আগামী বুধে ঢুকবে বর্ষা তিন দিনের মধ্যে শুরু হবে বৃষ্টি।
দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা কবে ঢুকবে জানাল আবহাওয়া দফতর! গরম কি কমবে? বিরাট আপডেট, দেখুন আগামীকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া, ২৪ পরগণা, বর্ধমান জেলাগুলি দিয়ে বর্ষা আসতে শুরু করবে। ১৮ তারিখে বর্ষা ঢুকে পড়বে দক্ষিবঙ্গে।
১৭ তারিখ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায় মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। ১৮ জুনও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভবনা, তবে উত্তর ও দক্ষিণ পরগণায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভবনা।
১৯ তারিখ দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে গরম কি কমবে? বর্ষা ঢুকছে, বৃষ্টিপাত বাড়বে। তাপমাত্রা কমবে কিন্তু একটি বৃষ্টির পর পরবর্তী বৃষ্টির যে সময় সেই সময় জুড়ে অস্বস্তি থাকবে। বর্ষা কালের এটাই নিয়ম। জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।
আর কয়েক ঘন্টা পর উঠে যাবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা। তার পরেই গভীর সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরতে পাড়ি দেবেন মৎস্যজীবীরা এমনটাই খবর। জানা যাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ডায়মন্ড হারবার,কাকদ্বীপ,নামখানা, ফ্রেযারগঞ্জ এলাকা থেকে কয়েক হাজার মৎস্যজীবী ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরতে পাড়ি দেবেন আর কয়েক ঘণ্টা পর। আগেভাগে থেকে তাঁরা সেই প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন প্রায়।
বেশ কয়েক বছর ধরে মনমতো ইলিশ মাছ পাচ্ছেন না মৎস্যজীবীরা। এ বছর তাঁরা একটু আশাবাদী। কেননা, মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার ক্ষেত্রে এবার নতুন প্রযুক্তি এসেছে। তাই আগের-আগের বারের চেয়ে এবার তাঁরা কিছুটা হলেও বেশি পরিমাণে ইলিশ ধরতে সক্ষম হবেন, এমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
এবার মৎস্য দফতর জিপিএস ট্র্যাকের ব্যবস্থা করেছে। মাছ ধরতে গিয়ে যাতে অজান্তে সীমানা লঙ্ঘন না হয়ে যায়, সেটা দেখাই এই প্রযুক্তির লক্ষ্য। তেমন ঘটলে তার আগাম সর্তকতা আসবে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্তকতা, ট্রলারে কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে তার সতর্কতা এবং গভীর সমুদ্রে মাছের ঝাঁক কোন এলাকায় আছে– এই সব জরুরি বিষয়ের তথ্য জোগাবে এই ব্যবস্থা। প্রতিটি ট্রলারেই এমন ব্যবস্থা থাকছে বলে জানা গিয়েছে। এতে দুর্ঘটনার আগাম সর্তকতা পাওয়া যাবে মোবাইলের মাধ্যমে।
এদিকে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে বরফের দাম কিছুটা হলেও বেড়েছে, জালের দামও বেড়েছে। তা ছাড়া মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার উপকরণের জন্যও বেশ কিছুটা খরচ বহন করতে হয়। একটি ট্রলার ছাড়তে মোটামুটি খরচ হয় দুলক্ষ টাকার উপরে। ইলিশ মাছ এবারে ভালো হলে এবং দাম ভালো পাওয়া গেলে, খরচটা উঠে আসবে, এমনই ভাবনা তাঁদের।
কার উপর বাংলাদেশ থেকে ইলিশ মাছ আর আসার সম্ভাবনা নেই ভারতে কারণ ভারতবিদ্বেষ মাথা যারা দিয়েছে বাংলাদেশে তাই এই বছর নিজেরাই প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরে নিয়ে আসবে আমাদের রাজ্যে সেই মাছ পৌঁছে দেবে সারাদেশে। তাই একদিকে প্রচুর মাছ পাবেন সমুদ্রে যতটা আশা করছেন রোজগার হবে সেই পরিমাণে সেটাই এখন মৎস্যজীবীদের ভাবনা। তার জন্য মা গঙ্গাকে স্মরণ করে বেরিয়ে পড়বেন গভীর সমুদ্রে।
এক-একটি ট্রলারে ১৮ জন ২০ জন করে মৎস্যজীবী থাকেন। প্রতিবারের মতো এবারও সরকারের নিষেধাজ্ঞা ছিল– দুমাস। সেটা কাটছে আগামী কাল, ১৫ জুন। এর পরেই গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার ছাড়পত্র পাবেন মৎস্যজীবীরা। তাঁদের প্রস্তুতিও শেষের পথে।
শেষ মুহূর্তে বরফ, তেল মৎস্যজীবীদের খাবার, মাছ ধরার উপকরণ ইত্যাদি ট্রলারে তুলে নিচ্ছেন তাঁরা। আবহাওয়া ভালো থাকলেই মাছের ঝাঁক ধরা দেবে মৎস্যজীবীদের জালে। তাই মা গঙ্গাকে স্মরণ করে তাঁরা পাড়ি দেবেন অনেক দূরে।
যাতে করে পড়শীদেশ বাংলাদেশের মুখে ঝামা ঘষে দিতে পারে আমাদের রাজ্যের মৎস্যজীবীরা। তাই একদিকে যেমন প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে অন্যদিকে শরণাপন্ন ভগবান দেব দেবীর।
———————-*————– রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির স্বামীর উপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। গতকাল রাতে মন্ত্রীর স্বামী তুহীন মান্ডির উপর হামলার অভিযোগ ওঠে বাঁকুড়ার খাতড়া বাজারে। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে বিজেপির দিকে। ঘটনায় ৬ বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে খাতড়া থানার পুলিশ। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির অভিযোগ গতকাল সন্ধ্যার কিছু পরে বাঁকুড়ার খাতড়া বাজারে লাঠি সোঁটা নিয়ে জমায়েত করেছিলেন বিজেপির বেশ কিছু লোকজন। সেই সময় মুদিখানার সামগ্রী কিনতে বাজারে যান মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির স্বামী তুহীন মান্ডি। অভিযোগ বাজার করার সময় আচমকাই বিজেপির ১৫ -১৬জন কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর স্বামীর উপর হামলা চালায়। পিঠে ও ডান হাতে গুরুতর আঘাত পান মন্ত্রীর স্বামী। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে গতকাল রাতেই খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়। এদিকে খাতড়া থানায় ঘটনার অভিযোগ জানানোর পর পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের আজ খাতড়া মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ। মন্ত্রীর অভিযোগ বেশ কিছুদিন ধরেই বিজেপি এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আর সেই রাজনৈতিক উদ্যেশ্যেই তাঁর স্বামীর উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। এদিকে এই ঘটনায় বিজেপি যোগের অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির দাবী অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
গতকাল সন্ধ্যায় খাতড়া বাজারে তৃনমূলের গুন্ডারা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাফ নেমে লাঠিচার্জ করে। সেই সময় লাঠির আঘাতে অথবা তৃনমূলেরই কোনো কর্মীর লাঠির আঘাতে মন্ত্রীর স্বামী আহত হয়ে থাকতে পারেন। এর সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই।
বাইট :- জ্যোৎস্না মান্ডি ( রাজ্যের খাদ্য সরবরাহ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী) বাইট :- দীপক দাস ( বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক)
গাড়ি দুর্ঘটনার ঘটনায় বন দপ্তরের করা চিকিত্সায় জঙ্গলের দুই হরিন সুস্থ হয়ে ফিরতে চলেছে নিজের বাড়িতে।
চার দেওয়ালের আবদ্ধে থেকেই অসুস্থ জীবন থেকে এবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চলেছে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম দুই হরিন খুশি বনবিভাগ।।
দীর্ঘ সময় চিকিতসা পরিষেবায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়েছে তারা। চার দেওয়ালের পরিবেশ থেকে এবার চেনা জীবনে ফেরার অপেক্ষা। কয়েকমাস আগে বাঁকুড়ার জয়পুরে দুর্ঘটনায় জখম দুই স্ত্রী হরিন চিকিতসায় সুস্থ হয়ে এবার ফিরতে চলেছে জঙ্গলের চেনা পথে।
মাস খানেক আগে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর পাঞ্চেত বনবিভাগের জয়পুরের জঙ্গলে রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে গুরুতর জখম হয় একটি স্ত্রী হরিন। ফের সেই ঘটনার পরে আর একটি স্ত্রী হরিন শাবক একই ভাবে জখম৷ হয়। দুটি পৃথক দুর্ঘটনার কবলে পড়া দুটি হরিন কে উদ্ধারে করে জয়পুর রেঞ্জ অফিসে চিকিতসা শুরু করে দেয় বনবিভাগ।
প্রানী চিকিতসকের চিকিতসায় ধীরে ধীরে সুস্থ হতে শুরু করে দুই হরিন। রেঞ্জ অফিসের ছোট্ট ঘরে বনবিভাগের আদরে ভালোবাসায় চিকিতসায় দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে দুই হরিন। শাল, পিয়াল, মহুয়ার জঙ্গল ঘেরা সুন্দরী জয়পুরের প্রকৃতির কোলে রয়েছে শয়ে শয়ে চিতল হরিনের দল। সেই হরিন দলের দুই হরিন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গুরুতর জখম হয়। দীর্ঘ চিকিতসার পর চিকিতসক ফীট সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছেন। এবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পালা।
দীর্ঘ লড়াই থেকে সুস্থ হয়ে জঙ্গলের হরিনের দলে ফিরে যাবে তারা। ফিরে যাবে তাদের চেনা জীবনে চেনা দলের সঙ্গীদের সাথে। সামনের সপ্তাহে ওদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে জঙ্গলে।
রাতের অন্ধকারে চুপিসারে পাচার হয়ে যাচ্ছিল অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের চাল। খবর পেতেই তৎপর হয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চুরি হওয়া চালের বস্তা উদ্ধার করল সাঁকরাইল থানার পুলিশ। চুরি যাওয়া চাল ফিরে পেয়ে স্বস্তিতে কুলটিকরী গ্রামের বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের কুলটিকরী গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম বালিগেড়িয়া আইসিডিএস কেন্দ্রের।
মঙ্গলবার গভীর রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের দরজার তালা ভেঙে এক বস্তা চাল চুরি করে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, চালের অন্যান্য বস্তাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে যায় চোরেরা। পরের দিন সকালে গ্রামবাসীরা সেটিকে লক্ষ করেন এবং খবর দেন সাঁকরাইল থানায়। খবর পেতেই দ্রুত সক্রিয় হয় পুলিশ । সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঝুনু বেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর কথা বলেন গ্রামবাসীদের সাথে।
ঘটনার পর গ্রামবাসীরা অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গ্রামের বাসিন্দা মিঠুন নায়েক ও শিবু দিগারদের দাবি, আইসিডিএস কেন্দ্রে যেন পাকা দেওয়াল এবং বারান্দার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি পানীয় জলেরও বিশেষ অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের দিদিমণি নীলিমা মঙ্গল তরাই বলেন ‘রাতের অন্ধকারে কয়েকজন দুষ্কৃতী আমাদের সেন্টার থেকে চাল চুরি করে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু পুলিশ খবর পাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই চাল আমাদের সেন্টারে নিয়ে আসে।’
তীব্র গরমে অসুস্থ হনুমান, চিকিৎসার সাহায্য চেয়ে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে হনুমান,স্থানীয়রা খাওয়ালেন খাবার,ঠান্ডা পানীয় জল ফ্যানের বাতাস সাথে ওআরএস।
খবর পেয়ে প্রায় দু’ঘণ্টা পর এসে-দেখেও করলো না কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। কেন করলো না চিকিৎসার ব্যবস্থা প্রশ্ন তুললেন গ্রামবাসীরা। তীব্র দাবদহের ভ্যাপসা গরমে পুড়ছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝারগ্রাম, প্রায় ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছুঁয় ছুঁয়,জেলায়। আর এই ঝাড়গ্রাম কলেজ রোডের কাছে অসুস্থ হয়ে পড়ল গাছের এডাল থেকে ওডাল ঘুরে বেড়ানো পূর্ণবয়স্ক হনুমান।
কি হয়েছে হনুমানের, কেন হঠাৎ স্থানীয় বাজারের দোকানে দোকানে ঘুরে বেড়াছে, এই প্রাণী, হটাৎ মানুষের ছত্রছায়ায়। যে প্রাণী মানুষ দেখলে দাঁত খিঁচে তেড়ে আসে সেই প্রাণীর হঠাৎ মানুষের ছত্রছায়ায়, আর মানুষের কাছে আসতেয় সন্দেহ দানবাধে স্থানীয়দের। বুঝতে পারেন অবলা প্রাণী মুখে কথা না বলতে পারলেও আব ভাবে বুঝতে পারেন অসুস্থ। খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরে, খবর পেয়ে প্রায় দু’ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে আসেন বনদপ্তরের কর্মীরা। কিন্তু এসেও এই হনুমান টির চিকিৎসা না করে পালিয়ে যায় এলাকা থেকে। চিকিৎসা করাতে বনদপ্তর না এগিয়ে এলেও এলাকার মানুষ তো আর অসুস্থ হনুমানকে ছেড়ে দিতে পারে না।
তাই আপাতত খাবার খাইয়ে গায়ে ঠান্ডা জল দিয়ে ওআরএস কিনে নিয়ে এসে খাওয়ালেন স্থানীয় রায়। যতটা সম্ভব চেষ্টা করলেন নিজেরাই সেবা-সুশ্রূষা করার।দেখুন সেই ভিডিও।
অবশেষে পাঁচ বছর পর গ্রেপ্তার কোতুলপুর টাওয়ার প্রতারণা কেসের আসামি চন্দন পাকড়াশি !
ঘটনাটা ২০১৯ সালের; টাওয়ার বসানোর নাম করে কোতুলপুরের বাসিন্দা অমিতাভ পাত্রের কাছ থেকে প্রায় চার লাখেরও বেশি টাকা চিটিং এর মাধ্যমে আত্মসাৎ করে কিছু অসাধু ব্যক্তি।
তিনি প্রতারিত হয়েছেন, তা জানতে পেরে অবশেষে বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার পুলিশের দারত্ব হন অমিতাভবাবু,২০২৪ সালের মার্চ মাসে অভিযোগ দায়ের করেন কোতুলপুর থানায়। নির্দিষ্ট ধারায় একটি চিটিং কেস রুজু করে কোতুলপুর থানার পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে জনৈক চন্দন পাকড়াশি এই ফ্রড টাওয়ার কোম্পানির মালিক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই এই চন্দন পাকড়াশি টাকা আত্মসাৎ করে আত্মগোপন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর অবশেষে তদন্তকারী অফিসার সোর্স ইনফরমেশন এবং ডিজিটাল এভিডেন্স কে কাজে লাগিয়ে গত দুই মাস ধরে বারংবার রেইড করে শেষমেষ বারাসাত থানা এলাকা থেকে টাওয়ার কেসের পান্ডা, অভিযুক্ত চন্দন পাকড়াশিকে গ্রেফতার করেন এবং নিয়ে আসেন কোতুলপুর থানায়।
এখনো পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী চন্দন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন থানায় ২২ টি রও বেশি কেসে জড়িত রয়েছে এবং অধিকাংশ কেসেই সে পলাতক অবস্থায় রয়েছে। আজ অভিযুক্ত কে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে মহামান্য আদালত ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এবং কোতুলপুর থানার পুলিশ এই অভিযুক্ত ব্যক্তি কে জিজ্ঞাসাবাদ করে আর কারা কারা এই কেসের যুক্ত রয়েছে তা সম্পূর্ণ তদন্ত করবেন।