্টি দের, প্রায় দুই থেকে আড়াই মাসের চিকিৎসায় বনদপ্তরের কর্মীদের সেবায় প্রায় 40 খানা সেলাই,অপারেশনের ঔষধ ইনজেকশন সেলাইন দিয়ে সেই হরিণদের সুস্থ করে জঙ্গলের প্রাণীদের জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে পেরে খুশি বনদপ্তর।


    জংলি হরিণ হলেও আড়াই মাস মানুষের কাছে থাকায় তৈরি হয়েছিল বন্ধুত্ব।।
    কিন্তু বন্ধুত্ব হলে কি হবে জঙ্গলের প্রাণীদের তো জঙ্গলে যেতে হবে। তার কারণ বন্যেরা বনে সুন্দর। তাই সেই জঙ্গিলি হরিণদের আজ গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেয়ার পর একটু দুরে পালিয়ে গিয়েও দাঁড়িয়ে থেকে সেবা সুশ্রূষা করা বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে রইলেন বেশ কিছুক্ষণ ধরে
    তারপর ফিরে গেল নিজেদের বাসায় পুরোনো বন্ধুদের কাছে।।