বাঁকুড়া-গঙ্গাজলঘাটি, সংবাদদাতা:-দিব্যেন্দু গোস্বামী!

আবারও পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক যুবকের। শুক্রবার সন্ধ্যায় গঙ্গাজলঘাটি থানার অন্তর্গত কলগোড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ডুবেরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা, আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সি কাঞ্চন কুন্ডুর।

সূত্রের খবর, সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টা নাগাদ দুর্লভপুর-বড়জোড়া সড়কের কলগোড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র মোড়ে একটি ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। অভিযোগ, ট্রাকটির ইন্ডিকেটর বা পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক আলো জ্বলছিল না। সেই অবস্থায় বাইকে থাকা দুই আরোহী ট্রাকটিকে বুঝতে না পেরে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মারেন।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন দুই বাইক আরোহী—গঙ্গাজলঘাটি থানার ডুবেরডাঙ্গা গ্রামের কাঞ্চন কুন্ডু এবং মেজিয়া থানার সুকাবাদ গ্রামের তাপস আখুলি, দুজনেরই বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।

আহত দুজনকে প্রথমে অমরকানন ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাঞ্চন কুন্ডুর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। অপর আহত তাপস আখুলিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাঁকুড়া জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, গত ১৭ জুলাই থেকে ২১ আগস্ট—মাত্র এক মাস পাঁচ দিনের ব্যবধানে এই এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় মোট চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি।

বারবার দুর্ঘটনা, একের পর এক প্রাণহানি—তাহলে প্রশ্ন উঠছে, এই সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? রাতের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা ভারী যানবাহনের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলো, ইন্ডিকেটর ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে কি? দুর্ঘটনা রুখতে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি কি প্রয়োজন নয়?

পরপর পথ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। এখন তাঁদের একটাই প্রশ্ন—আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে?


Leave a Reply