Author: Tanmoy Patra

  • একা নাবালিকাকে ঘরে পেয়ে,একা থাকার সুযোগে ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কর্মী! গ্রেফতার এক!

    একা নাবালিকাকে ঘরে পেয়ে,একা থাকার সুযোগে ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কর্মী! গ্রেফতার এক!

    এক নাবালিকাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ উঠল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ তিনজনের বিরুদ্ধে! ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলার, শহর বর্ধনের হাটু দেওয়ানগঞ্জের ক্যানেল বাঁধ এলাকার। ঘটনার পরই নাবালিকার মা অভিযোগ দায়ের করেন লিখিত আকারে বর্ধমান থানায়। অভিযোগে লেখেন “গত ২৭ ৭ ২০২৬ তারিখ রাত্রি নট নাগাদ যখন আমি বাড়িতে ছিলাম না পাশের বাড়িতে ছিলাম সেই সময় সিদ্দিকুল্লা মল্লিক, ইলিয়াস মল্লিক, এবং শেখ শাহিদুল আমার বাড়িতে ঢোকে এবং তারা সকলে মিলে মেয়ের মুখ চেপে ধরে তারপরে

    মেয়ের পরনের নাইটি ছিড়ে তাকে বিছানায় ফেলে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে মেয়ের বুকে হাত দেয়। মেয়ের যৌনাঙ্গে হাত দিয়ে জোর জবরদস্তি করতে থাকে পরে মেয়ের চিৎকারে আমি ও আমার স্বামী এবং আশেপাশের লোকজন চলে এলে পালানোর সময় রিভলভারের বাট দিয়ে আমাকেও আমার স্বামীকে আঘাত করে। পরবর্তী সময়ে বর্ধমানে হাসপাতালে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাই”।নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ঘটনায় ইলিয়াস মল্লিক গ্রেফতার হলেও সিদ্দিকুল্লাহ মল্লিক ও শেখ সাইদুল এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। রবিবার নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেনের অভিযোগ, “যারা জঘন্য কাজ করেছে তারা তৃণমূল করত কিন্তু সম্প্রতি বিধানসভা ভোটের ফলাফল বের হতেই তারা দাবি করছে তারা নাকি বিজেপি নেতা। কামাল হোসেন তিনি আরো বলেন আমি বিজেপি করতাম একসময় তবে এখন কোন দল করি না।

    কামাল হোসেন আরও বলেন, অভিযোগ তিনজনের নামে হয়েছে একজন গ্রেফতার হলেও বাকি দুইজন এখনো পর্যন্ত দাদাগিরি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে! আমরা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছি না বাকি দুজন কেন গ্রেফতার হচ্ছে না। ইলিয়াস মল্লিক গ্রেপ্তার হয়েছে তার বাড়ি আমার বাড়ি থেকে পাঁচ মিটার দূরে বাকি দুইজন আমাদের পুড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে পুলিশকে বললেও পুলিশ বলছে পরে গ্রেপ্তার করব। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ বাকি দুইজন যেন অতি দ্রুত গ্রেফতার হয়”। নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মন্ডল সভাপতি ছিল বিজেপির। আমি বুথ সভাপতি ছিলাম কিন্তু এখন আমরা আর কোন পার্টি করি না।

  • বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের রথে জগন্নাথ সুভদ্রা বলরাম থাকেন না তাহলে থাকেন কে? দেখুন বিস্তারিত!

    বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের রথে জগন্নাথ সুভদ্রা বলরাম থাকেন না তাহলে থাকেন কে? দেখুন বিস্তারিত!

    পিতলের ঐতিহ্যবাহী রথে বিরাজ করেন শ্রীশ্রী রাধামদন গোপাল ঠাকুর জিউ

    পুরীর জগন্নাথদেবের রথযাত্রার সঙ্গে মিল থাকলেও বিষ্ণুপুরের মাধবগঞ্জের রথ উৎসবের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য। এখানে রথে আরোহন করেন না জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। পরিবর্তে মল্লরাজাদের আমল থেকে একই নিয়মে পিতলের ঐতিহ্যবাহী রথে বিরাজ করেন শ্রীশ্রী রাধামদন গোপাল ঠাকুর জিউ। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই হরিনাম সংকীর্তন, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ভক্তদের ‘জয় গোপাল’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে বিষ্ণুপুরের মাধবগঞ্জ এলাকা। ৩৬১ বছরের ঐতিহ্য মেনে শুরু হল মাধবগঞ্জ ১১ পাড়া রথযাত্রা উৎসব।ইতিহাস বলছে, ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের আমলে রানী শিরোমণি দেবীর ইচ্ছায় মাধবগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত হয় পাথরের পাঁচচূড়া মন্দির। সেই মন্দিরেই প্রতিষ্ঠা করা হয় শ্রীশ্রী রাধামদন গোপাল ঠাকুর জিউকে।

    একই সময়ে নির্মিত হয় পিতলের সুদৃশ্য রথ। সেই থেকে আজও একদিনের জন্যও নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি। প্রতি বছর রথযাত্রার সকালে নির্দিষ্ট শুভক্ষণে মন্দির থেকে হরিনাম সংকীর্তনের মধ্য দিয়ে বিগ্রহকে এনে পিতলের রথে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পূজা, আরতি ও নানা মাঙ্গলিক আচার সম্পন্ন হওয়ার পর ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হয় রথের রশি। হাজার হাজার মানুষ সেই রশিতে টান দিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করেন।শুক্রবার সকাল ৫টা ২০ মিনিট নাগাদ মন্দির থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা। ভক্তদের কীর্তন, ঢাক, খোল-করতালের তালে রাধামদন গোপাল ঠাকুরকে নিয়ে যাওয়া হয় পিতলের রথে। পরে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় বিশেষ পূজা ও আরতি। এরপর সাধারণ মানুষ, ভক্ত ও দর্শনার্থীরা রথের রশিতে টান দেন। সকাল থেকেই মাধবগঞ্জ ও সংলগ্ন এলাকায় উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। শুধু বিষ্ণুপুর নয়, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত এবং পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও বহু পুণ্যার্থী এই ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রায় যোগ দিতে আসেন।