Category: রাজ্য

  • লক্ষীর ভান্ডার মমতা ব্যানার্জির বাপের টাকা নয় এটা আপনার আমার ট্যাক্সের টাকা বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

    লক্ষীর ভান্ডার মমতা ব্যানার্জির বাপের টাকা নয় এটা আপনার আমার ট্যাক্সের টাকা বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপি করার অপরাধে লক্ষীর ভান্ডার বন্ধ করে দিলে তিনি দায়িত্ব নিয়ে চালু করে দিবেন এটা মমতা ব্যানার্জির বাপের টাকা নয় বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

    রঞ্জিত কুন্ডু–বাঁকুড়া

    আজ হুল দিবস, আর সেই হুল দিবস পালন বাঁকুড়ার রায়পুরে । শুক্রবার বিকেলে খাতড়ার এটিএম গ্রাউন্ড মাঠ প্রাঙ্গণে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার সাংসদ ড. সুভাষ সরকার,বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জ বিবেকানন্দ পাএ,রাষ্ট্রিয় এসটি মোর্চার সম্পাদক ক্ষুদিরাম টুডু সহ অন্যান্যরা।এদিন মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করে সুর চরান তিনি। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থীরা প্রচারে গিয়ে বলছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে!ওটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাপের টাকা নয়,কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের টাকা। আর মায়েদের লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দিলে তার সুদ সমেত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিবেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, সায়নি ঘোষের এডির জেরা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আজ এই পবিত্র হুল দিবস উপলক্ষে ওই সব নোংরা নাম নিবেন না এর পাশাপাশি তিনি আর কি বললেন শুনুন।

  • অনুব্রত নেই, তো কি হয়েছে ! তার দাওয়াই চরাম চরাম ঢাক নিয়ে প্রচারে কেষ্ট বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ।

    অনুব্রত নেই, তো কি হয়েছে ! তার দাওয়াই চরাম চরাম ঢাক নিয়ে প্রচারে কেষ্ট বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ।

    অনুব্রত নেই, তো কি হয়েছে ! তার দাওয়াই চরাম চরাম ঢাক নিয়ে প্রচারে কেষ্ট বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ।

    নানুরের দাপুটে নেতা। বীরভূমের তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখ। অনুব্রত বিরোধী মুখ হিসেবেই এই জেলায় তার নাম উঠে আসে। যদিও তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেন না। রাজনৈতিক কৌশলে আবার কেষ্টকে গুরুও বলেন। তবে গুরু জেলায় অনুপস্থিত। তিহার জেলে বন্দী। তো কি হয়েছে !

    গুরু কেষ্ট মন্ডলের দাওয়াই চরাম চরাম ঢাক নিয়ে বাড়ি বাড়ি পায়ে হেঁটে প্রচার করছেন ত্রিস্তর গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনের বীরভূম জেলা পরিষদের ১৯ নম্বর আসনের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কাজল শেখ।

    সোমবার সকাল সকাল বীরভূমের নানুর বিধানসভার থুপসারা অঞ্চলে সাঁতরা গ্রাম প্রচার করেন যেখানে দাপুটে তৃণমূলের নেতা পূর্ত কর্মদক্ষ ছিলেন কেরিম খান। এই সাঁতরা গ্রামে তার বাড়ি। সেই কেরিম খানের গ্রামে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় প্রচার শুরু করলেন কাজল শেখ। এদিন প্রচার নিয়ে টানা এক সপ্তাহ ধরে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন ৬০ টির উপর গ্রাম।

    কেষ্ট হীন বীরভূম জেলায় কাজল আশাবাদী। বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন তিনি। কারণ কাজল মানেই নানুরে ম্যাজিক ম্যান। ২০১৬ সালে তার জাদু বলে তৃণমূলকে হারিয়ে সিপিএমকে নানুর বিধানসভা পাইয়ে দিয়েছিল এমনটা অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবেই কাজল শেখ যে ভালো ফল করবে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরীক্ষায় তা বলার আর অপেক্ষা রাখে না।

    কাজী আমীরুল ইসলামের রিপোর্ট।।

  • সাতসকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা বাঁকুড়ার ওন্দায়

    সাতসকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা বাঁকুড়ার ওন্দায়

    লুপ লাইনে ২টি মালগাড়ির সংঘর্ষ, ইঞ্জিন নিয়ে বেলাইন ৬ বগি

    ভোর ৪টে নাগাদ এই দুর্ঘটনার জেরে আদ্রা-খড়গপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
    বাঁকুড়ার ওন্দায় লুপ লাইনে দুটি মালগাড়ির সংঘর্ষ। একটি ইঞ্জিন-সহ দুটি মালগাড়ির ৬টি বগি লাইনচ্যুত হয়। একজন চালক আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত প্ল্যাটফর্ম ও সিগন্যাল রুম। ভোর ৪টে নাগাদ এই দুর্ঘটনার জেরে আদ্রা-খড়গপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওন্দা স্টেশনের কাছে লুপ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে বাঁকুড়ার দিক থেকে আসা আরেকটি মালগাড়ি। বাঁকুড়ার দিক থেকে ডাউনে এসে ধাক্কা মারে ওই মালগাড়িটি। ২টি গাড়ির ৩টি করে বগি বেলাইন হয়ে যায়। একটির উপর আরেকটি রেক উঠে গিয়েছে। একটি ইঞ্জিন-সহ দুটি মালগাড়ির মোট ৬টি বগি লাইনচ্যুত হয়। স্থানীয়রাই চালকদের উদ্ধার করেন। ওভারহেড তারের ক্ষতি হয়েছে, ইঞ্জিনেরও ক্ষতি হয়েছে।

    একই লাইনে দুটি মালগাড়ি কী করে এল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রেলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। এখন এলাকায় রেলের উচ্চপদস্থ কর্তারা এসে পৌঁছেছেন।

    এক স্থানীয় বাসিন্দা বলছেন, ‘হঠাৎ খুব আওয়াজ। বাড়ি থেকে ছুটে এসে দেখি ট্রেনের উপর ট্রেন চেপে গিয়েছে। এসে দেখি ভিতরে পাইলট বসে। ওরা আওয়াজ দেয়। ওদের উদ্ধার করে নিয়ে প্ল্যাটফর্মে দিয়ে আসি।’ আরও এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘ভীষণ আওয়াজ, চমকে উঠে ছুটে এসেছি। যা দেখলাম অনেকটা ক্ষতি হয়েছে। কতগুলো বগি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পোস্ট, ওভারহেড তারে ক্ষতি হয়েছে। একটার উপর আরেকটা রেক উঠে গিয়েছে।’
    কয়েকদিন আগেই ওড়িশার বালেশ্বরে করমন্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার ক্ষত এখনও তাজা। মারা গিয়েছিলেন প্রায় ৩০০ যাত্রী। আহত হাজারেরও বেশি। লুপ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়িতে গিয়ে ধাক্কা মেরেছিল যাত্রিবাহী ট্রেন। ওই দুর্ঘটনা নিয়ে এখন সিবিআই তদন্ত চলছে। মেন লাইনের সিগন্যাল থাকলেও কীভাবে লুপ লাইনে এসে ঢুকেছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস – তা নিয়ে এখন বিস্তর কাঁটাছেঁড়া চলছে। গাফিলতি থেকে ষড়যন্ত্র- একাধিক অভিযোগ উঠে আসছে। সেই আবহেই এবার বাঁকুড়ার ওন্দাতেও প্রায় একই ঘটনা ঘটল। একটি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও সেখানে এসে পড়ল অন্য একটি মালগাড়ি। সংঘর্ষও হল। মালগাড়ি বলে হয়তো সেই অর্থে প্রাণহানি হয়নি, তবে ক্ষতি হয়েছে রেলের সম্পত্তির। যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    একই লাইনে দুটি মালগাড়ি কী করে এল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রেলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। এখন এলাকায় রেলের উচ্চপদস্থ কর্তারা এসে পৌঁছেছেন।

  • রাজ্যে ভোটে হিংসার ঘটলে তার দায়কার প্রশ্ন তুললেন বিরোধীরা।

    রাজ্যে ভোটে হিংসার ঘটলে তার দায়কার প্রশ্ন তুললেন বিরোধীরা।

    রাজ্যে ভোট ঘোষণা হতেয় শুরু রাজনৈতিক তরজা,রাজ্য নির্বাচন কমিশন কি পারবে এক দফায় ভোট করাতে?
    রাজ্যে ভোটে হিংসার ঘটলে তার দায়কার প্রশ্ন তুললেন বিরোধীরা।

    ➡️ রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট– ৮ জুলাই। (দার্জিলিং, কালিম্পং ২ স্তর বাকি সব ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত)

    ➡️ ৮ জুন থেকে জারি নির্বাচনী বিধি (মডেল কোড অফ কনডাক্ট)
    ➡️ ৯ জুন থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারবে
    ➡️ ১৫ জুন পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে
    ➡️ ২০ জুন মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন
    ➡️ অনলাইনে মনোনয়নের কোনও পরিকল্পনা নেই কমিশনের

    ➡️ নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না রাত ১০ টা থেকে সকাল ৮ টা পর্যন্ত
    ➡️ পঞ্চায়েতের প্রচার করা যাবে ৬ জুলাই পর্যন্ত

    ➡️ ভোট গণনা ১১ জুলাই

  • কলাপাতায় মোরা এগরা বিস্ফোরণ কান্ডের মূল অভিযুক্তর দেহ, মারা গেলেন ভানু বাগ, এখন বিস্ফোরণ কান্ডের তদন্তর কি হবে প্রশ্ন একটাই?

    কলাপাতায় মোরা এগরা বিস্ফোরণ কান্ডের মূল অভিযুক্তর দেহ, মারা গেলেন ভানু বাগ, এখন বিস্ফোরণ কান্ডের তদন্তর কি হবে প্রশ্ন একটাই?

    কলাপাতায় মোরা এগরা বিস্ফোরণ কান্ডের মূল অভিযুক্ত ভানুবাগের দেহ, মারা গেলেন ভানু বাগ, এখন বিস্ফোরণ কান্ডের তদন্তর কি হবে প্রশ্ন একটাই?

    ভানুবাগের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের দানা বাঁধছে এলাকার মানুষের মধ্যে। সূত্রে খবর রাত্রিতে সিআইডির কাছে গোপন জবাববন্দী দেবার পরই মারা যায় ভানু বাগ ওরফে কৃষ্ণপদ বাগ। উড়িষ্যার কটকে বেসরকারি হাসপাতালে মারা যায়। বাবার মৃত্যুর পরেই ছেলে পৃথ্বীরাজ কে উড়িষ্যা থেকে আনা হয় এগরা পুলিশ স্টেশনে, সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হবে কাঁথি আদালতে। কলাপতায় মোরা ভানুবাগের আচমকায় মৃত্যু ঘটনায় রহস্যের দানা বাঁধছে সকলের মনে,তার কারণ এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তিনিই মারা গেছেন এখন তদন্তের মোড কোন দিকে ঘুরে, সেটাই এখন দেখার। তবে এখন পর্যন্ত এলাকা থমথমে পরিস্থিতি রয়েছে তবে করা পুলিশি নজরদারি রয়েছে এলাকায়।

    পূর্ব মেদিনীপুর থেকে অংশুমানপন্ডার রিপোর্ট বাংলা সার্কেল নিউজ।

  • কি এমন হলো এবছর বালির এত দাম কেন? প্রশ্ন অধরা, ট্রাক্টর মালিকদের বিক্ষোভ নারাঙ্গির ঘাটে

    কি এমন হলো এবছর বালির এত দাম কেন? প্রশ্ন অধরা, ট্রাক্টর মালিকদের বিক্ষোভ নারাঙ্গির ঘাটে

    বৈধ ঘাটে অবৈধভাবে বালি তুলা কে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে জয়পুর বি এল আরও যেতেয় বন্ধ জয়পুর ব্লকের হেতিয়া নারানগির বালিঘাট

    রঞ্জিত কুণ্ডু–বাঁকুড়া

    গত এক বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে দিন কয়েক আগে বালিঘাট খুলেছে ব্লকে তাও আবার একটিমাত্র ঘাট। সেই সুযোগ্যে কাজে লাগিয়ে ১০০ সিএফটি বালি ৩২০ টাকায় কিনেছে সরকারের কাছ থেকে,তার সাথে সরকারি রয়েলিটি ৩৬০ টাকা। জিএসটি ৪০ টাকা। মোট খরচ একটা একটা বালির দাম ৮০০ টাকা লেবার নিয়ে হাজার টাকা দাম হওয়ার কথা সেখানে আকাশ ছোঁয়া বালির দাম।বালি কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ছেঁকা, একই প্রচণ্ড রোদে হাস ফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের, তার উপর বাড়ি করতে গিয়ে বালির দামের ছেঁকায় হার্ট এটাক অবস্থা সাধারণ মানুষের।
    গত এক’বছর ধরে ঘাট বন্ধ থাকার কারণে একেবারেই চরা দামে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ট্রাক্টর বালি কিনতে হচ্ছিল, এলাকার মানুষ দের।ভেবেছিলেন বালিঘাট খুললে হয়তো দাম কমবে কিন্তু ঘাট খুললেও দাম সেই একই। যেখানে বিক্রি করার কথা ১ হাজার টাকায় সেখানে ঘাট মালিক কালোবাজারি করছে বিক্রয় করছে ২৮০০ টাকায়। বালিঘাট থেকে ট্রাক্টার মালিকদের বালি কিনতে হচ্ছে। তারা ৩৫০০ টাকায় বালি দিতে বাধ্য হচ্ছেন এমনটাই জানান ট্রাক টার মালিকরা। কিন্তু কেন এত দাম গত বছর সাধারণ মানুষ ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকায় বালি কিনছিলেন কি এমন হলো এক বছরে যা দু গুণের থেকেও বেশি টাকা দাম হয়ে গেল শ্রেণী ঘাট মালিকদের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অবশ্য সাধারণ মানুষ ও ট্রাক্টর মালিকরা বিক্ষোভ দেখান দুদিন ধরে, তবুও ঘাট মালিকের দাম কমানোর কোন বালাই নেই। এলাকার স্থানীয় মানুষজন অভিযোগ করেন একই তো জেলা পরিষদের রাস্তার উপর দিয়ে দশ টনের বেশি মাল নিয়ে যাওয়া যায় না সেখানে ওভারলোড বালি অনবরত যাচ্ছে তার উপর বালিঘাট থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে ওজন করা কম্পিউটার মেশিন থাকার কথা তারও কোন নাম গন্ধ নেই এলাকায়। প্রায় ৭ থেকে ৮ কিল মিটার দূরে কাটা মেশিন রয়েছে সেখানে ওভারলোড বালি গাড়ি ওজন হচ্ছে এবং ওভারলোড বালি সেখানে খালি করে সেই বালি বিনা চালানে এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছেন বালি ঘাটের মালিক, তাও আবার কম টাকায়। সেখানে যারা ট্রাক্টারে করে বালি ব্যবসা করছেন তাদেরকে ওই বালি খাদ থেকেই দাম দিয়ে বালি কিনতে হচ্ছে আর ঘাট মালিক নিজের ট্র্যাক্টারে করে ও নিজের লরি করে কম টাকায় বালি এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছেন। যার ফলে ট্রাক্টর মালিকদের মধ্যে বিক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং দুদিন ধরে তারা বিক্ষোভ দেখান, পরে ঘাট মালিক ট্রাক্টর মালিকদের সাথে বসে কথা বললে আশ্বাস দেন কম টাকায় বালি দেবেন কিন্তু কিছুই করলেন না ঘাটের মালিক এমনটাই অভিযোগ করছেন ট্র্যাক্টর মালিকরা। যা নিয়ে শুরু হয় বালিঘাটে বিতর্ক, ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যান জয়পুর ব্লকের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক গুণধর মন্ডল, আর ঘাটে গিয়ে পৌঁছাতেই বিশৃঙ্খলা আরো চরণে পৌঁছায় বন্ধ করে দেন বালিখাদ, বালিখাদ বন্ধ থাকার কারণ জানতে পারা যায় স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে একটি চালনে ৭থেকে ৮ ঘন্টা সময় রয়েছে তা সত্ত্বেও বি এল আর ও বালির চালানের উপর সই করে দিয়ে চালান নষ্ট করে দিচ্ছেন যা নিয়ে রীতিমতো টাকটার মালিকদের রুজি রোজগার কমে যাচ্ছে। অনেকে আবার দাবি করেন বিএল আরো নাকি ঘাটে গিয়ে টাকার দাবি করেন তবে অবশ্য বি এল আর অফিসার এই অভিযোগ মানতে নারাজ তিনি ঘাট থেকে বালি তোলা বন্ধর কারণ তিনি নিজেও জানেন না বলেই তিনি জানান।
    তবে প্রশাসনের কোন ভক্ষেপ নেই সাধারণ মানুষের জন্য বালির দাম কমানোর। তাতে দাম কম হোক বা বেশি। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন প্রশাসন যদি এই বালির দামের উপর নজর দেন তাহলে হয়তো আগামী দিনের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে তা না হলে আর কোন উপায় নেই চড়া দামেই বালি কিনতে হবে।

  • ভারতবর্ষের ২৮ টি রাজ্য পায়ে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গর বাঁকুড়া জেলার জয়পুরে প্রবেশ করলেন দীর্ঘ সাত মাস পর কর্নাটকের মাইসুরুর যুবক কৃষ্ণ নায়েক ।

    ভারতবর্ষের ২৮ টি রাজ্য পায়ে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গর বাঁকুড়া জেলার জয়পুরে প্রবেশ করলেন দীর্ঘ সাত মাস পর কর্নাটকের মাইসুরুর যুবক কৃষ্ণ নায়েক

    ভারতবর্ষের ২৮ টি রাজ্য পায়ে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গর বাঁকুড়া জেলার জয়পুরে প্রবেশ করলেন দীর্ঘ সাত মাস পর কর্নাটকের মাইসুরুর যুবক কৃষ্ণ নায়েক

    রঞ্জিত কুন্ডু–বাঁকুড়া

    সারা ভারতবর্ষে মানুষকে যোগ ব্যায়াম সম্বন্ধে ধ্যান ধারণা দিতেই পায়ে হেঁটে ভারত বর্ষ ভ্রমণে বেরিয়েছেন কৃষ্ণ নায়েক। দীর্ঘ ছমাস পায়ে হেঁটে বিভিন্ন রাজ্য ঘুরে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার জয়পুর ব্লকের কুচিয়াকোল গ্রামে এসে পৌঁছান গতকাল। আজ সকালে হালকা টিফিন সাড়ার পর আবারো পায়ে হেঁটে ভারত ভ্রমণনে বের হয়ে যান। পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করার থেকেই গ্রাম গঞ্জের বিভিন্ন ব্লকের মানুষ কৃষ্ণ নায়কের পাশে দাঁড়া এবং কৃষ্ণ বাবুর এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এলাকার মানুষ। কারণ উনি যে কাজটা করতে বেরিয়েছেন যোগ ব্যায়াম অর্থাৎ শরীর চর্চা আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের প্রয়োজন। যোগ ব্যায়াম করলে আমাদের দেহের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও শরীরচর্চার ফলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর কৃষ্ণ বাবু এই কাজটাই করতে বেরিয়েছেন সারা ভারতবর্ষ জুড়ে ভারতবর্ষের মানুষকে একটাই বার্তা, আপনি যতই কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকুন তার মাঝেই যোগ ব্যায়াম করে আপনি আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারবেন।তাই এই বার্তা নিয়ে কর্ণাটক থেকে পায়ে হেঁটে গতকাল প্রবেশ করেন জয়পুর ব্লকে, বিকালে এলাকার মানুষদের সঙ্গে নিয়ে যোগ ব্যায়াম প্রশিক্ষণ দেন এবং সেই প্রশিক্ষণ নিলেন কুচিয়াকল গ্রামের একাধিক মানুষ।
    সারা ভারতবর্ষ পায়ে হেঁটে যোগব্যায়ামকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে অভিনব উদ্যোগ কর্নাটকের এই যুবক। আজ সকালে পায়ে হেঁটে আবারো পরবর্তী গন্তব্য স্থলের জন্য বেরিয়ে পড়েন আমাদের চ্যানেলের প্রতিনিধির ক্যামেরার মুখোমুখি হতে তিনি কি বললেন চলুন শোনাবো আপনাদের।

  • উপচে পড়া ভিড় দিঘায়, কালোবাজারি শুরু হোটেল ও লজ ব্যবসায় অভিযোগ পর্যটকদের।

    উপচে পড়া ভিড় দিঘায়, কালোবাজারি শুরু হোটেল ও লজ ব্যবসায় অভিযোগ পর্যটকদের।

    গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ কমতেই পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দিঘায়

    নিজস্ব প্রতিনিধি:-

    গ্রীষ্মের দাবদাহ কমতেই হাজার হাজার পর্যটকের ভিড় দিঘায়, আর প্রচুর পর্যটক জমতেই রুমের ভাড়া ও খাওয়া দাওয়া খরচ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে হোটেল ব্যবসায়ীরা।
    এতটাই পর্যটক হয়েছে যে একটিও হোটেল ফাঁকা নেই যে টাকা খাওয়া ও থাকার ভাড়া হওয়ার কথা তার তুলনায় দ্বিগুণ তিন গুণ হোটেল মালিকরা হোটেলের দাম নিচ্ছে অভিযোগ পর্যটকদের।কিন্তু কিছু করার নেই দীঘায় এসে তো থাকতে হবে, সেই কারণে দাম বেশি হলেও পর্যটকরা সংকোচ না করে আনন্দ উপভোগ করবে বলে বেশি দাম দিয়েও হোটেলে রুম নিতে হচ্ছে শুধু কি হোটেলের দাম পর্যটকরা নাজিয়াল হয়ে যাচ্ছে খাওয়ার জিনিস কিনতে যাওয়ায় যেখানে সাধারন মানুষের নাগালের মধ্যে ছিল সেখানেও দেখা গেল বেশ পরিমাণ দাম বেশি সবকিছু ছেড়ে দিয়ে পর্যটকরা বেশ আনন্দ উপভোগ করছে সুন্দরী দীঘায় শুধু কি দীঘা পাশে প্রার্থী পাওনা পেয়েছে শংকরপুর। সবকিছু মিলে ঠাসাটাশি ভিড় দিঘা থেকে শংকরপুর।

  • ডিয়ে বৈঠকের ফল জিরো, হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য বসলেও মিলল না ফল।

    ডিয়ে বৈঠকের ফল জিরো, হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য বসলেও মিলল না ফল।

    ডিয়ে বৈঠকের ফল জিরো, হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য বসলেও মিলল না ফল।

    রাজ্যের মাল কিন যে কথা বলেন তারই ভিত্তরা সেই কথাই বলে গেলেন দাবি বৈঠককারীরা।
    হাইকোর্টের নির্দেশে ডিএ আলোচনায় বসলেও সেই আলোচনায় কোন সদুত্তর পাওয়া গেল না। নিট ফল এক কথায় জিরো ।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে কথা বলেন সেই কোথায় তার দলের আমলারাও একই কথা বলেন দল চলছে না সার্কাস চলছে? দলের নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্য সচিব আমি দুধে মিশে একাকার। কোনটা দলের কথা? কোনটা সরকারের কথা বোঝাই দায়। সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে তার প্রমাণ আজকে দিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব। তিনি বলেন রাজ্যের কোন ফান্ড নেই ডিএ দেয়া যাবে না সংস্থান ফ্রান্ড হলে তবেই দিয়া দেয়া যাবে এবং কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে কোন টাকা পাওয়া যায়নি তাই টাকা দেয়ার কোন উপায় নেই বলেই দাবি করেন আন্দোলনকারী। তবে এখন দেখার বিষয় আন্দোলন নিয়ে আগামী ৬ তারিখ মহা মিছিলের ডাক দেন। এখন দেখাও লাগাতার আন্দোলন মিছিল করেই চলেছে আন্দোলনকারীরা, তাতেও রাজ্য সরকারের কোন হেলদোল নেই। হাইকোর্টের নির্দেশে জোরপূর্বক বৈঠকে বসলেও তার উত্তর অধরাই রয়ে গেল। নিট ফল এক কথায় জিরো ।এখন দেখার ডি এ আন্দোলনকারীরা কি ফল রাজ্য সরকারের কাছ থেকে পায়, সেটাই এখন দেখার।

  • ১০০ নয়, ৫০০ কোটির খেলা, কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে’, বিস্ফোরক দাবি তাপস মণ্ডলের

    ১০০ নয়, ৫০০ কোটির খেলা, কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে’, বিস্ফোরক দাবি তাপস মণ্ডলের

    ১০০ নয়, ৫০০ কোটির খেলা, কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে’, বিস্ফোরক দাবি তাপস মণ্ডলের
    কোর্ট থেকে বেরিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তাপস মণ্ডলের, কুন্তল তো বলেছে ইডিসিবিআই টিকি ছুতে পারবে না, সম্পূর্ণ টাকা হাওলা মারফত বাইরে খাটছে। সম্পূর্ণ টাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর নাম করে একাই খেয়েছে, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কুন্তল ঘোষ তিনি বারবার দাবি করেছেন ইডি সিবিআই জোর করে তাকে দিয়ে বলানোর চেষ্টা করা নিয়ে তিনি বলেন সম্পূর্ণ নাটক করছেন কুন্তল ঘোষ তিনি সিবিআই জোর করে কথা বলানো ব্যাপার নিয়ে তিনি দাবি করেন কোন কিছুই জোরপূর্বক করছে না সিবিআই ও ই ডি।
    কুন্তল ঘোষ এখনো জেলে বসেই দুর্নীতির খেলা খেলছেন বলেই তিনি দাবি করেন।