এই পাখি সচরাচর সারা বছর জয়পুর জঙ্গলে খুব একটা দেখা যায় না। কেবলমাত্র বর্ষা শুরুতেই প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। চাতকের বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ জ্যাকোবিনের-চেঁচানো পাখি (পাকড়া পাপিয়া, পাপিয়া, জ্যাকোবিন কোকিল, এবং পাইড ক্রেস্টেড কোকিল উইকিপিডিয়া।
এই পাখিটির বাংলা নাম চাতক, ইংরেজি নাম Jacobin cuckoo বা Pied cuckoo এবং বৈজ্ঞানিক নাম Clamator jacobinus। এটি Cuculidae (কুকুলিডি) গোত্রের একটি পাখি Wikipedia। চাতক পাখি সাধারণত বৃষ্টির জল পান করে থাকে, তাই একে “ভক্ত পাখি” বা “বৃষ্টির জল পানকারী পাখি” হিসেবেও অনেকে চিনে থাকে ।
পর্যন্ত; সাবসাহারান আফ্রিকার দক্ষিণ থেকে তাঞ্জানিয়া ও জাম্বিয়া থেকে উত্তর পশ্চিম ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ, মায়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃত। কখনও কখনও হিমালয়ের পাদদেশে তিব্বতেও দেখা যায়। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে আসে গ্রীষ্মকালীন পরিযায়ী হিসেবে।
কিন্তু বর্ষার শুরুতেই সেই পাখির দেখা ভিন্ন বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলে। কান পাতলেই চাতকের চেঁচামেচিতে ভরে উঠেছে জঙ্গল। যেমন মিষ্টি সুর ঠিক তেমনটাই দেখতে মাথায় ঝুটুন কালুই সাদা রং। মনের আনন্দে গাছের এডাল থেকে ওডাল ডানা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে সারা জঙ্গলে। তবে এই পাখি সম্ভবত লাজুক প্রকৃতির বলেই মনে করা হচ্ছে।
হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে আর বি আই। সুপ্রিম নির্দেশে হাতে সময় দুদিন পাবেন তো আপনার হকের DA
হাতে দু’দিন থাকলেও এখনও জারি হয়নি নির্দেশিকা, মিলবে তো বকেয়া ডিএ?
সুপ্রিম কোর্ট আগেই বলেছিল, ২৭ জুনের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। ১৫ জুনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। তাই শেষ পর্যন্ত খাতায় টাকা জমা না হওয়ায় নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না সরকারি কর্মচারীরা।
শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো আর দু’দিনের মধ্যে রাজ্যকে সরকারি কর্মচারীদের ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত নবান্ন বা অর্থ দফতর থেকে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। যদিও প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছিল এই নির্দেশ
মডিফিকেশনের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত ছুটির কারণে বন্ধ থাকায় সেই আবেদন এখনও তালিকায় ওঠেনি। বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশের পরিবর্তন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল। রাজ্য সরকার এই আর্জি জানাবে বলে সূত্রের খবর ছিল। সূত্রের খবর, আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে, তার কয়েকটি ক্ষেত্রে সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েই আবেদন করতে চাইছিল রাজ্য। তবে একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দিষ্ট করে দেওয়া সময়ের মধ্যেই বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘভাতা দেওয়ার বিষয়েও তোড়জোড় শুরু করে নবান্ন।
কয়েক হাজার কোটির ঋণ দিয়েছে RBI, হাতে দু’দিন থাকলেও এখনও জারি হয়নি নির্দেশিকা, মিলবে তো বকেয়া ডিএ?
সুপ্রিম কোর্ট আগেই বলেছিল, ২৭ জুনের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। ১৫ জুনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। তাই শেষ পর্যন্ত খাতায় টাকা জমা না হওয়ায় নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না সরকারি কর্মচারীরা।
শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো আর দু’দিনের মধ্যে রাজ্যকে সরকারি কর্মচারীদের ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত নবান্ন বা অর্থ দফতর থেকে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। যদিও প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছিল এই নির্দেশ মডিফিকেশনের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত ছুটির কারণে বন্ধ থাকায় সেই আবেদন এখনও তালিকায় ওঠেনি। বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশের পরিবর্তন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল। রাজ্য সরকার এই আর্জি জানাবে বলে সূত্রের খবর ছিল। সূত্রের খবর, আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে, তার কয়েকটি ক্ষেত্রে সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েই আবেদন করতে চাইছিল রাজ্য। তবে একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দিষ্ট করে দেওয়া সময়ের মধ্যেই বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘভাতা দেওয়ার বিষয়েও তোড়জোড় শুরু করে নবান্ন।
একটি সূত্র জানাচ্ছে, ২৫ শতাংশ ডিএ-র ৮০ শতাংশ কর্মচারীদের দিয়ে বাকি ২০ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করা হবে। যদিও এ ভাবে দিলে শীর্ষ আদালতের অবমাননা হবে কি না সেটাও আইনি পরামর্শ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু নির্দেশিকা জারি না হওয়ায় কর্মচারীদের মনে এখনও সংশয় রয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট আগেই বলেছিল, ২৭ জুনের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। ১৫ জুনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। তাই শেষ পর্যন্ত খাতায় টাকা জমা না হওয়ায় নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না সরকারি কর্মচারীরা। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত জল কোনদিকে গড়ায়।
রাজ্য সরকারি কর্মীদের ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দিতে গেলে দরকার ১০ হাজার কোটি টাকা। ২৫ শতাংশ ডিএ-র ৮০ শতাংশ দিলে এখন দরকার প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, খুব সম্ভবত ডিএ মেটাতেই এই ঋণ নিয়েছে সরকার। যদিও তা মনে করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি বলছেন, “এরকম কোনও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মনে হয় না।
একটা গুজব ছড়ানো হয়েছে। সরকারের তো লোন নেওয়ার দরকার নেই। মুখ্যমন্ত্রী তো নিজেই ফেসবুকে লিখলেন রাজ্যের আর্থিক অবস্থা ভাল। সেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার জন্য ঋণ কেন নিতে হবে? তার কিসের প্রয়োজন?” যদিও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে লোন না মিললে তাঁরা আদালত অবমাননার মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন। বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন।
বাঁকুড়ায় নদীতে তলিয়ে গেল তিন স্কুলছাত্র, প্রশ্ন স্কুল চলাকালিন বাইরে যাওয়া নিয়ে।
বিষ্ণুপুর থানার সুভাষপল্লী থেকে ষাঁড়েশ্বর যাওয়ার দ্বারকেশ্বর নদীঘাটে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তলিয়ে গেল নবম শ্রেণির তিন ছাত্র। সোমবার দুপুর প্রায় ১.৩০ নাগাদ বিষ্ণুপুর হাই স্কুলের তিন ছাত্র সায়ন চ্যাটার্জি, পরমেশ্বর মিশ্র ও অর্ক দীপ দাস নদী পার হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে জলে তলিয়ে যায় বলে জানা গেছে। প্রত্যেকের বাড়ি বিষ্ণুপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায়।
প্রাথমিক সূত্র অনুযায়ী, ছাত্ররা স্কুল ড্রেস পরিহিত অবস্থাতেই নদীর ঘাটে যায়। স্কুল চলাকালীন সময়ে তারা কীভাবে বাইরে বেরিয়ে এলো, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। স্থানীয়দের অনুমান, তারা সম্ভবত নদীর জলে নামতে গিয়েই দুর্ঘটনার শিকার হয়। অনেকে বলছেন, জল দেখতে বা ছবি তুলতেই তারা নদীর ধারে গিয়েছিল।
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। উদ্ধারকাজে নেমেছে বিষ্ণুপুর মহকুমা সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। তবে এই দুর্ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের দিনই ভয়াবহ ঘটনা কালীগঞ্জে, তুমুল বোমাবাজি! মৃত্যু ১০ বছরের নাবালিকার
কালীগঞ্জে বোমার আঘাতে মৃত্যু ১০ বছরের নাবালিকার। ভোট পরবর্তী হিংসায় বোমার আঘাতে মৃত্যু হল এক নাবালিকার। ঘটনাটি ঘটেছে কালীগঞ্জ বিধানসভার মোলান্দি গ্রামে। মৃতের নাম তামান্না খাতুন (১০)। অভিযোগ ভোটের ফল প্রকাশ হতেই তৃণমূল কর্মীরা সিপিআইএম সমর্থকদের উপর বোমাবাজি করে। সেই সময় ওই নাবালিকা বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হয়। এরপর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।
কালীগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গত ১৯ জুন উপনির্বাচন হয়। সোমবার উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ (Kaliganj By Election Result) ছিল। গণনার শুরু থেকেই ব্যবধান বাড়াতে বাড়াতে এগিয়ে চলেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ। শেষমেশ কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রত্যাশিত ভাবেই বড় জয় পেল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ নির্বাচন কমিশন এখনও সরকারি ভাবে ফল ঘোষণা না করলেও কালীগঞ্জ কৃষ্ণনগরের
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে দাবি করেছেন, তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ কালীগঞ্জ থেকে ৪৯,৭৫৫ ভোটে জয়ী হয়েছেন৷
কালীগঞ্জে জয়ের জন্য দলের নেতা কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কালীগঞ্জে ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে৷ কিন্তু তারই মাঝে ঘটে গেল ভয়াবহ ঘটনা।
টানা ৪৮ ঘন্টার বৃষ্টিতে জলমগ্ন বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকা,বাদ নেই জয়পুর ব্লক। প্রায় ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৪২ মিলিমিটার। আর যার জেলে সৃষ্টি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। খোলা হয়েছে একাধিক ত্রাণ শিবির নড়বড়ে মাটির বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আশ্রয়স্থলে।
তারই মধ্যে বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লক এর সোলদা গ্রামের বোষ্টমবাগান এলাকায় একটি মুড়ি ভাজা কলের ভয়াবহ চিত্র। দীর্ঘদিনের জলনিকাসিনালা ছিল এলাকায় বর্তমানে মাটি ফেলে বুঝিয়া ফেলা হয় নালা যার জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়ছে এলাকা, তলিয়ে যাচ্ছে মুড়ি ভাজা কল।
জল নিকাশি নালার ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার বৃষ্টির জল গড়িয়ে ঢুকে পড়ে মুড়ির কলে। একদিকে যেমন বন্ধ মুড়ির কল, তেমনই হয়েছে লোকসান। জলেতে ভেসে গেছে বস্তা বস্তা মুড়ি মুড়ির চাল ও নুন বস্তা। ক্ষয়ক্ষতি প্রচুর হয়েছে বলে জানান মুড়ি কলের মালিক।
বারবার পঞ্চায়েতকে বলেও ব্যবস্থা হয়নি জল নিকাশী নালার, এর পর বন্ধের মুখে মুড়ির কল, কাজ হারানোর আশঙ্কায় কুড়ি জন শ্রমিক। তবে এই বিষয়ে সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কে প্রশ্ন করলে তিনি জানান দ্রুত জল নিকাশি নালার ব্যবস্থা হবে তবে স্থানীয় জমির মালিক যারা রয়েছে তারা বাধার সৃষ্টি করছে কারণ চাষযোগ্য জমিতে নোনা জল ঢুকে গেলে জমির ফসল হবে না,এই টালবাহানায় এতদিন হয়নি।
নিকাশি নালার কিভাবে ব্যবস্থা করা যায় সেই ব্যবস্থাই করছেন বলেই জানান প্রধান। কি জানাচ্ছেন তিনি চলুন শোনাবো আপনাদের।
পাচারের আগে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করল বীরভূমের ইলামবাজার থানার পুলিশ।।
ঘটনায় রিলেটেড পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য বেশ কয়েক লক্ষ টাকা।
কলকাতার নম্বর প্লেট লাগানো একটি চারচাকা গাড়ি করে গাঁজা নিয়ে বর্ধমান পেরিয়ে বীরভূমের দিকে আসছিল পাঁচজন। গোপন সূত্রে খবর যায় বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার রানা মুখোপাধ্যায় তড়িঘড়ি পুলিশের একটি দল গঠন করে। সেখানে ইলামবাজার থানার ওসি, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বোলপুর, বোলপুরের সার্কেল ইন্সপেক্টর। পুলিশের এই স্পেশাল টিম নাকা চেকিং করে সন্দেহভাজন একটি চারচাকা গাড়ি আটক করে। গাড়ির ডিকি খুলতেই বেরিয়ে আসে বিপুল পরিমাণ গাঁজা।
বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার রানা মুখোপাধ্যায় জানান, ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৭ লক্ষ টাকা। ঘটনায় রিলেটেড পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে নগদ একলক্ষ ২১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে গাঁজা পাচারের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটি। এদিন ধৃত পাঁচজনকে বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।।
একের পর এক মামলায় ধাক্কা খাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার, কেন আবার ধাক্কা খেলো রাজ্য দেখুন।
ফের হাইকোর্টে ধাক্কা খেলো রাজ্য সরকার ওবিসি মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের!
মঙ্গলবারে রাজ্যের নতুন অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায় তথা ওবিসি বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট! যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি মহল। এই ঘটনা রাজ্যের কাছে একপ্রকার বড়সড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। দীর্ঘদিন ধরে ওবিসি মামলা নিয়ে বহু আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে। এখনও তা বর্তমান। আটকে আছে কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া। এই আবহে নতুন ওবিসি বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ আদালতের।
সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে প্রায় ১৪০টি জনজাতি নিয়ে নতুন ওবিসি সংরক্ষণের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার শুনানি ছিল। সেখানেই বিচারপতি রাজশেখর মান্থা এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ‘রাজ্যের তরফে এখনও অবধি বিভিন্ন বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। যা একপ্রকার আদালতের নির্দেশ অমান্য করা বোঝায়। রাজ্য প্রথম ২০১২ সালের আইন অনুযায়ী কাজ করার পর ১৯৯৩ সালে ফেরত গিয়েছে। কেন এমনটা কেন?
পাশাপাশি দুই বিচারপতি আরও বলেছেন, ‘প্রয়োজনে ২০১২ সালের আইনে সংশোধন করা যেত। কিন্তু রাজ্য তা করেনি। যেহেতু দেশের শীর্ষ আদালতে মামলা রয়েছে। অপরদিকে রাজ্য পদক্ষেপ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের রায় আসা না অবধি কোনওরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না।’ বলাবাহুল্য বিচারপতি রাজশেখর মান্থা এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ৩১ জুলাই অবধি নতুন ওবিসি বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।
অবশেষে সুখবর! সংস্কারজনিত কারণে বেশ কিছু দিন বন্ধ থাকার পর খুলে যাচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারেজের উপর রাস্তা। রবিবার দুপুর ১২ টা থেকে ওই রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হবে- শনিবার ব্যারেজ সংস্কারের কাজ পরিদর্শণ শেষে এই খবর জানালেন সেচ দপ্তরের মূখ্য বাস্তুকার দেবাশীষ সেনগুপ্ত।
উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশী কিছু সময় ধরে দুর্গাপুর ব্যারেজ সংস্কারের কাজ চলছিল। এই অবস্থায় ব্যারেজের উপর দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রেখে নদীবক্ষে অস্থায়ী রাস্তা তৈরী করা হয়েছিল। এবার ওই রাস্তা বন্ধ করে ব্যারেজের উপর দিয়েই যানচলাচল করা যাবে জানানোর পাশাপাশি সংস্কারের দিন গুলিতে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে সেচ দপ্তরের মূখ্য বাস্তুকার দেবাশীষ সেনগুপ্ত
বলেন বাঁকুড়া জেলা পুলিশ এই ব্রিজ নিয়ে ভালো কাজ করেছেন সমস্ত রকম সাহায্য সহযোগিতা করেছেন আর সামান্য কাজ বাকি রয়েছে যা আজ রাত্রের মধ্যেই শেষ হবে আগামীকাল ওটা রবিবার থেকে সম্পূর্ণভাবে যান চলাচল করবে এই ব্রীজের উপর দিয়ে।
ইলামবাজার ব্লকের ধরমপুর অঞ্চলে নৃপতি গ্রামের করালি পুকুরের পাড় থেকে একটি ব্যাগ সহ কমবেশি ৫ থেকে ৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে ইলামবাজার থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সাতসকালেই।স্থানীয়রা পুকুর পাড়ে হঠাৎ একটি অচেনা ব্যাগ দেখতে পেয়ে ইলামবাজার থানার প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।
প্রশাসন ঘটনাস্থলে তড়িঘড়ি এসে দেখে একটি ব্যাগ সহ ৫ থেকে ৬ টি তাজা বোমা বাঁশ ঝাড়ের মধ্যে রয়েছে। তৎক্ষণাৎ জায়গাতে চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষদেরকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং চলে পুলিশের কড়া নজরদারি।তরিঘড়ি ইলামবাজার থানা প্রশাসন বোম স্কোয়ার্ড ও দমকল বিভাগকে খবর দেওয়া হয়।
কিছু সময়ের জন্য এই বোম গুলিকে দেখে সাধারণ মানুষদের মধ্যে এক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। তবে এই বোমাগুলি কে বা কারা রেখে গেছে এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। এই তাজা বোমা রাখাকে কেন্দ্র করে নৃপতি গ্রামের আশেপাশে সকল সাধারণ মানুষদের মধ্যে এক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
সেই ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা গুলি বোম স্কোয়ার্ডের সাহায্যে গ্রাম থেকে দূরে মাটি গর্ত করে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ডিসপোজ করা হয় বিকাল ৩ টে নাগাদ।।
হুগলির গোঘাট এক নম্বর ব্লকের কাঁকুরিয়া গ্রামে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জমিতে অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটতে গিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। ঘটনায় জড়িত একজনের বিরুদ্ধে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন।
জানা গেছে, কাঁকুরিয়া এলাকায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করা জমিতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস ও চাষবাস চলে আসছে বংশানুক্রমে। তাঁদের দাবি, প্রায় ৫০ শতাংশ জমির বৈধ কাগজপত্র তাঁদের নামে রয়েছে। বাকিটা দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছেন তারা। সেই জমির একাংশে গাছপালা রোপণ ও বনসৃজন করেন স্থানীয় আদিবাসীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি অমিত মল্লিক নামে এক ব্যক্তি ওই জমিতে প্রবেশ করে গাছ কাটতে যান, কোনও পূর্ব অনুমতি ছাড়াই। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন এবং গাছ কাটার তীব্র বিরোধিতা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আদিবাসী সম্প্রদায়ের অভিযোগ, এভাবে জোর করে জমিতে প্রবেশ এবং গাছ কাটা তাঁদের অধিকার ও পরিবেশ উভয়ের উপর আঘাত। তাঁদের বক্তব্য, “এই জঙ্গল শুধু আমাদের জীবিকা নয়, আমাদের সংস্কৃতিরও অংশ। এখানে গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংস করলে আমরা কোথায় যাব?”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছয় এবং দুই পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গোঘাট থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে অমিত মল্লিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।