সাত সকালে আবারো প্রবেস করলো হাতির দল বাঁকুড়া জয়পুর জঙ্গলে।
মায়ের সাথে ছেলে বিদাই নিলেও জয়পুর জঙ্গলে রয়ে গেল এক দল গজরাজ।
দ্বাদশীর সকালে দুঃসংবাদ জয়পুরের মানুষদের জন্য।
এই মুহূর্তে 20-25টি হাতীর একটি দল সাত সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর গরবেতার জঙ্গল থেকে প্রবেশ করলো জয়পুর জঙ্গলে ।
এই মুহূর্তে হাতির অবস্থান বাসুদেবপুর গুরুর বাসায় এলাকায়।
এই মুহূর্তে জঙ্গলমহল এলাকায় আউস ধান কাটতে ব্যস্ত কৃষকেরা মাঠকে মাঠ পাকা ধান রয়েছে কোনো ক্রমে হাতি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে গ্রামের দিকে চলে আসলে ধান জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে সেই চিন্তায় মাথায় হাত জয়পুর ব্লকের শ্যামনগর পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম সংলগ্ন মানুষের। শুধু শ্যামনগরের মানুষই নয় আতঙ্কে রয়েছে ত্রিভঙ্গ বেলসুল নতুন গ্রাম বেলিয়া সহ একাধিক গ্রামের মানুষ।
প্রতিবছর ধান পাকার সময় দলমার হাতির দল প্রবেশ করে জয়পুর জঙ্গলে। তছনছ করে দেয় একাধিক এলাকার ধানের জমি, ক্ষতি করলেও মেলেনি কোন আর্থিক সাহায্য, যেটুকু সাহায্য মেলে তাতে করে সংসার চালানো সম্ভব নয়,তাই আতঙ্কে জঙ্গল লাগোয়া একাধিক গ্রামের মানুষ। তবে অবশ্য বনদপ্তর পক্ষ থেকে এলাকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার জন্য সাবধানের বাণী শোনাচ্ছেন মাইকিং করে জয়পুর বনদপ্তর।
তবে অবশ্য সাবধানের বাণী শোনালেও আতঙ্ক কাটছে না গ্রামবাসীদের ।
কোন রকমের বন দপ্তরের কর্মীদের চোখকে ধুলো দিয়ে হাতীর দল গ্রামের দিকে চলে আসলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেই মনে করছেন গ্রামবাসীরা কি বলছেন গ্রামের মানুষ শোনাবো আপনাদের।
বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।
Category: রাজ্য

জয়পুর জঙ্গলে প্রবেশ করল আদুরে রামলাল সাথে আরো কুড়ি-পাঁচটি বন্ধুবান্ধব

গোষ্ঠীর মহিলাদের লোন দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগে ঘিরে তোলপাড় এলাকা ঘটনা, বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের রাজগ্রাম সমবায় সমিতর ঘটনা
গোষ্ঠীর মহিলাদের লোন দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগে ঘিরে তোলপাড় এলাকা ঘটনা, বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের রাজগ্রাম সমবায় সমিতর ঘটনা। ঘটনায় তোলপাড় এলাকা, সমবায় সমিতি কে ঘিরে বিক্ষোভ গোষ্ঠীর মহিলাদের ঘটনাস্থলে জয়পুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি, গোষ্ঠীর মহিলাদের লোন দেওয়ার নাম করে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা প্রতারণার অভিযোগ সমবায় সমিতির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। তবে ম্যানেজারের এই অভিযোগ অস্বীকার। সমবায় সমিতির গোষ্ঠীর লোন ছাড় ও ব্লেঙ্ক চেকে সই সহ একাধিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে সমবায় সমিতি ঘেরাও করে বিক্ষোভ কয়েক শতাধিক মহিলারা। কি কারনে এই ঘটনা কেনই বা বিক্ষোভ দেখালো সমবায় সমিতিতে? কি বলছেন সমবায় সমিতির ম্যানেজার শ্যামল দাস, চলুন বিস্তারিত শোনাবো আপনাদের।
বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডু রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।
মৎস্য দপ্তরে ভুয়ো চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা প্রতারণা বাঁকুড়ার জয়পুরে, গ্রেপ্তার বারাসাতের যুবক জয়পুর ব্লকের বারাসাতের যুবক।
মৎস্য দপ্তরে ভুয়ো চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা প্রতারণা, বাঁকুড়ার জয়পুরে।
আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি, মৎস্য দপ্তরের মাসে মাসে ১৪০০০ টাকা বেতন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা অভিযোগ বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের বারাসাত গ্রামের সুমনন্দির বিরুদ্ধে।
আর এই প্রতারণার অভিযোগ পেতেই সাথে সাথে প্রতারককে গ্রেফতার করল জয়পুর থানার পুলিশ।প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগ প্রতারক সুমন নন্দীর বিরুদ্ধে। রাজ্যে এই প্রথম ভুয়ো এপর্নমেন্ট লেটার দিয়ে মাসে মাসে বেতন দিয়ে চাকরির প্রতারণা, এই প্রতারণার অভিযোগ পেয়েই দ্রুত গতিতে তদন্ত শুরু করে জয়পুর থানার পুলিশ, গত ১১ ই সেপ্টেম্বর, অভিযোগকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে জয়পুর থানার পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে সুমন নন্দী কে আর এই সুমন নন্দী কে তুলে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করতেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়ে একের পর এক নাম, আর জয়পুর থানার পুলিশ গত ১২ তারিখে রাত্রিবেলায় উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর থেকে এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে আসে, তাকে গতকাল বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যায় সেখানে পুলিসী হেফাজত নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে,এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। তবে প্রথম অভিযুক্ত সুমন নন্দীকে প্রথমে পুলিশ হেফাজতে নেই আজ তার হেফাজতের শেষ দিন হতেই পুলিশ অভিযুক্তকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যায়। এখন দেখার ভুয়ো অপরমেন্ট লেটার দিয়ে চাকরির প্রতারণা জাল কতদূর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তারই তদন্ত করছে জয়পুর থানার পুলিশ।
বাড়ির বড় ছেলের হাতে খুন বাবা।
এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর- ছেলের হাতে বাবা খুন-। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুরে।
মাকে মারধর করেছিলেন বাবা, বাধা দেয় বড়ো ছেলে, তবুও মাকে মারধর করায়, লাঠি আঘাতে খুন বাবা।। আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি, বাড়ির বড় ছেলের হাতে খুন বাবা ।ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের মুকুন্দপুর এর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
আপনাদের আরো একবার জানিয়ে রাখি। বাড়িতে মদ খেয়ে এসে মাকে মারধর করেছিল বাবা, সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন বড় ছেলে।
মাকে বাঁচাতে জান ছেলে সেই সময় মদ্যপ বাবা তবুও মারধর করেন মা কে আর রাগে না থাকতে পেরে পাশেতে পড়ে থাকা লাঠিই করে আঘাতে করেন বাবাকে। আর সাথে সাথেই লুটিয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি , আর এই ঘটনায় ছুটে আসেন এলাকার মানুষজন, সাথে সাথে উদ্ধার করে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় সেখানেই চিকিৎসা চলছিল, আজ সকালে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে মৃত্যু হয় বলেই খবর। আর এই ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
তবে কিভাবে ঘটলো এত বড় দুর্ঘটনা তারই তদন্ত করছে জয়পুর থানার পুলিশ। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়ির বড় ছেলে কে গ্রেফতার করে জয়পুর থানায় নিয়ে আসে। আজ ওই ব্যক্তিকে বিষ্ণুপুর আদালতে নিয়ে যায়।
কি বলছেন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী হারা মা এবং বাড়ির অন্যান্য সদস্য ও বাড়ির ছোট ছোট দুই সন্তান, চলুন শোনাবো আপনাদের।
কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়।
কংসাবতী কেনেলের জল ঢুকে আচমকায় বন্যা পরিস্থিতি বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের জয়পুর কেয়াপাড়ায়,
আচমকা কংসাবতী কেনেলের জল বাড়িতে ঢুকে যাওয়ায় কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ে যাবার ভয়ে আতঙ্কিত গ্রামের মানুষ।
জানা যায় কংসাবতী ক্যানেলের জল আজ সকালে আচমকায় চলে আসে, কেনেল সংস্কারের অভাবে ঝোপ-জঙ্গলে বুঝে থাকায় সেই জল পার উপছে প্লাবিত হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। এমনকি রান্নাঘরে জল ঢুকে যায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের। এই ঘটনায় সাথে সাথে খবর দেয়া হয় কংসাবতী কানেল দপ্তরকে, কংসাবতী ক্যানেলের পক্ষ থেকে সেই ভাবে সারা না মেলায় গ্রামবাসীরা জেসিপি নিয়েছে নিজেদের টাকায় ক্যানেল সংস্কারের চেষ্টা করেন, আর এই নিয়ে শুরু হয় ঝামেলা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের মানুষ । তবে অবশ্য কংসাবতী ক্যানেলের পক্ষ থেকে জানতে পারা যায় তারা এই ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে মেইন ক্যানেল এর শাখা গেট বন্ধ করে দেয়,
গ্রামবাসীদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি এই কেন্যেল সেই কারণে ঝোপ জঙ্গলে ভরে যায় এলাকার কেনেল,আচমকায় কংসাবতীর জল আজ সকালে চলে আশা তেই পার উপছে জল উঠছে ঢুকে পড়ে গ্রামে। আর জল ঢুকে একের পর এক বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। তবে গ্রামবাসীরা নিজেরা সহযোগিতায় সকলে না হাত লাগালে কত বড় যে দুর্ঘটনা ঘটতো তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি বা এই কেনেলের জল রাত্রিবেলায় যদি প্রবেশ করত ভয়ানক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো জয়পুরে তা আর বলাই বাহুল্য।
দেখুন সেই ভয়ানক চিত্র কিভাবে কেনেলের জল ঢুকে গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি। এই বন্যা পরিস্থিতি নেই কি বলছেন এলাকার মানুষ। চলুন শোনাবো আপনাদের।

পান্তা ভাত খেয়ে মৃত এক অসুস্থ আরো তিন। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে।
পান্ত ভাত খেয়ে অসুস্থ ৩ মৃত ১ বাঁকুড়া জয়পুরো ও কোতুলপুর ব্লকের ফুটি ডাঙ্গা গ্রামে।
লেগ পঞ্চায়েতের ফুটিডাঙ্গা গ্রামে একটি পরিবারের চারজন সদস্য বাসি ভাত (পান্তা ভাত) খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে একটি পরিবারের চার সদস্য, পান্তা ভাত খেয়ে অসুস্থ বোধ করায় গ্রামের মানুষ প্রথমে নিয়ে যাই কোতুলপুর গ্রামীণ হসপিটালে, সেখানে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করাহয়,হসপিটালে কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন বিষাক্ত খাবার খেয়েই শারীরিক সমস্যায় পড়েছে এই পরিবারের সদস্যরা। তাদের শারীরিক অবনতি দেখে গ্রামীণ হসপিটাল থেকে বিষ্ণুপুর জেলা হসপিটালে স্থানান্তরিত করে, সেখানে ই পরিবারের এক সদসের মৃত্যু হয়।
গতকাল ওই পরিবারের কণিষ্ক সদস্য নাম বিধান সরেন চাতরা জুনিয়র হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ মারা যান। আজ দুপুর নাগাদ মৃতদেহটি ফুটিডাঙ্গা গ্রামে আনা হয়। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সেই খবর পেয়ে গ্রামে যান পঞ্চায়েত প্রধান তিনি এই অসহায় পরিবার গুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এখন অব্দি পরিবারের তিন সদস্য হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেই সূত্রে খবর।। গ্রামবাসী ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন লেগ অঞ্চলের প্রধান অসিতকুমার পাল সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা শুনে নেওয়া যাক কি বলছেন পঞ্চায়েতের প্রধান।
বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট bcn no1 নিউজ।
আইসিডিএস সেন্টার নাকি গোয়ালঘর, রাখা রয়েছে তিলের বোঝা তাও আবার গ্রামবাসীদের।
আজ আমরা একেবারে অন্য ছবি দেখাবো আইসিডিএস সেন্টার নাকি গোয়ালচালা জোড়াজীর্ণ বাথরুমে রাখা রয়েছে তিলের বোঝা, ভাঙা চালায় চলছে রান্না ঘরের দেওয়ালের ফাটে রয়েছে সাপ প্রায় দিনই বের হয় দেওয়ালের ফাঁট থেকে,আতঙ্কে ক্ষুদে পড়ুয়ারা।
আইসিডিএস সেন্টারে ছোট্ট শিশুদের নিয়ে চলছে ছেলে খেলা জোড়াজির্ণ রান্না চালায়, চলছে রান্না করা খাবার পরিবেশন,যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড়সড়ো দুর্ঘটনা । প্রশাসনের নজরদারি কোথায়।
জোড়া জির্ণ আইসিডিএস স্কুলে চলছে পড়াশুনা ও খাওয়া-দাওয়া রান্না। এমনই ছবি উঠে এলো বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের কলায় ডাঙ্গা আইসিডিএস সেন্টারে।
প্রতিদিন নিয়ম করে হচ্ছে স্কুল স্কুলে আসছে ক্ষুদে পড়ুয়ারা হচ্ছে খাওয়া দাওয়া তবুও হুশ ফিরেনি প্রশাসনে যেকোনো সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে শিশুদের। রান্না করা খাবারে কোন রকমের বিষক্রিয়া পরে গেলে তার দায় কার আতঙ্কে অভিভাবকেরা।
তার উপর ছোট ছোট শিশুরা বাথরুম বসবে তার উপায় নেই বাথরুম দখল করেছে গ্রামের মানুষ বাথরুমের ভিতরে রাখা রয়েছে তিলের বোঝা যাতে করে বৃষ্টি না ভিজে যাই বাড়িতে রান্না করতে অসুবিধা না হয়। কিন্তু ছোট ছোট শিশুদের আইসিডিএস সেন্টারে পড়াশোনা করতে এলে বাদরুম কোথায় বসবে সেই চিন্তাভাবনা করেনি গ্রামের মানুষ ,তাদের জালন রাখাটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। বাদরুম বসার কোন জায়গা নেই বাথরুম দখল করে গ্রামের মানুষের রাখা রয়েছে তিলের বোঝা।
শুধু বাথরুমের অবস্থা খারাপ তা নয় সমস্যা পানীয় জলের, কল রয়েছে তবে জলের অভাব, দশ মিনিট হ্যান্ড পাম্প টিপার পর জল পড়ে তাও আবার সেই জল পান করার অযোগ্য। আইসিডিএস দিদিমণিদের জল আনতে হয় গ্রামের সজল ধরা কল থেকে তাও আবার দূর থেকে তবেই হয় রান্না কারণ কল থাকলেও সেই জল পান করার উপযুক্ত নয়। একেবারেই আর্সেনিক থাকা লাল রংয়ের জল। সেই জলে রান্না করা অসম্ভব বা পান করাও অসম্ভব। তবে জোরাজীর্ণ আইসিডিএস সেন্টার ও শৌচালয় সহ পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, জানিয়েও কোন সূরা মেলেনি। তাই বাধ্য হয়েই বৃষ্টির জলকে উপেক্ষা করে তারা রান্না করছেন এবং শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন।
কি বলছেন আইসিডিএস সেন্টারে পড়তে আসা খুদে শিশুদের অভিভাবকরা কি বলছেন আইসিডিএস সেন্টারের দিদিমণ
চলুন সোনাব আপনাদের।বাঁকুড়ার জয়পুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।

বর্ষাকালে আপেল কুলের চাষ করে তাক লাগালে একজন শিক্ষক।
বর্ষাকালে আপেল কুলের চাষ করে তাক লাগালে একজন শিক্ষক। অসময়ে কিভাবে কাশ্মীরি আপেল কুলের চাষ করা যায়।সেই সম্পর্কে জানালেন রাজগ্রাম এস বি রাহা ইনস্টিটিউশনের জীব বিদ্যা শিক্ষক দেবীপ্রসাদ পাত্র। তিনি বাঁকুড়া জেলার জয়পুর থানার রাজগ্রামে থাকেন। তিনি জানান গত ‘বছর এই আপেল কুলের গাছটি স্থানীয় নার্সারি থেকে নিয়ে আসেন। গত শীতে এই গাছ থেকে তিনি কিছু ফল পান। শীতের পর তিনি এই গাছটি একটি পলিথিনের বস্তায় প্রতিস্থাপন করেন। এ বছর এপ্রিল মে মাস নাগাদ এই গাছে প্রচুর ফুল আসে। এরপর এই ফুলগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য এবং ফলে পরিণত করার জন্য তিনি বেশ কিছু ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ থেকে ফুলগুলোকে রক্ষা করার জন্য গ্রীন নেট ব্যবহার করেন। গাছের মাটি যাতে গরম না হয় তার জন্য বস্তার চারদিকে পলিথিনের মালচিং পেপার দিয়ে মুড়ে দেন। সময় মতো গাছে জৈব সার তার সঙ্গে ফলগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের জৈব কীটনাশক বোরন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি পুষ্টি মৌল সময় সময় স্প্র করেন। আজ তার গাছ আপেল কুলে ভরে গেছে ফুলের ভারে গাছের ডাল নিয়ে পড়েছে। কুলের সাইজ যথেষ্ট বড়ো।কিছুদিনের মধ্যেই কুলগুলি খাবার উপযুক্ত হয়ে যাবে। বর্ষাকালে এভাবে এত পরিমাণ আপেল কুল ফলানো যায় দেখে আমরা অবাক হয়ে গেছি। কথায় বলে চেষ্টা করলে সবই সম্ভব তা আরো একবার প্রমাণ করে দিলেন রাজগ্রাম এস বি রাহা ইনস্টিটিউশনের জীব বিদ্যার শিক্ষক দেবীপ্রসাদ পাত্র। তিনি বিসিএন নং ১ চ্যানেলের মুখোমুখি হয়ে ঠিক কি বললেন চলুন শোনাবো আপনাদের।


পঞ্চায়েত ভোটেও দেদার ছাপ্পার অভিযোগ বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে এমনই ছবি উঠে এলো রাউত খন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের sskm বুথ ও জামদিগিরি ও কুন্ডু পুস্করনী বুথে
পঞ্চায়েত ভোটেও দেদার ছাপ্পার অভিযোগ বাঁকুড়া জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে এমনই ছবি উঠে এলো রাউত খন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের sskm বুথ ও জামদিগিরি ও কুন্ডু পুস্করনী বুথে
চলছে দেদার ছাপ্পা ক্যামেরা দেখেই চম্পট দুষ্কৃতীর দল। এমনই ছবি উঠে এলো আমাদের ক্যামেরায়।
আপনাদেরকে আরো একবার জানিয়ে রাখি, জয়পুর ব্লকের একাধিক বুথে দেদার ছাপ্পা এমনই অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে সরজামিনে গিয়ে পৌঁছাতেই ক্যামেরা দেখে দেদার ছুট। যেখানে বারবার হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। স্পর্শকাতর ও অতি স্পর্শকাতর এ কেন্দ্রীয় বাহিনীর আঠা নিরাপত্তা থাকবে সেখানে দেখা গেল অন্য ছবি সেভিক পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ দিয়ে চলছে দেদার ভোট। সেই ভোট কেন্দ্রে সাধারণ মানুষ গিয়ে পৌঁছাচ্ছেন কিন্তু ভোট দিতে পারছেন না বুথের মধ্যে দেখা গেল তৃণমূলের নেতারা বুথের মধ্যে হাতে করে ভোটারদের নিয়ে গিয়ে ভোট দেয়া করাছেন এমনই ছবি উঠে এলো রাউজ খন্ড অঞ্চলের জামদিগিরি বুথে। এই ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলে তিনি সাফাই দেন তার কাকিমা চোখে দেখতে পারছেনা তাই তিনি বুথকেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন, আদৌ কি তাই এটাই এখন বড় প্রশ্ন ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার সহ অন্যান্য ভোট কর্মীরা রয়েছে তারা অনায়াসে পৌঁছে দিতে পারে সেখানে সেখানে অচেনা ব্যক্তি সে কি করে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে নিয়ে যেতে পারে এটা এখন বড় প্রশ্ন।
ভোটের আগের দিনেই গোয়াল ঘরে গুতাগুতি নয়তো,তৃণমূলকে ভোট না দেবার পোস্টার।
ভোটের আগেই গোয়াল ঘরে গুতাগুতি শুরু বাঁকুড়ার কোতুলপুরে, রামডিহাতে পরলো অস্বাভাবিক পোস্টার।
রঞ্জিত কুণ্ডু–বাঁকুড়া
আগে বলতাম তৃণমূলকে ভোট দেবেন এখন বলছি, ভেবেচিন্তে ভোট দেবেন তৃণমূলকে এমনই পোস্টার কে ঘিরে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার কোতুলপুর গোপীনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েত রামডিহা এলাকায়। কে দিল পোস্টার কেনই বা দিল, সেই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।আগামীকাল পঞ্চায়েত ভোট আর তারই আগে আজ শুক্রবারে সাত সকালে পোস্টারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো কোতুলপুর ব্লকের গোপীনাথপুর অঞ্চলের রামডিহা বাজার এলাকায় ।
সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে, ভোট দিতে যাওয়ার আগে সাবধান, আগে বলতাম ভোট দেবেন আমাদের তৃণমূলকে, এখন বলছি ভোট দেওয়ার আগে চিন্তা ভাবনা করে ভোট দেবেন, কারণ এখন আর তৃণমূল কংগ্রেস টা পুরনো কর্মীদের তৃণমূল কংগ্রেস নেই, পোস্টার এর প্রথমের দিকের দু-তিন লাইন এইরকমই ভাষা রয়েছে বাকি পোস্টারটি ভিডিওতে দেখুন …
কে বা কারা এই পোস্টার চারিদিকে দিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি বলে এলাকাবাসীদের দাবি…
কোতুলপুর বিধানসভায় একই শাসকদল নমিনেশন করতে দেয়নি বিরোধীদের,পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত হলেও আটকাতে পারেনি জেলা পরিষদের প্রার্থীদের।
সমস্ত রাজনৈতিক দল কম বেশি প্রার্থী দিয়েছেন, শাসক দল ভেবেছিলেন তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা পরিষদ পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি দখল নেবেন। কিন্তু আটকাতে পারেনি তৃণমূল জেলা পরিষদের প্রার্থী দেওয়ায় ঘুম ছুটেছে নেতাদের।
আর তারই মাঝে আগামীকাল পঞ্চায়েত নির্বাচন আর সেই নির্বাচনের আগে
এই পোস্টার দেখে তৃণমূলের যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বৃদ্ধি পেয়েছে তা একেবারে পরিষ্কার। তবে অবশ্য শাসক দল এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাদের দাবি তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এই পোস্টার দিয়েছে বিরোধীরা। তবে অবশ্য বিরোধীদল বিজেপির বক্তব্য নব্য ও তৃণমূল ও পুরাতন তৃণমূলের মধ্যে কে অরজিনাল নেতা প্রমাণ করতে তাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে তাদেরই নেতাদের এইরকম পোস্টার দিয়েছেন,
ভোটের মাত্র আর কয়েক ঘন্টা বাকি তার মধ্যে গোয়াল ঘরের গুতাগুতি শুরু কোতুলপুর ব্লকে এই গোঁতাগুতিতে ভোটের বাস্কের ফল কোন দিকে যায় সেই দিকে তাকিয়ে জেলার মানুষ। কি বলছেন এলাকার মানুষ কি বলছেন শাসক বিরোধী নেতারা, চলুন শোনাবো আপনাদের
বাঁকুড়া কোতুলপুর থেকে রঞ্জিত কুন্ডুর রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।













